১২:৫০ পি.এম
পাবনার পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে এক কিশোরীর হাত বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (০৩ মে) সকাল ১০টার দিকে সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর পীরপুরসংলগ্ন পদ্মা নদীর তীরে ভাসমান অবস্থায় ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত মেয়েটির পরিচয় জানা যায়নি। তবে তার বয়স আনুমানিক ১৪-১৬ বছর হতে পারে এবং তার গলায় একটি রূপার চেইন রয়েছে।
আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে খড়বোঝাই গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, সকালে পদ্মার চরে কৃষকরা যখন কাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন তীরে ঠেকানো একটি নৌকার পাশে একটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এ সময় একজন bস্তার কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন যে ভিতরে মরদেহ আছে। এরপর কৃষকের কাজে ব্যবহৃত একটি কাঁচি দিয়ে বস্তার মুখ খুলে দেখা যায় একটি মেয়ের মরদেহ। এর পর কৃষকরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, মঙ্গলবার (০২ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই এলাকায় একটি প্রাইভেটকার আসে। প্রাইভেটকারটিতে অজ্ঞাত চার যুবক ছিলেন বলে জানা যায়। নদীর তীর থেকে বলরামপুরের দিকে যেতে প্রাইভেটকারটি হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়। এরপর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গাড়িটি ধাক্কা দিয়ে বলরামপুর মুজিব বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া হয়।
তবে স্থানীয়দের ধারণা, ধর্ষণের পর হত্যার পর এই গাড়ি ব্যবহার করেই মরদেহটি গত রাতে এখানে ফেলে দেয়া হয়। বলরামপুর স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে একই স্থানে ২ দুর্ঘটনায় ৫ প্রাণহানি
তিনি বলেন, ‘আমি খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। কী কারণে হত্যা হয়েছে এটাও জানা যায়নি। তবে পুলিশ ক্লু উদঘাটনে কাজ করছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন