ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাজেট ২০২৬-২৭: কৃষক কার্ডে ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব


বাজেট ২০২৬-২৭: কৃষক কার্ডে ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত দেশের ৫৫তম বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে যে, দেশের ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণচাষিদের 'কৃষক কার্ড' প্রদান করা হবে। এ উদ্দেশ্যে কৃষক কার্ড বাবদ ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এর পূর্বে গত পহেলা বৈশাখে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে 'কৃষক কার্ড' কর্মসূচি চালু করেছে, যা উদ্দেশ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ১০টি সেবা পৌঁছে দেওয়া। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ কর্মসূচির প্রি-পাইলটিং হিসেবে দেশের আটটি বিভাগের ১০ জেলার ১১ উপজেলার ১১টি ব্লকে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে কার্ড দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। তার আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করে। পাঁচ দশকের বেশি সময়ের এই যাত্রায় দেশের অর্থনীতির পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে উন্নয়ন কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের আকারও।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। বিশাল নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রতিগুলো পূরণে দেশের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় বাজেট তৈরি করেছে সরকার। প্রস্তাবিত এ বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

বিরাট এ বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

বিশাল এ বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপারি গাছ কাটতে গিয়ে কলেজের ছাত্রের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


সুপারি গাছ কাটতে গিয়ে কলেজের ছাত্রের মৃত্যু

চট্টগ্রামের আনোয়ারা অঞ্চলে সুপারি গাছ কাটার সময় পল্লী বিদ্যুতের ১১ হাজার ভোল্ট লাইনের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন আব্দুল হান্নান শাহ (২২) নামের এক কলেজছাত্র।

এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার ১ নম্বর বৈয়াগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক গ্রামে।

উক্ত দুর্ঘটনার শিকার হান্নান ওই এলাকার আব্দুল গফ্ফার শাহর একমাত্র সন্তান ছিল। তিনি আনোয়ারা সরকারি কলেজে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

হান্নানের ফুফাতো ভাই মো. ইমরান হোসাইন জানান, মৃত হান্নান তার চাচাতো ভাইয়ের দোকানে বসবাস করেন। তিনি পরীক্ষা উপলক্ষে ছুটিতে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষা না থাকায় তিনি সুপারি গাছ কাটতে গিয়েছিলেন। এই সময় গাছটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসলে তাকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অবস্থায় এক যুবককে হাসপাতালে আনা হলে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ মাগরিবের নামাজের পর জানাজার আয়োজন করা হবে এবং পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে বরাদ্দ সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে বরাদ্দ সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা

বিএনপির সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও প্রচারণায় সবচেয়ে বেশি ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের কথা বলা হয়েছিল। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই কার্ড দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে, সরকারের প্রথম প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই দুই কার্ডের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৫ হাজার ৫৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে, জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বাজেটে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাব করেছেন।

বাজেট বক্তব্যে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, কৃষি খাতে মৌলিক রূপান্তর আনতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ১০টি সেবা পৌঁছে দিতে সরকার গত ১৪ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে। দেশের আট বিভাগের ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে মোট ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে, মৎস্য চাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং লবণ চাষিদেরও এই বিশেষ কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫ লাখ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকগণ প্রতি বছর একবার দুই হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তার পাশাপাশি আরও ১০ ধরনের বহুমুখী সুবিধা পাবেন।

এ জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রাথমিকভাবে কৃষক কার্ড বাবদ এক হাজার ৬২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং চলতি অর্থ বছরে এক হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, এক মাসের মধ্যে 'ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি' চালু করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচি সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে, এই কার্ডটি সরাসরি পরিবারের 'মা' বা 'নারী প্রধান' সদস্যের নামে ইস্যু করা হচ্ছে।

এই কার্ডের মাধ্যমে মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা সরাসরি মোবাইল বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হচ্ছে। এ হার বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতার হার অপেক্ষা প্রায় তিন গুণ অধিক।

২০৩০ সালের মধ্যে, এ কার্ডকে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’ হিসেবে রূপান্তর করতে চাওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার ৪৪ জন পরিবারের নারী প্রধানকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের মধ্যে ৪১ লক্ষ নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য বাজেটে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা, প্রতিবন্ধীদের ভাতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিছুক্ষণ পর ফুটবল বিশ্বকাপ: জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান-ম্যাচ কখন শুরু হচ্ছে, কোথায় দেখা যাবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


কিছুক্ষণ পর ফুটবল বিশ্বকাপ: জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান-ম্যাচ কখন শুরু হচ্ছে, কোথায় দেখা যাবে?

আর কিছুক্ষণ পর চার বছরের পর football বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের পর্দা উঠতে চলেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুরু হবে একদম জমকালো আয়োজনে। এর মধ্য দিয়ে শুরু হবে প্রায় দেড় মাসব্যাপী ফুটবল উৎসব। উদ্বোধনের পর মাঠে গড়াতে চলেছে প্রথম ম্যাচও। বাংলাদেশ সময় অনুসারে অনুষ্ঠান এবং ম্যাচ কখন শুরু হবে এবং কোথায় দেখা যাবে—সেটা এক নজরে জানুন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কোথায়, কখন?

এবারের বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনটি দেশে- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা। এই তিনটি জায়গাতেই আলাদা দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রথম ম্যাচ মেক্সিকোতেই হতে চলেছে, তাই তাদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আগে অনুষ্ঠিত হবে।

২০১০ বিশ্বকাপের মতো, এই ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

কানাডায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল রাতে। শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। তার আগে ভোর সাড়ে ৫টায় সেখানে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন), মেক্সিকোতে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী 'পাপেল পিকাডো' শিল্প এবং আদিবাসী সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। সেখানে দেশের আদিবাসী সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য এবং ঐতিহ্যবাহী ‘পাপেল পিকাদো’ শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হবে।

এবং তারকা performers হিসেবে মঞ্চে পারফর্ম করবেন পপতারকা শাকিরা, বার্না বয়, জে বালভিন, মানা, বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান এবং লিলা ডাউনস।

শুক্রবার (১২ জুন), কানাডায় বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চলেছে কানাডা। তার আগের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, টরন্টো স্টেডিয়ামে ১১টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ৯০ মিনিটের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

এবং তারকারা: মঞ্চে পারফর্ম করবেন নোরা ফাতেহি, মাইকেল বুবলে, জেসি রেয়েজ, অ্যালানিস মরিসেত্তে, অ্যালেসিয়া কারা, এলিয়ানা এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়।

শনিবার (১৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের আগেই ভোর সাড়ে ৫টায় লস অ্যাঞ্জেলেসে হবে ৯০ মিনিটের জমকালো উদ্বোধনী আয়োজন।

এই আয়োজনে থাকবে প্রযুক্তিনির্ভর বড় পরিসরের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা এবং গল্পভিত্তিক মঞ্চায়নে জমকালো আলো ও রংয়ের প্রদর্শনী।

এবং সেই খ্যাতিমান তারকারা: মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি, র‍্যাপার ফিউচার, ব্রাজিলিয়ান গায়িকা আনিতা, ব্ল্যাকপিঙ্ক তারকা লিসা, নাইজেরিয়ার রেমা এবং টাইলা।

এবার বিশ্বকাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও ম্যাচ কোথায় দেখতে পাবেন?

বাংলাদেশে এবার বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে সময় টেলিভিশন। এছাড়া বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখতে পাবেন সময় টিভিতে। এছাড়া বাংলাদেশে বিটিভি এবং টি-স্পোর্টসও বিশ্বকাপ দেখাবে।

বাংলাদেশ থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশ্বকাপের খেলা দেখা যাবে টফি, মাই রবি এবং বায়োস্কোপে।

গোলরক্ষক: কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল

ডিফেন্ডার: এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস

মিডফিল্ডার: লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্টো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস

ফরোয়ার্ড: রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা

দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোয়াড

গোলরক্ষক: রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে

ডিফেন্ডার: খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েছু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে

মিডফিল্ডার: তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি

ফরোয়ার্ড: ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্মার্ট ও ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে খরচ কমবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


স্মার্ট ও ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে খরচ কমবে

দেশে স্মার্ট কার্ড এবং ব্যাংকিং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে খরচ কমতে পারে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে স্মার্ট কার্ড ও ব্যাংকিং কার্ড উৎপাদন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ১০টি কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার কল্যাণমুখী নাগরিকসেবাগুলো জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ই-হেলথ কার্ডের মতো ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করছে।

তিনি আরও বলেন, এই বিশাল চাহিদাকে সামনে রেখে সব ধরনের স্মার্ট কার্ড এবং ব্যাংকিং ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে অত্যাবশ্যক ১০টি কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করছি।

বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, এটি জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকার ক্রমান্বয়ে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সেই লাখ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ (সংশোধিত) ২৭.২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার এবং পরিচালন ব্যয় চলতি অর্থবছরের ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগামী অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে অপরিহার্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি খাত ও তৃণমূলের মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে মোট ২ লাখ ৭৯ হাজার ১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের ২৯.৭৪ শতাংশ। ভৌত অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১৮.৬৬ শতাংশ। সাধারণ সেবা খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ১১৭ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৬.১৩ শতাংশ। সামাজিক খাতের বর্ধিত ও সর্বোচ্চ ব্যয় প্রস্তাব সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রতিফলন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ০২ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে। চলতি ২০২৩-২৬ অর্থবছরে যা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ আগামী অর্থবছরে ৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকভাবে ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের ঋণ পরিশোধ ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় অত্যধিক পরিমাণে বেড়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২.৯ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৪.০৫ শতাংশ হয়েছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার ঋণ ব্যবস্থাপনা সংস্কার, উচ্চ রিটার্ন সমৃদ্ধ খাতে সরকারি বিনিয়োগ এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কাঠামো আধুনিকায়ন করছে বলেও জানিয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিনিয়োগের গুণগত মান নিশ্চিত হবে, অর্থ প্রবাহ বাড়বে এবং এর মাল্টিপ্লায়ার প্রভাবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%