ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদিতে থাকতে হলে মানতে হবে নতুন নিয়ম


সৌদিতে থাকতে হলে মানতে হবে নতুন নিয়ম

সৌদি আরবে বসবাসকারী প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি (অনূর্ধ্ব বা স্থায়ী নির্দিষ্ট আবাসন সুবিধা) হোল্ডারদের জন্য এখন থেকে পৃথক ওয়ার্ক পারমিট গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে।

দ্য ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, দেশটির শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্‌ম ‘কিউয়া’ নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।

নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ এই ধরনের ওয়ার্ক পারমিটের জন্য ১০০ সৌদি রিয়াল ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ইসি: সিইসি

সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কিউয়া প্ল্যাটফর্‌ম শ্রমবাজার-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা পরিচালনা করে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ চুক্তি, পদত্যাগ প্রক্রিয়া এবং ভিসা-সংক্রান্ত কার্যক্রম।

কিউয়া জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের সাবস্ক্রিপশন ফি কোম্পানির আকার এবং ইউনিফায়েড নম্বরের আওতায় নিবন্ধিত কর্মীর সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

এছাড়া ‘তামহীর’ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ চুক্তি এখন থেকে অনলাইনে নিবন্ধন করা সম্ভব হবে। তবে এসব প্রশিক্ষণ চুক্তি সৌদিকরণ নীতির হিসাব বা বিদ্যমান কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে গণ্য হবে না।

সেবা ফি পরিশোধ করার জন্য ব্যাংক কার্ড, সাদাদ পেমেন্ট সিস্টেম এবং কিউয়া ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার সম্ভাবনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

পদত্যাগ সংক্রান্ত নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিয়োগকর্তা যদি আবেদন গ্রহণ বা স্থগিত না করে, তাহলে কর্মীরা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সাত দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। তবে নোটিশ পিরিয়ড চাকরির চুক্তির শর্ত অনুসারে ভিন্ন হতে পারে।

অন্যদিকে, ভিসাসংক্রান্ত নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একবার ভিসা ইস্যু হওয়ার পর এর কোনো তথ্য সংশোধন করা সম্ভব নয়। ভুল তথ্য থাকলে, সংশ্লিষ্ট ভিসা বাতিল করে নতুন করে আবেদন করতে হবে।

সূত্র: গালফ নিউজ।

আরও পড়ুন: বিএনপির ডাক, সরকার পতনের একদফা আন্দোলন: ২৮ অক্টোবর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ, ছাত্রলীগের ৩ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ, ছাত্রলীগের ৩ জন আটক

 

গলাচিপায় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক সড়কের আমখোলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ।

গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের দরিবাহেরচর গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (১৯), একই ইউনিয়নের উত্তর আমখোলা গ্রামের গফুর খানের ছেলে জাহিদ খান ও গলাচিপা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামবাগের জালাল আহমেদের ছেলে সালেহ আহমেদ শান্ত।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে কিছু তরুণ আমখোলা বাজারসংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেয় তারা।

এরপর একটি সেতুর ওপর দুটি টায়ার জ্বালিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করে। এ সময় ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা একটি ব্যানার সামনে ধরে ২ থেকে ৩ মিনিটের একটি বিক্ষোভ মিছিল করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

মিছিলের দুই মিনিটের একটি ভিডিও প্রতিবেদকে হাতে আছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যানারে ‘প্রত্যাবর্তন-২.০’, ‘আলো আসবেই’ এবং ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা রয়েছে।

ব্যানারে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় উল্লেখ করে রুবেল গাজীর নাম রয়েছে। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিক্ষোভ অংশ নেওয়া তরুণরা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় দেওয়া রুবেল গাজীর অনুসারী।

এ বিষয়ে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদের জানান, আমখোলা গলাচিপা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি এলাকা। তবে ছাত্রলীগের ব্যানারে বিক্ষোভ করা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকদের অবসরভাতা প্রদানে দেরির কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


শিক্ষকদের অবসরভাতা প্রদানে দেরির কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বেসরকারি শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টে বছরে প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এই ঘাটতির কারণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধে দেরি হচ্ছে।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

এদিন যশোর-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুল জানতে চান, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসর নেয়ার পর তাদের অবসরকালীন ভাতা, কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পেতে দেরি হওয়ার কারণ কী; বর্তমানে কতজন বিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। ফলে প্রতি বছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে ট্রাস্টের দায়ও ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অর্থ প্রদানে দেরি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার কল্যাণ সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সরকারের এককালীন অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এই অর্থের সংস্থান এবং আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকার কাজ করছে।

এসময় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯ হাজার ২৮৪ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ৫৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৪ টাকা কল্যাণ সুবিধা দেওয়ার কথাও বলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনি জটিলতায় ৮৭ হাজার শিক্ষক পদে নিয়োগ-পদোন্নতি আটকা: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


আইনি জটিলতায় ৮৭ হাজার শিক্ষক পদে নিয়োগ-পদোন্নতি আটকা: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আইনি জটিলতার কারণে প্রায় ৮৭ হাজার শিক্ষক পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে আছে।

তিনি জানান, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাখাতে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। বিচারাধীন মামলা এবং নানা প্রশাসনিক জটিলতার জন্য ৪৭ হাজার শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে। এ কারণে আমরা সবমিলিয়ে প্রায় ৮৭ হাজার পদে নিয়োগ-পদোন্নতি দিতে পারছি না। এটা এখন আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রবিবার ঢাকায় ইউনিসেফ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিচারাধীন মামলার কারণে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে, যার কারণে অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

আন্তর্বর্তী সরকার তাড়াহুড়ো করে প্রাথমিকে সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের তৎপরতা চালায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমি জানি না কেন তারা এত তাড়াহুড়ো করে রাতারাতি শিক্ষকদের নির্বাচন করেছে। ফলে তাদের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আপনারা একদিকে পর্যালোচনা করছেন, অন্যদিকে আমরা তাদের প্রশিক্ষণে পাঠাচ্ছি এবং দুই বছরের জন্য তাদের প্রো-কন্ট্রাক্টে নিয়োগ দিচ্ছি।

শিক্ষাক্রমে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত হওয়ার ব্যাপারে এহছানুল হক মিলন জানান, শিক্ষার্থীদের আনন্দের সঙ্গে পাঠদানের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। সরকারের এই লক্ষ্যে শিক্ষায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার রোধে স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণ এবং মিড ডে মিলসহ নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং স্যানিটেশন সমস্যার সমাধানের জন্যও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতের সব সময়ের চেয়ে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে, যা মোট বাজেটের ২ শতাংশ। তবে আমাদের লার্নিং আউটকাম বা শিক্ষার ফল এখনও সন্তোষজনক নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। অনুষ্ঠানে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরীসহ শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গের কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও চারটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। আজ রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গতকাল শনিবার সকালে ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টার মাঝ উপজেলা সময়ের মধ্যে শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ মৃত্যুর ফলে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ৫৬০ শিশু মারা গেল। হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯২। ফলে সামগ্রিক মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫২।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে এক হাজার ৫২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেখা দেওয়া হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা মোট ৮৫ হাজার ৯৫১।

এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের রোগী শনাক্ত হওয়া সংখ্যা ৭৫। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশের মধ্যে মোট ১০ হাজার ৩২৩ জনের শরীরে হাম কার্যকরভাবে শনাক্ত হয়েছে।

এদিকে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ৭০ হাজার ৫৭৯ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৬ হাজার ৮৪১ জন সুস্থ হয়েছেন এবং হাসপাতাল ছেড়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের কারণে কেউ মারা যায়নি। তবে হামবিষয়ক উপসর্গ নিয়ে চারটি শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। তাদের মধ্যে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং খুলনা বিভাগে একজন করে মৃত্যু ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%