০৮:১২ পি.এম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মোট সাত আসামির মামলায় তৃতীয় দিনের মতো প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হলো।
অন্তর্বর্তীকালীন রবিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ
এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
শুনানির প্রক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদেরের সাথে জুনাইদ আহমেদ পলক এবং চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের কল রেকর্ড বাজানো হয়। পাশাপাশি আ জ ম নাছিরের সঙ্গে নানকের কথাও হয়।
ফোন কলের মধ্যে ওবায়দুল কাদের: "হ্যালো, নাছির কী করতেছ?"
নাছির: "জি ভাই, কাল থেকে তো ফাইট করছি। আজকেও তো ওই ইয়া না, সারাদিনই মারামারি। এখনও চলছে।"
আরও পড়ুন: চলতি মাসেই সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন বড় সুখবর
ওবায়দুল কাদের: "ইউনিভার্সিটি কি ওই শিবিরের?"
নাছির: "না, বিশ্ববিদ্যালয় গেছে না না না না... বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি একদম নিয়ন্ত্রণে আছে। ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে। বিশ্ববিদ্যালয় না। ওখান থেকে এখন টাউনে...।"
ওবায়দুল কাদের: "ইউনিভার্সিটি, চিটাগং কলেজ?"
নাছির: "না না, এগুলো সব নিয়ন্ত্রণে। টাউনের ছোট একটা জায়গায় মুরাদপুর, ওদের সঙ্গে ফাইট হচ্ছে। ওরা বিভিন্ন জায়গা থেকে আইসা ওখানে গত প্রায় ২টা থেকে শুরু হইয়া এখনও পর্যন্ত চলছে। ওইখানে..."
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সম্ভাবনা
ওবায়দুল কাদের: "ওটা মুরাদপুর এক জায়গায়?"
নাছির: "মুরাদপুর একটা জায়গায়, একটা জায়গায়... ছোট্ট একটা জায়গায়। ওইখানে ওই একপাশে ওরা... আর পুরো চট্টগ্রাম পুরো কন্ট্রোলে। পুরো চট্টগ্রাম একদম ইউনিভার্সিটি..."
ওবায়দুল কাদের: "আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি... কথা বলো।"
নাছির: "আমি একদম দিচ্ছি। নিশ্চিন্তে থাকেন, ১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকেন। ইনশাআল্লাহ।"
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুর সফর শেষে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা
জাহাঙ্গীর কবির নানক: "হ্যাঁ, নাছির?"
নাছির: "জি জি, স্লামালাইকুম।"
জাহাঙ্গীর কবির নানক: "কী অবস্থা?"
nাছির: "আমাদের এখানে পুরোপুরি ঠিক আছে। পুরো চট্টগ্রামে শুধু মুরাদপুর একটা জায়গায়, একটা জায়গায় শিবির ওই দিকে একটা অবস্থান নিছে। ওরা ওই খানে ফাইট হয়ে এই পর্যন্ত তিনজন মারা গেছে। বুঝছেন? ওই খানে গোলাগুলি চলতেছে।"
আরও পড়ুন: জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে আরও এগিয়ে গাডি আইজেনকট
জাহাঙ্গীর কবির নানক: "তিনজন কারা? কারা মারা গেল?"
নাছির: "পথচারী আছে, ওদের একজন আছে, আমাদেরও একজন আছে। আর প্রচুর ইঞ্জুরি হইছে। প্রচুর ইঞ্জুরড হইছে। বুঝছেন না? প্রচুর… দুই পক্ষেরই হইছে ওইখানে। ওইখানে আমরা একপাশে আছি। মুরাদপুরে একপাশে, মোড়ের ওপাশে ওরা, এইপাশে..."
জাহাঙ্গীর কবির নানক: "নাছির ভাই?"
নাছির: "জি জি জি।"
আরও পড়ুন: ২৬-২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ার প্রত্যাশা
জাহাঙ্গীর কবির নানক: "আমাদের যেটা মারা গেছে, সেটার জানাজা-টানাজা করেন। ওইটাকে ইস্যু করেন।"
নাছির: "ওয়েটাকে একটু ইস্যু করার চেষ্টা করতেছি। ওইটা এখন মেডিকেলে পাঠাইছে। ওইটা কনফার্ম করে… কনফার্ম করে তারপর ইয়া করবে।"
জাহাঙ্গীর কবির নানক: "ওয়েটাকে ইস্যু করেন, ওইটাকে ইস্যু করেন, হ্যাঁ? বি অ্যালার্ট, ওদের কিন্তু খুব খারাপ মতলব। বি অ্যালার্ট।"
নাছির: "হ্যাঁ, আর আর আর একটা বলি— আর সব পুরো একদম ১০০ পার্সেন্ট। ভার্সিটি থেকে আমি মানা করে দিছি যে, তোমরা ওখানেই থাকো। ভার্সিটি সবদিকে ঠিক আছে। ঠিক আছে, ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে, একদম ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে, ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে। আর চট্টগ্রাম শহরের সব জায়গায়, একটা জায়গায় ছোট্ট একটা জায়গায়..."
জাহাঙ্গীর কবির নানক: "আচ্ছা থ্যাংক ইউ... থ্যাংক ইউ... থ্যাংক ইউ..."
নাছির: "থ্যাংক ইউ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন