নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
১০:৪৭ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি করলেও ইসরাইলি সেনাবাহিনী দীর্ঘ সময় ধরে লেবাননে উপস্থিত থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মঙ্গলবার (১৬ জুন) ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরাইলের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম কান জানায়, ইসরাইলের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশ পেলে সেনাবাহিনী দীর্ঘ সময় ধরে লেবাননে থাকতে প্রস্তুত।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সেনাবাহিনী লেবাননের সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত, যদিও ওয়াশিংটন ও তেহরান শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের দিকে এগোচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা এখনও চলছে এবং এর পাশাপাশি উত্তর ইসরাইলের দিকেও গোলাগুলি চলছে।
এদিকে, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সমগ্র অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পর এই প্রতিবেদনটি আসে।
মঙ্গলবার এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, লেবাননে যুদ্ধের অবসান ঘটানো ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এতে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালালে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যায়, এতে ৩,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন। তেহরান এর জবাবে উপসাগরীয় দেশ ও ইসরাইলের ওপর হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে বিধিনিষেধ আরোপ করে।
সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য একটি কাঠামো চুক্তি ঘোষণার আগে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়। চুক্তিটি শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, সর্বশেষ সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইসরাইল ২ মার্চ থেকে লেবাননের ওপর একটি আক্রমণ চালিয়ে আসছে, যাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা দখল করে রেখেছে; এর মধ্যে কিছু এলাকা কয়েক দশক ধরে এবং অন্যগুলো ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে হওয়া পূর্ববর্তী যুদ্ধ থেকে তাদের দখলে। বর্তমান এই আক্রমণের সময় ইসরাইলি বাহিনী লেবাননের অভ্যন্তরে ১০ কিলোমিটারেরও (৬.২ মাইল) বেশি অগ্রসর হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার শুরুটা বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মতোই হলো। আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। রেকর্ড ষষ্ঠ আসরে এসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিকের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। দারুণ হ্যাটট্রিকে দলে বড় জয় নিশ্চিতের পাশাপাশি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার ওপরে থাকা মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে বসেছেন এই ৩৮ বছর বয়সী কিংবদন্তি। তবে, ম্যাচ শেষে মেসি জানান, বিশ্বকাপ শুরুর আগে ব্যক্তিগত জীবনে কিছু কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার গ্রহণের সময় মেসি বলেন, 'সত্যি বলতে, ফুটবলের বাইরে আমি কয়েকটা কঠিন ও জটিল দিনের মধ্য দিয়ে গেছি। পুরো দল, আমার সতীর্থরা সবসময় আমার পাশে ছিল। তারা আমাকে এই সময়টা পার করে উঠতে অনেক শক্তি দিয়েছে, এজন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।'
ম্যাচ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'আমরা জানতাম ম্যাচটা কঠিন হবে। আলজেরিয়ার খুব ভালো খেলোয়াড় আছে, তারা দ্রুতগতির এবং প্রচণ্ড পরিশ্রমী। আমরা যদি তাদের বলের নিয়ন্ত্রণ দিতাম, তাহলে তারা সুযোগ তৈরি করতে পারত। তবে বল ছাড়া অবস্থায় আমরা ভালোভাবে নিজেদের গুছিয়ে রাখছিলাম। শুরুতে গোল পেয়ে আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি, যদিও সবসময় যেভাবে বল দখলে রেখে খেলি, সেভাবে নয়।'
প্রথম ও দ্বিতীয়ার্ধের পার্থক্য নিয়ে তিনি বলেন, 'প্রথমার্ধে আমাদের কিছুটা কষ্ট হয়েছে, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে চিত্রটা ভিন্ন ছিল। এটা স্বাভাবিক। কোনো বড় টুর্নামেন্টের, বিশেষ করে বিশ্বকাপের, প্রথম ম্যাচ সবসময় কঠিন হয়। গত বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। এই বিশ্বকাপে কেউ কাউকে কোনো সুযোগ ছেড়ে দিচ্ছে না। সব দলই শক্তিশালী, নিজেদের খেলার ধরণ আছে, ভালো কোচিং রয়েছে। প্রতিটি ম্যাচই হবে খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও শারীরিকভাবে কঠিন।'
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান নিয়ে মেসি খুব একটা গুরুত্ব দিতে রাজি নন। তিনি বলেন, 'আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি। ছোটবেলা থেকেই এটা আমার আবেগ। যখন নিজেকে ভালো অনুভব করি, তখন নিজের সর্বোচ্চটা দিতে চাই। আমরা এখন রাফায়েল নাদালের ডকুমেন্টারি দেখছি, আর আমি তার সঙ্গে অনেকটা মিল খুঁজে পাই। আমিও সবসময় নিজের সেরাটা দিতে চাই। যতদিন পারব এবং শারীরিকভাবে সক্ষম থাকব, ততদিন মাঠে থাকব।'
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিয়ে তিনি আরও বলেন, 'সত্যি বলতে, না, আমি এটাকে খুব গুরুত্ব দিই না। অবশ্যই মিরোস্লাভ ক্লোসা, রোনালদো নাজারিওদের মতো কিংবদন্তিদের পাশে নিজের নাম দেখতে ভালো লাগে। কিন্তু এটা শেষ পর্যন্ত শুধু একটা পরিসংখ্যান। কিলিয়ান এমবাপ্পেও আজ দুটি গোল করেছে। এটা কেবল সংখ্যা মাত্র। রোনালদো ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার, অথচ তিনি তালিকার এক নম্বরে নেই। তাই এসব শেষ পর্যন্ত শুধু পরিসংখ্যানই।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে আনন্দময় পরিবেশে ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
এটি বুধবার (১৭ জুন) উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশেষ বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া মধ্যকার রোমাঞ্চকর ফুটবল ম্যাচটি উপভোগ করেন।
উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায় যে, ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য উপজেলা চত্তরে একটি বড় পর্দার (ডিজিটাল স্ক্রিন) ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত হয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই সারিতে বসে খেলা উপভোগ করেছেন।
খেলা চলাকালে পুরো উপজেলা চত্ত্বরে টানটান উত্তেজনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আর্জেন্টিনার প্রতিটি আক্রমণ এবং আলজেরিয়ার পাল্টা আক্রমণের সময় দর্শকদের উল্লাস ও করতালি ছিল চোখে পড়ার মতো।
খেলা শেষে সোমবার মো. আসাদুজ্জামান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ফুটবল বাঙালির আবেগের স্থান। শৈলকূপার সাধারণ মানুষের সঙ্গে বসে এই টানটান উত্তেজনার ম্যাচটি উপভোগ করতে পেরে আমার দারুণ লেগেছে।
তিনি আরো বলেন, খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ধরনের আয়োজন সাধারণ মানুষের মাঝে সম্প্রীতি ও আনন্দের খোরাক জোগায়।
এ সময় ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শৈলকূপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
সাধারণ দর্শকরা জানান, সরকারের একজন মন্ত্রীর সঙ্গে বসে খেলা দেখতে পেরে তারা আনন্দিত ও আপ্লুত। এটি শৈলকূপাবাসীর জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ জুন, ২০২৬ : মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধের আওতাভুক্ত উপসাগরীয় এলাকায় ইরানের বেশ কয়েকটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার অতিক্রম করার খবর পাওয়া গেছে। এই তথ্য তেল পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ট্যাংকারট্র্যাকার্স বুধবার প্রকাশ করেছে।
তারা এটিকে গত দু'মাসের মধ্যে ইরানের প্রথম অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র সংবাদ থেকে জানা যায়।
স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে যাচাই করা ডিজিটাল ট্র্যাকিং তথ্যের ভিত্তিতে ট্যাংকারট্র্যাকার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট করে এ তথ্য জানায়।
তাদের মতে, ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানি (এনআইটিসি)-এর মালিকানাধীন ডায়োনা (৯৫৬৯৬৯৫) এবং হিরো-২ (৯৩৬২০৭৩) নামের অন্তত দুটি ভিএলসিসি সুপারট্যাঙ্কার মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধসীমা অতিক্রম করেছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই জাহাজ দুটিতে মিলে প্রায় ৩৮ লাখ ব্যারেল ইরানের অপরিশোধিত তেল রয়েছে।
তেল পরিবহন ও মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী ওই সংস্থা আরও জানায়, এনআইটিসির তৃতীয় একটি ট্যাংকারও এই অবরোধসীমা অতিক্রম করেছে। ওই ট্যাংকারে প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ