০৬:৩২ পি.এম
শেরপুরের নকলা পৌর শহরে পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে শিশু, পথচারী, শিক্ষার্থী এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা রয়েছেন। এর পাশাপাশি, কুকুরটির আক্রমণের ফলে গৃহপালিত পশুও আহত হয়েছে।
বুধবার, ১৫ জুলাই সকালে, সকাল ৮টা থেকে কুকুরটি শহরের গ্রিনরোড, দড়িপাড়া এবং উত্তর কায়দাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে যাকেই সামনে পেয়েছে, তার ওপর আক্রমণ শুরু করে। এ ঘটনাকারী ভুক্তভোগীদের চিৎকারের কারণে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে, দুপুর ১টার দিকে, স্থানীয় লোকজন লাঠি ও সোঁটা নিয়ে কুকুরটিকে ধাওয়া করে এবং পিটিয়ে মরে ফেলে।
নকলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিন্টু মিয়া অভিযোগ করেন, ভবঘুরে ও উন্মত্ত কুকুরের উপদ্রব দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
এদিকে, ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি জলিল মিয়া জানান, তার মেয়ে সকালে নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে। তিনি বলেন, তাকে দ্রুত নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, "আমরা চরম আতঙ্কে আছি।"
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, কুকুরের কামড়ে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধী টিকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুইজনের অবস্থায় গুরুতর হওয়ায় তাদের শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং নকলা পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নকলা পৌরসভার একাধিক স্থানে পাগলা কুকুরের কামড়ের কারণে অনেকেই আহত হয়েছেন। তিনি জানান, তাদের চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা করবে নকলা পৌরসভা। এ ছাড়া, উপজেলায় এমন পাগলা কুকুর শনাক্ত করার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন