ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোদির নতুন বার্তা ও শিক্ষাসচিব অপসারণ, কোনদিকে গড়াচ্ছে ‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলন?


মোদির নতুন বার্তা ও শিক্ষাসচিব অপসারণ, কোনদিকে গড়াচ্ছে ‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলন?

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে গঠিত তরুণদের নতুন প্লাটফর্ম ককরোচ (তেলাপোকা) জনতা পার্টি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার তদন্ত ও বিচারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান এ আন্দোলন ইতোমধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে।

প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাদের এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। তবে, মাঝপথে এসে আন্দোলনে লক্ষ্য করা যাচ্ছে একটি নতুন মোড়।

গভীর রাতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে একটি নতুন বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। সেইসঙ্গে রাতেই কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বিনীত জোশীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের বিধান এবং কঠোর শাস্তির প্রস্তাবসহ একটি খসড়া বিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া পোস্টে মোদি লিখেন, আগামীকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।

তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি জানি, প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকের জন্য এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। গত আড়াই মাসে সরকার এ ঘটনায় একাধিক বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হতে না দেওয়া। তাই অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করা হয়েছে এবং সম্প্রতি ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

মোদি আরও বলেন, আমরা এখানেই থেমে থাকছি না। আমি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। তারা রাতভর কাজ করে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। এতে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আগামীকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে এটি নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি জানান, মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামত যুক্ত করে বিলটির চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে এবং সংসদের চলতি অধিবেশনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এটি দ্রুত পাস করানোর চেষ্টা করা হবে।

মোদির প্রতিশ্রুতির পরে ২৭ দিনের মাথায় হাসপাতালের খাটে বসেই অনশন প্রত্যাহার করেছেন ওয়াংচুক। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী গীতাঞ্জলি জৈন আংমো। হাসপাতালে গিয়ে ওয়াংচুকের অনশন ভাঙান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংহ। অনশন প্রত্যাহারের পরে ওয়াংচুকের সম্মানে হাসপাতাল উপস্থিত বেশ কিছু ব্যক্তি তাকে উত্তরীয় পড়িয়ে সম্মান জানান।

সোনম ওয়াংচুক অনশন ভাঙার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পোস্টে তিনি সোনম ওয়াংচুকের চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে এবং দ্রুত তার পুরোনো স্বাস্থ্য ও ওজন ফিরে পেতে সুস্থতা কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: বটিয়াঘাটায় তিন গুলির ঘটনায় গ্রেফতার নেই, ওসি প্রত্যাহার

শুধু তাই নয়; কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ আমলা বিনীত জোশীকে সরিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন নরেশ গাঙ্গোয়ার। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এখনও বহাল তবিয়তে আছেন। আর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অন্যতম দাবি হলো তাকে অপসারণ করতে হবে। তাই দাবি সম্পূর্ণ আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে তারা এখনও অটল রয়েছে।

তবে, আন্দোলনকারীদেরকে আলোচনায় বসানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে মোদি সরকার। সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার পর সেখান থেকে সেই আলোচনার পথ এখন অনেকটা সহজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে মোদির সব প্রতিশ্রুতিকে ভণ্ডামি বলে আখ্যা দিয়েছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন ও পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ করে তার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি তুলেছে কংগ্রেস ও বিরোধী অন্য কয়েকটি দল। গত মঙ্গলবারের এ ঘটনার পর রাহুল গান্ধী এমনও দাবি করেছেন, পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় তার কানে কানে সরকার পতনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তরুণদের শিক্ষা সংস্কারের আন্দোলনে ঢুকে রাহুল গান্ধীর এসব ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ঝেড়েছেন আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদাতা সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমো। প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমনপীড়নের জবাবে রাহুল গান্ধীর আকস্মিক বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই পরিবেশ আন্দোলনকর্মী।

আরও পড়ুন: হাম উপসর্গে দেশে আরও ২ জনের মৃত্যু

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করে গীতাঞ্জলি বলেন, ২১ জুলাইয়ের এই আন্দোলন ছিল কেবল ‘অসৎ ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা। রাজনীতিকরণ না করে যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের পাশে এসে সরাসরি দাঁড়ানো উচিত ছিল কংগ্রেস নেতাদের।’

গীতাঞ্জলি অ্যাংমো বলেন, রাজনীতিবিদরা এখন ওয়াংচুক ও তার সুনামকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সাধারণ জনগণ ও তরুণ সমাজকে আর বোকা বানানো যাবে না।

সব মিলিয়ে ভারতে চলমান আন্দোলনে দ্বিধাবিভক্তির ইঙ্গিত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আন্দোলনে নিজের অবস্থান কিছুটা শিথিল করেছেন ওয়াংচুক। তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনায় তাকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

এতে অচলাবস্থা কাটার সম্ভাবনা তৈরি হলেও সিজেপি এখনও নিজেদের অবস্থানে অনড়। সম্পূর্ণ দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তরুণদের এই প্লাটফর্ম। আন্দোলনে শিক্ষার্থী ও দেশের জনগণের সমর্থনও চেয়েছে তারা। ফলে, কেন্দ্রের আলোচনার আহ্বান ও সংসদে আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা এলেও এখনও মোদি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসেনি আন্দোলন।

আরও পড়ুন: আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা, ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সরবরাহ কম, সবজি-মাছের ক্রেতাদের হাঁসফাঁস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সরবরাহ কম, সবজি-মাছের ক্রেতাদের হাঁসফাঁস

টানা বৃষ্টি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যার প্রভাব এবার রাজধানীর কাঁচাবাজারে পড়েছে। এই বৃষ্টির ফলে ক্ষেতে ফসলের ক্ষতি ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম আরও বেড়ে গেছে। একই সময় ঊর্ধ্বমুখী ব্রয়লার মুরগি এবং মাছের বাজারও দেখা যাচ্ছে। ফলে, আজ সপ্তাহের বাজার করতে এসে সাধারণ মানুষ বাড়তি খরচ গুনতে বাধ্য হচ্ছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের বেশ কিছু বাজার ঘুরে এমন চিত্র ধরা পড়েছে।

অতিবৃষ্টি এবং সাম্প্রতিক বন্যায় বিভিন্ন জেলার সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকা থেকে নিয়মিত সবজি রাজধানীতে পৌঁছাতে পারছে না। এর ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে গেছে। বর্তমানে বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে, কিছু কিছু সবজি সেই সীমাও ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ২৪০ টাকায় রয়েছে। কোথাও কোথাও ২৬০ টাকারও বেশি দাম দেখা যাচ্ছে। শসার দাম ১২০ টাকা, বরবটির দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটলের দাম ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়সের দাম ৬০ টাকা, পেঁপের দাম ৪০ টাকা, বেগুনের দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে, পেঁয়াজ ৬০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউয়ের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, "বন্যার কারণে অনেক এলাকার সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার যেসব এলাকা থেকে সবজি আসছে, সেখান থেকেও সরবরাহ কম। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরা বাজারেও দাম বাড়াতে হচ্ছে।"

আরেক বিক্রেতা মো. শাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, "বৃষ্টির কারণে পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে। ট্রাক সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা কম।"

সবজির বাড়তি দামে হতাশ ক্রেতারা। বাজার করতে আসা মো. তাহের বলেন, "প্রতি সপ্তাহেই বাজারে এসে নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আগে ১ হাজার টাকায় কয়েক দিনের বাজার হয়ে যেত, এখন শুধু সবজি কিনতেই সেই টাকা শেষ হয়ে যায়।"

গৃহিণী সাবিনা আক্তার বলেন, "কাঁচামরিচ, শসা, বেগুন-সবকিছুর দাম অনেক বেশি। সংসারের খরচ বারবার পরিবর্তন করতে হচ্ছে। প্রয়োজনের সব জিনিস আর কেনা যাচ্ছে না।"

অন্যদিকে, মুরগির বাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বগতি। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগির দাম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে। মুরগি বিক্রেতা রুবেল হোসেন বলেছেন, "খামার থেকেই মুরগির দাম বেশি। সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম থাকায় খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে।"

মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজার অতীতে স্থিতিশীল রয়েছে। লাল ডিম প্রতি ডজন ১৩৫ টাকা এবং সাদা ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান জানান, "ডিমের সরবরাহ এখন মোটামুটি স্বাভাবিক হয়েছে। তাই গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি করছি।"

তবে মাছের বাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বর্তমানে রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, কাতলা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতারা বলছেন, "বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে মাছ আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। তাই কয়েকটি প্রজাতির মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা চান বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৪ এম


অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা চান বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি সম্প্রতি নেতানিয়াহু এলে তাকে গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার তার সে কথারই প্রতিধ্বনি করল আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংস্থাটি।

অ্যামনেস্টির গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, পলিসি ও ক্যাম্পেইন বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক এরিকা গুয়েভারা রোসাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের উচিত মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো।"

এর আগে নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র জোহরান মামদানি জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। তার প্রশাসনের আইন বিভাগ বিষয়টি সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করছে। মামদানির স্পষ্ট কথা, "আমি বিশ্বাস করি, নেতানিয়াহুর স্থান দ্য হেগে। তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী।"

উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা চলাকালে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই পরোয়ানার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন। মেয়র মামদানির সাম্প্রতিক বক্তব্যকেও "নিছক রাজনৈতিক নাটক" বলে আখ্যা দিয়েছেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয়।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু জানিয়েছেন মামদানির এই গ্রেপ্তার-হুমকি নিয়ে তিনি একেবারেই উদ্বিগ্ন নন। জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যাননও নিশ্চিত করেছেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে আসবেন এবং গর্বের সঙ্গে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়ে ইসরায়েলের সত্য ও আত্মরক্ষার অধিকার তুলে ধরবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে মাসুদ মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


ভৈরবে মাসুদ মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির গ্রেপ্তার

ভৈরবে আলোচিত মাসুদ মিয়াকে হত্যা করার ঘটনায় মেঘনা নদীতে লাশ গুমের চেষ্টার মামলার প্রধান ও পলাতক আসামি মো. সাব্বির মিয়া (৩২)-কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্প। র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জের কুলিয়াচর বাজার এলাকা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত মাসুদ মিয়া (৪৫) বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর শ্যামপুরপাড়া এলাকার একজন বাসিন্দা ছিলেন। র‌্যাবের তথ্যমতে, সাব্বির মিয়া ও তার সহযোগীদের সঙ্গে মাসুদ মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তরা মাসুদের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী মোছা. হাছনারা (৩৯)-এর সামনে থেকে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মাসুদ নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার পর মাসুদের স্ত্রী বাজিতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মেঘনা নদীতে মাসুদ মিয়ার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. হাছনারা বাদী হয়ে ভৈরব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান আসামি সাব্বির মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন। র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পের গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাব আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন সিনেটে ট্রাম্পের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


মার্কিন সিনেটে ট্রাম্পের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব বাতিল

ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাস হলেও তা উচ্চকক্ষে সিনেটে বাতিল হয়ে গেছে। এই প্রস্তাবটি ডেমোক্র্যাটদের দ্বারা আনা হয়েছিল। সিনেটে ভোটাভুটিতে ৪৭-৪৯ ভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি আটকে যায়।

রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স দলের সিদ্ধান্ত ভেঙে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও, ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান বিপক্ষে ভোট দেন। এর আগে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ২১৪-২০৮ ভোটে ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি প্রমিলা জয়পালের উপস্থাপিত এই যুদ্ধক্ষমতা প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছিল। যেখানে দেখা যায়, চারজন রিপাবলিকান প্রতিনিধি দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন জানিয়েছেন।

প্রস্তাবটিতে উল্লেখ রয়েছে যে, কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন ছাড়া ইরান থেকে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হবে। চলতি মাসের শুরুতে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ইরান ও মার্কিন বাহিনীর মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যে, জর্ডান ও ইরাকে ইরানি হামলায় চার মার্কিন সেনার মৃত্যু হলে মোট প্রাণহানি ১৮ জনে পৌঁছায়। এই বিষয়টি মার্কিন রাজনীতিতে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

ওয়াশিংটনে ডেমোক্র্যাট নেতারা ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক ও অনুমোদনহীন যুদ্ধ বলে আখ্যা দিলেও, রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে শেষ পর্যন্ত সিনেটে এই আইনি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%