বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৫ পি.এম
কুষ্টিয়া, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পৃথক অভিযানের মাধ্যমে কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ ৫১ হাজার ২৭১ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ অভিযানের সময় গাঁজাসহ মো. সনি (২৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
বিজিবি আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানায়, গতকাল মঙ্গলবার শেওড়াতলা পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৯৫ বোতল ভারতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ উদ্ধার করা হয়। একই রাতে রংমহল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ও ৫৯ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, আজ দৌলতপুরের ডাক্তার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ সনিকে আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা মাদক ও চোরাচালান পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ৫১ হাজার ২৭১ টাকা। আটক সনিকে উদ্ধার করা মালামালসহ দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
৪৭ বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, চীন ও পাকিস্তান বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিতে তাদের দুয়ার খুলে দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির হাসপাতালগুলোতে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে চীনে নিয়ে গিয়েও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের ১৩৫ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চীনের হাসপাতালগুলোতে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চীনা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চীনে নিয়ে গিয়েও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
পাকিস্তানের সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে, পাকিস্তানি চিকিৎসকরাও বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন। দুই দেশের এই ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।
থ্যালাসেমিয়া ও এইচআইভি সহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রোগীর চিকিৎসা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করাও চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে সাধারণ মানুষকে রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পর্কে জানাতে হবে।
বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, স্বামী ও স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বিয়ের আগে ছেলে ও মেয়ের রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত। তিনি বলেন, "আপনারা দয়া করে এখন বিয়ের আগে মেয়ে ও ছেলের ব্লাড টেস্ট করাবেন থ্যালাসেমিয়ার জন্য। এটা রক্তের মধ্যে পাওয়া যায়।"
চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে সব রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সন্তানদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করার পাশাপাশি চিকিৎসকেরা যেখানে যাবেন, সেখানেই মানুষকে থ্যালাসেমিয়া, এইচআইভি ও ছোঁয়াচে রোগ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। হাত ধোয়া ও পরিচ্ছন্নতার মতো বিষয়েও জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায়, স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার কারণে ক্ষোভে জীবন (২০) নামে এক যুবক নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, সন্ধ্যা সাতটায় উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত যুবক জীবন আঙ্গারিয়া এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, জীবন ও মিম (১৬) পালিয়ে বিয়ে করে সিংগাইরের আঙ্গারিয়া এলাকায় জীবনের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি জানার পর মিমের পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
জীবন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নিয়ে যাওয়ার কারণে ক্ষোভে জীবন নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।
এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, "কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা খোঁজখবর রাখছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেইমারের অবসর এবং ২০৩০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দল গঠন শুরু করেছেন কার্লো আনচেলত্তি। সেই প্রেক্ষাপটে ম্যাচে পেনাল্টি নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পান রানিফিয়া। বার্সেলোনার এই তারকা অনুপস্থিত থাকলে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে সবকিছু বদলে যায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম পেনাল্টি নেওয়ার পর ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় পেনাল্টি গিমারায়েসের নেওয়ার কথা থাকলেও শট নিতে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা তার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।
বিশ্বকাপের পর থেকে ভিনিসিয়ুস নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন না। তাই তাকে ফর্মে ফিরিয়ে আনতে গিমারায়েস ভিনির হাতে বল তুলে দেন। এ জন্য তিনি সতীর্থকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।
ভিনিসিয়ুস বলেন, "রাফিনিয়া মাঠে না থাকলে, আমাদের পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব ব্রুনো গিমারায়েসের। আমি ভেবেছিলাম সে নিতে চাইবে, কিন্তু সে জানে যে বর্তমানে আমার কিছুটা আত্মবিশ্বাস দরকার। বিশ্বকাপে হেরে যাওয়া অনেক বড় ধাক্কা এবং সেটা মেনে নেওয়া কঠিন, আর ঘুরে দাঁড়ানোও সহজ নয়।"
পরে গিমারায়েসও তার পেনাল্টি না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন। আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার বলেন, "দলের সবার মধ্যে একতাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এটাই কারণ ছিল (পেনাল্টিটা ভিনিকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে)। পেনাল্টির ঘটনার পর, অনেক কিছুই সামনে আসে। কিন্তু এখানে জাতীয় দলে, আমাদের মধ্যে কেউ ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবে না।"
আনচেলত্তি ভিনিকে পেনাল্টি নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। গিমারায়েস বলেন, "বিশ্বকাপে আনচেলত্তি আমাকে পেনাল্টি নিতে বলেছিলেন। আর আজ তিনি ভিনিকে নিতে বলেন। ভিনির একটা গোল করা খুব দরকার ছিল। সে খুব ভালোভাবেই সেটা করেছে।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের কারও মধ্যে ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবনা নেই। ব্রাজিলের জন্য কোনটা সেরা, সেটাই আমরা চাই। তার জন্য আমরা খুশি এবং এভাবে কাজ করে যাওয়াটাই আসল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অনুষ্ঠিত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর জমজমাট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ফাইনালে মুখোমুখি হয় লক্ষ্মীপুর একাদশ ও গোকর্ণ আব্দুল রহিম একাদশ। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ২-১ গোলে জয় পেয়ে টুর্নামেন্টের শিরোপা অর্জন করে গোকর্ণ আব্দুল রহিম একাদশ।
খেলা শুরুর আগে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে ফাইনাল ম্যাচের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন শ্যামল, সৈয়দ সাজ্জাদ মোর্শেদ সোহান এবং সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে নাসিরনগরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে বিপুলসংখ্যক দর্শকের সমাগম ঘটে। মাঠের পাশাপাশি আশপাশের রাস্তা, টমটমের ছাদ, বিভিন্ন ভবনের ছাদ এমনকি গাছের ওপরও দর্শকদের অবস্থান করতে দেখা যায়।
প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক উপস্থিত দর্শক ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি নাসিরনগরে একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের ব্যবস্থা করার কথা জানান। পাশাপাশি দর্শকদের জন্য মাঠের চারপাশে গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন, যাতে ভবিষ্যতে দর্শকরা আরও সুন্দর পরিবেশে খেলাধুলা উপভোগ করতে পারেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, টুর্নামেন্টে বিভিন্ন দেশ থেকে খেলোয়াড় এনে দলগুলোকে শক্তিশালী করা হয়েছে। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে গোকর্ণ আব্দুল রহিম একাদশের জয়ের মধ্য দিয়ে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর ফাইনালের পর্দা নামে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ