ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার মনিটরিংয়ের ওপর জোর বাণিজ্য সচিবের


সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার মনিটরিংয়ের ওপর জোর বাণিজ্য সচিবের

বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, এজন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং টিম লিডারদের নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে।

আজ (রোববার) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাজার মনিটরিং কাজে নিয়োজিত টিম লিডারদের দক্ষতা বৃদ্ধি’ বিষয়ক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্য সচিব আরও বলেছেন, বাজার তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান একটি অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে থাকে। এখানে সক্ষমতার ঘাটতির চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কার্যকর সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন: বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, যুবক নাজমুল হাসান আটক

আরো বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মোটিভেশন শুধু একটি ধারণা নয়। এটিকে বাস্তব কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করতে হবে। অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কার্যকর কর্মপদ্ধতির মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।’

তিনি জানিয়েছেন, বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সরকারের আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থাও এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। বাস্তবে বাজারে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত দায়িত্ব। মাঠপর্যায়ে দ্রুত উপস্থিতি, সমন্বিত কার্যক্রম এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ সম্পন্ন করাই এ ব্যবস্থার মূল শক্তি।

টিম লিডারদের উদ্দেশে বাণিজ্য সচিব জানিয়েছেন, নেতৃত্ব হতে হবে দক্ষ, সময়োপযোগী ও ফলাফলনির্ভর। মাঠপর্যায়ে যেকোনো সমন্বয়হীনতা দ্রুত দূর করে কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করতে হবে।

তিনি আরও বলেছেন, প্রতিটি বিভাগের ছোট ছোট সফল উদ্যোগ সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করে। তাই প্রতিটি কর্মকর্তার পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: হিট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান অব্যাহতি, নতুন পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল

দেশের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দাকার আব্দুল মুক্তাদিরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন সচিব।

মো. আতাউর রহমান বলেন, মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী শিগগিরই একটি পাওয়ার অ্যাপ উন্নয়ন, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেল চালু এবং বিদ্যমান বাজার মনিটরিং অ্যাপ আরও উন্নত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে বাজার নজরদারি আরও জোরদার হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) শিবির বিচিত্র বড়ুয়া। এছাড়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সেবাস্টিন রেমাসহ বাণिज্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: নড়াইলে সাপের ছোবল খেয়ে জ্যান্ত সাপ নিয়ে হাসপাতালে বৃদ্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্চ সেতু যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উন্নয়ন আনবে : এমপি ওয়াহাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


আর্চ সেতু যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উন্নয়ন আনবে : এমপি ওয়াহাব

ময়মনসিংহ নগরীর ব্রহ্মপুত্র নদের ওপরে নির্মিত হচ্ছে দেশের একমাত্র স্টিল আর্চ সেতু। এটি বাস্তবায়ন হলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটবে, এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

তিনি বলেছেন, এই স্টিল আর্চ সেতুটি হবে একটি দৃষ্টি নন্দন প্রকল্প। এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক একটি পর্যটন স্পটের মতো সুবিধা সৃষ্টি হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, জনচাহিদার পূরণে নির্মাণ পরিকল্পনায় কিছু সংশোধনীর প্রয়োজন রয়েছে যাতে ওভারপাস এবং আন্ডারপাসের গ্যাপ কমানো যায়। এ সেতু বাস্তবায়ন হলে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ এবং কুড়িগ্রামের মানুষ প্রকৃত সুফল ভোগ করতে পারবে।

গতকাল শনিবার বিকাল সাড়ে ৬ টায় নগরীর কেওয়াটখালী, রঘুরামপুর, র‌্যালি মোড় এলাকায় সেতু নির্মাণ কাজের বিভিন্ন স্পট পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা উল্লেখ করেন।

এ সময় তিনি নির্মাণ কাজের ধীরগতি নিয়ে দু:খ প্রকাশ করেন এবং বলেন, 'নির্মাণ কাজ এখন পর্যন্ত অনেকটাই ধীরগতি চলছে।' তবে সব ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করেই তাড়িৎগতিতে নির্মাণ কাজটি শেষ করার প্রয়োজন রয়েছে। এই জন্য তিনি জমি অধিগ্রহণ দ্রুত শেষ করার এবং স্থাপনাগুলো অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করার কথা বলেন। আশার কথা হলো, এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগের ৩০ জন সংসদ সদস্য ঐক্যমত পোষণ করেছেন।

পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, মহানগর বিএনপির সদস্য সৈয়দ শরীফ, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গোবিন্দ রায়, ওলামা দল নেতা আমীর হামজাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মোতাহার হোসেন তালুকদার সেতু নির্মাণ পরিকল্পনায় কিছুটা গ্যাপ থাকার মন্তব্য করে বলেন, 'সেতু নির্মাণ পরিকল্পনায় রঘুনাথপুর ও শম্ভুগঞ্জ মোড়ে জ্যাম কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে।' এজন্য তিনি শম্ভুগঞ্জ মোড়ে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এতে জনচাহিদার পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে এবং জনদুর্ভোগ লাঘব হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক (পিডি) প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার পরিদর্শন দলের কাছে প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরা সময় জানিয়ে বলেন, সেতুর মূল দৈর্ঘ্য হবে ৩২০ মিটার। তবে মূল সেতু ১১ শত মিটার দৈর্ঘ্য হবে। এ সেতুর মধ্যে ওভারপাস এবং আন্ডারপাস থাকবে। নগরীর জ্যাম কমাতে আরো ২টি ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে, এই ক্ষেত্রে আর্থিক সীমাবদ্ধতা উপস্থিত রয়েছে।

নির্মাণ কাজের ধীরগতি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে নির্মাণ কাজে কিছুটা ধীরগতি চলছে। তবে অধিগ্রহণকৃত ভূমির স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিলে কাজের গতি বাড়বে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নির্মাণ কাজের মাত্র ২১ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে এর অগ্রগতির পরিমাণ ৪৬ ভাগ। চুক্তি অনুযায়ী এ বছরের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও, জমি অধিগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা সহ নানা কারণে বিগত সময়ে নির্মাণ কাজের প্রত্যাশিত অগ্রগতি ঘটেনি। ফলে ১ হাজার ১০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হতে আরো কিছুটা সময় লাগবে।

জানা গেছে, নকশা অনুযায়ী স্টিল আর্চ সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৩২০ মিটার এবং ৭৮০ মিটার অ্যাপ্রোচ সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ৫৫১ মিটার সড়ক ওভারপাস, ২৪০ মিটার রেলওয়ে ওভারপাস এবং ৬ দশমিক ২০ কিলোমিটার স্লো মুভিং ভেইকুলার ট্রাফিক লেনসহ চারলেন মহাসড়ক নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ৩ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে অধিগ্রহণ ব্যতিত চুক্তি হয়েছে ২ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, 'কেওয়াটখালী সেতু হবে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম দৃষ্টিনন্দন স্টিল আর্চ সেতু।' এটি নির্মাণ হলে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটবে। এতে ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত স্থলবন্দর, ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের পথ আরো সুগম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামাস ও হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


হামাস ও হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

হত্যাকাণ্ডের শিকার ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের আগে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর পৃথক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, হামাসের শুরা কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ দারবিশের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তেহরানে আরাগচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে প্রতিনিধিদলটি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করে।

বৈঠকে মোহাম্মদ দারবিশ গাজার পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে একে ‘বিপর্যয়কর’ বলে অভিহিত করেন। তিনি ইসরায়েলকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইরানের দীর্ঘদিনের সমর্থনের প্রশংসা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে তেহরানের সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য ইরানকে অভিনন্দন জানান।

জবাবে আব্বাস আরাগচি শোকবার্তার জন্য হামাস প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি ইরানের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, একই দিনে আরাগচি হিজবুল্লাহর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গেও বৈঠক করেন। প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা ও লেবাননের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফনেইশ।

বৈঠকে ফনেইশ হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেমের পক্ষ থেকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে সমবেদনা জানান। পাশাপাশি লেবাননের প্রতি ইরানের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে তেহরানের সামরিক ও কূটনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

জবাবে আরাগচি হিজবুল্লাহর প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রশংসা করেন এবং সংগঠনটির নিহত সাবেক মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে লেবাননে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

সূত্র: আল-জাজিরা, ইরনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন সময়োপযোগী করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন সময়োপযোগী করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের বিস্তারের কারণে উদ্ভূত নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন, বিধি ও নীতিমালা সময়োপযোগী করা হবে। প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন যে, বিভিন্ন দেশের আইন পর্যালোচনা করে বাস্তবতার নিরিখে যুগোপযোগী সুপারিশ প্রণয়নের কাজ করতে হবে। আজ (রোববার) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আইন সময়োপযোগীকরণ এবং নতুন আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনযাপন, চিন্তাভাবনা, যোগাযোগ ও সামাজিক আচরণের সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তি খুব গভীরভাবে জড়িয়ে গেছে। প্রযুক্তি মানুষের জন্য যেমন আশীর্বাদ হয়ে এসেছে, তেমনি এর সঙ্গে নতুন ধরনের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে সেগুলোকে একটি কার্যকর আইনি কাঠামোর আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।’

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিদ্যমান সব আইন, বিধি, প্রবিধান ও নীতিমালা পর্যালোচনার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কোন আইন আধুনিকায়ন প্রার্থনীয়, কোথায় নতুন আইন প্রয়োজন, এবং কোন ক্ষেত্রে আইনি ঘাটতি রয়েছে সেসব উপাদান পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত সুপারিশ দেবেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একসময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যপরিধি মূলত প্রিন্ট মিডিয়া ও সম্প্রচারমাধ্যমের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের বিকাশের ফলে অসংখ্য নতুন মাধ্যম সৃষ্টি হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোই প্রচলিত আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের আইনি কাঠামো আধুনিকায়ন করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিভিন্ন নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। এসব দেশের আধুনিক আইন ও অভিজ্ঞতার অধ্যয়ন ও পর্যালোচনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের নিজস্ব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্যকর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা যায়।

তিনি যোগ করেন, সাইবার জগৎ, ডিজিটাল ট্রান্সমিশন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভিন্ন ভিন্ন সেবাকে সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনতে হলে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সংস্থা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, টেলিযোগাযোগ ও অবকাঠামো-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণেরও প্রয়োজন রয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নতুন চ্যালেঞ্জগুলো দ্রুত শনাক্ত করতে, অংশীজন নির্ধারণ করতে, দায়িত্ব বণ্টন ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণেরও নির্দেশনা দেন।

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী প্যানেলের সদস্যবৃন্দ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরাপত্তা কৌশলের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে বলেছেন যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। এই লক্ষ্যে পিজিআরের সকল কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আজ দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এই আহ্বান উপস্থিত সকলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

তিনি বলেন, 'একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপর আমার আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং, নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি যাতে জনগণ নিজেদেরকে সরকার প্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহবান জানাই।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যগণই এই রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালনের জন্য যথানিয়মে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট সেনাবাহিনীরই অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, পেশাদারিত্ব, আনুগত্য এবং শৃংঙ্খলার সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যগণ নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবেন এটিই বিধিবদ্ধ নিয়ম। আপনাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই পিজিআরে'র দক্ষতা এবং একনিষ্ঠতা ফুটে উঠবে এটি আমার প্রত্যাশা।'

পিজিআরের কাজটি চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এর কারণ রাষ্ট্র ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার দায়িত্বপালন করাও আপনাদের অন্যতম কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনে আপনাদেরকে নানারকমের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এসব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনাদের বিশ্বস্ততা, দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্যপরায়ণতা আপনাদেরকে নিঃসন্দেহে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে পরিচিত করেছে।'

সুশৃঙ্খলতার স্বীকৃতি স্বরূপ 'পিজিআর' চলতি বছর 'ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড' পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'একটি বাহিনী হিসেবে এটি অবশ্যই আপনাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই সাফল্যের জন্য আমি আপনাদের আবারো অভিনন্দন জানাই। যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপনাদের ইস্পাত কঠিন দায়িত্ববোধ অবশ্যই প্রশংসনীয়।'

সশস্ত্রবাহিনীকে জনগণের সাহস এবং একটি দেশের গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্রবাহিনীর সাহসী ভূমিকা সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন এবং অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ফেলেছে।

তিনি বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি, সশস্ত্রবাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থেকে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব আর কখনই হুমকির মুখে পড়বে না।'

পিজিআরের প্রতি প্রত্যাশা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি আশা করব, পিজিআরে'র মত বিশেষায়িত বাহিনীর সর্বোচ্চ সফলতার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং সর্বোপরি 'চেইন অব কমান্ড' অনুসরণ- এই বিষয়গুলো কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।'

একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআরেরও পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যে কোনো বাহিনীর সামনে প্রচলিত চ্যালেঞ্জের বাইরেও বর্তমানে আর্থ-সামাজিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরী হয়েছে। তাইতো সাইবার যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ড্রোন যুদ্ধ কিংবা তথ্যযুদ্ধ এসব নতুন নতুন ক্ষেত্রগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।'

তিনি বলেন, 'এসব বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধুমাত্র পিজিআরই নয় প্রতিটি বাহিনীকেই আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদেরকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি।'

তারেক রহমান বলেন, 'সশস্ত্রবাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর কিংবা এসএসএফের মতো সফিস্টিকেটেড বাহিনীগুলোকে সরকার আরো আধুনিকায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে যথানিয়মে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।'

বক্তব্যের শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তায় ১৯৭৫ সালের এইদিনে প্রথমে 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট’ নামে একটি নতুন রেজিমেন্ট আত্মপ্রকাশ করেছিল। পরবর্তীকালে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট'কে 'প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট' হিসেবে নামকরণ করেন। নতুন এ নামকরণ রেজিমেন্টের কার্যক্রমকে আরো দৃঢ় ও গতিশীল করতে ইতিবাচক প্রভাব রাখে।'

পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে নিজের জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ এবং হৃদয় বিদারক ঘটনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের কথা মনে পড়ছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের সময় কর্তব্য পালনরত পিজিআরের কয়েকজন সদস্যও শহীদ হয়েছিল। আজকের এই বিশেষ দিনে আমি পিজিআরের সেই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। আল্লাহর দরবারে তাঁদের মাগফিরাত কামনা করছি।'

তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নিরাপত্তার প্রতি অটল আনুগত্য, কর্তব্যপরায়ণতা এবং জীবন উৎসর্গের যে চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে এটি অবশ্যই পিজিআরের সদস্যদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।'

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন। তিনি পিজিআর সদর দপ্তরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শহীদ হওয়া পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য প্রতি বছর ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত এই বাহিনী গঠিত হয়। ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর সদর দপ্তরে বার্ষিক দরবার ও সুসজ্জিত কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদ্যাপন করা হয়।

পিজিআর মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এটি বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও অন্যান্য সামরিক দায়িত্ব পালন করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%