ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পল্লবীর গুলিবর্ষণ ঘটনায় আলোচিত ‘টান আকাশ’ আটক


পল্লবীর গুলিবর্ষণ ঘটনায় আলোচিত ‘টান আকাশ’ আটক

রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া আলোচিত গোলাগুলির ঘটনায় কুখ্যাত সন্ত্রাসী মো. আকাশ, যিনি টান আকাশ নামেও পরিচিত, তাকে আটক করা হয়েছে। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪) জানিয়েছে, আকাশের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও মাদকদ্রব্যসহ মোট ১৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, গত ১০ জুন রাজধানীর পল্লবীর এভিনিউ-৫ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ‘ল্যাংড়া রুবেল’ গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফলস্বরূপ সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের সময় টান আকাশ, গাল কাটা রাব্বি, আল-আমিন, র‌্যাপার পারভেজসহ একাধিক সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মহড়া ও গোলাবারুদ ব্যবহার করেন। এ ঘটনায় হৃদয় নামে একজন, যিনি ‘গন্ডার’ নামে পরিচিত, আহত হয় এবং আব্দুল্লাহ নামের একজন ব্যক্তিকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন পোর্টাল এবং মূলধারার গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পরপরই র‌্যাব-৪ तत्काल পর্যবেক্ষণ শুরু করে এবং জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে।

আরও পড়ুন: আসামে মুসলিমদের ১১০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার নিন্দা নাহিদ ইসলামের

র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় টান আকাশের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর মঙ্গলবার (১৫ জুন) রাতে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া আকাশকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পল্লবী ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ডাকাতি এবং আধিপত্য বিস্তারের বিষয়গুলোতে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের অন্তত ১৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পল্লবীর সাম্প্রতিক গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের অভিযান চলমান রয়েছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা পুনঃস্থাপনে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

গ্রেফতার টান আকাশকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা-সৌদি আরব রুটে ১৩৪ ফ্লাইট বাতিল, ২০ হাজার যাত্রী আটকে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, রাজধানীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইড্রেশন ব্রেক: খেলায় বিরতি নাকি বিজ্ঞাপনের সুযোগ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


হাইড্রেশন ব্রেক: খেলায় বিরতি নাকি বিজ্ঞাপনের সুযোগ?

 

সময়ের সাথে সাথে খেলার নিয়ম-কানুনে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে খেলোয়াড়দের সুরক্ষাকে।

একবার ভাবুন তো, ক্রিকেটে এখন ব্যাটসম্যানদের সুরক্ষা দেওয়া হয়, স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের সময় এটা থাকলে তার রান কত হলে, এবং গড় কত হতো!

ফুটবলেও খেলোয়াড়দের সুরক্ষা দিতে ফাউলের ব্যাপারে কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। ক্রিকেটে যেমন ডিজিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএস চালু হয়েছে, ফুটবলেও এসেছে ভিডিও অ্যাসিস্টেন্ট রেফারি বা ভিএআর। আম্পায়ার অথবা রেফারি তাদের সিদ্ধান্ত আরো নিখুঁত করার জন্য প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে থাকেন।

ফলে, খেলোয়াড়দের সুরক্ষা যেমন নিশ্চিত হয়েছে, তেমনি ভুলের সংখ্যা কমে এসেছে।

নতুন নতুন নিয়মকে খেলোয়াড় ও দর্শকরা স্বাগত জানিয়েছেন। তবে এবারের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে হঠাৎই চালু হওয়া ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। এতদিন ফুটবল ছিল দুই অর্ধের খেলা। ৯০ মিনিটের খেলায় মাঝখানে ১৫ মিনিটের বিরতি ছিল। কিন্তু এবার প্রতি ম্যাচে প্রথমার্ধের ২২ মিনিটে এবং দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে ৩ মিনিট করে হাইড্রেশন ব্রেক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অর্থাৎ, দুই ভাগের ফুটবল এখন চার ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না হলেও ভারতের আইপিএলসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগে স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউটের নিয়ম চালু রয়েছে। বাস্কেটবল ও আমেরিকান ফুটবলেও টাইমআউটের প্রচলন রয়েছে।

কিন্তু ফুটবলে বাধ্যতামূলক ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ এবারই প্রথম।

এর আগে ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস ও মেক্সিকোর মধ্যকার নকআউট ম্যাচের ৩২ এবং ৭৬ মিনিটে ৩ মিনিট প্রাণ হালকা করে দেওয়ার জন্য কুলিং ব্রেক দিয়েছিলেন রেফারি। সেসময় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা হলে রেফারি চাইলে কুলিং ব্রেক দিতে পারতেন। এবারের বিশ্বকাপে সেই কুলিং ব্রেক ফিরেছে হাইড্রেশন ব্রেক হিসেবে এবং তাপমাত্রা যাই হোক, এমনকি ছাদ বন্ধ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মাঠেও হাইড্রেশন ব্রেক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এদিকে অনেকেই ব্যবসায়িক কারণে এই ব্রেককে সন্দেহ করছেন।

হাইড্রেশন ব্রেক চালু করার যুক্তি হিসেবে অবশ্য স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। ফিফার দাবি, খেলোয়াড়দের পানিশূন্যতা, ক্লান্তি এবং তাপজনিত শারীরিক ঝুঁকি কমাতে এই বিরতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক ফুটবল আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় দ্রুতগতির, খেলোয়াড়রাও মাঠে বেশি দৌড়ান। নির্দিষ্ট বিরতিতে শরীর পুনরায় হাইড্রেট করতে পারলে খেলোয়াড়দের ইনজুরি প্রবণতা কমে আসবে। সুতরাং, হাইড্রেশন ব্রেক চালুর পক্ষে যুক্তি অকাট্য। মনে হতে পারে, খেলোয়াড়দের জন্যই ফিফার চিন্তা।

তাহলে, হাইড্রেশন ব্রেক চালুর আগে কি প্রয়োজনে পানি পান করা সম্ভব ছিল না? অবশ্যই সম্ভব ছিল। আগে থ্রো-ইন, কর্নার কিক কিংবা কোনো খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়লে অন্য খেলোয়াড়রা প্রয়োজনে সাইডলাইনে গিয়ে পানি পান করতো। অনেক সময় কোচিং স্টাফ বা মেডিকেল টিমের সদস্যরা সাইডলাইন থেকে মাঠে বোতল ছুঁড়ে দিতেন। গোলকিপাররা সবসময় তাদের পোস্টের পেছনে পানির বোতল রাখতে পারতেন। কিন্তু আগে পানি খাওয়ার জন্য খেলা থামানো হত না। তাই পানি পান করার জন্য খেলায় কোনো বাড়তি সময় লাগতো না, আর খেলার গতিও নষ্ট হত না।

ফলে, সবার মনে হচ্ছে, খেলোয়াড়দের কথা ভেবে আসলে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেই এই অপ্রয়োজনীয় ব্রেক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। এতদিন নাটক, সিনেমা এবং খবরের মধ্যে বিজ্ঞাপন বিরতি থাকতো। কিন্তু এখন খেলায় কি বিজ্ঞাপন দেখাতে হবে? সাধারণ দর্শক ছাড়া, খেলোয়াড় ও কোচরাও তাদের বিরক্তি প্রকাশ করেননি।

নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক, গত রবিবার তাদের প্রথম ম্যাচ পরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘প্রতিবার যখন এই বিরতির সুযোগে টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সত্যি বলতে, এটা আমার একদমই পছন্দ নয়।’

লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, ‘স্পনসরদের সুবিধার জন্য প্রস্তুত করা এই বিরতি খেলাটির গতি নষ্ট করবে।’

ফুটবল একটি গতি এবং ছন্দের খেলা। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। যখন কোনো দল আক্রমণে যায়, তখন খেলায় তারা একটি মোমেন্টাম পায়। বার বার বিরতি খেলার সেই মোমেন্টাম নষ্ট করে। আচমকা খেলার গতি থেমে যায় ও ছন্দ হারিয়ে যায়। এই বাড়তি বিরতিতে খেলোয়াড়দের ফোকাসও নষ্ট হয়ে যায়।

ফুটবল এখন যতটুকু খেলা, তারচেয়ে বেশি বাণিজ্য। টেলিভিশন ও অনলাইনে বিশ্বের প্রতিটি কোনায় সম্প্রচারিত হয় বিশ্বকাপ ফুটবল। কোটি কোটি দর্শক মহা উৎসাহে খেলা দেখেন। গ্লোবালাইজেশনের নামে ফিফা এবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। তবে গ্লোবালাইজেশনের সাথে সাথে কমার্শিয়ালাইজেশনও হচ্ছে। প্রতি ম্যাচে বাড়তি ৬ মিনিটের বিরতিতে বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে সম্প্রচারকারীরা। ফলে ফিফার আয় বাড়ছে হাজার কোটি টাকা।

সবার এখন প্রশ্ন, বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেকের নামে এই ৬ মিনিটের বিরতি কি পানি পানের জন্য, না বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালীতে সামরিক বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি জাপান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


হরমুজ প্রণালীতে সামরিক বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি জাপান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পর জাপান এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে সামরিক বাহিনী পাঠানো হবে কি না। মঙ্গলবার জাপান সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই জলপথটি তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুক্রবারের মধ্যে এটি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে।

ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন, প্রণালীটি মাইনমুক্ত করতে বর্তমানে তল্লাশি ও অভিযান চলমান রয়েছে।

এ খবরটি টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি সরবরাহ করেছে।

সোমবার ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জাপানও সমর্থন জানায়। পর্যবেক্ষকরা বলেন, ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং মাইন অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক ও স্বাধীন মিশন’ পরিচালনায় প্রস্তুত।

তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এই যেমন পদক্ষেপ নিয়ে থাকলে তা তাদের নিজ নিজ সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী হবে, বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাপানের সংবিধানে আত্মরক্ষার বাইরে শক্তি প্রয়োগের ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান।

ট্রাম্প পূর্বে জাপানসহ বিভিন্ন মিত্র দেশকে এ অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রণালীটি পুনরায় উন্মুক্ত হয়।

মঙ্গলবার জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিঞ্জিরো কোইযুমি বলেছেন এই মুহূর্তে বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

তিনি জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর সরকারি নাম ‘সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সেস’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরামর্শ চালিয়ে যাব, পাশাপাশি পরিস্থিতি সতর্কভাবে মূল্যায়ন করব এবং আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ আইনের কাঠামোর মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বিবেচনা করব।’

নিক্কেই পত্রিকার খবর অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতারা যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালীতে মাইন এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণের জন্য মাইনসুইপারসহ বিভিন্ন জাহাজ পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

বর্তমানে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিতে থাকা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে জাপানের সামনে বিভিন্ন বিকল্প থাকবে।

নিক্কেইর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানের মেরিটাইম সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স (এমএসডিএফ) মাইন অপসারণ কার্যক্রমে দক্ষ হিসেবে পরিচিত। তাদের কাছে এ ধরনের কাজে সক্ষম ১৬টি জাহাজ রয়েছে।

১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধে যুদ্ধবিরতির পরও জাপানের সামরিক বাহিনী মাইন অপসারণ অভিযানে অংশ নিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬,জুন) টাঙ্গাইল-৩ রিজিওনের ঘাটাইল এরিয়া অফিসে ব্র‍্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স(দাবি+) উদ্যোগে, কৃষি ও বিমা ইউনিটের সহযোগিতায় ক্ষুদ্র খামারি এবং গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে- হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ এর আয়োজন করা হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মো: জাহাঙ্গীর আলম AM(Dabi), মো: বাকিউর রহমান, EO(Agri & Insurance)।
এসময় উপস্থিত ছিলেন - RC(Lead generation), BM(Dabi)।
অনুষ্ঠান শেষে ২০ জন SK/SS (Lead generation) দের মাঝে ২০০টি হাসের বাচ্চা বিতরন করা হয়েছে।
ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি (দাবি)-এর এ ধরনের উদ্যোগ সদস্যদের পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে ছেলের মৃত্যুর ভিডিও দেখে প্রাণ হারালেন বাবা-মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


বিদেশে ছেলের মৃত্যুর ভিডিও দেখে প্রাণ হারালেন বাবা-মা

লিবিয়ায় যুবককে আটকে রেখে মুক্তিপণ চেয়ে মাদারীপুরের রফিকুল ইসলাম রাব্বির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মাফিয়াদের কয়েক দফা ৮৫ লাখ টাকা প্রদান করা হলেও, গত এক সপ্তাহ ধরে ওই যুবকের সন্ধান নেই। এর মধ্যেই দালালচক্র তার নির্যাতনের একটি ভিডিও পাঠিয়েছে। ভিডিওটি দেখে হৃদরোগের শিকার হয়ে মারা যান রফিকুলের মা-বাবা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরেজমিনে মাদারীপুরের মধ্য খাগদী এলাকার যুবক রফিকুল ইসলাম রাব্বির বাড়িতে গেলে দেখা যায়, মৃতদের পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। নিখোঁজ যুবকের খোঁজ না পেয়ে দালালের বাড়ি ঘেরাও করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে রফিকুল ইসলাম রাব্বি পরিবারের জন্য সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে ইতালির উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়েন। কিন্তু পরে তাকে লিবিয়ায় আটকে রেখে মাফিয়ারা নির্যাতন চালাতে থাকে। পরিবারে পাঠানো হয় নির্যাতনের ভিডিও। সেই ভিডিওরে কারণে দেড় বছর আগে বাবা জলিল বেপারী এবং ৬ মাস আগে মা মেহেরুন নেছা মারা যান। এরপরও দালালচক্র থেমে নেই। পরিবার থেকে কয়েক দফা মুক্তিপণের মোট ৮৫ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। এরপরও রাব্বির মুক্তি মিলছে না। তিনি এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছেন।

স্বজনদের অভিযোগ, মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের তালতলা এলাকার রিয়াজুল মাতুব্বর এবং তার শ্বশুর মধ্য খাগদী এলাকার জামাল ফকির ও শাশুড়ি রোমানা বেগমের সঙ্গে চুক্তি করে রাব্বির পরিবার। পরে সরাসরি ইতালি পাঠানোর বদলে রাব্বিকে লিবিয়ায় আটকে রেখে নির্যাতন চালাতে থাকে এবং লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

রাব্বি এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ, তার সন্ধানের জন্য মঙ্গলবার দুপুরে দালালের বাড়িতে গিয়েছেন স্বজনরা। সেখানে গিয়ে কোনো উত্তর না পেয়ে তারা হতাশ হন।

তথ্য অনুযায়ী, রাব্বি তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট। ভিটেমাটি বিক্রি করে এবং চড়া সুদে লাখ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তার পরিবার দিশেহারা। পাওনাদারের টাকা ফেরতের চাপ এবং যুবক নিখোঁজ থাকায় তারা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

এলাকাবাসী বলেন, রিয়াজুল বেশ কিছুদিন ধরে ইতালির কথা বলে যুবকদের লিবিয়ায় আটকে রেখে নির্যাতন চালিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ জন্য তিনি এলাকায় এবং শ্বশুরবাড়িতে ভবন নির্মাণ করেছেন। তারা এ ঘটনার কঠোর বিচার চান।

রাব্বির বড় ভাই তানজিলা আক্তার বলেন, ‘আমার ভাইকে জিম্মি করে মোট ৮৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দালালচক্র। এই ঘটনার জন্য আমরা দালালচক্রের বিচার চাই, আর আমার ভাইকে দ্রুত ফেরত পাওয়ার দাবি জানাই।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাগর বেপারী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে রিয়াজুল বিদেশে লোক নেয়ার কথা বলে প্রতারণা করে আসছে। এই চক্রের সাথে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অন্যায় করতে না পারে।’

এদিকে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত রোমানা বেগম বলেন, রফিকুল ইসলাম রাব্বি কোথায়, কবে, এবং কার মাধ্যমে গিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। টাকা লেনদেনের বিষয়ের ব্যাপারেও তিনি অবগত নন। তিনি জানান, তার জামাই রিয়াজুল মাতুব্বর ইতালি থাকেন এবং স্বামী কালকিনি উপজেলায় কাজে গেছেন।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনা বলেন, ‘এ ব্যাপারে নিখোঁজ যুবকের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া এমন খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা তথ্য সংগ্রহ করছে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য যাচাই-বাছাই চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%