ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্যারম প্রতিযোগিতায় বাকৃবির শিরোপা অর্জন


ক্যারম প্রতিযোগিতায় বাকৃবির শিরোপা অর্জন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ক্যারাম দল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্যারাম প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার শিরোপাজয়ী দলের দুই খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজার, কোচ ও টিম পরিচালকদের ব্লেজার পরিয়ে দেন।

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ভিসির সচিবালয়ের সভাকক্ষে চ্যাম্পিয়নদের ব্লেজার পরিধান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। ক্রীড়া উন্নয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলকে ব্লেজার পরানো হয়।

ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় দেশের ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। ছেলেদের দ্বৈত ইভেন্টে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে এবং সেমিফাইনালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (কুয়েট) পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছায় বাকৃবি। ফাইনালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে সরাসরি ২-০ সেটে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বাকৃবি দল।

আরও পড়ুন: আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিসিবি একাদশের প্রস্তুতি ম্যাচ

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি.এম. মুজিবর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আসাদুল হক সজল উপস্থিত ছিলেন। চ্যাম্পিয়ন দলের ম্যানেজার অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান মজুমদার, দলের কোচের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শাহীন হালিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরিচালক ও চ্যাম্পিয়ন দলের শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাকৃবি ভিসি চ্যাম্পিয়ন দলকে অভিনন্দন জানান। পরে অংশগ্রহণকারী দুই খেলোয়াড়সহ টিম ম্যানেজার, কোচ ও টিম পরিচালকদের ব্লেজার পরানো হয়।

চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়রা জানান, "প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়া অনেক ভালো লাগছে। এর আগে বাকৃবি ক্যারামে অংশগ্রহণ করেনি। আমাদের কাছেও আনএক্সপেক্টেড ছিল। একক খেলাতে রেজাল্ট করতে পারিনি, আয়োজকদের থেকে আনফেয়ার ছিল। দ্বৈত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এটা ভালো লাগছে বিগত কয়েকটি ইভেন্টে বাকৃবি ২য় তৃতীয় হলেও চ্যাম্পিয়ন হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা রাখতে পেরে নিজেদেরকে গর্বিত মনে করছি।"

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জি.এম. মুজিবর রহমান মন্তব্য করেন, "আমাদের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা আজকের চ্যাম্পিয়নদের থেকে অনুপ্রাণিত হবে। দুইজন খেলোয়াড়কে বলবো যারা প্রতিভাবান তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে। আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে প্রসপেক্টিভ খেলোয়াড়দের কিভাবে ক্রীড়ায় আনা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অর্জন আমরা কাজ করে যাবো।"

আরও পড়ুন: মেসি-মুলারের রেকর্ড ছুঁলেন নয়্যার, সামনে দুই মাদ্রিদ কিংবদন্তি

বাকৃবি ভিসি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, "বাকৃবি চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় যারা অবদান রেখেছো তাদেরকে অভিনন্দন। আমাদের উদ্দেশ্য ছাত্ররা লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ক্ষেত্রেও এগিয়ে আসুক। কারণ খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম অনুষঙ্গ।"

তিনি বলেন, "হলে হলে ক্রীড়া আয়োজনের তাগিদ দিয়ে আমাদের ঘরোয়া খেলা শুরু করতে হবে। প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়কে এব্যাপারে পদক্ষেপ জরুরি নিতে হবে। সামনে শীতকাল আসতেছে, প্রতি হলের প্রভোস্টবৃন্দ শীতকালীন খেলার আয়োজন করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা বাইরে সময় কাটানোর চেয়ে বিনোদন খুঁজে পাবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক্স-রে মেশিন থাকলেও টেকনিশিয়ান নেই, ১৮ বছর ধরে সেবা পাচ্ছেন না রোগিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


এক্স-রে মেশিন থাকলেও টেকনিশিয়ান নেই, ১৮ বছর ধরে সেবা পাচ্ছেন না রোগিরা

কমলনগরের মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র জনগণের চিকিৎসা সেবার একমাত্র নির্ভরযোগ্য স্থান হলো কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে, এই সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক্স-রে সেবা, যা চার লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য অপরিহার্য।

‎

টেকনিশিয়ানের অভাবে হাসপাতালের কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের দুটি এক্স-রে মেশিন। এর ফলে দরিদ্র রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা দ্রুত এক্স-রে সেবা চালুর জন্য টেকনিশিয়ান নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

‎

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৪ সালে করইতলা এলাকায় উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে এটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়, যাতে প্রান্তিক জনগণের চাহিদা পূরণ করা যায়।

‎

২০০২ সালে হাসপাতালের প্রথম এনালগ এক্স-রে মেশিন স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু, ২০০৭ সালে টেকনিশিয়ান বদলি হয়ে যাওয়ার পর থেকে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টেকনিশিয়ান নিয়োগের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র পাঠালেও কোনো সাড়া মেলেনি।

‎

করোনা মহামারির সময়, ২০২০ সালের শেষের দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে একটি আধুনিক ‘ডিজিটাল এক্স-রে’ মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। যদিও মেশিনটি যথাযথভাবে স্থাপন করা হয়েছে, প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান না পাওয়ার কারণে নতুন ডিজিটাল ও পুরানো এনালগ—দুটি এক্স-রে মেশিনই বছরের পর বছর তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

‎

হাসপাতালে ভাঙা পা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা দিদার ও আবু সায়েদ জানান, দুর্ঘটনায় পা ভেঙে যাওয়ার পর ডাক্তার এক্স-রে করার পরামর্শ দিলেও হাসপাতালের মেশিন বন্ধ থাকায় তারা বাধ্য হয়ে বাইরের বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হয়েছে। যেখানে নামমাত্র খরচে এক্স-রে করানো সম্ভব ছিল, সেখানে বাইরে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হয়েছে। তারা বলেন, "হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন থাকা সত্ত্বেও আমরা সুবিধা পাচ্ছি না।"

‎

চরপাগলা এলাকা থেকে আসা রোগী সৈয়দ আহাম্মদও একই আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "দুর্ঘটনায় বুকে আঘাত পেয়েছি। হাসপাতালে আসলে এক্স-রে লাগবে বলে চিকিৎসক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। যদি এই হাসপাতালে এক্স-রে সুবিধা থাকতো, তাহলে এমন দুর্ভোগ হতো না।"

‎

এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, "এক্স-রে মেশিন আছে। কিন্তু টেকনিশিয়ানের অভাবে এগুলো চালানো সম্ভব হচ্ছে না। উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র রোগীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দ্রুত টেকনিশিয়ান নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলে ফের নাম পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলে ফের নাম পরিবর্তন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামটি সরিয়ে আবারও ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নাম লেখা হচ্ছে। বুধবার দুপুরে হলের গেটে নাম পরিবর্তনের কার্যক্রম শুরু করে হল প্রশাসন।

এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

হলের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. জবান আলী জানালেন, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হল প্রশাসন ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামটি সরিয়ে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

লিখিত কোনো আবেদন করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লিখিত আবেদন আমাদের কাছে নেই। মৌখিকভাবে বারবার এসে তারা আমাদের বিরক্ত করছে। অভিভাবকেরা বিভ্রান্ত হন। তাদের সার্টিফিকেটে এক নাম, আর বলা হচ্ছে আরেক নাম। এখন শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হল লেখা হবে।’

এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর রাতে হলের মূল ফটক থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা ওই নাম পরিবর্তন করেন।

শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তনের দাবিতে এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছিলেন ডাকসু নেতারা।

তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ করার সুপারিশ করা হয়।

তবে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন। এ সময় প্রস্তাবটি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমিরাতে ইসরাইলের সঙ্গে গোপন বৈঠক অস্বীকার করল সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


আমিরাতে ইসরাইলের সঙ্গে গোপন বৈঠক অস্বীকার করল সৌদি আরব

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরাইলের সঙ্গে গোপন বৈঠক হওয়ার বিষয়টি সৌদি আরব স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। দেশটির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই খবরটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন। এই তথ্যটি রয়টার্সের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে ইসরাইলের চ্যানেল ১৪ জানায়, আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর একটি ব্যাপক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে সৌদি প্রতিনিধিরাও supposedly অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই খবরটি আমিরাতের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রচারিত হয়েছিল।

প্রতিবেদনটি আরও দাবি করে যে, নেতানিয়াহুর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ওই গোপন বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি সৌদি আরবের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ইরান ও হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই, আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং একটি আঞ্চলিক জোট গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়োসি শেলি এই বৈঠকের আড়ালে পুরো বিষয়টি সংগঠিত করার দায়িত্বে ছিলেন।

তবে সৌদি কর্মকর্তার এই দৃঢ় অবস্থানের কারণে ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রচারিত গোপন বৈঠকের খবরটি নিয়ে নতুন করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই উদ্যোক্তাকে সরিষার তেল উৎপাদনের মেশিন প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে দুই উদ্যোক্তাকে সরিষার তেল উৎপাদনের মেশিন প্রদান

ঠাকুরগাঁও, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলায় দুই উদ্যোক্তাকে তেল ভাঙানোর মেশিন প্রদান করা হয়েছে, যা স্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেলের উৎপাদন এবং স্থানীয়ভাবে সরিষার তেলের বাজার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে।

আজ বুধবার সকালে ‘তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’-এর আওতায় সদর উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের হাতে মেশিন দুটি তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল আলম উপস্থিত থেকে ফাড়াবাড়ী এলাকার দক্ষিণ বঠিনা গ্রামের উদ্যোক্তা হারুনুর রশিদ ও শিবগঞ্জ এলাকার মিলন সরকারের কাছে মেশিন দুটি হস্তান্তর করেন।

এ সময় সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আল মুজাহিদ, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা নিহার রঞ্জন রায়সহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ মৌসুমে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার ২ হাজার ৬৩০ জন কৃষককে সরিষার বীজ ও সার প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

জেলার ৬টি উপজেলায় মোট ১৫ হাজার কৃষককে এ প্রণোদনার আওতায় বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১৭ হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে। জেলায় হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ১ দশমিক ৫১ মেট্রিক টন হিসাবে এবার মোট ১১ হাজার ৩১ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদিত হয়েছে।

শুধু সদর উপজেলাতেই উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ২২৮ মেট্রিক টন সরিষা, যা এ অঞ্চলে সরিষা উৎপাদনে অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

কৃষি বিভাগ জানায়, সরিষার এই বাম্পার উৎপাদন স্থানীয় পর্যায়ে কাজে লাগিয়ে ভোক্তাদের কাছে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর সরিষার তেল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রকল্পের আওতায় জেলায় ছয়টি এবং সদর উপজেলায় দুটি তেল ভাঙানোর মেশিন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বাজারে ভেজাল ভোজ্য তেলের বিস্তার এবং সাম্প্রতিক সময়ে সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সরিষার তেল ভোক্তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।

একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে সরিষা প্রক্রিয়াজাত করে তেল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ভোক্তাদেরও আর্থিক সাশ্রয় হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%