ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বারইয়ারহাট-শান্তিরহাট সড়ক সংস্কার করলেন শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম খান, সিআইপি


বারইয়ারহাট-শান্তিরহাট সড়ক সংস্কার করলেন শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম খান, সিআইপি

চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার বারইয়ারহাট–শান্তিরহাট সড়কটির দীর্ঘদিনের বেহাল ও চলাচলের জন্য অনুপযোগী অংশটি নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করেছেন শিল্পপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি), বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এবং মীরসরাইয়ের কৃতি সন্তান ফখরুল ইসলাম খান, সিআইপি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সময়ে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানি জমে সড়কটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে, ফখরুল ইসলাম খান নিজ উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোর সংস্কারের ব্যবস্থা করলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান যে, বহুদিন ধরে সড়কটির সংস্কারের দাবি থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অবশেষে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়কটি সংস্কার করায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই লাঘব হয়েছে। বর্তমানে সড়কটি দিয়ে যানবাহন ও পথচারীরা আগের তুলনায় নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছেন।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে বাসায় ফেরার সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক নিহত

খান কল্যাণ ট্রাস্টের ম্যানেজার দীন মোহাম্মদ বলেন, বারইয়ারহাট থেকে শান্তিরহাট বাজার পর্যন্ত প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়কটি ব্যবহার করেন। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছিল। আমাদের চেয়ারম্যান শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম খান, সিআইপি নিজ উদ্যোগে সড়কটি সংস্কার করে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন। এজন্য আমরা তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তিনি আরও বলেন, ফখরুল ইসলাম খান সবসময় জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকেন। সম্প্রতি বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

স্থানীয় সিএনজি চালক মো. মিয়া খান বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বড় বড় গর্ত এবং কাদার কারণে আমাদের প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। এখন রাস্তা সংস্কার হওয়ায় যাত্রী পরিবহন অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে। সিএনজি চালক সমিতির পক্ষ থেকে শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম খান, সিআইপিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্রুত বারইয়ারহাট–শান্তিরহাট সড়কের স্থায়ী উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেবে, যাতে ভবিষ্যতে এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নিরাপদ, টেকসই ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসডিজি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের আরও জোরালো সহযোগিতা চাইলেন উপদেষ্টা ড. তিতুমীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


এসডিজি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের আরও জোরালো সহযোগিতা চাইলেন উপদেষ্টা ড. তিতুমীর

বাংলাদেশের টেকসই ও নির্বিঘ্ন উত্তরণ, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার জন্য, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এবং সরকারের সংস্কার কর্মসূচি এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

এটি বুধবার (১৫ জুলাই) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পৃথক বৈঠকগুলোতে, জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল লি জুনহুয়া, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন-এসক্যাপ) নির্বাহী সচিব ও আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা এবং ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ব্যুরোর আঞ্চলিক পরিচালক ও সহকারী মহাসচিব কান্নি উইগ্নারাজার সঙ্গে তিনি এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

ড. তিতুমীর বলেন, লি জুনহুয়ার সঙ্গে বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ করেন। তিনি আরও জানান, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং টেকসই ও অপরিবর্তনীয় উত্তরণ নিশ্চিত করতেই এ সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেন।

জবাবে, লি জুনহুয়া বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় ইউএন ডেসার অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়ার সফলতা ও স্থায়িত্বে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য তৎপরতার প্রতিশ্রুতি দেন।

ইউএন-এসক্যাপের নির্বাহী সচিব আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে প্রাপ্ত গণরায় সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জবাবদিহিতামূলক সুশাসন এবং জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

তিনি সরকারের ‘থ্রি-আর’ (রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন ফর এক্সেলারেশন) কৌশল তুলে ধরেন এবং বলেন, এ কৌশল অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে।

আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ, আঞ্চলিক সংযোগ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে ইউএন-এসক্যাপের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি সরকারের সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে, ইউএনডিপির আঞ্চলিক পরিচালক কান্নি উইগ্নারাজার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর গণতান্ত্রিক সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে ইউএনডিপির অব্যাহত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জবাবে, কান্নি উইগ্নারাজা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন, এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং এসডিজি অর্জনে ইউএনডিপির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে হামলা ও ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


ভারতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে হামলা ও ভাঙচুর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সুভাস গ্রামের একটি নির্মাণাধীন চার্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দাবি, একদল ব্যক্তি ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে দিতে চার্চে প্রবেশ করে এবং ক্রস, দরজা ও পিলার ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা খ্রিস্টান পরিবারগুলোকে বিভিন্ন ধরনের হুমকিও প্রদান করে।

বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে, গত ৫ জুলাই দুপুরে বুড়িবরতলা এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হামলাকারীরা তিনটি ক্রস ভেঙে ফেলে এবং নির্মাণাধীন স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শিউলি ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা খ্রিস্টান পরিবারগুলোর নাম ও ফোন নম্বরের তালিকা দাবি করে। এর পাশাপাশি তারা পানি, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেয়। তাদের দাবি ছিল, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় চার্চ নির্মাণ করা যাতে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে ধর্মান্তরের অভিযোগও তোলা হয়।

আরেক বাসিন্দা বর্ণালি ভূঁইয়া বলেন, হামলাকারীরা দাবি করে যে শাখা-সিঁদুর পরার অধিকার কেবল হিন্দু নারীদের। তিনি বলেন, “আমরা যদি অর্থের বিনিময়ে ধর্মান্তরিত হতাম, তাহলে আজও ঝুপড়ি ঘরে থাকতে হতো না।” তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা চার্চের ক্রস ভেঙে ফেললেও তাদের অনুরোধ কোন গুরুত্ব দেয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা নিজেদের ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’ এর কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। তবে সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস বারিক বলেছেন, তারা নিশ্চিত নন যে, তাদের কোনো সদস্য ওই ঘটনার সাথে জড়িত ছিল। তবে তিনি জোরপূর্বক বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরের বিরোধিতা করেন।

অন্যদিকে, খ্রিস্টান সংগঠনগুলো এই ধর্মান্তরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তারা দাবি করেছেন, এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানিয়েছে, সম্পত্তি নষ্ট, অনধিকার প্রবেশ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনজনকে আটক করা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

এদিকে খ্রিস্টান কল্যাণ সংস্থা বঙ্গীয় খ্রিস্টীয় পরিষেবা দাবি করেছে যে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হেরোদ মল্লিক জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহে পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমানসহ বিভিন্ন এলাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর অন্তত চারটি বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বেড়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের মামলায় এস কে সুরের রায় ২৮ জুলাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


দুদকের মামলায় এস কে সুরের রায় ২৮ জুলাই

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় অভিযোগ রয়েছে যে, সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে রায় প্রকাশের জন্য আগামী ২৮ জুলাই আদালত দিন ধার্য করেছে।

এই বিষয়ে বুধবার (১৫ জুলাই) রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক আয়েশা নাসরিন দিনটি নির্ধারণ করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. দেওয়ান আশিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যাচ্ছে, আয়বহির্ভূত সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগের মধ্যে এস কে সুর চৌধুরী এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস এবং অর্থনৈতিক সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদালতের আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দাখিল করার জন্য তাকে নোটিশ দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময় অতিক্রম হলেও এস কে সুর এই সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।

এর আগের ঘটনাগুলির মধ্যে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। তারপর ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট, দুদকের উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

ডিজিটাল রেকর্ড অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর আদালত এস কে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এবং বিচার শুরু করার আদেশ দেয়। মামলাটির বিচার শুরুর সময় সাতজন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনেরই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদক বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এই ডেপুটি গভর্নরকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ পি.এম


প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন (মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬) একটি অত্যন্ত কঠোর এবং কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, অপরাধী চক্রের প্রতিনিয়ত যে পরিবর্তনশীল কৌশল রয়েছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। বুধবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মোকাবেলায় আধুনিক আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরো জোরদার করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় এবং অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, সদ্য প্রণীত ‘মানব পাচার ও অভিবাসীব চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ এসব গুরুতর আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নতুন আইনটির সফল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য। মন্ত্রী আরো বলেন, নতুন আইনটি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করছে; অভিবাসী চোরাচালানকে অপরাধ হিসেবে দমন ও বিচারের জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে; তদন্ত ও বিচার পরিচালনার ক্ষমতা জোরদার করেছে; ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা আরো শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারিত করেছে। আইনটিতে ভুক্তভোগীদের শাস্তি না দেওয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতি সমুন্নত রাখা হয়েছে, যেন ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে তাদের মর্যাদা, অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। জাতীয় পর্যায়ের এই অবহিতকরণ অনুষ্ঠানটি আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নতুন আইন সম্পর্কে একটি অভিন্ন ও সুস্পষ্ট ধারণা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করে। এতে অংশগ্রহণকারীরা আইনটির মূল বিধান ও বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেন। কর্তৃপক্ষ তদন্ত থেকে বিচার নিষ্পত্তি পর্যন্ত ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সমন্বয় জোরদার করাসহ আইনটির কার্যকর প্রয়োগের অগ্রাধিকারগুলো নিয়েও আলোচনা করেন। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান আন্তঃদেশীয় সংঘবদ্ধ অপরাধের অন্যতম গুরুতর রূপ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এসব অপরাধ ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে শোষণ করে, আইনের শাসনকে দুর্বল করে এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি তৈরি করে। অংশগ্রহণকারীরা এসব অপরাধ প্রতিরোধ, ভুক্তভোগী ও বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের সুরক্ষা, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ভেঙে দেওয়া এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে ধারাবাহিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নতুন আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, যৌক্তিকতা এবং প্রধান বিধানসমূহ উপস্থাপন করেন। এরপর আইন বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আয়োজন মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশের চলমান প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃঢ় নেতৃত্ব ও সমন্বয়মূলক ভূমিকার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), বিচার বিভাগ, প্রসিকিউশন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তর, কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অবিলম্বে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%