মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
১০:৩৬ পি.এম
পরিবেশ রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার প্রত্যয়ে আজ মঙ্গলবার ১৪ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বংপুর আল ইয়াশা মানবসেবা সংগঠনের শাখা "বংপুর আল ইয়াশা যুব সংঘ"-এর উদ্যোগে বংপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে এক ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে গোরস্থানের পরিবেশকে আরও সবুজ, মনোরম ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে বিভিন্ন প্রজাতির আমগাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন উপস্থিত সদস্যরা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জহিদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অবাইদুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, উপদেষ্টা তাজামুল হক, ক্যাশিয়ার লিটন আলীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
এ সময় সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জহিদুল্লাহ বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেক মানুষের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো উচিত। আজ আমরা বংপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে আমগাছ রোপণ করেছি, যা ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মানুষের উপকারে আসবে। বংপুর আল ইয়াশা মানবসেবা সংগঠন ও এর শাখা বংপুর আল ইয়াশা যুব সংঘ মানবসেবা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে, ইনশাআল্লাহ।”
কর্মসূচি শেষে উপস্থিত সবাই পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত বৃক্ষরোপণ এবং লাগানো গাছগুলোর যথাযথ পরিচর্যার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে সদ্য যোগদানকারী ও নরসিংদী জেলার সাবেক সফল পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এসব ভিত্তিহীন ও মনগড়া প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে স্থানীয় সচেতন মহল এবং নেটিজেনরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, যে কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়া ছড়ানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশের একজন সৎ, যোগ্য, নির্ভীক, মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত আব্দুল হান্নান বিএমপিতে যোগদানের পর থেকে কতিপয় ষড়যন্ত্রকারী তার বিরুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। মূলত ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে কিংবা অতীতে কোনো অবৈধ সুবিধা না পেয়ে এই আইকনিক পুলিশ অফিসারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সদস্যদের অযাচিত হয়রানি ও মানহানির উদ্দেশ্যে চালানো এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ দ্রুত গ্রহণ করা হবে।
নরসিংদীতে চাকুরি জীবনের শুরু থেকেই সততা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে জনগণের সেবা দিয়ে আসছেন আব্দুল হান্নান। নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন, তিনি জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করেছেন। তার এই জনবান্ধব ভূমিকার কারণে নরসিংদীর সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ভালোবাসার পাত্রে পরিণত হন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট চক্রের ছড়ানো এই মিথ্যা বিভ্রান্তিতে কান না দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সচেতন মহল বলছেন, এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের ফলে প্রশাসনের কর্মকর্তারা যেমন বিভ্রান্ত হন, তেমনি সাধারণ মানুষও সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েন।
ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুচক্রী মহলের দেওয়া পোস্টের নিচে নেটিজেনরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই অপপ্রচারকারীদের কাছে প্রমাণের দাবি তুললে তারা কোনো সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন। ফলে সাধারণ পাঠক ও সচেতন সমাজ এই প্রোপাগান্ডাকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার সচেতন মহলের প্রত্যাশা, অতীতে যেভাবে তিনি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন, ঠিক তেমনিভাবে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকাতেও তিনি তার দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জনগণকে সর্বোচ্চ পুলিশি সেবা নিশ্চিত করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শুধু সরকার বা ‘চালক’ পরিবর্তন করলেই হবে না, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারও জরুরি। তার মতে, যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটে, তবে জনগণ আবারও রাজপথে প্রতিবাদ জানাতে নামবে।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিমতলা শিকদার মার্কেটের সামনে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় জুলাই পদযাত্রার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে হাসনাত এসব কথা বলেন। তিনি বাসের ব্রেক ও চাকা পরিবর্তনের সঙ্গে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের তুলনা করেন এবং জানান, জনগণের একটি বড় অংশ এ ধরনের সংস্কারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার সরে এসেছে। অতীতের নির্বাচনে ভোট চুরি এবং জনগণের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, এনসিপির দাবি শুধু সরকার পরিবর্তন নয় বরং রাষ্ট্রব্যবস্থার সম্পূর্ণ সংস্কার।
পুলিশকে নির্দলীয় ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন এবং সংবিধান সংস্কারের বিষয়েও সরকারের সমালোচনা করেন এই নেতা।
এনসিপির এই সংসদ সদস্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ এনে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের তুলনায় আরও নাজুক। থানায় হামলা এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাকে সরকারের ব্যর্থতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।
তিনি দাবী করেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি বরং দেশে মাদক ও জুয়ার বিস্তার ঘটেছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জনগণ আবারও আন্দোলনে নামবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় আন্তরিক নয়। সিরাজদিখানে জমি দখলের অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টদের দখল করা অনেক জমি ৫ আগস্টের পর হাতবদল হয়েছে; কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কার্যকর ব্যবস্থা নেননি।
সবশেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় এনসিপি আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
এ সময় আরো বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হাসান জুনায়েদ, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, আবু বকর মজুমদার, মুন্সীগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক মাজেদুল ইসলাম এবং জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলীম। এছাড়া দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: টানা অতিবৃষ্টির ফলে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির। নির্দেশনা পেয়ে জনদুর্ভোগ দ্রুত লাঘবের লক্ষ্যে জেলার প্রতিটি উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়নে সমন্বিতভাবে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করেছে।
একটানা ভারী বর্ষণের পর সোমবার সকালেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় ড্রেন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় স্থানে পাম্প বসিয়ে দ্রুত পানি অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই জেলার প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নেমেছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জলাবদ্ধ পয়েন্ট চিহ্নিত করে নিষ্কাশন কাজ তদারকি করছেন। পাশাপাশি খাল ও নর্দমার মুখে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির বলেন,এই দুর্যোগে জনদুর্ভোগ লাঘবই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। কোথাও পানি জমে থাকার সংবাদ পাওয়া মাত্র তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সকল উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পৃথক মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। টিমগুলো নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে সমস্যাপূর্ণ এলাকার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসনে পাঠাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, সকলের সহযোগিতায় এবার বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে গিয়ে স্বাভাবিক হবে জনজীবন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং জেলার সর্বসাধারণের সহযোগিতা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে আদালতে মামলা দায়ের করায় একটি বিধবার বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে উঠেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৩ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের একটি ক্লিপের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরের সময় উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের মিতল্লা গ্রামে মরহুম আবদুস সাত্তারের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু ব্যক্তি একটি বসতঘরের টিনের বেড়া খুলে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রেখেছে। এসময় ওই বিধবা, পেয়ারা বেগম ও তাঁর ছেলেরা কান্নাকাটি করে ঘরের ভাঙচুর বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করছে এবং আশপাশের লোকজনকে ঘটনা দেখার জন্য ডাকছেন। তবে ভিডিওতে তাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়ার চিত্র দেখতে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ, ভূমি অফিস ও ভুক্তভোগী সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিতল্লা গ্রামের মরহুম আবদুস সাত্তারের স্ত্রী, 60 বছর বয়সী পেয়ারা বেগম তাঁর তিন ছেলে শহিদুল ইসলাম, সুজন ও ইসমাইলকে নিয়ে স্বামীর বসতভিটায় বসবাস করছেন। কিছুদিন আগে, আবদুস সাত্তারের একটি খালি ভিটে জমি তাঁর ভাই আবদুল মান্নান জোরপূর্বক দখল করে সেখানে ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন, বলছেন পেয়ারা বেগম। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি কুমিল্লার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় মামলা করেছেন।
আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তের দায়িত্ব লালমাই উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দেওয়া হয়। তদন্তের প্রেক্ষিতে, দুই সপ্তাহ আগে লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম উভয় পক্ষকে শান্তি ভঙ্গ না করার জন্য নোটিশ প্রদান করেন। মঙ্গলবার উপজেলা সার্ভেয়ার আবু হানিফ সরেজমিন তদন্ত শেষে ফিরে যাওয়ার পর অভিযোগ অনুযায়ী আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে তাঁর ভাই আবুল কালাম ও আবু তাহেরসহ কয়েকজন গ্রামবাসী উপস্থিত হয়ে পেয়ারা বেগমের বসতঘর ভাঙচুর করে।
ভুক্তভোগী পেয়ারা বেগম বলেন, 'আমার দেবর আবদুল মান্নান আমার স্বামীর রেখে যাওয়া জমি দখল করে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। তাই আমি আদালতে মামলা করেছি। তদন্ত শেষে কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর তারা আমাদের বসতঘর ভেঙে দেয়।
এসময় আমার ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, ছেলের একটি রেডমি মোবাইল ফোন এবং কিছু নগদ টাকা নিয়ে যায়। আমরা অনেক অনুরোধ করলেও তারা ঘর ভাঙচুর বন্ধ করেনি।'
লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম মন্তব্য করেন, 'আমি ১৪৫ ধারার মামলার নোটিশ উভয় পক্ষকে দিয়েছি, যাতে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করে। পরে কিভাবে ঘর ভাঙচুর হয়েছে, সেটি আমার দায়িত্বের বিষয় নয়।'
ভুশ্চি বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রদীপ চক্রবর্তী বলেন, 'ঘর ভাঙচুরের ভিডিও দেখে ওসির নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।'
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, 'সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ভুক্তভোগী যদি লিখিত অভিযোগ দেয়, তবে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ