০৬:৫৫ পি.এম
ইউক্রেনে রুশ হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন এবং ২৫ জন আহত হতে দেখা গেছে। রাশিয়ার অধিকৃত ক্রিমিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলসেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় পাল্টা আক্রমণের দাবি করেছে কিয়েভ। এই ঘটনার মধ্যেই মস্কোর ওপর আরও আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি পশ্চিমা মিত্রদের কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঘটনার দিন মধ্য ইউক্রেনের ক্রিভিই রিহ শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অনেকে হতাহত হন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, ওই হামলায় ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) নিহতদের স্মরণে শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।
রাশিয়ার অধিকৃত ক্রিমিয়ায় উল্লেখযোগ্য রেলসেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার দাবি করা হয়েছে কিয়েভের পক্ষ থেকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের মতে, এসব আঘাত রুশ জনগণকে যুদ্ধের প্রকৃত মূল্য বুঝতে বাধ্য করছে।
আরও পড়ুন: স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০ জনে পৌঁছেছে
সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ফলে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে জ্বালানি সংকট, বিধিনিষেধ আরোপ এবং মূল্যবর্ধনের খবর। একইসাথে মস্কো স্টক এক্সচেঞ্জে দরপতন এবং রুবলের অবমূল্যায়নও যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপকে সামনে এনেছে। তবে ক্রেমলিনের দাবি, রুশ অর্থনীতি এখনো স্থিতিশীল রয়েছে।
মস্কোর ওপর আরও আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে দ্রুত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে জেলেনস্কি।
এদিকে, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার দরজা এখনও খোলা আছে বলে দাবি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে ভবিষ্যৎ শান্তি আলোচনা ২০২২ সালের ইস্তাম্বুল সমঝোতা এবং ২০২৫ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাস্কার অ্যাঙ্করেজ শহরে বৈঠকে হওয়া আলোচনার ভিত্তিতে হবে বলেও শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি।
পুতিনের অভিযোগ, ইউক্রেন শান্তি আলোচনা থেকে শক্ত অবস্থান অর্জনের লক্ষ্যে রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা বাড়াচ্ছে।
আরও পড়ুন: শাহজালালের রানওয়ে-অ্যাপ্রোন এলাকায় যানবাহনের অবাধ চলাচল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন