ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫ মাসে ৬০৫ কোটি টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছে সরকার


৫ মাসে ৬০৫ কোটি টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছে সরকার

পাঁচ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) ৭ লাখের বেশি কৃষকের ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটি এ তথ্য জানিয়েছে।

কৃষি ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের নির্দেশনা অনুসারে দেশের ৪৮টি জেলার মোট ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯ জন কৃষক এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। তথ্য যাচাই-বাছাই ও হিসাব সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করে ঋণ মওকুফ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিএনপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতের কৃষকেরা এ সুবিধা পাবেন।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

সরকারের এই উদ্যোগে মোট ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষিঋণ মওকুফের পরিকল্পনা রয়েছে, যার আওতায় প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হওয়ার কথা।

এছাড়াও কৃষি ব্যাংক জানায়, সরকার ঘোষিত মোট ঋণ মওকুফ কর্মসূচির প্রায় ৩৯ শতাংশ এককভাবে বাস্তবায়ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি দেশের মোট কৃষিঋণের প্রায় ৬৩ শতাংশই বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী থাকা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ঋণ তাদের ওপর বড় ধরনের আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছিল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বাজারের মন্দা এবং নানা অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। ফলে নতুন করে ব্যাংকঋণ নেওয়ার সুযোগ থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছিলেন। ঋণ মওকুফের ফলে এসব কৃষক আবারও নিয়মিত ব্যাংকিং সেবার আওতায় এসে নতুন করে কৃষিঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন বলে জানায় ব্যাংকটি।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সঞ্চিয়া বিনতে আলী বলেন, সরকারের নির্দেশনার আলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষকদের তথ্য যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে ঋণ মওকুফ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক ঋণের দায় থেকে মুক্ত হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে নতুন ঋণ নিয়ে কৃষি উৎপাদনে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি ছিল। পাশাপাশি ‘কৃষক কার্ড’ চালু, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তন, ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার এবং প্রতিবছর ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মতো কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের আসল ও সুদ মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় তিন দশক পর আবারও কৃষিঋণ মওকুফের এমন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ কৃষিঋণ-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) কৃষি ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে একই সময়ে ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ হাজার ২৮১ কোটি টাকা বেশি।

আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই নেতার বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে প্রবেশে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


শাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই নেতার বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে প্রবেশে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের খাবারের মান নিয়ে কথা বলার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদলের দুই নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৪ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে। একইসাথে, এই দুই শিক্ষার্থীকে আগামী দুই বছরের জন্য ক্যাম্পাসে অবস্থান এবং প্রবেশ করতে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে ছাত্রদল তাদেরকে বহিষ্কার করেছিল।

গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত দশটায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটির জন্য অভিযুক্ত দুজনকে তদন্ত এবং শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট ৪ সেমিস্টার বহিষ্কার করেছে এবং আগামী দুই বছরের জন্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। তারা আগামী দুই বছর পর নিয়মিত শিক্ষার্থী হয়ে আবাসিক হলের শিক্ষার্থী হতে পারবেন না।’

এছাড়াও, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে এবং তার চিকিৎসার সকল ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এর আগে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ করা কারণে মারধরের ঘটনা ঘটতে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করে ছাত্রদল।

বহিষ্কৃতদের মধ্যে একজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহদপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে রবিবার (১৯ জুলাই) সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতির পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষর করেন।

গত শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মারধরের এই ঘটনা ঘটে। আহত খাইরুল খন্দকার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর তিনি সিলেট নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী খাইরুল খন্দকার অভিযোগ করেছেন, শাহপরান হলের ক্যান্টিনে নিম্নমানের খাবার এবং পচা মাছ পরিবেশনার অভিযোগ তুলে তিনি হলের ফেসবুক গ্রুপে একটি পোস্ট করেছিলেন।

পরে তাকে পোস্টটি সম্পর্কে কথা বলতে ডাকা হয়েছিল। একই রাতে আবারো খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ করার পর শনিবার রাতে প্রধান ফটকের সামনে হাসিবুর রহমান ও তারেক রহমান তার সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায়ে তার উপর আক্রমণ করা হয়, ফলে তার বুকে লাথি ও মাথায় আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

অভিযুক্ত তারেক রহমান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, হলের খাবার নিয়ে দেওয়া ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে খাইরুলের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় হাসিবুর রহমানও আহত হয়েছেন এবং তার চশমা ও মোবাইল ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলারকে বড় শাস্তি দিতে পারে ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলারকে বড় শাস্তি দিতে পারে ফিফা

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজয়ের পর, ম্যাচ শেষে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ফিফা আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্তে সংস্থাটি জানিয়েছে যে, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অন্তত তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাসহ আরও কঠোর শাস্তি হতে পারে।

ফাইনাল শেষে, স্পেন অধিনায়ক রদ্রি যখন সতীর্থদের সাথে শিরোপা উদযাপন করতে যান, তখন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা তাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং স্পেনের এরিক গার্সিয়া পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে এলে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, পারেদেস গার্সিয়ার গলা চেপে ধরার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে, আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠের মধ্যেও নেমে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, এর পর পারেদেস স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিকে ট্যাকল করে মাটিতে ফেলে দেন এবং তার দিকে একটি বুট ছুড়ে মারার চেষ্টা করেন। এই সময় আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা সংঘর্ষে অংশ নিয়ে গাভিকে মাটিতে চেপে ধরতে সহায়তা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বিবিসি স্পোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনডিটিভি জানিয়েছে যে, এই ঘটনার জেরে আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার অন্তত তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন। এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের পর ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

এদিকে, ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ লেখা ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায়ও আর্জেন্টিনা আলাদাভাবে ফিফার তদন্তের মুখোমুখি হয়েছে।

ফিফার স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটি বর্তমানে সব অভিযোগ পর্যালোচনা করছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ক বিশেষ প্রসিকিউটর নিয়োগ করে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।

ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোডের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতিপক্ষকে কনুই মারা, ঘুষি মারা, লাথি মারা, কামড়ানো, থুতু নিক্ষেপ করা বা আঘাত করার মতো আচরণ গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ধরনের অপরাধের শাস্তি হিসেবে অন্তত তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিতাদেশের বিধান রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ বিশ্বকাপে ইতালির জর্জিও কিয়েলিনিকে কামড় দেওয়ার ঘটনার জন্য উরুগয়ের লুইস সুয়ারেজকে নয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং চার মাসের জন্য সব ধরনের ফুটবল-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করেছিল ফিফা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে সবচেয়ে কঠিন বললেন রাবির সাবেক উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ এম


ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে সবচেয়ে কঠিন বললেন রাবির সাবেক উপাচার্য

সবচেয়ে কঠিন ধর্মভিত্তিক রাজনীতি। এতে নৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে হয়। এটি সবার কাজ নয়। যদি না পারা যায়, তবে ধর্ম নষ্ট হয়, দল নষ্ট হয়, দেশ নষ্ট হয়— এই ধরনের মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব।

তিনি মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ৮টার সময় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এই মন্তব্য করেন।

এই পোস্টে অধ্যাপক নকীব উল্লেখ করেন, ডান, বাম, মধ্য— কোনো রাজনীতিতে আমার অ্যালার্জি নেই। আমি সবার সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে মিশেছি। আমি কিছু বিষয় শিখে নিয়েছি। ভালো-মন্দ বিচার না করেই বলতে চাই, যদি কারও ভেতরে সত্যনিষ্ঠতা ও প্রকৃত তাকওয়া না থাকে, তাহলে তার ধর্মভিত্তিক রাজনীতি থেকে শত হাত দূরে থাকাই ভালো। কারণ, দিন শেষে তা টিকবে না।

তিনি আরও লেখেন, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পর সবচেয়ে কঠিন হলো বাম রাজনীতি। প্রগতিশীলতা মুখের কথা নয়। ছোট মন নিয়ে কোনোভাবে প্রগতিশীল হওয়া যায় না। কুয়ার ব্যাঙ কখনো প্রগতিশীল হয় না, বরং সে হয় প্রতিক্রিয়াশীল।

পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘মধ্যপন্থী রাজনীতি তুলনামূলক সহজ। তবে সেখানে ভারসাম্য ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা অনেকেই করতে পারেন না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার নতুন কোচের দৌড়ে শীর্ষে যেসব নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ এম


আর্জেন্টিনার নতুন কোচের দৌড়ে শীর্ষে যেসব নাম

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের অন্যতম সফল কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার অধীনে ২০২২ বিশ্বকাপ, টানা দুইবার কোপা আমেরিকা এবং ফিনালিসিমার শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার আলবিসেলেস্তেরা। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজয়ের পর স্কালোনি তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ফাইনালের পর অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত স্কালোনি জানান, তিনি ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন। এর পরে তিনি জাতীয় দলের দায়িত্ব ছেড়ে কিছুদিন কোচিং থেকে বিরতি নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

স্কালোনি বলেন, "আমি ডিসেম্বর পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে থাকব। এরপর সম্ভবত দায়িত্ব ছেড়ে দেব। এখন আমার নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করা এবং কিছুটা বিরতি নেওয়া প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আর্জেন্টিনা দল ও দেশের মানুষের মধ্যে এই ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখা। এ নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত।"

স্কালোনির সম্ভাব্য বিদায়ের ইঙ্গিত দেওয়ার পর আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমে নতুন কোচ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজন কোচকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে বেশি বিবেচনা করা হচ্ছে।

পাবলো আইমার

বর্তমান কোচিং স্টাফে স্কালোনির সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার পাবলো আইমার। সাম্প্রতিক সব বড় সাফল্যের পেছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দলের বর্তমান কাঠামো ও দর্শনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকেই সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে।

মার্সেলো গালিয়ার্দো

রিভার প্লেটের কিংবদন্তি কোচ মার্সেলো গালিয়ার্দো দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের সম্ভাব্য কোচ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার ক্লাব ফুটবলে তার সাফল্য এবং শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতা তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে।

দিয়েগো সিমিওনে

অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের দীর্ঘদিনের কোচ দিয়েগো সিমিওনে একাধিকবার জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে তার অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত দক্ষতা তাকে অন্যতম আলোচিত প্রার্থী করে তুলেছে।

মাউরিসিও পোচেত্তিনো

বর্তমানে ফ্রি এজেন্ট থাকা মাউরিসিও পোচেত্তিনোরও নাম রয়েছে সম্ভাব্য তালিকায়। টটেনহ্যাম, পিএসজি ও চেলসির মতো ক্লাব পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তরুণ ফুটবলার গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় কাজ করার দক্ষতার কারণে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে তিনি আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারেন।

স্কালোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে যদি তিনি সত্যিই দায়িত্ব ছাড়েন, তাহলে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের নতুন কোচ নির্বাচনের প্রক্রিয়া বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%