০৫:৫৬ পি.এম
করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস- এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে জাতীয় ফল মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রাঙ্গনে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সমাপনী জাতীয় ফল মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক যুগল পদ দে।
এসময়ে তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে প্রথম ফল চাষে বিপ্লব ঘটে ১৯৯৯ সালে। এটি খাগড়াছড়ি ছাড়া রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান সহ তিন পার্বত্য জেলাতেও ঘটে। তখন থেকেই পাহাড়ের কৃষকদের ফল চাষের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফ হত্যা: দুর্গাপুরে অপূর্ব নামের যুবক গ্রেপ্তার
তারই ফলস্বরূপ, আজকে খাগড়াছড়ি ফল উৎপাদনের জন্য দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে স্বাদ ও গুণাগুণের জন্য পরিচিতি লাভ করেছে। এর পিছনে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে একদিকে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক সম্ভাবনাকেও আরও সমৃদ্ধ করছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত উপ-পরিচালক শস্য আহসানুল চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুক্তা চাকমা এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সমাপনী ফল মেলা অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি জেলার ফল উৎপাদনে সাফল্য অর্জনকারী তরুণ উদ্যোক্তা কৃষাণ কৃষাণীদের মাঝে ফল গাছের চারাগাছ বিতরণ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফের পরিবারকে ১ লাখ টাকা সহায়তা, স্ত্রীকে চাকরির আশ্বাস ডেপুটি স্পিকারের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন