ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিসিবি একাদশের প্রস্তুতি ম্যাচ


আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিসিবি একাদশের প্রস্তুতি ম্যাচ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা প্রমাণের জন্য বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে টস ছাড়াই খেলা শুরু হয়েছে। সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল আলোচনার মাধ্যমে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এই ম্যাচটি আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জন্য একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে এখানে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেট, ঘরোয়া প্রতিযোগিতা এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে বড় পরিসরে ক্রিকেট আয়োজনের সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে স্টেডিয়ামটি।

ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে গত ১৯ অক্টোবর আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সার্বিক প্রস্তুতি ও সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন বিসিবির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। বিসিবির গ্রাউন্ডস অ্যান্ড ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ন্যাশনাল ম্যানেজার সৈয়দ আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে আসা এই প্রতিনিধিদলটি পিচ, আউটফিল্ড, ড্রেসিংরুম, চিকিৎসাসেবা, লজিস্টিকস, গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্ধারিত স্থান ও সম্প্রচারসুবিধাসহ পুরো ভেন্যু ঘুরে দেখেন।

আরও পড়ুন: হ্যারি ব্রুকের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড, ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪২৯ রান

পরিদর্শনের পর বিসিবি মাঠের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক ইমরুল হাসান জানিয়েছেন, এই স্টেডিয়ামে ভবিষ্যতে আরো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে বিসিবির সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। এছাড়া এই কমপ্লেক্সে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট মাঠ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে ক্যারিবীয়রা। সিরিজের প্রথম টেস্ট আগামী ২৮ অক্টোবর মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে। এরপর ৫ নভেম্বর সিলেটে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল : রোস্টন চেজ (অধিনায়ক), জোমেল ওয়ারিকান (সহ-অধিনায়ক), জশুয়া বিশপ, জন ক্যাম্পবেল, তেজনারায়ণ চন্দরপল, জশুয়া ডা সিলভা (উইকেটকিপার), জাস্টিন গ্রিভস, কাভেম হজ, আমির জাঙ্গু (উইকেটকিপার), শামার জোসেফ, ব্র্যান্ডন কিং, কেমার রোচ, জেইডেন সিলস, শামার স্প্রিঙ্গার ও কেভিন উইকহ্যাম।

বিসিবি একাদশ : মাহফিজুল ইসলাম, জিসান আলম, কালাম সিদ্দিকি, ইফতেখার হোসেন, জাকের আলি, এস এম মেহেরব হাসান, চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান, আইচ মোল্লা, শামীম হোসেন, আব্দুল হালিম, অনিক দেব বর্ম, ফাহাদ হোসেন, হোসেন ও সান।

আরও পড়ুন: আলিসের ওয়ানডে অভিষেকে বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলীকে অব্যাহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলীকে অব্যাহতি

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, কারণ তিনি দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন এবং সদস্যসচিব মো. আব্দুর রহিম রিপন স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শের বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই অভিযোগ সাধারণ জনগণের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এর প্রেক্ষিতে, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে শ্যামলী সূত্রধরকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। উক্ত সিদ্ধান্তের অনুলিপি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে শ্যামলী সূত্রধর বলেন, ‘দলের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। এই মুহূর্তে মানসিক পরিস্থিতির কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশদ কোনো মন্তব্য করা আমার জন্য কঠিন। দল এবং সহকর্মীদের প্রতি আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা সর্বদা রয়েছে। সময় হলে এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে খুব শিগগিরই আমি আমার অবস্থান সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় উগ্রবাদ আ.লীগের রাষ্ট্রীয় মদদে সাজানো: হাসনাত আব্দুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় উগ্রবাদ আ.লীগের রাষ্ট্রীয় মদদে সাজানো: হাসনাত আব্দুল্লাহ

সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং ধর্মীয় উগ্রবাদ—এই দুটি বিষয় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল, এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি দাবি করেছেন, দলটির ক্ষমতাচ্যুতির পর গত তিন বছরে দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হওয়া প্রমাণ করে যে, পূর্ববর্তী শাসনামলে এ ধরনের নাশকতা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হতো।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি একটি দীর্ঘ পোস্টে এসব কথা উল্লেখ করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ‘এখন স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, সংখ্যালঘু নির্যাতন আর ধর্মীয় উগ্রবাদ, এই দুটি এলিমেন্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ‘স্টেট স্পন্সরড’। পূজায় আওয়ামী সুবিধাভোগী বিভিন্ন গ্রুপকে দিয়ে ম্যানুফ্যাকচারড সাবোটাজ (নাশকতা) ঘটিয়ে সেটার দায় দেওয়া হতো বিভিন্ন পক্ষকে। এতে যেমন হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে বিভেদ বাড়তো, তেমনি আওয়ামী লীগ ছাড়া সংখ্যালঘুরা অন্য কোথাও নিরাপদ নয় বলে জোরদার প্রচারণাও চলতো।’

আওয়ামী শাসনের রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘দেশে সংখ্যালঘু বাঁচাতে আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নাই, কিংবা উগ্রবাদের কল্পিত উত্থানে বাংলাদেশ আফগানিস্তান হবে, আওয়ামী লীগ বহুভাবে এসব গল্প বিক্রি করেছে দেশে ও বিদেশে। সেজন্য তাদের সময়ে একদিকে সাজিয়েছে জঙ্গিবাদের নাটক, অন্যদিকে চলেছে পূজা মণ্ডপের প্রতিমা ভাঙচুর। অথচ আওয়ামী লীগের পলায়নের সঙ্গে সঙ্গে ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে এই ঘটনাগুলোও উল্লেখযোগ্যভাবে উধাও হয়ে গেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে যেসব অস্থিরতা আছে অথবা চাঁদাবাজি, ব্যবসা ও ভূমিদখল ইত্যাদি অপরাধ ও নিরাপত্তাহীনতা আছে, সেটা মোটা দাগে সাম্প্রদায়িক সমস্যা নয়। বেশিরভাগই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অপরাধ-সংশ্লিষ্ট।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সাধারণ হিন্দু এবং সাধারণ মুসলমান উভয়েই এসব অপরাধের ভুক্তভোগী। সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু, সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ক্ষমতাহীন নাগরিকই ক্ষমতাসীন দলের চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন। রাজনৈতিক, আমলাতান্ত্রিক ও বিভিন্ন বাহিনীর প্রভাবশালীদের ক্ষমতাচর্চার শিকার হচ্ছেন। ক্ষেত্রবিশেষে সম্পদ ও ভূ-সম্পত্তি জবরদখলের শিকারও হচ্ছেন।

‘এসবের বিপরীতে আওয়ামী লীগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না করে, সিলেক্টিভলি সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের কেসইগুলোকে পিক করে কিংবা নিজেরাই সেসব স্টেজ করে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বয়ান উৎপাদন করে গেছে। আওয়ামী লীগের সংখ্যালঘু রাজনীতির মুখোশ আজকে খসে পড়েছে।

‘বাস্তবে অপরাধকে যত বেশি বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসা যাবে এবং আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে নাগরিকদের যত বেশি সুরক্ষা দেওয়া হবে, সমাজ থেকে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতার বিষবাষ্পও তত দ্রুত চলে যাবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী আওয়ামী লীগবিহীন সময়ের মধ্যে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া পরপর তিন বছর বাংলাদেশের সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান, দুর্গাপূজা, প্রায় নির্বিঘ্নে উচ্ছ্বাসের সাথে কেটেছে। এটা বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অসাধারণ বহিঃপ্রকাশ।’

এ অর্জনকে ‘জুলাইয়ের অর্জন’ অভিহিত করে তিনি নতুন ও সুন্দর বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম্বোডিয়া বাংলাদেশিসহ ৭২১ বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৫ পি.এম


কম্বোডিয়া বাংলাদেশিসহ ৭২১ বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠালো

অবৈধ অভিবাসন ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশিসহ ২০ দেশের ৭২১ জন বিদেশি নাগরিককে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে কম্বোডিয়া। তাদের মধ্যে ৯৫ জন নারী রয়েছেন। গত ১১ অক্টোবর থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই বহিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

কম্বোডিয়া কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সার সকহার নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল সক ভিয়াসনা তদন্ত ও প্রক্রিয়াবিষয়ক বিভাগকে নির্দেশ দেন যেন বহিষ্কারের কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

ফেরত পাঠানো বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, চীন, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ক্যামেরুন, জাপান, ঘানা, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, উগান্ডা, ভারত, মিয়ানমার, ফ্রান্স, লাইবেরিয়া, সুইজারল্যান্ড, উজবেকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বহিষ্কৃতদের মধ্যে চীনের ৯০ জন নাগরিক ছিলেন, যার মধ্যে তিনজন নারী। তাদের বিরুদ্ধে অনলাইন প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, এবং বিশেষ বিমানে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, অনলাইন প্রতারণার কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার ৩৫৫ জন নাগরিককেও ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাদের মধ্যে ৫৪ জন নারী। তাদের টেকো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বহিষ্কার করা হয়।

অন্য বিদেশি নাগরিকদের আন্তর্জাতিক সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টের মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তদন্তে দেখা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়া, জাল নথি তৈরি, পাসপোর্ট ছাড়া অবস্থান, চাঁদাবাজি, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, জাল ভিসা বা কিউআর কোড ব্যবহার, মাদক পাচার ও সেবন, অবৈধভাবে কাজ করা এবং অন্যান্য অপরাধ।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের নির্দেশে অবৈধ অভিবাসন ও অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বারবার বলেছেন, অনলাইন প্রতারণা বা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে—এমন অপরাধের ঘাঁটি হিসেবে কম্বোডিয়ার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কোনো ছাড় না দেওয়ার কথা বলেছেন। তার মতে, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও ভাবমূর্তি রক্ষা করা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সার সকহার নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো অনলাইন প্রতারণার চক্র নির্মূল, এসব অপরাধের মূল হোতাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং প্রতারণা বা পাচারের মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে বাধ্য করা ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্ত করে নিরাপদে নিজ দেশে ফেরার ব্যবস্থা করাও এ কার্যক্রমের অংশ।

সূত্র: খেমের টাইমস

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে আগুনে পুড়ল মসজিদ, গুদাম ও দোকান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৫ পি.এম


গাজীপুরে আগুনে পুড়ল মসজিদ, গুদাম ও দোকান

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ফলে মসজিদ, একাধিক দোকানপাট, ঝুট গুদাম, তুলা গুদাম এবং ভাঙারি দোকান পুড়ে গেছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর সিএন্ডবি বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর আসে। এরপর শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরে শ্রীপুর ফায়ার স্টেশন থেকে আরো একটি ইউনিট এবং রাজেন্দ্রপুর মডার্ণ ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট যোগ দেয়।

করিম আরও জানান, চারটি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় ৫টা ৪৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনের কারণে ঝুট ও তুলার গুদাম, সেনেটারি দোকান, কয়েকটি মুরগির দোকান, তুলার গুদাম, ঝুট গুদাম, ভাঙারির দোকান এবং একটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা জানান, আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%