ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কিছুক্ষণ পর ফুটবল বিশ্বকাপ: জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান-ম্যাচ কখন শুরু হচ্ছে, কোথায় দেখা যাবে?


কিছুক্ষণ পর ফুটবল বিশ্বকাপ: জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান-ম্যাচ কখন শুরু হচ্ছে, কোথায় দেখা যাবে?

আর কিছুক্ষণ পর চার বছরের পর football বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের পর্দা উঠতে চলেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুরু হবে একদম জমকালো আয়োজনে। এর মধ্য দিয়ে শুরু হবে প্রায় দেড় মাসব্যাপী ফুটবল উৎসব। উদ্বোধনের পর মাঠে গড়াতে চলেছে প্রথম ম্যাচও। বাংলাদেশ সময় অনুসারে অনুষ্ঠান এবং ম্যাচ কখন শুরু হবে এবং কোথায় দেখা যাবে—সেটা এক নজরে জানুন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কোথায়, কখন?

এবারের বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনটি দেশে- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা। এই তিনটি জায়গাতেই আলাদা দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রথম ম্যাচ মেক্সিকোতেই হতে চলেছে, তাই তাদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আগে অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

২০১০ বিশ্বকাপের মতো, এই ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

কানাডায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল রাতে। শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। তার আগে ভোর সাড়ে ৫টায় সেখানে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন), মেক্সিকোতে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী 'পাপেল পিকাডো' শিল্প এবং আদিবাসী সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। সেখানে দেশের আদিবাসী সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য এবং ঐতিহ্যবাহী ‘পাপেল পিকাদো’ শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হবে।

এবং তারকা performers হিসেবে মঞ্চে পারফর্ম করবেন পপতারকা শাকিরা, বার্না বয়, জে বালভিন, মানা, বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান এবং লিলা ডাউনস।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

শুক্রবার (১২ জুন), কানাডায় বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চলেছে কানাডা। তার আগের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, টরন্টো স্টেডিয়ামে ১১টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ৯০ মিনিটের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

এবং তারকারা: মঞ্চে পারফর্ম করবেন নোরা ফাতেহি, মাইকেল বুবলে, জেসি রেয়েজ, অ্যালানিস মরিসেত্তে, অ্যালেসিয়া কারা, এলিয়ানা এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়।

শনিবার (১৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের আগেই ভোর সাড়ে ৫টায় লস অ্যাঞ্জেলেসে হবে ৯০ মিনিটের জমকালো উদ্বোধনী আয়োজন।

এই আয়োজনে থাকবে প্রযুক্তিনির্ভর বড় পরিসরের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা এবং গল্পভিত্তিক মঞ্চায়নে জমকালো আলো ও রংয়ের প্রদর্শনী।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

এবং সেই খ্যাতিমান তারকারা: মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি, র‍্যাপার ফিউচার, ব্রাজিলিয়ান গায়িকা আনিতা, ব্ল্যাকপিঙ্ক তারকা লিসা, নাইজেরিয়ার রেমা এবং টাইলা।

এবার বিশ্বকাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও ম্যাচ কোথায় দেখতে পাবেন?

বাংলাদেশে এবার বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে সময় টেলিভিশন। এছাড়া বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখতে পাবেন সময় টিভিতে। এছাড়া বাংলাদেশে বিটিভি এবং টি-স্পোর্টসও বিশ্বকাপ দেখাবে।

বাংলাদেশ থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশ্বকাপের খেলা দেখা যাবে টফি, মাই রবি এবং বায়োস্কোপে।

আরও পড়ুন: বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত

গোলরক্ষক: কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল

ডিফেন্ডার: এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস

মিডফিল্ডার: লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্টো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস

ফরোয়ার্ড: রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা

আরও পড়ুন: দ্রুত সময়ে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক দৃশ্যমান হবে: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোয়াড

গোলরক্ষক: রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে

ডিফেন্ডার: খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েছু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে

মিডফিল্ডার: তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ হকি দলের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মিশন শুরু

ফরোয়ার্ড: ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্মার্ট ও ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে খরচ কমবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


স্মার্ট ও ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে খরচ কমবে

দেশে স্মার্ট কার্ড এবং ব্যাংকিং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে খরচ কমতে পারে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে স্মার্ট কার্ড ও ব্যাংকিং কার্ড উৎপাদন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ১০টি কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার কল্যাণমুখী নাগরিকসেবাগুলো জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ই-হেলথ কার্ডের মতো ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করছে।

তিনি আরও বলেন, এই বিশাল চাহিদাকে সামনে রেখে সব ধরনের স্মার্ট কার্ড এবং ব্যাংকিং ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে অত্যাবশ্যক ১০টি কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করছি।

বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, এটি জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকার ক্রমান্বয়ে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সেই লাখ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ (সংশোধিত) ২৭.২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার এবং পরিচালন ব্যয় চলতি অর্থবছরের ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগামী অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে অপরিহার্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি খাত ও তৃণমূলের মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে মোট ২ লাখ ৭৯ হাজার ১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের ২৯.৭৪ শতাংশ। ভৌত অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১৮.৬৬ শতাংশ। সাধারণ সেবা খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ১১৭ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৬.১৩ শতাংশ। সামাজিক খাতের বর্ধিত ও সর্বোচ্চ ব্যয় প্রস্তাব সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রতিফলন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ০২ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে। চলতি ২০২৩-২৬ অর্থবছরে যা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ আগামী অর্থবছরে ৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকভাবে ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের ঋণ পরিশোধ ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় অত্যধিক পরিমাণে বেড়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২.৯ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৪.০৫ শতাংশ হয়েছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার ঋণ ব্যবস্থাপনা সংস্কার, উচ্চ রিটার্ন সমৃদ্ধ খাতে সরকারি বিনিয়োগ এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কাঠামো আধুনিকায়ন করছে বলেও জানিয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিনিয়োগের গুণগত মান নিশ্চিত হবে, অর্থ প্রবাহ বাড়বে এবং এর মাল্টিপ্লায়ার প্রভাবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে আজ রাতে ‘খুব কঠোর আঘাত’ হানবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


ইরানে আজ রাতে ‘খুব কঠোর আঘাত’ হানবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ইরানকে হুমকি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল বেলা, তিনি বলেন, আজ রাতে ইরানকে খুব কঠোরভাবে আঘাত করা হবে।

ডনাল্ড ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে এই হুমকি দেন। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র আসন্ন রাতের মধ্যে ইরানকে খুব কঠোরভাবে আঘাত করবে (যার নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সমস্ত ধরনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, এমনকি তাদের অধিকাংশ আক্রমণাত্মক সামর্থ্য ইতোমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে)!’’

এছাড়া তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপ এবং ইরানের অন্যান্য তেল অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে।

পারস্য উপসাগরের এই ছোট দ্বীপটি ইরানের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটির মোট অপরিশোধিত তেল রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমে ঘটে।

ট্রাম্প আরও বলেন, খুব বেশি দূরে নয়, কোনো এক সময়ে আমরা খারগ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেলের অবকাঠামোগত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নেব এবং তাদের তেল ও গ্যাস বাজারের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করব। ঠিক যেমনটি আমরা ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে করেছি। ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয়ই দুর্দান্তভাবে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাতে টানা দ্বিতীয় দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের উপর হামলা চালিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, যদি তেহরান দ্রুত কোনো শান্তিচুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে আরও হামলা চালানো হবে।

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন যদি হরমুজ প্রণালি এবং এর আশপাশে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে, তাহলে পুরো অঞ্চলকে ‘নরকে’ পরিণত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে মুসাভির এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তোমরা কি পবিত্র হরমুজ প্রণালিকে অনিরাপদ করতে চাও? তাহলে আমরা ইরানের সর্বত্র থেকে পুরো অঞ্চলকে তোমাদের জন্য নরকে পরিণত করব। ইনশাআল্লাহ, এটাই হবে অঞ্চলে আমেরিকার দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডের জবাব।’

তথ্যসূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সিগঞ্জে চারটি দাবি নিয়ে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


মুন্সিগঞ্জে চারটি দাবি নিয়ে মানববন্ধন

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘিরপাড় ঘাট এলাকায় চারটি দাবি নিয়ে বৃহৎ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ‘চরাঞ্চলের অবহেলিত জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘিরপাড় ইউনিয়নের পাশাপাশি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ও বাংলাবাজার এবং শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া, জাজিরা ও সখীপুর উপজেলার মানুষ অংশ নেন। দীর্ঘদিনের অবহেলা ও উন্নয়ন বৈষম্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তাঁরা চরাঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি তোলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দিঘিরপাড়, কাচিকাটা, নওপাড়া, চরআত্রা, কুন্ডেরচর, চর শিলই ও চর বাংলাবাজারসহ বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের মানুষ বছরের পর বছর অবকাঠামোগত সংকট ও নাগরিক দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা।

মানববন্ধন থেকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো—চরাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে একটি টেকসই সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা সড়কগুলো পিচঢালা সড়কে উন্নীতকরণ এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের স্থায়ী সমাধান।

বক্তারা বলেন, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থার কারণে রোগীদের সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া যায় না, শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হয় এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে পারেন না। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও চরম আকার ধারণ করে। ফলে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

দিঘিরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শামীম মোল্যা বলেন, "চরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী সমস্যার মধ্যে বসবাস করছে। যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে জনপ্রতিনিধিদের ব্যর্থতা। জনগণের স্বার্থে চার দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।"

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে থাকা এই জনপদের মানুষের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দীর্ঘদিনের এই যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মানববন্ধন শেষে চরাঞ্চলের উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান ঘটিয়ে চরাঞ্চলের মানুষও দেশের উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে ফিরতে চলেছেন জেলেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে ফিরতে চলেছেন জেলেরা

গভীর সমুদ্রে ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর নতুন স্বপ্ন এবং বুকভরা আশা নিয়ে আবারও সাগরের পথে পাড়ি জমাতে চলেছেন ভোলার চরফ্যাশনের হাজারো জেলে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মধ্যরাত থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ার পর তারা দুই মাসের আর্থিক সংকট, ঋণের চাপ এবং ব্যবসায়িক লোকসান কাটিয়ে আবার দাঁড়ানোর প্রত্যাশা নিয়ে আজ মধ্যরাতেই সাগরের যাত্রা শুরু করবেন।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরার কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছিল। সরকারি এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় চরফ্যাশনের প্রায় দেড় হাজার সমুদ্রগামী মাছ ধরার ট্রলার আবারও সাগরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এসব ট্রলারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় ১৮ হাজার জেলে।

নিষেধাজ্ঞার পুরো সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকায় অনেক জেলেকে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ ঋণ নিয়েছেন, আবার কেউ জীবিকার তাগিদে বিকল্প পেশায় কাজ করার চেষ্টা করেছেন। ফলে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভালো মাছের আশায় নতুন উদ্যমে সাগরে ফিরছেন তারা।

সামরাজ মৎস্যঘাটের কয়েকজন জেলে জানান, গত দুই মাস মাছ ধরতে না পারায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন সমুদ্রে ইলিশসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের ভালো উৎপাদনের আশা করছে তারা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই মাছভর্তি ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরতে পারবেন বলেও তাদের প্রত্যাশা রয়েছে।

সমুদ্রগামী জেলে আ. রহিম বলেন, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মহাজন ও এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। আজ নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে, তাই তিনি সমুদ্রে যাবেন। আশা করছেন, ভালো মাছ পাবেন এবং সেই মাছ বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন।

দীর্ঘ বিরতির পর ব্যবসা সচল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন ট্রলার মালিকেরাও। অনেকেই তাদের ট্রলারের প্রয়োজনীয় মেরামত, ইঞ্জিন পরীক্ষা এবং নতুন জাল সংগ্রহ করেছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষের খবরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরাজ মৎস্যঘাট, বরফকল এবং মাছ পরিবহন ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ট্রলার মালিক সালাউদ্দিন বলেন, তিনি ২৫ বছর ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে গত পাঁচ বছর ধরে লোকসানের মধ্যে আছেন। ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাঝি-মাল্লারা ট্রলার প্রস্তুত রেখেছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়লে তারা যেমন লাভবান হবে, তেমনি জেলেরা তাদের ঋণ পরিশোধ করতে পারবে।

সামরাজ মৎস্যঘাটের সভাপতি আজিজ পাটওয়ারী বলেন, ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলে, ট্রলার মালিক ও মৎশ্য ব্যবসায়ীদের মাঝে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ভালো মাছের প্রত্যাশায় সবাই সমুদ্রে যাওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের টেকসই সংরক্ষণ এবং মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রতিবছর নির্ধারিত সময়ের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। এ সময় মাছ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে ও বংশবিস্তার করতে পারে, যা ভবিষ্যতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%