ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ট্রাইব্যুনালে কলরেকর্ড

‘১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকেন’, কাদেরকে যা বলেছিলেন আ জ ম নাছির


‘১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকেন’, কাদেরকে যা বলেছিলেন আ জ ম নাছির

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মোট সাত আসামির মামলায় তৃতীয় দিনের মতো প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হলো।

অন্তর্বর্তীকালীন রবিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ

এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

শুনানির প্রক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদেরের সাথে জুনাইদ আহমেদ পলক এবং চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের কল রেকর্ড বাজানো হয়। পাশাপাশি আ জ ম নাছিরের সঙ্গে নানকের কথাও হয়।

ফোন কলের মধ্যে ওবায়দুল কাদের: "হ্যালো, নাছির কী করতেছ?"

নাছির: "জি ভাই, কাল থেকে তো ফাইট করছি। আজকেও তো ওই ইয়া না, সারাদিনই মারামারি। এখনও চলছে।"

আরও পড়ুন: চলতি মাসেই সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন বড় সুখবর

ওবায়দুল কাদের: "ইউনিভার্সিটি কি ওই শিবিরের?"

নাছির: "না, বিশ্ববিদ্যালয় গেছে না না না না... বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি একদম নিয়ন্ত্রণে আছে। ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে। বিশ্ববিদ্যালয় না। ওখান থেকে এখন টাউনে...।"

ওবায়দুল কাদের: "ইউনিভার্সিটি, চিটাগং কলেজ?"

নাছির: "না না, এগুলো সব নিয়ন্ত্রণে। টাউনের ছোট একটা জায়গায় মুরাদপুর, ওদের সঙ্গে ফাইট হচ্ছে। ওরা বিভিন্ন জায়গা থেকে আইসা ওখানে গত প্রায় ২টা থেকে শুরু হইয়া এখনও পর্যন্ত চলছে। ওইখানে..."

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সম্ভাবনা

ওবায়দুল কাদের: "ওটা মুরাদপুর এক জায়গায়?"

নাছির: "মুরাদপুর একটা জায়গায়, একটা জায়গায়... ছোট্ট একটা জায়গায়। ওইখানে ওই একপাশে ওরা... আর পুরো চট্টগ্রাম পুরো কন্ট্রোলে। পুরো চট্টগ্রাম একদম ইউনিভার্সিটি..."

ওবায়দুল কাদের: "আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি... কথা বলো।"

নাছির: "আমি একদম দিচ্ছি। নিশ্চিন্তে থাকেন, ১০০ ভাগ নিশ্চিন্তে থাকেন। ইনশাআল্লাহ।"

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুর সফর শেষে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "হ্যাঁ, নাছির?"

নাছির: "জি জি, স্লামালাইকুম।"

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "কী অবস্থা?"

nাছির: "আমাদের এখানে পুরোপুরি ঠিক আছে। পুরো চট্টগ্রামে শুধু মুরাদপুর একটা জায়গায়, একটা জায়গায় শিবির ওই দিকে একটা অবস্থান নিছে। ওরা ওই খানে ফাইট হয়ে এই পর্যন্ত তিনজন মারা গেছে। বুঝছেন? ওই খানে গোলাগুলি চলতেছে।"

আরও পড়ুন: জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে আরও এগিয়ে গাডি আইজেনকট

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "তিনজন কারা? কারা মারা গেল?"

নাছির: "পথচারী আছে, ওদের একজন আছে, আমাদেরও একজন আছে। আর প্রচুর ইঞ্জুরি হইছে। প্রচুর ইঞ্জুরড হইছে। বুঝছেন না? প্রচুর… দুই পক্ষেরই হইছে ওইখানে। ওইখানে আমরা একপাশে আছি। মুরাদপুরে একপাশে, মোড়ের ওপাশে ওরা, এইপাশে..."

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "নাছির ভাই?"

নাছির: "জি জি জি।"

আরও পড়ুন: ২৬-২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ার প্রত্যাশা

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "আমাদের যেটা মারা গেছে, সেটার জানাজা-টানাজা করেন। ওইটাকে ইস্যু করেন।"

নাছির: "ওয়েটাকে একটু ইস্যু করার চেষ্টা করতেছি। ওইটা এখন মেডিকেলে পাঠাইছে। ওইটা কনফার্ম করে… কনফার্ম করে তারপর ইয়া করবে।"

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "ওয়েটাকে ইস্যু করেন, ওইটাকে ইস্যু করেন, হ্যাঁ? বি অ্যালার্ট, ওদের কিন্তু খুব খারাপ মতলব। বি অ্যালার্ট।"

নাছির: "হ্যাঁ, আর আর আর একটা বলি— আর সব পুরো একদম ১০০ পার্সেন্ট। ভার্সিটি থেকে আমি মানা করে দিছি যে, তোমরা ওখানেই থাকো। ভার্সিটি সবদিকে ঠিক আছে। ঠিক আছে, ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে, একদম ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে, ১০০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে। আর চট্টগ্রাম শহরের সব জায়গায়, একটা জায়গায় ছোট্ট একটা জায়গায়..."

জাহাঙ্গীর কবির নানক: "আচ্ছা থ্যাংক ইউ... থ্যাংক ইউ... থ্যাংক ইউ..."

নাছির: "থ্যাংক ইউ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনার উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান সেলিমা রহমানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


বরগুনার উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান সেলিমা রহমানের

বরগুনা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, আমি গত ১৫ বছর আগে দলীয় কাজে বরগুনায় এসেছিলাম। তখন যা দেখেছিলাম, এখনও সেটাই আছে। বরগুনার উন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও খাল খননসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট রয়েছে এবং শিশু বিশেষজ্ঞ নার্সসহ পদায়নের চেষ্টা করা হবে।

এখন, আজ রোববার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সূবর্ণজয়ন্তী মিলনায়তনে জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সভাটি জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, সিভিল সার্জন আবুল ফাত্তাহ, বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহিন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি নেতা এ. জেড এম সালেহ ফারুক।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট সজল চন্দ্র শীলসহ সকল দপ্তরের প্রধান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।

পরে বিকেল ৪টায় সেলিমা রহমান এমপি বরগুনা সার্কিট হাউস হলরুমে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই দিনের সরকারি সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন শামা ওবায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


দুই দিনের সরকারি সফরে সিঙ্গাপুর গেলেন শামা ওবায়েদ

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আজ সিঙ্গাপুর গেছেন দুই দিনের সরকারি সফরে।

তিনি চাঙ্গি বিমানবন্দরে পৌঁছালে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লোহ, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এবং সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তাঁকে স্বাগত জানান।

আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে যাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডন গ্রেপ্তারের পর সালমান শাহর মা যা বললেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


ডন গ্রেপ্তারের পর সালমান শাহর মা যা বললেন

চিত্রনায়ক সালমান শাহের হত্যা মামলায় পুলিশের পক্ষ থেকে খল অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরের সময় রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, যা সিআইডি হিসেবে পরিচিত, সেখানে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডনের গ্রেপ্তারের খবর গণমাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি ছেলে হত্যার সঙ্গে ডনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন এবং তাঁর গ্রেপ্তারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

নীলা চৌধুরী মন্তব্য করেন, ‘সালমান আমার সন্তান। সে আমার বুকের মধ্যে আছে এবং থাকবে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। সালমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এই ডন ছিল। শুধু তা-ই নয়, সালমানের মৃত্যুর পর সে আমাকে নানা ভাবে অপমান করেছে এবং আমার ছেলের নামে অনেক মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আজ সে গ্রেপ্তার হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব প্রমাণ একদিন সামনে আসবে।’

সালমান শাহর মা তার বক্তব্যে বলেন, ‘আল্লাহর কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং বর্তমান সরকারের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। সালমান হত্যার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করা হোক। আমি আশা করি, একদিন আমি আমার সন্তান হত্যার সুবিচার পাব।’

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, জনপ্রিয় চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন, যিনি সালমান শাহ নামে পরিচিত, রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় মারা যান। তার মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা, প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরে, ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই, সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন। আদালত তার জন্য সিআইডিকে অপমৃত্যু ও হত্যার অভিযোগ একসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন।

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। সেখানে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালত সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে। তবে সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন সালমানের বাবা।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলাটি হত্যার মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর পরদিন, ২১ অক্টোবর, রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম হত্যা মামলা করেন। এতে সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি বলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুঁচি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, নীলা চৌধুরী, তার স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।

কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে সালমানের কিছু হয়েছে বলে জানান। দ্রুত বাসায় ফিরে তারা সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। অভিযোগে বলা হয়েছে, তখন কয়েকজন নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন এবং পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন।

সালমানের মা হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখা যায় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ছেলের মৃত্যুর আগেই ঘটানাটিকে হত্যা বলে সন্দেহ করেছিলেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। এ কারণে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই তিনি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। তার মৃত্যুর পর সালমানের মামা মোহাম্মদ আলমগীর বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

এদিকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ২০ মে সালমান শাহের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্তের আবেদন করা হয়। পরে ২৪ মে আদালত মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের অনুমতি দেন। তবে বাদীপক্ষ ওই আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করলে তা নথিভুক্ত করেন আদালত।

পরবর্তী সময়ে ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপিও আদালতে দাখিল করে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

প্রায় তিন দশক পর সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যামামলা হিসাবে তদন্ত চলছে। সেক্ষেত্রে মামলার অন্যতম আসামি ডনের গ্রেপ্তারকে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট দিন ধার্য হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এআই ব্যবহারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এআই ব্যবহারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রশিক্ষণ

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার সংক্রান্ত পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

৯ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণের আওতায় বাণিজ্য পরিচালনা, নীতি প্রণয়ন, সরকারি নথি প্রস্তুত ও বিশ্লেষণ, আমদানি-রপ্তানি তথ্য বিশ্লেষণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি বিশ্লেষণে এআইয়ের ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

ইউকে ইন্টারন্যাশনাল, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একযোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। প্রথম ব্যাচে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৩০ জন কর্মকর্তা এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকারি কাজে এআইয়ের ব্যবহার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দ্রুত, দক্ষ এবং তথ্যনির্ভর করাতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, আমদানি-রপ্তানি তথ্য বিশ্লেষণ, বাজার পরিস্থিতি এবং পণ্যের চাহিদা-দর পর্যবেক্ষণসহ বাণিজ্যনীতির সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এর মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যবসায়ীসহ সাধারণ জনগণকে আরও কার্যকর সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। তবে, তিনি জানান যে, এআই ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্যের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, স্বচ্ছতা এবং মানবিক তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি আধুনিক ও স্মার্ট বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতি মনোনিবেশ করেন।

প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পর্বে জেনারেটিভ এআইয়ের মৌলিক ধারণা ও বাণিজ্যে এর ব্যবহার, সরকারি নথি সংক্ষেপণ ও বিশ্লেষণ, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, চিঠি-মেমো, বক্তৃতা ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত, আমদানি-রপ্তানি ও বাজারদর বিশ্লেষণ, সাপ্লাই চেইন, ডব্লিউটিও চুক্তি এবং এফটিএ ও পিটিএ বিশ্লেষণে এআইয়ের প্রয়োগ শেখানো হবে। এছাড়াও, বৈশ্বিক বাণিজ্যনীতি, নীতি প্রণয়ন এবং ই-গভর্নেন্সে এআইয়ের কৌশলগত ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হবে। শেষ দিনে ক্যাপস্টোন প্রকল্প ও সরাসরি উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সমাপ্ত হবে।

অনুষ্ঠানে ইউএনডিপির সিনিয়র ইকোনমিক অ্যাডভাইজর ওয়াইস প্যারী এবং ট্রান্সফরমেটিভ ইকোনমিক পলিসি প্রোগ্রাম (টিইপিপি-২)-এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মারুফ আজম বক্তব্য প্রদান করেন।

স্বাগত বক্তব্যে ওয়াইস প্যারী বলেন, বিপুল পরিমাণ ডেটা, নথি ও তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করে এআই নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজকে আরও সহজ ও দক্ষ করতে পারে। তিনি জানান, এতে কাজের চাপ কমার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ও শিল্পনীতি প্রণয়নে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ হবে। তবে এআইয়ের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর না করে মানবিক বিচার-বিশ্লেষণ এবং তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বাণিজ্যভিত্তিক এআই মডেল নিয়ে ভবিষ্যতে আরও প্রশিক্ষণের আয়োজনের গুরুত্বারোপ করেন।

ইউএনডিপির অর্থায়নে পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এআইভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি প্রণয়নে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%