সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৬ পি.এম
পাবনার চাটমোহরে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, তাদের কাছে ১০ বোতল এস্কাফ সিরাপ ছিল। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন, জগতলা পূর্বপাড়ার মৃত কুরান সরকারের ছেলে মো. শাহ আলম সরকার (৬০) এবং অপরজন হলেন, জগতলা কাজীপাড়ার মৃত দিলবর আলীর ছেলে মো. ফজলুল হক (৩৯)।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, জগতলা গ্রামের মুছা মোল্লার বাড়ির সামনে দুই ব্যক্তি নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। এরপর রাত সোয়া ১০টার দিকে ডিবির একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়। এ সময় শাহ আলমের কাছে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১০০ মিলিলিটার করে পাঁচ বোতল এস্কাফ সিরাপ এবং ফজলুল হকের শপিং ব্যাগ থেকে একই পরিমাণের আরও পাঁচ বোতল উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাটমোহর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন বিরোধীদলীয় নেতার জন্য
জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের জন্য দোয়া করেছেন।
সোমবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দোয়া করেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা আমার জন্য এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে দুই হাত তুলে মোনাজাত করেছেন। তাই আমিও দোয়া করছি।’
এরপর তিনি ডা. শফিকুর রহমানের জন্য দোয়া করতে গিয়ে বলেন, ‘রব্বুল আলামিন আমাদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকে শ্বেত-শুভ্র বুজুর্গানে দ্বীন। তার হায়াতে তাইয়্যেবা দান করুন। সবরে জামিল দান করুন।’
এর আগে, ৩ সেপ্টেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘এসআরবি বিল ২০২৬’ নিয়ে আলোচনা চলাকালীন ডা. শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করেন।
সে সময় মোনাজাতের ভঙ্গিতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘হে রাব্বুল আলামিন, তুমি উনার দিলটাকে অনেক বড় করে দাও। আল্লাহ তায়ালা, জাতির স্বার্থেই বড় করে দিন।’
এদিকে, বিরোধীদলীয় নেতার দোয়ার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিজ আসনে বসে ‘আমিন’ বলতে এবং পরে মুখে হাত বুলাতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও ক্যান্টনমেন্ট) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
আজ সোমবার বিকেলে এলজিইডি ভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কুমিল্লার সুয়াগাজী থেকে গোলাবাড়ি ব্রিজ পার হয়ে দেবিদ্বার, মুরাদনগর, বাঞ্ছারামপুর ও আড়াইহাজার হয়ে ঢাকার কুড়িল বিশ্বরোডে সংযুক্ত হওয়ার প্রস্তাবিত বিকল্প মহাসড়ক নির্মাণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রস্তাবিত এ মহাসড়কটি নির্মিত হলে কুমিল্লা ও ঢাকার মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডোর তৈরি হবে বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।
মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রস্তাবিত বিকল্প মহাসড়ক নির্মাণের বিষয়ে ইতিবাচক মতামত ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় জানানো হয়, প্রস্তাবিত মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পর্যায়ক্রমে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নদী ও জলপথে সেতু নির্মাণের দায়িত্ব সেতু বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে গোমতী ও মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ও প্রস্তাবনায় রয়েছে।
মতবিনিময়কালে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লা-ঢাকা যোগাযোগব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করতে বিকল্প এই মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের বেলগাছি-বহরমপুর সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির কারণে গ্রামবাসীদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে। বেলগাছি পালপাড়ার ২৫টি পরিবারসহ গ্রামে প্রায় ২০০ পরিবারের বসবাস রয়েছে। নদী বেষ্টিত এই গ্রামের পালপাড়ায় প্রতি বছর দূর্গাপূজার জন্য শতাধিক প্রতিমা নির্মাণ করা হয়। এবছরও প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রতিমা তৈরি করতে আসেন। এই গ্রামের যাতায়াতের সড়কটি দেখে মনে হবে, এটি যেন চাষের জমি। কাদা পানিতে সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। স্কুলের শিশু শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে গ্রামের সকল মানুষকে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দেড় কিলোমিটার এই সড়কের উন্নয়ন হয়নি, এ নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। সরকার বারবার পরিবর্তন হলেও, বেলগাছি-বহরমপুর সড়কের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি।
বেলগাছি পালপাড়ার মৃৎশিল্পী অমল চন্দ্র পাল, অপূর্ব পাল, সনাতন পাল, গ্রামের আজাহার আলী এবং নুরুল ইসলাম জানান, এই সড়কটি পাকাকরণ অত্যন্ত জরুরি। সড়কটির কারণে গ্রামের মানুষের চরম কষ্ট হচ্ছে। চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে সড়কটি। এ বিষয়ে নিমাইচড়া ইউনিয়নের প্রশাসক এবং উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার খলিলুর রহমান জানান, সড়কটি পাকাকরণের পরিকল্পনা রয়েছে। শীঘ্রই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রির জন্য একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যা সরকারের আশ্রয়ণ নীতিমালার প্রতি কোনো গুরুত্ব দেয় না। গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে নির্মিত এসব ঘর, স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সহায়তায় স্ট্যাম্পে সই নিয়ে বিক্রি হচ্ছে। যদিও সরকারিভাবে এসব ঘরের হস্তান্তরের সুযোগ নেই, তথাপি এই কার্যক্রম চলছে প্রকাশ্যে।
মুলাডুলি ইউনিয়নের বহরপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরেজমিন অনুসন্ধানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্রকল্পের ২০৮টি নতুন বাড়ির মধ্যে অর্ধেকের বেশি বরাদ্দপ্রাপ্তরা সেখানে বসবাস করছেন না। গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত এসব ঘর ৪০-৮০ হাজার টাকায় হাত বদল হচ্ছে। এমনকি একটি ঘর একাধিকবার বিক্রি ও ভাড়া দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় জামায়াত নেতার নির্দেশে একটি সিন্ডিকেট এই বাণিজ্য পরিচালনা করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, স্ট্যাম্পের মাধ্যমে শতাধিক বাড়ি হস্তান্তরিত হয়েছে। প্রতিটি ঘর বিক্রির টাকার বেশির ভাগ অংশ স্থানীয় সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ মেম্বারের নির্দেশে এসব লেনদেন হচ্ছে। আশ্রয়ন প্রকল্পের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম, বর্তমান সভাপতি রাজিব হোসেন এবং মহিলা নেত্রী পাপিয়া সুলতানা ওরফে পলি এই কার্যক্রমে জড়িত।
এক বাসিন্দা অনিক হোসেন জানিয়েছেন, আকলিমা খাতুন নামে এক বাসিন্দা মৃত্যুর পর তিনি কথিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘরটি কিনেছেন এবং জমির দলিলও পেয়েছেন। চায়না বেগম নামে আরেক ক্রেতা জানিয়েছেন, তিনি তার নিকটাত্মীয় তরিকুল ইসলামের ঘর কিনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। এজন্য তাকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। নুর ইসলাম নামের একজন ৬০ হাজার টাকায় জান্নাত আরা নামে এক বাসিন্দার ঘর কিনেছেন। প্রকল্পের শতাধিক ঘর এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে, যার ১০-২০ শতাংশ টাকা প্রকৃত মালিকরা পেয়েছেন এবং বাকি টাকা সিন্ডিকেটের পেটে গেছে।
সিন্ডিকেটের নারী নেত্রী পাপিয়া সুলতানা পলি গোপন পরিচয়ে জানিয়েছেন, তিনি বরাদ্দপ্রাপ্তদের কাছ থেকে তিনটি ঘর কিনেছেন। তিনি প্রতিবেদককে আশ্বাস দেন যে, ৫০-৬০ হাজার টাকায় একটি ঘর পাইয়ে দিতে পারবেন। তিনি জানান, তারা প্রায় শতাধিক ঘর বন্দোবস্ত করেছেন এবং কোনো সমস্যা হয়নি।
সিন্ডিকেটের আরেক সদস্য রাজিব হোসেনও ঘর হাতবদলের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঝর্ণা, আঞ্জুয়ারা, রুমা, মরজিনা, জাহিদা, সাথী আক্তারসহ আরও ১০-১৫ জন বাসিন্দা ইতিমধ্যে তাদের ঘর ছেড়ে চলে গেছেন। বর্তমানে ঘরগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, চাইলে সেখানে একটি ঘর বন্দোবস্ত করে দেবেন, বিনিময়ে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে।
তবে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা হাফিজ মেম্বার ঘর বেচাকেনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তিনি একাধিক নয়, প্রকল্পের একটি ফাঁকা ঘর স্থানীয় টুটুল নামে এক ব্যক্তিকে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তবে তিনি কোনো আর্থিক লেনদেন করেননি। তার বক্তব্য, কথিত সিন্ডিকেট তার নাম ভাঙিয়ে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছে, কিন্তু তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
এদিকে, আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। রাস্তায় কাঁদাপানি জমে থাকায় চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে। কর্মসংস্থান না থাকায় অনেকেই চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। প্রভাবশালীদের প্রশ্রয়ে প্রকল্প এলাকায় মাদকাসক্তদের উৎপাত, মাদক ব্যবসা ও দেহ ব্যবসার মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বসবাস অনিরাপদ হয়ে পড়েছে।
ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সেহাব উদ্দিন সরকার জানিয়েছেন, আশ্রয়ন প্রকল্পে অধিকাংশ প্রকৃত বাসিন্দা না থাকায় ঘরগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে না। কিছু জায়গায় কাঁদা পানি জমেছে এবং সংস্কারের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার অনিয়মের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, "বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। যারা নীতি ভঙ্গ করে ঘরের দখল বিক্রি করেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় দলিল বাতিল সম্পন্ন হলে ঘরগুলোর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।" তিনি আরও জানান, যেসব ক্রেতা হাত বদল করে এসব ঘর নিয়েছেন, তাদের অধিকাংশই ভূমিহীন। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে যারা মধ্যস্থতাকারী এবং অনৈতিক লেনদেনের সাথে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুতই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ