ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীমান্তে দীর্ঘ সময় আটকে ৬ বাংলাদেশি, সংকট অমীমাংসিত


সীমান্তে দীর্ঘ সময় আটকে ৬ বাংলাদেশি, সংকট অমীমাংসিত

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায়, দুই শিশু সন্তানসহ টানা ৬০ ঘণ্টা ধরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সুমি আক্তার ও বেলাল হোসেন দম্পতি। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করলেও, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় এখনও তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

সুমি ও বেলাল দম্পতি, তাদের দুই শিশুসন্তান এবং আরো দুজনসহ মোট ছয়জন বর্তমানে ওই এলাকায় আটকা রয়েছেন। একই সময়ে, রৌমারীর বড়াইবাড়ি ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ আরো তিনজনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।

স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, গত রবিবার (১৪ জুন) ভোরে, গয়টাপাড়া ও বড়াইবাড়ি ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ মোট নয়জনকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। কাঁটাতারের কাছে নিয়ে আসা হলেও, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত, তারা শূন্যরেখার কাছেই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন। ফলে তারা ভারতেও ফিরতে পারছেন না, আবার বাংলাদেশেও প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন না।

সরেজমিনে দেখা যায়, সীমান্তের এক পাশে বিএসএফ এবং অন্য পাশে বিজিবি অবস্থান করছে। মাঝখানে, দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় বসে আছেন সুমি ও বেলাল। সুমির কোলে রয়েছে ছয় মাস বয়সী শিশু ফাইমা এবং বেলালের কোলে চার বছর বয়সী শিশু ফাতেমা।

জানা গেছে, সুমি আক্তার ও বেলাল হোসেনের বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামে। কয়েক মাস আগে, তারা সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন বলে জানা গেছে। পরে, বিএসএফ তাদের আটক করে রবিবার ভোরে সীমান্তে নিয়ে আসে।

বিজিবির দাবি, সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে রৌমারীর দুটি সীমান্ত দিয়ে নয়জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বিএসএফের দাবি, সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক। ভুক্তভোগীরাও নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের বিষয়টি যাচাই না হওয়া পর্যন্ত, তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বিজিবি।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে, বিজিবি ও বিএসএফের কম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও, কোনো সমাধান কিছুই হয়নি। গয়টাপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তারা এখনো শূন্যরেখার কাছে অবস্থান করছেন। কম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে, তবে এখনো কোনো সমাধান হয়নি।’

তিনি আরো জানান, বিএসএফ তাদের কম্বল, পলিথিন ও খাবার দিয়েছে। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দারাও খাবার ও ছাতা দিয়ে সহযোগিতা করছেন।

শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত এলাকায় গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিএসএফ পুশ ইনের চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমরা তাদের প্রবেশ করতে দিইনি। গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত, তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’

আরও পড়ুন: জাতীয় নিরাপত্তা সড়ক দিবস ২০২৬ পালিত হল জেলা প্রশাসন কার্যালয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক’ হিসেবে ইরানের প্রশংসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


‘গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক’ হিসেবে ইরানের প্রশংসা

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম ইরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং দেশটিকে ‘গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তেহরানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের কাছে তিনি এসব কথা জানান। সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে যে, ইসরায়েলকে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ইরান বাধ্য করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। কাসেম বলেন, ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চুক্তির প্রথম এবং মৌলিক শর্তই ছিল লেবাননসহ সব ফ্রন্টে ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সবসময় বলে এসেছি, ইরান হিজবুল্লাহ, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং লেবাননের জনগণকে অনেক কিছু দিয়েছে, কিন্তু বিনিময়ে কিছুই নেয়নি। তারা আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে, আমাদের ভূমি মুক্ত করার শক্তি দিয়েছে, সমাজের ক্ষত সারিয়ে তুলতে এবং জনগণকে সহায়তা করতে সাহায্য করেছে।’

কাসেম ইরানের সাম্প্রতিক ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘আজ ইরান রক্ত দিচ্ছে, বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বোমা হামলার জবাবে জায়নবাদী সত্তার বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে এবং যুদ্ধের হুমকিসহ নানা পরিণতির মুখোমুখি হচ্ছে। পাশাপাশি তারা বিপুল ত্যাগও স্বীকার করছে।’

তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—ইরান গর্ব ও মর্যাদার এক প্রতীক।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে মাদকাসক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


মাদারীপুরে মাদকাসক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃএকত্রীকরণ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসক, সমাজকর্মী, শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এই সেমিনারটি মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জুয়েল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রবিউল ইসলাম, এবং পরিদর্শক মো. ফরহাদ আকন্দ।

সেমিনারে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি পরিবার ও সমাজের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই মাদকাসক্তদের জন্য মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তাদের যথাযথ চিকিৎসা, কাউন্সেলিং এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত ও সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। আয়োজকরা জানান, মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেমিনার ও সচেতনতা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলার ঘটনাকে ভাইরাল করার চেষ্টা বলল ছাত্রদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


হামলার ঘটনাকে ভাইরাল করার চেষ্টা বলল ছাত্রদল

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান অভিযোগ করেছেন যে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া ও মারধর করেছেন। কিন্তু ছাত্রদল এই অভিযোগটি ‘ভাইরাল হওয়ার অপচেষ্টা’ ও ‘সাজানো নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় কোনো মামলা না হলেও পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গত ১০ জুন। সেদিন মাহদী হাসান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে দাবি করেন যে, শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকা থেকে ড্রাইভিং পরীক্ষা শেষে ফেরার পথে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে ধাওয়া করেন। পরে তিনি লাইভ চালু রেখেই হবিগঞ্জ সদর থানায় আশ্রয় নেন এবং বিষয়টি পুলিশকে জানান।

মাহদীর অভিযোগ মতে, পরদিন ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জমা দিতে গেলে ফের হামলার শিকার হন তিনি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে একদল যুবক তার পথরোধ করে মারধর করেন বলে তার দাবি। পরে, স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মাহদী হাসান দাবি করেছেন যে, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ, মুজাক্কির হোসেন ইমন, রক্সিসহ ১৫ থেকে ২০ জন তার ওপর হামলায় অংশ নিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন যে, প্রয়োজনীয় ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের পর আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

এদিকে হামলার বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেছেন, প্রথম ঘটনায় মাহদী হাসান থানায় এসে ধাওয়ার অভিযোগ করলেও তার ফেসবুক লাইভে কাউকে দেখা যায়নি। তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মারধরের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। পুলিশ জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত তদন্তে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

অন্যদিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ লিংকন অভিযোগকে সরাসরি নাকচ করে বলেছেন যে, মাহদীর ফেসবুক লাইভেই অভিযোগের অসাড়তা স্পষ্ট হয়েছে। তার দাবি করা লাইভ ভিডিওতে ধাওয়ার কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগকে তিনি ‘ভাইরাল হওয়ার অপচেষ্টা’ এবং ‘সাজানো নাটক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এই ঘটনাকে ঘিরে জেলায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সত্যতা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাই তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সকে কি আবারও ২০০২ বিশ্বকাপের দুঃস্মৃতি ফিরিয়ে দেবে সেনেগাল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


ফ্রান্সকে কি আবারও ২০০২ বিশ্বকাপের দুঃস্মৃতি ফিরিয়ে দেবে সেনেগাল?

বিশ্বকাপের ইতিহাসে বেশ কিছু ম্যাচ শুধুমাত্র ফুটবল নয়, এটি আবেগ, বিস্ময় এবং ইতিহাসের একটি অংশে পরিণত হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও সেনেগালের মুখোমুখি লড়াই এই ধরনের এক স্মৃতি পুনর্জাগরণ ঘটাতে চলেছে।

২৪ বছর আগে, ২০০২ সালের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বের সামনে চমক সৃষ্টি করেছিল সেনেগাল। পাপা বুবা দিয়পের সেই ঐতিহাসিক গোল আজও আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে মনে করা হয়।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ রাতের ম্যাচে আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে এই বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই।

কাগজে-কলমে ফ্রান্সই ফেভারিট। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, এনগোলো কন্তে ও উইলিয়াম সালিবাদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দলে মাঠে নামবে তারা। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে এমবাপ্পের গোলখরার পাশাপাশি দলের কিছু অনিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

অন্যদিকে সেনেগাল এখন আর আগের মতো আন্ডারডগ নয়। অধিনায়ক কালিদু কুলিবালি, গোলরক্ষক এদুয়ার মঁদি এবং উইঙ্গার ইসমাইলা সারদের নিয়ে তারা একটি যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ দল তৈরি করেছে। কোচ পেপ থিয়াও, যিনি ২০০২ সালের সেই ঐতিহাসিক দলের সদস্য ছিলেন, এবার সাইডলাইনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

থিয়াও মনে করেন, বর্তমান আফ্রিকান ফুটবল অনেক উন্নত হয়েছে। তাই ফ্রান্সকে পরাজিত করার বিষয়টিকে আর ‘অঘটন’ বলা উচিত হবে না।

বিশ্বকাপের ষষ্ঠ দিনে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। একই দিনে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের মতো দলও। তবে সব আলো যেন ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচের দিকে।

কারণ এটি শুধুমাত্র তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, এটি অতীতের স্মৃতি এবং বর্তমান বাস্তবের মুখোমুখি হওয়ার একটি বিষয়। ২০০২ সালে সেনেগাল দেখিয়েছিল, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। এবারও কি তারা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবেন, নাকি ফ্রান্স শুরু করবে শিরোপা জয়ের নতুন যাত্রা?

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%