ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুরে মাদকাসক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত


মাদারীপুরে মাদকাসক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃএকত্রীকরণ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসক, সমাজকর্মী, শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এই সেমিনারটি মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জুয়েল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রবিউল ইসলাম, এবং পরিদর্শক মো. ফরহাদ আকন্দ।

সেমিনারে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি পরিবার ও সমাজের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই মাদকাসক্তদের জন্য মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তাদের যথাযথ চিকিৎসা, কাউন্সেলিং এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র‌্যালি ও সমাবেশ

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত ও সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। আয়োজকরা জানান, মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেমিনার ও সচেতনতা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলার ঘটনাকে ভাইরাল করার চেষ্টা বলল ছাত্রদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


হামলার ঘটনাকে ভাইরাল করার চেষ্টা বলল ছাত্রদল

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান অভিযোগ করেছেন যে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া ও মারধর করেছেন। কিন্তু ছাত্রদল এই অভিযোগটি ‘ভাইরাল হওয়ার অপচেষ্টা’ ও ‘সাজানো নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় কোনো মামলা না হলেও পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গত ১০ জুন। সেদিন মাহদী হাসান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে দাবি করেন যে, শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকা থেকে ড্রাইভিং পরীক্ষা শেষে ফেরার পথে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে ধাওয়া করেন। পরে তিনি লাইভ চালু রেখেই হবিগঞ্জ সদর থানায় আশ্রয় নেন এবং বিষয়টি পুলিশকে জানান।

মাহদীর অভিযোগ মতে, পরদিন ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জমা দিতে গেলে ফের হামলার শিকার হন তিনি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে একদল যুবক তার পথরোধ করে মারধর করেন বলে তার দাবি। পরে, স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মাহদী হাসান দাবি করেছেন যে, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ, মুজাক্কির হোসেন ইমন, রক্সিসহ ১৫ থেকে ২০ জন তার ওপর হামলায় অংশ নিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন যে, প্রয়োজনীয় ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের পর আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

এদিকে হামলার বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেছেন, প্রথম ঘটনায় মাহদী হাসান থানায় এসে ধাওয়ার অভিযোগ করলেও তার ফেসবুক লাইভে কাউকে দেখা যায়নি। তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মারধরের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। পুলিশ জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত তদন্তে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

অন্যদিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ লিংকন অভিযোগকে সরাসরি নাকচ করে বলেছেন যে, মাহদীর ফেসবুক লাইভেই অভিযোগের অসাড়তা স্পষ্ট হয়েছে। তার দাবি করা লাইভ ভিডিওতে ধাওয়ার কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগকে তিনি ‘ভাইরাল হওয়ার অপচেষ্টা’ এবং ‘সাজানো নাটক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এই ঘটনাকে ঘিরে জেলায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সত্যতা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাই তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সকে কি আবারও ২০০২ বিশ্বকাপের দুঃস্মৃতি ফিরিয়ে দেবে সেনেগাল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


ফ্রান্সকে কি আবারও ২০০২ বিশ্বকাপের দুঃস্মৃতি ফিরিয়ে দেবে সেনেগাল?

বিশ্বকাপের ইতিহাসে বেশ কিছু ম্যাচ শুধুমাত্র ফুটবল নয়, এটি আবেগ, বিস্ময় এবং ইতিহাসের একটি অংশে পরিণত হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও সেনেগালের মুখোমুখি লড়াই এই ধরনের এক স্মৃতি পুনর্জাগরণ ঘটাতে চলেছে।

২৪ বছর আগে, ২০০২ সালের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বের সামনে চমক সৃষ্টি করেছিল সেনেগাল। পাপা বুবা দিয়পের সেই ঐতিহাসিক গোল আজও আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে মনে করা হয়।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ রাতের ম্যাচে আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে এই বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই।

কাগজে-কলমে ফ্রান্সই ফেভারিট। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, এনগোলো কন্তে ও উইলিয়াম সালিবাদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দলে মাঠে নামবে তারা। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে এমবাপ্পের গোলখরার পাশাপাশি দলের কিছু অনিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

অন্যদিকে সেনেগাল এখন আর আগের মতো আন্ডারডগ নয়। অধিনায়ক কালিদু কুলিবালি, গোলরক্ষক এদুয়ার মঁদি এবং উইঙ্গার ইসমাইলা সারদের নিয়ে তারা একটি যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ দল তৈরি করেছে। কোচ পেপ থিয়াও, যিনি ২০০২ সালের সেই ঐতিহাসিক দলের সদস্য ছিলেন, এবার সাইডলাইনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

থিয়াও মনে করেন, বর্তমান আফ্রিকান ফুটবল অনেক উন্নত হয়েছে। তাই ফ্রান্সকে পরাজিত করার বিষয়টিকে আর ‘অঘটন’ বলা উচিত হবে না।

বিশ্বকাপের ষষ্ঠ দিনে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। একই দিনে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের মতো দলও। তবে সব আলো যেন ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচের দিকে।

কারণ এটি শুধুমাত্র তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, এটি অতীতের স্মৃতি এবং বর্তমান বাস্তবের মুখোমুখি হওয়ার একটি বিষয়। ২০০২ সালে সেনেগাল দেখিয়েছিল, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। এবারও কি তারা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবেন, নাকি ফ্রান্স শুরু করবে শিরোপা জয়ের নতুন যাত্রা?

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে বাংলাদেশিদের জন্য কত খরচ হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে বাংলাদেশিদের জন্য কত খরচ হবে

‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বলা হয় ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে। আর এই মহাযজ্ঞের ম্যাচ দেখতে সারাবিশ্বের ফুটবল ভক্তরা মুখিয়ে থাকে। তবে মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পায় খুবই কম সংখ্যক দর্শক। এর একটি কারণ হলো ভিসা জটিলতা ও অর্থের অভাব।

বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে দর্শকদের পাড়ি জমাতে হয় এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে। আর এই ভিসা, বিমানের টিকিট, আবাসন ও ম্যাচের টিকিট মিলিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয় দর্শকদের।

ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের উচ্চ অর্থনীতির দেশগুলো থেকে দর্শকরা নিয়মিত বিশ্বকাপ দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। তবে এশিয়ার মধ্য ও নিম্ন মধ্য আয়ের দেশগুলো থেকে বিশ্বকাপ খেলা মাঠে বসে দেখতে চাওয়া অনেকটা বিলাসিতার মতো মনে হয়।

কিছু মানুষের কাছে অর্থ থাকলেও তারা ভিসা জটিলতার কারণে সমস্যায় পড়েন। সেখান থেকে বের হওয়া খুবই কঠিন ও দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ব্যাপার। যা সাধারণ দর্শকদের জন্য এক ভোগান্তির বিষয়। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে যেতে হলে কি কি বাধা অতিক্রম করতে হবে।

এই প্রতিবেদনে সেই সব বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো—

এবারের বিশ্বকাপের আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এই আসরের ম্যাচ মাঠে বসে দেখতে হলে কত খরচ হবে তা নির্ভর করবে আপনি কোন শহরে যাচ্ছেন, কোন দল খেলছে, টিকিট কোথা থেকে কিনছেন, কত রাত থাকছেন এবং আপনার কি আগে থেকে ভিসা আছে—এসবের ওপর।

সাধারণভাবে দেখা যায়, ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে একটি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ দেখে তিন রাত থেকে ফিরে আসতে চাইলে একজন বাংলাদেশি দর্শকের খরচ পড়তে পারে সাড়ে ৪ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকার মধ্যে। আর ফাইনাল দেখতে আগ্রহী হলে খরচ ১০ লাখ টাকার অনেক ওপরে চলে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

প্রথমে ভিসা আবেদন

বিশ্বকাপ যাত্রার শুরুর দিকে আসবে ভিসার প্রয়োজনীয়তা। যুক্তরাষ্ট্রে যেতে বাংলাদেশি দর্শকের বি১/বি২ ভিসা প্রয়োজন। ভিসা আবেদন ফি ১৮৫ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ২৩,০০০ টাকা। তবে এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ভিসা অনুমোদনের পর আবেদনকারীকে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ফেরতযোগ্য বন্ড প্রদান করতে বলা হতে পারে।

এটি সরাসরি খরচ নয়; নিয়ম মেনে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লে টাকা ফেরত পাওয়ার কথা। কিন্তু ভ্রমণের আগে এত বড় অঙ্কের অর্থ জমা দেওয়ার সামর্থ্য থাকতে হবে। ৫ হাজার ডলার মানে প্রায় ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা, আর ১৫ হাজার ডলারের মান প্রায় ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

তবে বিশ্বকাপ দর্শকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা কিছু ফিফা বিশ্বকাপ টিকিটধারী ভিসা বন্ড থেকে মুক্তি পেতে পারেন। বিশেষ করে যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিফার টিকিট কিনেছেন এবং ফিফার অগ্রাধিকার ভিত্তিক ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছেন, তাদের জন্য এই ছাড় প্রযোজ্য হতে পারে।

বিমান ভাড়া

ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামি বা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বড় শহরে যাওয়া-আসার টিকিটের মূল্য সময় অনুযায়ী ওঠানামা করে। বর্তমান বাজারদরে ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহরগুলোতে ইকোনমি ক্লাসে যাওয়া-আসার ভাড়া সাধারণভাবে দেড় লাখ থেকে তিন লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে।

বিশ্বকাপের সময়, ম্যাচের শহর, বুকিংয়ের সময় এবং ট্রানজিট অনুযায়ী এই খরচ আরও বাড়তে পারে। নিরাপদ হিসাব করতে গেলে বিমানভাড়ার জন্য অন্তত ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা ধরে রাখা উচিত।

ম্যাচের টিকিট

প্রথম দুই ধাপ পেরানোর পর গুরুত্বপূর্ণ হলো ম্যাচের টিকিট। ছোট দল বা কম চাহিদার গ্রুপ ম্যাচ হলে তুলনামূলক কম দামে টিকিট পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু বাস্তব বাজারে অনেক ম্যাচেই ৩০০ ডলারের নিচে টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশি টাকায় সেটি প্রায় ৩৭,০০০ টাকা।

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র বা বড় শহরের ম্যাচ হলে টিকিটের দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। অনেক ম্যাচে ৬০০-৭০০ ডলার, অর্থাৎ ৭৫,০০০ থেকে ৮৫,০০০ টাকা ধরে প্রস্তুত থাকাই বাস্তবসম্মত। নিউইয়র্ক, মায়ামি বা বড় ম্যাচ হলে ১,০০০ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

আবাসন ব্যয়

বিশ্বকাপের সময় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক আয়োজক শহরে হোটেল ভাড়া বেড়েছে। তুলনামূলক কম খরচের শহরে ২৫০-৩০০ ডলার রাতপ্রতি হোটেল ধরলেও তিন রাতের জন্য খরচ হবে প্রায় ১ লাখ টাকা। লস অ্যাঞ্জেলেসে সেই হিসাবটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার কাছাকাছি যেতে পারে। নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সি এলাকায় তিন রাতের হোটেল খরচ ২ লাখ টাকারও বেশি হতে পারে। ফাইনালের সপ্তাহে এই খরচ আরও অনেক বেশি হতে পারে।

খাওয়া ও যানবহন খরচ

যুক্তরাষ্ট্রে দিনে তিন বেলা সাধারণ খাবার, পানি, কফি বা হালকা খাবার নিয়ে ৫০-৮০ ডলার খরচ করা খুবই স্বাভাবিক। চার দিনের ভ্রমণ ধরলে খাবারে খরচ হবে ২৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা। স্টেডিয়ামের ভিতরে খাবার-পানীয় কিনলে খরচ আরও বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে স্থানীয় যাতায়াতের জন্য আলাদা বাজেট রাখা উচিত।

বিমানবন্দর থেকে হোটেল, হোটেল থেকে স্টেডিয়াম, ম্যাচ শেষে ফেরার ভাড়া—সব মিলিয়ে ১৫০-২৫০ ডলার ধরে রাখা ভাল। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ১৮,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা। বড় শহরে অ্যাপভিত্তিক গাড়ি বা ম্যাচের দিন বিশেষ যাতায়াত ব্যবহার করলে খরচ আরও বেশি হতে পারে।

এর বাইরে থাকবে ভ্রমণ বিমা, মোবাইল সিম বা রোমিং, ভিসা ফটো, ডকুমেন্ট প্রিন্ট, ছোটখাটো জরুরি খরচ, শহর ঘোরা, হয়তো একটি জার্সি বা স্মারক কেনা। এসব মিলিয়ে আরও ৩০,০০০ থেকে ৫০,000 টাকা ধরে রাখা নিরাপদ।

ফলে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে একটি ম্যাচ দেখতে মোট খরচ হতে পারে ৪ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
 
মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন রাজবাড়ী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীন।
 
মেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কৃষকদের জন্য আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত জাতের ফসল, পানি সাশ্রয়ী চাষাবাদ পদ্ধতি এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়।
 
এছাড়াও কৃষকদের মাঝে জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করা হয়।
 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির বিকল্প নেই।
 
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম, কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষ, মৎস কর্মকর্তা তানভীর আহমেদসহ কৃষি বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক-কৃষাণী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
 
মেলায় উপজেলার বিভিন্ন কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানের স্টলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও কৃষি উপকরণ প্রদর্শন করা হয়। মেলা ঘুরে দেখে দর্শনার্থীরা প্রদর্শিত প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ করেন এবং কৃষি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%