ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কোন ফলে কী পুষ্টিগুণ ও ভিটামিন, জেনে নিন এক নজরে


কোন ফলে কী পুষ্টিগুণ ও ভিটামিন, জেনে নিন এক নজরে

ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, বরং সুস্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান উৎসও।

কিছু ফল সারা বছর পাওয়া যায়, আবার কিছু ফল নির্দিষ্ট মৌসুমে বাজারে আসে। দেশের ভিতরে ও বাইরের নানা ধরনের ফলে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণ। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি পূরণে ফলের ভূমিকা অপরিসীম। জেনে নিন কোন ফলে কী ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে এবং সেগুলো আমাদের কীভাবে উপকার করে।

আমড়া: আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন বি ও সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ক্যারোটিন, পেকটিন ও খাদ্যআঁশ রয়েছে। এটি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে, রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তি উন্নত করে। আমড়ার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক, চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।

আরও পড়ুন: এই দেশে আমার যতটা অধিকার, আপনাদেরও ততটুকু: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের মণ্ডপে

আমলকী: ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ আমলকী রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম। এটি সর্দি-কাশি প্রতিরোধ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ এবং ত্বক ও চুলের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাতাবিলেবু: বাতাবিলেবুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান। এটি পেশির দুর্বলতা দূর করতে, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

পেয়ারা: পেয়ারা ভিটামিন এ, বি, সি ও কে, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং খাদ্যআঁশের উৎকৃষ্ট উৎস। এটি চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার পাশাপাশি হজমশক্তি উন্নত করে।

জামরুল: জামরুলে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান যকৃতের সুরক্ষায় সহায়তা করে। একই সঙ্গে এটি রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ার বন্দিদশা থেকে মুক্ত ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছে

লটকন: লটকনে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজ রয়েছে। এটি হাড় ও দাঁতকে মজবুত রাখে, চোখের জন্য উপকারী এবং কম ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কামরাঙা: কামরাঙা ভিটামিন এ, সি এবং অন্যান্য খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ। এটি কোলেস্টেরল কমাতে ও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক। শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

বেল: বেলে ভিটামিন এ, সি ও খাদ্যআঁশ রয়েছে। এটি হজমশক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং পেটের সমস্যায় যেমন ডায়রিয়া ও আমাশয়ে উপকারী। গরমে বেলের শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।

গাব: গাবে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, খাদ্যআঁশ ও অ্যান্টি঑ক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি দুর্বলতা দূর করতে, রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এবং হজমে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন: সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ চুরি করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড

কলা: কলা পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি-এর সমৃদ্ধ উৎস। এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং দ্রুত শক্তি প্রদান করে। কলার খাদ্যআঁশ হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।

পেঁপে: পেঁপেতে ভিটামিন এ, সি ও ই, সঙ্গে পর্যাপ্ত খাদ্যআঁশ রয়েছে। এটি হজমশক্তি বাড়ায়, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করে এবং ত্বক ও চোখের জন্য উপকারী। ওজন নিয়ন্ত্রণেও পেঁপে কার্যকর।

নারিকেল: নারিকেলের পানি ইলেকট্রোলাইটে সমৃদ্ধ, যা শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। নারিকেলের শাঁসে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, খাদ্যআঁশ, ভিটামিন বি ও সি এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এটি হাড়, দাঁত ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

লেবু: লেবু ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অন্যতম উৎস। এটি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সহায়তা করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়মিত লেবু খেলে শরীর সতেজ থাকে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি: ট্রাম্পের বিপরীত অবস্থানে জেডি ভ্যান্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক রাতের ঘুমেই বদলে যায় মস্তিষ্কের ‘মেমোরি কমান্ডার’: নতুন গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ এম


এক রাতের ঘুমেই বদলে যায় মস্তিষ্কের ‘মেমোরি কমান্ডার’: নতুন গবেষণা

 

বাড়ি থেকে শুরু করে খেলাগ্রুপ এসকাল ৭টা, মেক্সিকো ও চেক প্রজাতন্ত্রের খেলাসমূহ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ রাত ২টায় ইকুয়েডর ও জার্মানির ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন কোনো তথ্য শেখার পর মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে তা দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিতে রূপান্তর হয়, এ নিয়ে চীনের গবেষকরা চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচন করেছেন। গত ১৫ জুন চিকিৎসা বিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞান বিষয়ক বিখ্যাত জার্নাল ‘নিউরণ’-এর অনলাইন সংস্করণে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

আর্মি মেডিকেল ইউনিভার্সিটির শিনছিয়াও হাসপাতালের নিউরোসার্জারি গবেষণা দলের পরিচালিত এই গবেষণা প্রমাণ দিয়েছে যে, মাত্র এক রাতের ঘুমের পর মস্তিষ্কের ‘স্মৃতি অধিনায়ক’ বা ‘মেমোরি কমান্ডার’ দায়িত্ব বদলাতে শুরু করে।

এ সময় নতুন শেখা তথ্য নিয়ন্ত্রণ মস্তিষ্কের ‘হিপোক্যাম্পাস’ অঞ্চল থেকে ‘নিওকর্টেক্স’ অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়ে যায়।

গবেষক দলটি টানা ছয় দিন ধরে ১৪ জন মৃগীরোগীর মস্তিষ্কের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেছেন। রোগীরা যখন বিভিন্ন ছবি দেখছিলেন এবং সেগুলো মনে করার চেষ্টা করছিলেন, তখন ‘স্টিরিওইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি’ প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ রেকর্ড করা হয়।

গবেষকরা দেখতে পায়, স্মৃতি গঠনের প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের মধ্যে একটি গতিশীল আদান-প্রদানের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

প্রথম দিনে নতুন কিছু শেখার সময় নতুন স্মৃতি সংরক্ষণের মূল কেন্দ্র ‘হিপোক্যাম্পাস’ একজন কমান্ডারের ভূমিকা পালন করে। এটি ‘রিপলস’ নামের বৈদ্যুতিক তরঙ্গের মাধ্যমে মস্তিষ্কের ‘নিওকর্টেক্স’ অংশকে নির্দেশনা দেয়।

যদিও এক রাতের ঘুমের পর সেখানে একটি নীরব ‘গার্ড বদল’ বা দায়িত্ব হস্তান্তর ঘটে। দ্বিতীয় দিনে নিওকর্টেক্সের ‘রিপল’ কার্যকারিতা হিপোক্যাম্পাসের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং এই স্মৃতি মনে রাখার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেয়। একই সাথে দুই অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরালো হয় এবং তথ্যের প্রবাহ হিপোক্যাম্পাস থেকে নিওকর্টেক্সের দিকে স্থানীয় হয়ে যায়।

গবেষণার প্রধান লেখক ওয়াং লুকাং বলেন, এই প্রক্রিয়াটিকে গাড়ি চালানো শেখার সঙ্গে তুলনা করা যায়। প্রথম দিনে একজন ড্রাইভিং ইন্সট্রাক্টর যেমন শিক্ষার্থীর প্রতিটি পদক্ষেপ গাইড করেন, ঠিক তেমনই হিপোক্যাম্পাসও করে। কিন্তু এক रातের ভালো ঘুমের পর মস্তিষ্কের কর্টিকাল নেটওয়ার্ক নিজেই নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে, ফলে অর্জিত দক্ষতাটি স্বয়ংক্রিয় ও স্থায়ী রূপ নেয়।

এই আবিষ্কারটি ইঙ্গিত করে যে, স্মৃতি স্থায়ী হওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি শেখার রাতেই ঘটে যায়, যা আগের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুত। গবেষকদের মত অনুযায়ী, এই আবিষ্কার আলঝেইমার্স, মস্তিষ্কের আঘাতজনিত সমস্যা এবং মৃগীরোগের কারণে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি খুঁজে পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র: সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ডেইলি; নিউরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখের দীর্ঘস্থায়ী শুষ্কতা কেন হয়, জানুন কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ এম


মুখের দীর্ঘস্থায়ী শুষ্কতা কেন হয়, জানুন কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিকার

মুখ গহ্বর অতিরিক্ত শুকিয়ে থাকা, জ্বালাপোড়া করা, জিহ্বা চটচটে বা ভারী হয়ে যাওয়া কিংবা রাতে গলা শুকিয়ে ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যাওয়া—এইসব লক্ষণ মূলত একটি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় জেরোস্টোমিয়া বা দীর্ঘস্থায়ী মুখের শুষ্কতা।

বিশ্বজুড়ে প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে অন্তত একজন এই সমস্যায় ভোগেন। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া স্কুল অব ডেন্টাল মেডিসিনের ওরাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. রূপালী কুলকার্নি জানিয়েছেন, মুখের শুষ্কতা অবহেলা করলে তা পরবর্তীতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

মুখের শুষ্কতা কী এবং কেন হয়? মুখের শুষ্কতা হলো মূলত মুখ গহ্বরে লালা বা স্যালাইভার উৎপাদন কমে যাওয়ার একটি লক্ষণ। হঠাৎ করে মুখ শুকিয়ে যাওয়ার পেছনে সাধারণ কিছু কারণ থাকতে পারে, যেমন—অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা উদ্বেগ এবং শরীরে পানির শূন্যতা (ডিহাইড্রেশন)। তবে সমস্যাটি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বুঝতে হবে এর পেছনে কোনো অন্তর্নিহিত কারণ রয়েছে।

প্রধান কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে: ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া; মুখের শুষ্কতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো বিভিন্ন নিয়মিত ওষুধের ব্যবহার। এছাড়া ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন থেরাপির ফলেও এটি হতে পারে। শারীরিক অসুস্থতা; ডায়াবেটিস, এইচআইভি/এইডস এবং ‘শোগ্রেনস সিনড্রোম’-এর মতো অটোইমিউন রোগের কারণে লালাগ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অভ্যাস ও বয়স; ঘুমানোর সময় বা স্বাভাবিক সময়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস এবং বার্ধক্যজনিত কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। স্নায়ুর ক্ষতি; মাথা বা ঘাড়ের কোনো স্নায়ু আঘাতপ্রাপ্ত হলে লালা উৎপাদন কমে যেতে পারে।

আমাদের মুখের লালা কেবল খাবার গিলতেই সাহায্য করে না, এটি দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় ঢাল হিসেবে কাজ করে। লালা মুখের ভেতরের ক্ষতিকর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে এবং ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে। পর্যাপ্ত লালা তৈরি না হলে যেসব ঝুঁকি বাড়ে সেগুলি হলো: দাঁতের ক্ষয় (ক্যাভিটি) এবং মাড়ির রোগ; মুখে একধরণের ছত্রাক সংক্রমণ বা ‘ওরাল থ্রাশ’; কথা বলা, খাবার চিবানো ও গিলার ক্ষেত্রে তীব্র অস্বস্তি; যারা কৃত্রিম দাঁত ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি পরা কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে।

ড. রূপালী কুলকার্নি বলেন, ‘মুখের শুষ্কতা কেবল মুখের স্বাস্থ্যই নষ্ট করে না, বরং এটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মান এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

অনেকেরই দিনের চেয়ে রাতে ঘুমানোর সময় মুখ বেশি শুকিয়ে যায় এবং তৃষ্ণায় ঘুম ভেঙে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুমানোর সময় মুখ খোলা রাখার কারণেই এমনটা হয়। সাধারণত নাক বন্ধ থাকা বা সাইনাসের সমস্যা, নাক ডাকা, স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে সিপ্যাপ মেশিন ব্যবহার করা কিংবা দাঁতের সুরক্ষায় ‘রিটেইনার’ ব্যবহারের ফলে রাতে মুখ খোলা থাকে, যা শুষ্কতা আরও বাড়িয়ে দেয়।

মুখের শুষ্কতা শতভাগ নিরাময় করা সম্ভব কিনা, তা নির্ভর করে এর পেছনের মূল কারণটির ওপর। তবে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই কষ্ট দূর করা সম্ভব। এই যেমন- জীবনযাত্রায় পরিবর্তন; সারাদিন সঙ্গে পানির বোতল রাখা এবং অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করা। রাতে ঘুমানোর ঘরে হিউমিডিফায়ার বা বাতাস আর্দ্র রাখার যন্ত্র ব্যবহার করা। ওভার-দ্য-কাউন্টার (ওটিসি) পণ্য; বাজারচলতি বিশেষায়িত ড্রাই-মাউথ চকলেট, টুথপেস্ট বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা (যেমন: আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদিত বায়োটিন ড্রাই মাউথ ওরাল রিন্স)। ডাক্তারি পরামর্শ; সমস্যা তীব্র হলে চিকিৎসকের পরামর্শে লালা উৎপাদনকারী বিশেষ ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।

সবশেষে যদি কারো নিয়মিত মুখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তবে তা লুকিয়ে না রেখে দ্রুত একজন দন্তচিকিৎসকের (ডেন্টিস্ট) পরামর্শ নেওয়া সবথেকে জরুরি। কেননা সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও ব্যবস্থা গ্রহণই এই অস্বস্তি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুম থেকে উঠেই কাঁধে ব্যথা? এই ৩ ব্যায়ামে মিলতে পারে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ এম


ঘুম থেকে উঠেই কাঁধে ব্যথা? এই ৩ ব্যায়ামে মিলতে পারে স্বস্তি

ঘুম থেকে ওঠার পর কাঁধে অনুভব করা তীব্র ব্যথা ও হাত নাড়াতে না পারার যে যন্ত্রণা, সেটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যাডেসিভ ক্যাপসুলাইটিস বা ফ্রোজেন শোল্ডার নামে পরিচিত। এই সমস্যা সাধারণত তখন ঘটে যখন কাঁধের জয়েন্টের চারপাশের টিস্যুগুলো বা ক্যাপসুল ফুলে শক্ত হয়ে যায়। কাঁধের এই জড়তা ও অসহ্য যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত কিছু স্ট্রেচিং বা ব্যায়াম করা।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সাধারণত ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হৃদযন্ত্রের অসুখ থাকলে ফ্রোজেন শোল্ডারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। একটি কথা মনে রাখা প্রয়োজন, শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে গেলে কিংবা কোনো চোট-আঘাতের কারণে এই রোগ বিশেষভাবে দেখা দিতে পারে। ফ্রোজেন শোল্ডারের সমস্যা থাকলে যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে জানা অতীব প্রয়োজন।

রাতে ভালো ঘুমানোর পর সকালে চোখ খুললেন কিন্তু হাত নাড়াতে পারছেন না। কাঁধ এমন শক্ত হয়ে গেছে যে নড়চড়া করার উপায় নেই। রোগটির নাম ‘ফ্রোজেন শোল্ডার’, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘অ্যাডহেসিভ ক্যাপসুলাইটিস’ বলা হয়। এই রোগে আক্রান্ত হলে ঘাড়, কাঁধের পেশি ও অস্থিসন্ধির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যে অস্থিসন্ধি দ্বারা বাহু ও কাঁধ সংযুক্ত থাকে, সেখানে অবস্থিত হাড়, লিগামেন্ট এবং টেন্ডনগুলো কিছুটা ক্যাপসুলের মতো টিস্যু দ্বারা আবৃত থাকে। যদি সেই ক্যাপসুল ফুলে বা শক্ত হয়ে যায়, তবে ফ্রোজেন শোল্ডার দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসক যুগল কারখুর জানিয়েছেন, ফ্রোজেন শোল্ডার হলে ব্যায়াম করার সময় খুব সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ভুল পদ্ধতি বা ভুল ব্যায়াম বেছে নিলে যন্ত্রণা বেড়ে যেতে পারে। সুতরাং কিছু স্ট্রেচিংয়ের মাধ্যমে ফ্রোজেন শোল্ডারের যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে সঠিক কায়দা জানা খুবই জরুরি।

চলুন দেখা যাক, কীভাবে ব্যায়াম করে নিজেদেরকে রক্ষা করা সম্ভব—

পেন্ডুলাম স্ট্রেচ: আপনার শরীরের উপর অংশ সামান্য সামনে দিকে ঝুঁকিয়ে দাঁড়ান। এরপর একটি হাত টেবিল বা চেয়ারের ওপর রাখুন। অপর হাতটি আলগাভাবে ঝুলিয়ে ধীরে ধীরে ছোট বৃত্তাকারে ঘোরান— প্রথমে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং পরে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে। এভাবে পাঁচবার এক হাত ঘোরানোর পর, পরবর্তী পাঁচবার অন্য হাতটি ঘোরান।

ফিঙ্গার ওয়াক ওন দি ওয়াল: এই ক্ষেত্রে দেওয়ালের সামনে রোগীকে দাঁড়াতে হবে। এখানে একটি হাত ঝুলিয়ে রেখে অন্য হাতের পাতা দিয়ে দেওয়ালের সঙ্গে ঠেকিয়ে আঙুলের সাহায্যে দেওয়াল বেয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করুন। এরপর হাত বদল করে অন্য হাতের আঙুলের সাহায্যে একই পদে দেওয়াল বেয়ে উঠতে হবে।

টাওয়েল স্টেচ: ডান হাতে তোয়ালে নিয়ে শরীরের পেছনের দিকে মাথার ওপরে হাতটি তুলে রাখুন। বাঁ হাত দিয়ে তোয়ালের শেষ প্রান্তটি ধরুন। এরপর ডান হাতটি যতটা সম্ভব ওপর দিকে স্ট্রেচ করুন এবং বাঁ হাতটি একই সঙ্গে নিচের দিকে স্ট্রেচ করুন। দুই হাতে টান অনুভব করতে পারবেন। ৩০ সেকেন্ড করার পর হাত বদল করুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ ঘণ্টা পরও সচল হয়নি ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ এম


৭ ঘণ্টা পরও সচল হয়নি ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল

ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি, এই ঘটনা ঘটে তিন বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ৭ ঘণ্টা পরে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল পৌনে ৮টার সময় পর্যন্ত পরিস্থিতির শেষ খবর পাওয়া গেছে যে, ওই রুটে এখনও ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এর আগে, ২৪ জুন রাত পৌনে ১১টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, জামালপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা আন্তঃনগর বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনটি গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশনে পৌঁছায় সোয়া ১০টার দিকে। পরে, সেখানে ইঞ্জিনের দিক পরিবর্তন শেষে ১১টার কাছাকাছি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছাড়ার চেষ্টা করলে স্টেশন এলাকাতেই তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।

ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকতার হোসেন জানিয়েছেন, ‘ট্রেনটির তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে কোনো হতাহত হয়নি। কেওয়াটখালি লোকোসেড থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন সেখানে গিয়ে কাজ করছে। উদ্ধার করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে উদ্ধার কাজ শেষ হওয়ার পরেই ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%