ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গোপালগঞ্জে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান করে মুক্তিযোদ্ধা মোশারেফ হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ


গোপালগঞ্জে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান করে মুক্তিযোদ্ধা মোশারেফ হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

গোপালগঞ্জে মোশারেফ হোসেন মোল্লা নামে একজন গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে জেলা ও সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের যৌথ আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জেলার শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোধ্যা বোরহান উদ্দিন শেখ, এনায়েত হোসেন, সবেদ আলী ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা।

আরও পড়ুন: মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারেফ হোসেন মোল্লাকে ‘ভুয়া’ বা ‘মুক্তিযোদ্ধা নন’ হিসেবে উল্লেখ করে ভিত্তিহীন এবং মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২১ সালে মুক্তিযোদ্ধা বহির্ভূত নতুন আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাইয়ের একটি অসম্পূর্ণ তালিকার ভিত্তিতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

বক্তারা প্রমাণ প্রদান করে জানান, মোশারেফ হোসেন মোল্লা একজন গেজেটভুক্ত প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যার মুক্তিযোদ্ধা নম্বর ০১৩৫০০০৫০৯৪ এবং লাল মুক্তিবার্তা নম্বর ১০৯০১০২৭৮। এমনকি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত গেজেট এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সরকারি মুক্তিযোদ্ধা তালিকার ২,১৬১ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে তাঁর নাম ১৭১ নম্বরে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মোশারেফ হোসেন মোল্লা এবং তাঁর ছোট ভাই ভারতে গিয়ে সরাসরি উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং দেশে ফিরে সম্মুখ সমরে অংশ নেন। সংবাদ প্রকাশের আগে জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। বক্তারা অবিলম্বে এর পেছনে জড়িতদের খুঁজে বের করতে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

এদিকে মানববন্ধনের শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর কাছে চার দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: কাউখালী সাপ্তাহিক বাজারে ফুটপাত ও সড়ক দখলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি

সম্প্রতি পিতার এই মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছেন মোশারেফ হোসেন মোল্লার ছেলে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম। অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, 'আমার বাবা একজন প্রকৃত এবং গেজেটেডভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। আমি এর সপক্ষে সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ করেছি। তাই প্রমাণিত হয় যে আমার পিতা একজন গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনে লেখালেখি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


মুন্সীগঞ্জে হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ২

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কোলা গ্রামের বাসিন্দা ইলিয়াছ মোল্লা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিসহ দুইজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশের অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। পরে বিধি মোতাবেক তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কোলা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য রওশন আরা মেম্বার (৫৫) এবং তার ছেলে বিপ্লব (৩৫)। তাদের মধ্যে বিপ্লব মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি হিসেবে পরিচিত।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গত ১৯ জুন সকালে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার কোলা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে মো. ইলিয়াছ মোল্লার ওপর হামলার ঘটনা ঘটা শুরু হয়। হামলায় মো. ইলিয়াছ মোল্লা গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে।

এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে, ২০ জুন রাতে সিরাজদিখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ব্যাপকভাবে অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে কোলা গ্রামের মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি রওশন আরা মেম্বারকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকার একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রধান আসামি বিপ্লবকে গ্রেফতার করে।

সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলাউদ্দিন এ ঘটনায় বলেন, “ঘটনার পর থেকেই গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার অন্যতম আসামি রওশন আরা মেম্বারকে গ্রেফতারের পর ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি বিপ্লবকে আটক করা হয়।”

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরব আমিরাতের কাছে সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে ভারত, চলছে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


আরব আমিরাতের কাছে সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে ভারত, চলছে আলোচনা

ভারত সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মোস সহ কয়েকটি প্রধান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করতে চায়।

এর জন্য ভারত সরকার আমিরাতের সাথে আলোচনাও চালাচ্ছে। চারটি ভারতীয় সূত্রের বরাত দিয়ে খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় দেশটি অস্ত্র ক্রয় বাড়িয়ে দেয়ায় ভারত সরকার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে এ নিয়ে আলোচনা করছে।

এই আলোচনা সম্পর্কে আগে কোথাও প্রকাশ করা হয়নি। এ সময় ভারতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশতীর বিক্রির সম্ভাব্য বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত আছে বলে অবগত দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত তৃতীয় একটি সূত্র জানায়, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রহ্মোস ও আকাশতীরসহ আমাদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত এগোচ্ছে।’

এদিকে, মন্তব্যের অনুরোধে ভারতীয় কর্মকর্তা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো সাড়া দেয়নি।

ভারত ও রাশিয়ার যৌথভাবে তৈরি ব্রহ্মোস বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগামী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এটি স্থল, সমুদ্র ও আকাশ—সব প্ল্যাটফর্ম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়। অন্যদিকে, আকাশতীর হলো ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বারা নির্মিত একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

যুদ্ধের সময় ইরানের হামলায় ব্যাপক আক্রমণের শিকার হওয়ার পর এবং উদীয়মান হুমকি মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারত ও অন্যান্য উৎস থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার কথা বিবেচনা করছে। এছাড়াও, দেশটিকে জ্বালানি রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীকে রক্ষা করাও প্রয়োজন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।

এদিকে, এই বছরের শুরুতে, সংযুক্ত আরব আমিরাত দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ৩৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্রসারের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনার পাঁচ অভিযুক্ত সন্ত্রাসী ঢাকায় গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


খুলনার পাঁচ অভিযুক্ত সন্ত্রাসী ঢাকায় গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ খুলনার পাঁচ অভিযুক্ত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার (২১ জুন) ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এই সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার ও দুটি রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন শেখপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তুষার শিকদার, গোবরচাকার আবরার ফয়সাল বাদিন, শেখপাড়া লোহাপট্টির আল আমিন, সোনাডাঙ্গার নবীনগর এলাকার আসিফ এবং টুটপাড়া জোড়াকল বাজার এলাকার সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির।

সোমবার (২২ জুন) সকালে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান। তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি খুলনায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় মহানগরজুড়ে বিশেষ নজরদারি শুরু করা হয়েছে।

চলতি মাসের ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবেই গোপন তথ্য, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

উপ-পুলিশ কমিশনার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা খুলনার বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো ধর্মই খারাপ কাজকে সমর্থন করে না: গয়েশ্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


কোনো ধর্মই খারাপ কাজকে সমর্থন করে না: গয়েশ্বর

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বলেছেন যে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন বিধি-নিষেধের আওতায় ছিল। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, কোনো ধর্মই অন্যায় বা খারাপ কাজকে সমর্থন করে না।

সোমবার আয়োজিত কেরানীগঞ্জ উপজেলা হলরুমে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের সনদ ও অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উমর ফারুক।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সব ধর্মেই ভালো ও মন্দ কাজের প্রতিফল সম্পর্কে ধারণা রয়েছে। মানুষ তার কর্ম অনুযায়ী ফল ভোগ করবে। ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী কোনো সাংঘর্ষিক আইন সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাকে ইফতার পার্টি আয়োজন করতে দেওয়া হয়নি। তখন আমি গাড়িতে করে বিভিন্ন স্থানে ইফতার বিতরণ করতাম। ইসলামের মূল শিক্ষা হল নিরাকার আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা এবং আমি একজন হিন্দু হিসেবে সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি। ধর্ম ও কর্ম আসলে একে অপরের পরিপূরক। রাষ্ট্রের আইন এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলা অপরিহার্য। কোনো ধরনের উগ্রবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, কেরানীগঞ্জ উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইনচার্জ মো. আল-আমীন, বিএনপি নেতা আলি হোসেন আলী, চঞ্চল এবং যুবদল নেতা আরমান উল্লাহ ডাবলু প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%