প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবে বসবাসকারী প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি (অনূর্ধ্ব বা স্থায়ী নির্দিষ্ট আবাসন সুবিধা) হোল্ডারদের জন্য এখন থেকে পৃথক ওয়ার্ক পারমিট গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে।
দ্য ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, দেশটির শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘কিউয়া’ নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।
নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ এই ধরনের ওয়ার্ক পারমিটের জন্য ১০০ সৌদি রিয়াল ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কিউয়া প্ল্যাটফর্ম শ্রমবাজার-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা পরিচালনা করে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ চুক্তি, পদত্যাগ প্রক্রিয়া এবং ভিসা-সংক্রান্ত কার্যক্রম।
কিউয়া জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের সাবস্ক্রিপশন ফি কোম্পানির আকার এবং ইউনিফায়েড নম্বরের আওতায় নিবন্ধিত কর্মীর সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।
এছাড়া ‘তামহীর’ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ চুক্তি এখন থেকে অনলাইনে নিবন্ধন করা সম্ভব হবে। তবে এসব প্রশিক্ষণ চুক্তি সৌদিকরণ নীতির হিসাব বা বিদ্যমান কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে গণ্য হবে না।
সেবা ফি পরিশোধ করার জন্য ব্যাংক কার্ড, সাদাদ পেমেন্ট সিস্টেম এবং কিউয়া ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
পদত্যাগ সংক্রান্ত নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিয়োগকর্তা যদি আবেদন গ্রহণ বা স্থগিত না করে, তাহলে কর্মীরা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সাত দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। তবে নোটিশ পিরিয়ড চাকরির চুক্তির শর্ত অনুসারে ভিন্ন হতে পারে।
অন্যদিকে, ভিসাসংক্রান্ত নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একবার ভিসা ইস্যু হওয়ার পর এর কোনো তথ্য সংশোধন করা সম্ভব নয়। ভুল তথ্য থাকলে, সংশ্লিষ্ট ভিসা বাতিল করে নতুন করে আবেদন করতে হবে।
সূত্র: গালফ নিউজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন