ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাজিল দলের দুর্বলতা প্রকাশ্যে তুলে ধরলেন আনচেলত্তি


ব্রাজিল দলের দুর্বলতা প্রকাশ্যে তুলে ধরলেন আনচেলত্তি

২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান ভালোভাবে শুরু করতে পারেনি ব্রাজিল। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে তারা ১-১ গোলে ড্র করেছে। ম্যাচের পর কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের পারফরম্যান্স নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় ব্রাজিল। ২১ মিনিটে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারির গোলে পিছিয়ে পড়ে দলটি। পরে ভিনিসিউস জুনিয়র দুর্দান্ত এক গোলে ম্যাচে সমতা ফেরান। তবে প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে বেশ অগোছালো ও চাপের মধ্যে খেলতে দেখা যায়। ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বক্তব্য রাখেন, শুরুটা ভালো ছিল না। তার ভাষায়, দল কিছুটা নার্ভাস ছিল এবং অনেক বল হারিয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ডুয়েলেও পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। তিনি স্বীকার করেন, প্রথমার্ধে দল ভালো খেলতে পারেনি, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে ফল নিয়ে পুরোপুরি হতাশ নন এই অভিজ্ঞ কোচ। তার মতে, মরক্কো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হওয়ায় ম্যাচটি সহজ ছিল না। তিনি বলেন, 'বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ সবসময় কঠিন হয়। এখানে কেউই টুর্নামেন্ট জেতে না। ফল খুব খারাপ নয়, তবে উন্নতি দরকার।' পরবর্তী ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে আরও ভালো পারফরম্যান্সের আশা করছেন আনচেলত্তি। তিনি জানান, দলের ভেতর থেকেই সমস্যা খুঁজে সমাধান করতে হবে এবং ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হবে। ভিনিসিউস জুনিয়রের পারফরম্যান্সে সন্তোষও প্রকাশ করেন ব্রাজিল কোচ। তার মতে, তিনি ম্যাচে সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড় ছিলেন এবং বড় টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান-ভিয়েতনামের পথে বাংলাদেশেও সৌরবিপ্লবের সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


পাকিস্তান-ভিয়েতনামের পথে বাংলাদেশেও সৌরবিপ্লবের সম্ভাবনা

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নীতি ও প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে চলতি বাজেটে এই খাতের জন্য নেওয়া কয়েকটি বড় সিদ্ধান্ত সেই চিত্র বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

এই বাজেটে সরকার সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, লিথিয়াম ব্যাটারি, ডিসি কেবল এবং মাউন্টিং স্ট্রাকচার-সহ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের ওপর আরোপিত সব ধরনের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। এর ফলে এসব যন্ত্রপাতির ওপর কার্যকর শুল্কের বোঝা প্রায় ২০ শতাংশ থেকে শূন্যে নেমে গেছে।

এছাড়া অন্যান্য সৌর উপকরণের ওপর থাকা কাস্টমস ও নিয়ন্ত্রক শুল্কও শূন্য করা হয়েছে। ব্যাটারি আমদানির ক্ষেত্রে ৬১ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত যে শুল্ক ছিল, সেটিও তুলে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎ বিনিয়োগে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত পূর্ণ আয়কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। যারা বাড়ি, প্রতিষ্ঠান বা শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করবেন, তারা বিদ্যুৎ বিলে ৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পদক্ষেপ বাংলাদেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের বড় ধরনের সম্প্রসারণ ঘটাতে পারে।

শুল্ক কমানোর ফলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। আগে যেখানে ১ মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে খরচ হতো প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৪ কোটি টাকা, এখন তা নেমে আসবে আনুমানিক ২ কোটি ৭৫ লাখ থেকে ৩ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ব্যয় কমতে পারে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ।

এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা ক্ষমতার যে ব্যাটারির দাম আগে প্রায় ৩০০ মার্কিন ডলার ছিল, শুল্ক প্রত্যাহারের পর সেটি প্রায় ১৬০ ডলারে পাওয়া সম্ভব হতে পারে। একইভাবে ১ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পে বিদেশি মুদ্রায় ব্যয় কমবে প্রায় ৪০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার সমান।

দেশের অন্যতম বড় সৌর প্যানেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওমেরা সোলারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহিম বলেন, "অতীতে আমরা শুধু স্বপ্ন দেখেছি এবং আলোচনা করেছি। এখন সরকার বাস্তব পদক্ষেপ নিয়েছে।"

খাতসংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশে নতুন করে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা যুক্ত হতে পারে। এর ফলে পাকিস্তান-ভিয়েতনাম ধাঁচের একটি অর্থনৈতিক উত্থানের সম্ভাবনা রয়েছে, যা এক দশকের মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি মিশ্রণকে আমূল পরিবর্তন করে দেবে।

পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ একটি বড় উদাহরণ হতে পারে। পাকিস্তানে গত কয়েক বছরে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশটিতে বর্তমানে আনুমানিক ৩৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিকেন্দ্রীভূত ও গ্রিড-সংযুক্ত স্থাপনা।

২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেলে পাকিস্তান আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার চাপে পড়ে। এরপর সরকার সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়। এর ফল হিসেবে দেশটির জ্বালানি মিশ্রণে সৌরবিদ্যুতের অংশ ২০২০ সালের ২ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ৩২ দশমিক ৩ শতাংশে উঠে এসেছে।

বর্তমানে পাকিস্তানের প্রতি চারটি পরিবারের একটি কোনও না কোনওভাবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। এর ফলে দেশটি জ্বালানি আমদানিতে শত শত কোটি মার্কিন ডলার সাশ্রয় করতে পারছে।

ভিয়েতনামের ক্ষেত্রেও বিষয়টি ছিল সমানভাবে চমকপ্রদ। ২০১৮ সালেও দেশটির সৌরবিদ্যুৎ খাত প্রায় শূন্যের কাছাকাছি ছিল। বিদ্যুতের ক্রমাগত দাম বৃদ্ধি এবং আকর্ষণীয় নীতিগত সুবিধা দেশটির সৌর খাতকে দ্রুত এগিয়ে দিয়েছে। এর ফলে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ১৯ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যা দেশটিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সৌর উৎপাদকে পরিণত করেছে।

বাংলাদেশের জন্য এখনই উপযুক্ত সময় বাংলাদেশেও বর্তমানে সৌরবিদ্যুতের অর্থনৈতিক সুবিধা সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেখানে শিল্প খাতে গ্রিড বিদ্যুতের দাম অফ-পিক সময়ে প্রতি ইউনিট ১১ টাকা ৫৬ পয়সা এবং পিক সময়ে প্রায় ১৬ টাকা পর্যন্ত পড়ে, সেখানে শুল্ক ছাড়ের ফলে, ছাদভিত্তিক সৌর প্রকল্প ২০ বছর মেয়াদে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রায় ৩ টাকার মধ্যে রাখা সম্ভব হতে পারে। যা বিদ্যুতের গ্রিড মূল্যের প্রায় এক-চতুর্থাংশ। সুতরাং এর অর্থনৈতিক দিকটি এখন আর প্রান্তিক নয়। বরং তা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও লাভজনক।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ)-এর প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, "যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ছাদ বা অব্যবহৃত জায়গা রয়েছে, তারা দ্রুত সৌরবিদ্যুতে যেতে আগ্রহী হবে। আর্থিক সক্ষমতা থাকা গ্রামীণ গ্রাহকরাও এতে যুক্ত হতে পারেন।"

সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণ শুধু বিদ্যুৎ খাত নয়, দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ওমেরা সোলারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহিমের হিসাব অনুযায়ী, পাঁচ বছরের মধ্যে শিল্পকারখানায় ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা সম্ভব হলে গ্রিড বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে এবং সরকার বছরে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ভর্তুকি কমাতে পারবে।

বর্তমানে সরকার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে প্রায় ৪ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিচ্ছে।

এছাড়া প্রতি ৫০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ডলার পর্যন্ত আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হতে পারে। ১ হাজার মেগাওয়াট হলে এই সাশ্রয় দ্বিগুণ হবে।

সরকার আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে। এর মধ্যে শিল্পকারখানার ছাদ থেকেই ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সম্ভব বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

বড় চ্যালেঞ্জ মান নিয়ন্ত্রণ তবে এই সম্ভাবনার পাশাপাশি একটি বড় ঝুঁকিও রয়েছে, সেটি হচ্ছে নিম্নমানের যন্ত্রপাতি।

আমদানি শুল্ক শূন্য করার ফলে বাজারে সস্তা কিন্তু নিম্নমানের সৌর প্যানেল, ব্যাটারি ও ইনভার্টারের প্রবেশ বাড়তে পারে। এসব পণ্য দ্রুত নষ্ট হলে গ্রাহকদের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে।

শফিকুল আলম বলেন, "টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে (বিএসটিআই) নিশ্চিত করতে হবে যেন মানহীন পণ্য বাজারে প্রবেশ করতে না পারে। তা না হলে গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং সৌরবিদ্যুতের প্রতি আস্থা কমে যেতে পারে।"

যদি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো আমদানি পর্যায়ে পণ্যের মান নিশ্চিত করতে না পারে, তবে সৌরশক্তিকে সবার জন্য সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে নেওয়া শুল্ক মওকুফের ফলে বাজার সস্তা ও অবিশ্বস্ত সরঞ্জামে ছেয়ে যেতে পারে এবং বাংলাদেশের সৌরশক্তির এই যুগান্তকারী মুহূর্তটি একটি ব্যর্থতার উদাহরণ বা উপাখ্যানে পরিণত হতে পারে।

পরিশেষে বলা যায়, সরকার কর্তৃক গৃহীত নীতিটি সঠিক। এর অর্থনৈতিক দিকটিও সঠিক। জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান গ্রিড খরচের প্রেক্ষিতে, এখনকার চেয়ে ভালো উপযুক্ত সময় আর হতে পারে না। বাংলাদেশ এই মুহূর্তটি কাজে লাগাবে নাকি নষ্ট করবে, তা শুল্ক হ্রাসের ওপর নির্ভর করবে না, বরং সেই কর্তৃত্বের ওপর নির্ভর করবে, যারা নিশ্চিত করবে যে চট্টগ্রাম বন্দরে যা এসে পৌঁছায় তা কারখানার ছাদে স্থাপনের যোগ্য কি না। সৌজন্যে: টিবিএস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী আটক

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-দক্ষিণ)।

শনিবার (১৩) জুন দুপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখার (দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম সুমন এই তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কলাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবুল কাশেম (৬০), কলাতিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী জহিরুল ইসলাম (৩৮), কলাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আমান মিয়া (৬১), কলাতিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মো. সাদ্দাম হোসেন (৪০), কলাতিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য শেখ আতিকুল ইসলাম (৪০) এবং চুড়াইন ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি কবির মোল্লা (৫৫)।

তিনি জানান, শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাত দেড়টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাতিয়া বাজার এলাকায় ডিবি পুলিশের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হিসেবে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (দক্ষিণ) ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম সুমন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের যে কোন ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউনিয়া থানার অভিযানে ১১৯ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


কাউনিয়া থানার অভিযানে ১১৯ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার বিশেষ অভিযানে ১১৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।

বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজীত “চন্দ্র নাথের”নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে কাউনিয়া থানাধীন খালপাড় সড়ক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে সজল গাজী (৩০) নামে এক ব্যক্তির হেফাজত থেকে ১১৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়। আটক সজল গাজী খালপাড় এলাকার মৃত কামরু গাজীর ছেলে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২ হাজারের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব বাতিল করল কুয়েত সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


২ হাজারের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব বাতিল করল কুয়েত সরকার

কুয়েত সরকার আরও ২ হাজার ১৯৩ জন ব্যক্তির কুয়েতি নাগরিকত্ব বাতিলের আদেশ প্রকাশ করেছে। সরকারি গেজেট কুয়েত আল-ইয়াওম-এ প্রকাশিত সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া নির্ভরশীলদের নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) দেশটির সংবাদ মাধ্যম দৈনিক আরব টাইমস এ খবর প্রকাশ করেছে। মূলত ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে নাগরিকত্ব ফাইল পুনঃতদন্ত ও পর্যালোচনার এই ব্যাপক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে কুয়েতের সুপ্রিম কমিটি ফর টি ইনভেস্টিগেশন অব কুয়েতী ন্যাশনালিটি ধারাবাহিকভাবে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত পুরোনো ফাইল পুনরায় যাচাই করে আসছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার ৪৬৪ জনের নাগরিকত্ব বাতিল বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এরপর ২০২৫ ও ২০২৬ সালে বিভিন্ন ধাপে আরও হাজার হাজার মানুষের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে যে, ২০২৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজারেরও বেশি ব্যক্তি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়েছেন, কারণ একজনের নাগরিকত্ব বাতিল হলে তার সন্তান ও নির্ভরশীলদের নাগরিকত্বও বাতিল হয়ে যায়। তবে সরকারিভাবে সব নির্ভরশীলের সমন্বিত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

কুয়েতের ১৯৫৯ সালের ১৫ নং জাতীয়তা আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অধ্যাদেশে কয়েকটি প্রধান কারণে নাগরিকত্ব বাতিল বা প্রত্যাহার করা হয়।

দ্বৈত নাগরিকত্ব

কুয়েত সাধারণভাবে দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদন করে না। অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে কুয়েতি নাগরিকত্ব হারানোর বিধান রয়েছে।

জালিয়াতি ও ভুয়া তথ্য

জাল কাগজপত্র, মিথ্যা তথ্য প্রদান অথবা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জনের অভিযোগে বহু নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের প্রশ্ন

রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী অর্থায়ন, জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত না থাকার অভিযোগেও নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে।

বিশেষ আইনি ধারা অনুযায়ী পুনর্মূল্যায়ন

বিশেষ করে বিবাহ, নির্ভরশীলতা বা ব্যতিক্রমী প্রাকৃতিকীকরণ প্রক্রিয়ায় নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের ফাইল নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।

কুয়েত সরকার বলছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো নাগরিকত্ব ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ করা, জালিয়াতি রোধ করা এবং জাতীয় পরিচয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সম্প্রতি জাতীয়তা আইনেও সংশোধন এনে নাগরিকত্ব প্রদান ও বাতিলের বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে।

অন্যদিকে মানবাধিকার কর্মী ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু পরিবার নাগরিকত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, চাকরি এবং সামাজিক সুবিধা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বিশেষ করে যাদের পরিবার কয়েক প্রজন্ম ধরে কুয়েতে বসবাস করছে, তাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%