ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত: শৃঙ্খলা ও সেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ -পুলিশ সুপারের


ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত: শৃঙ্খলা ও সেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ -পুলিশ সুপারের

পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা, কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবার মান বাড়ানোর প্রত্যয়ে ঝালকাঠিতে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৮ অক্টোবর (বুধবার) সকালে ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠি জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) জনাব মেরিন সুলতানা।

অধিবেশনের শুরুতে পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা এবং পেশাগত সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বেশ কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেন এবং বাকি বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা

ফোর্সদের উদ্দেশে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যে পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা বলেন, "পুলিশ বাহিনীকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীকে পরিণত করতে হবে। এজন্য প্রতিটি সদস্যকে কঠোরভাবে সার্ভিস রুলস ও ড্রেস রুলস মেনে চলে পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।" তিনি জনসাধারণের সাথে সর্বোচ্চ উত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যারাকে উন্নত খাবার পরিবেশন, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ছুটি ও টিএ (ভ্রমণ ভাতা) বিল পাসের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখার জন্য তাগিদ দেন।

এদিকে পুলিশ সদস্যদের কর্মতৎপরতা, দক্ষতা ও মনোবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগত মাসের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ অফিসার ও ফোর্সদের হাতে বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন পুলিশ সুপার।

উক্ত কল্যাণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মামুন আল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (রাজাপুর সার্কেল) জনাব মোঃ শাহ্ আলমসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং সব স্তরের পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কল্যাণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা পুলিশের এ ধরনের নিয়মিত উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: ৭নং জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিলমারী–রৌমারী নৌপথে ফেরি ও কর্মী উধাও, কোটি টাকার উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


চিলমারী–রৌমারী নৌপথে ফেরি ও কর্মী উধাও, কোটি টাকার উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগ

কুড়িগ্রামের চিলমারী–রৌমারী নৌপথে ফেরি চলাচল বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ফেরিগুলো ঘাট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ফেরি পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের অন্যত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘাটের অস্থায়ী কার্যালয়ের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় ৩৪৫ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে চিলমারী নদীবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর চিলমারী–রৌমারী নৌপথে ফেরি সার্ভিস চালু হয়। কিন্তু নাব্যতা সংকটের কারণে চলতি বছরের ১৪ আগস্ট থেকে ফেরি চলাচল আবার বন্ধ রয়েছে। নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ফেরি সার্ভিস পুনরায় চালু না হওয়ায় এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথমে ফেরি কুঞ্জলতা এবং পরে কদমকে মেরামতের জন্য ডকইয়ার্ডে নেওয়ার কথা বলে ঘাট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে বর্তমানে কুঞ্জলতাকে চাঁদপুর ঘাটে এবং কদমকে ভোলা ঘাটে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফেরি দুটি অন্য ঘাটে সংযুক্তির বিষয়ে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন বলে জানা গেছে। ফলে ফেরি দুটি মেরামতের জন্য নেওয়া হয়েছে, নাকি অন্য ঘাটে কাজে লাগানো হচ্ছে—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, চিলমারী ঘাটে বাণিজ্য, মেরিন, হিসাব, প্রকৌশল ও ফেরি পরিচালনাসহ বিভিন্ন কাজে যুক্ত প্রায় ৪৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে ধাওয়াপাড়া নদীবন্দর, ঢাকা-কাশীপুর, আরিচা ঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে সংযুক্ত বা বদলি করা হয়েছে। চিলমারী কলেজ মোড়ের অস্থায়ী কার্যালয়টিও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

চিলমারী নদীবন্দরের সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক আকিব সোহেল আকাশ মন্তব্য করেন, “এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশের অন্যান্য ফেরিঘাটে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফেরি চালু করা হলে তাঁদের আবার এ ঘাটে নিযুক্ত করা হবে।”

তবে ফেরি সার্ভিস পুনরায় চালুর নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং ফেরি দুটি কবে ফিরবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। চিলমারী–রৌমারী নৌপথে ফেরি চালু থাকলে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের নদী পারাপার সহজ হয়। ফেরি বন্ধ থাকলে বিকল্প পথে চলাচলে সময় ও ব্যয় বাড়তে পারে, যা ব্যবসায়ী, ট্রাকচালক ও নিয়মিত যাতায়াতকারী মানুষদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাদেকুর রহমান নামে এক ট্রাকচালক বলেন, “ফেরি বন্ধ থাকায় আমাদের বিকল্প পথে ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি জ্বালানি খরচও বাড়ছে। সময়মতো পণ্য পৌঁছাতে না পারায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত ফেরি সার্ভিস চালু হলে আমাদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।”

কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, “চিলমারী–রৌমারী নৌপথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এখান থেকে ফেরি তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অথচ কম গুরুত্বপূর্ণ অনেক ফেরিঘাটে সার্ভিস সচল রাখা হয়েছে। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমি সংসদে নোটিশ দিয়েছি। আগামী সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়ে কথা বলব।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃতি শ্যানন: ইনস্টাগ্রামে এআই দ্বারা তৈরি ছবি সরানোর সুযোগ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


কৃতি শ্যানন: ইনস্টাগ্রামে এআই দ্বারা তৈরি ছবি সরানোর সুযোগ নেই

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ ‘দ্য মেকিং অব আ মডার্ন স্টার’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃতি শ্যানন এসব মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাস্তব ছবি এবং এআই দ্বারা তৈরি ছবির মধ্যে পার্থক্য করা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে।

কৃতি বলেন, "বাস্তব ছবি দেখতে যেমন, এআই দিয়ে তৈরি ছবিও এখন অনেকটা তেমন হয়ে উঠেছে।" তিনি সতর্ক করেন যে, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে মানুষ এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। তাই, এ প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা জরুরি।

এই অভিনেত্রী মনে করেন, যদি তার ছবি এআই দ্বারা তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা সরানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকা উচিত।

কৃতির অভিযোগ, ইনস্টাগ্রামে কোনো ছবি এআই দ্বারা তৈরি হলে এবং সেটি যদি তার ছবি হয়, তাহলে সরাসরি অভিযোগ জানানোর জন্য নির্দিষ্ট বিকল্প নেই। তিনি বলেন, "প্রযুক্তি যত দ্রুত এগোচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা তত দ্রুত উন্নত হচ্ছে না।"

তার মতে, এআই দ্বারা তৈরি ছবি বাস্তব বলে মনে হতে পারে, যা বিভ্রান্তিকর বা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি করতে পারে। এর ফলে, শনাক্তকরণ এবং সরানোর বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

কৃতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "এআই আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়।" তিনি বলেন, প্রযুক্তিটি একটি হাতিয়ার— চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। তবে হাতিয়ার যত শক্তিশালী হয়, তার অপব্যবহারের ঝুঁকিও তত বেশি হতে পারে।

কৃতি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিরোধী নন, তবে তিনি মনে করেন, প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে আইনকানুনও পরিবর্তন করা উচিত।

ব্যক্তিগত অধিকার প্রসঙ্গে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, এআই দ্বারা কী ধরনের কাজ করা সম্ভব, সে বিষয়ে মানুষ এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনলাইনে দেখা কিছু বিষয় সত্যিই ভীতিকর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরে শ্বাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাই অলিউর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


মাধবপুরে শ্বাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাই অলিউর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

হবিগঞ্জের মাধবপুরে শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমকে হত্যার দায়ে জামাই অলিউর রহমান অলিকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে, তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডে পরিণত হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (১) কাঁকন দে এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অলিউর রহমান উপজেলার তুলশীপুর (অলিপুর) গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ মে সকালে অলিউর রহমান তার শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমকে স্বর্ণ কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরে ১ জুন চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ারের দক্ষিণ পাশে বেতবাগান থেকে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ দেখে নিহতের ছেলে মরদেহটি তার মা জাহানারা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় তার ছেলে মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অলির বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৪ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে বিচারক আজ এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মো. গুলজার আহমেদ খান। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে গুলজার আহমেদ জানান, এটি একটি ক্লুলেস মার্ডার ছিল। আসামি ভুক্তভোগীকে ডেকে নিয়ে যাওয়া, আসামির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি, একসঙ্গে অবস্থানের সিডিআর এবং বিচারকালে ভুক্তভোগীর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রসিকিউশন পক্ষ আসামির বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাশ্মীরে ২০১৯ সাল থেকে ১৬,৩৯৭ নারী ও কন্যাশিশু নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


কাশ্মীরে ২০১৯ সাল থেকে ১৬,৩৯৭ নারী ও কন্যাশিশু নিখোঁজ

একটি তথ্য অধিকার (আরটিআই) আবেদনের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত সরকারি পরিসংখ্যান তুলে ধরে দ্য ট্রিব্রিউন জানিয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরে অন্তত ১৬,৩৯৭ জন নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৪,২২৭ জনের এখনও কোনো সন্ধান মেলেনি।

উন্মোচিত এই উপাত্ত থেকে দেখা যায়, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত ১৪,৫৯৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী নিখোঁজ হন। তাঁদের মধ্যে ১১,৩৩৮ জনকে খুঁজে বের করা সম্ভব হলেও ৩,২৫৫ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

অন্যদিকে, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত ১,৮০৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। উদ্ধার পাওয়া ৭৮৮ জন বালিকার বিপরীতে ১,০১৬ জন আজও নিখোঁজ রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, নথিভুক্ত ১৬,৩৯৭ জন নিখোঁজ নারী ও শিশুর মধ্যে কর্তৃপক্ষ ১২,১২৬ জনকে উদ্ধার করতে পারলেও মোট ঘটনার ২৬ শতাংশেরই কোনো সমাধান হয়নি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আরবিআই আবেদনের জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেলাভিত্তিক বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেনি।

২০২৫ সালে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা সর্বোচ্চ চূড়ায়

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আলোচিত এই সময়ে প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের নিখোঁজ হওয়ার সংখ্যা ক্রমেই বেড়েছে। ২০১৯ সালে ১,৩৮৮ জন এবং ২০২০ সালে ১,৩৯৮ জন নারী নিখোঁজ হন, যা ২০২১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১,৮৫৪ জনে। ২০২২ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে ১,৭৬৬ জনে নামলেও ২০২৩ সালে তা আবার বেড়ে ২,২৪২ জনে পৌঁছায়।

২০২৫ সালে প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা এক বছরের হিসাবে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছায়, যার সংখ্যা ছিল ২,৫৯৫ জন। তাঁদের মধ্যে ২,১০২ জনকে খুঁজে পাওয়া গেলেও ৪৯৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। আনুপাতিক হারে সমাধান না হওয়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঘটনার বছর ছিল ২০২৩ সাল; সে বছর নিখোঁজ ২,২৪২ জন নারীর মধ্যে ৬৯৯ জনেরই কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

অপ্রাপ্তবয়স্ক বালিকাদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যদিও মোট সংখ্যা কিছুটা কম ছিল। ২০১৯ সালে বালিকাদের নিখোঁজ হওয়ার সংখ্যা ছিল ১৫০ এবং ২০২০ সালে তা ১২২-এ নেমে আসে। তবে পরবর্তীতে ২০২১ সালে ২২১, ২০২২ সালে ২৪৯ এবং ২০২৩ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ২৬১-তে গিয়ে দাঁড়ায়।

২০২৪ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে ২২৬ হলেও ২০২৫ সালে তা আবারও বেড়ে ২৮৯ জনে পৌঁছায়। ওই বছর নিখোঁজ হওয়া বালিকাদের মধ্যে ১৬৬ জনের আজও কোনো সন্ধান মেলেনি।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যেই ২৮৬ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৫৮ জন আজও নিখোঁজ।

উল্লেখ্য, এই সময়কালে নথিভুক্ত হওয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক বালিকাদের নিখোঁজের অর্ধেকেরও বেশি ঘটনার কোনো সমাধান করা সম্ভব হয়নি।

অপরাজিত ঘটনা নিয়ে বাড়ছে প্রশ্নের মুখ

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরে নারী অপহরণ ও বলপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার মতো অপরাধের উদ্বেগের মধ্যেই এই ভয়াবহ তথ্য সামনে এলো।

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) ২০২৪ সালের উপাত্ত অনুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ৮৭ ধারায় নারী অপহরণ বা বিয়ের উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ করার মতো ১,২০২টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের এই বিপুল পরিসংখ্যান থেকে প্রতিটি ঘটনার পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা কতগুলো ঘটনা অপহরণ ও জোরপূর্বক বিয়ের সাথে জড়িত—তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর পাশাপাশি, জেলাভিত্তিক তথ্যের অনুপস্থিতির কারণে ঠিক কোন কোন এলাকায় এই ঘটনাগুলো বেশি ঘটেছে এবং তদন্ত কতটুকু অগ্রগতি লাভ করেছে—সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%