০৪:০৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পর জাপান এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে সামরিক বাহিনী পাঠানো হবে কি না। মঙ্গলবার জাপান সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই জলপথটি তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুক্রবারের মধ্যে এটি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন, প্রণালীটি মাইনমুক্ত করতে বর্তমানে তল্লাশি ও অভিযান চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘জামায়াত সমর্থন না পেলে ৯১ সালে বিএনপির রাজনীতি শেষ হয়ে যেতে পারতো’
এ খবরটি টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি সরবরাহ করেছে।
সোমবার ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জাপানও সমর্থন জানায়। পর্যবেক্ষকরা বলেন, ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং মাইন অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক ও স্বাধীন মিশন’ পরিচালনায় প্রস্তুত।
তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এই যেমন পদক্ষেপ নিয়ে থাকলে তা তাদের নিজ নিজ সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী হবে, বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাপানের সংবিধানে আত্মরক্ষার বাইরে শক্তি প্রয়োগের ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান।
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে ট্রাক্টর চাপায় ৪ বছরের শিশু জাকিয়া নিহত
ট্রাম্প পূর্বে জাপানসহ বিভিন্ন মিত্র দেশকে এ অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রণালীটি পুনরায় উন্মুক্ত হয়।
মঙ্গলবার জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিঞ্জিরো কোইযুমি বলেছেন এই মুহূর্তে বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর সরকারি নাম ‘সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সেস’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরামর্শ চালিয়ে যাব, পাশাপাশি পরিস্থিতি সতর্কভাবে মূল্যায়ন করব এবং আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ আইনের কাঠামোর মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বিবেচনা করব।’
নিক্কেই পত্রিকার খবর অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতারা যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালীতে মাইন এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণের জন্য মাইনসুইপারসহ বিভিন্ন জাহাজ পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: স্পেনে মুসলিমদের নতুন বসতি: আত্মপরিচয় খুঁজে পাচ্ছেন হেনরিয়েটা সোভাতি
বর্তমানে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিতে থাকা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে জাপানের সামনে বিভিন্ন বিকল্প থাকবে।
নিক্কেইর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানের মেরিটাইম সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স (এমএসডিএফ) মাইন অপসারণ কার্যক্রমে দক্ষ হিসেবে পরিচিত। তাদের কাছে এ ধরনের কাজে সক্ষম ১৬টি জাহাজ রয়েছে।
১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধে যুদ্ধবিরতির পরও জাপানের সামরিক বাহিনী মাইন অপসারণ অভিযানে অংশ নিয়েছিল।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ৪০ টাকায় লাউ, অথচ এক টাকায় চারটি: সিন্ডিকেট নিয়ে ক্ষোভ ডাকসু ভিপির
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন