০৬:৫৩ পি.এম
ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে অন্যতম সফল ফুটবল দল নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের তার গল্পে রয়েছে তীব্র ট্র্যাজিকতা ও আক্ষেপ।
অন্তর্জাতিক ফুটবলে তারা একটি শক্তিশালী দল হওয়া সত্ত্বেও, কোনো শিরোপা জিততে পারেনি এবং এই শিরোপা না জিতেই তারা সর্বোচ্চ তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার একটি অনন্য রেকর্ড তৈরি করেছে। এই কারণে, ডাচদের ফুটবল ইতিহাসের ‘সেরা ট্র্যাজিক হিরো’ হিসেবে পরিচিত করা হয় দলটিকে।
১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে কিংবদন্তি ফুটবলার ইয়োহান ক্রুইফের নেতৃত্বে ডাচরা বিশ্বকে ‘টোটাল ফুটবল’ নামক এক বৈপ্লবিক খেলার কৌশল উপহার দেয়।
আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৬৬২ জন
ফাইনালে পৌঁছানোর পর, তারা স্বাগতিক পশ্চিম জার্মানির কাছে ২-১ গোলে হারিয়ে স্বপ্ন ভঙ্গ করে। এরপর, ডেনিস বার্গক্যাম্প, প্যাট্রিক ক্লুইভার্টরা নিজেদের সেরাটা দিয়েও শিরোপা খরা কাটাতে চেষ্টা করেও সফল হয় নি।
অন্যদিকে, ওয়েসলি স্নাইডার, আরিয়েন রবেন ও রবিন ফ্যান পার্সিদের সোনালি প্রজন্মও শিরোপা খরা কাটাতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে, আসন্ন বিশ্বকাপে তাদের উত্তরসূরি তারকা খেলোয়াড় মেমফিস ডিপাই এবং আর্সেনাল ডিফেন্ডার জুরিয়েন টিম্বাররা কি দেশে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা এনে দিতে পারবে?
নেদারল্যান্ডসের কোচ হলেন রোনাল্ড কোম্যান, আর অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক।
বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা সাফল্য হচ্ছে রানার্স-আপ বা রানার্স ট্রফি লাভ (১৯৭৪, ১৯৭৮ এবং ২০১০)। অন্যান্য বড় সাফল্য হিসেবে আছে তৃতীয় স্থান (২০১৪) এবং চতুর্থ স্থান (১৯৯৮)। সর্বশেষ বিশ্বকাপের পরিণতি ছিল ২০২২ কোয়ার্টার ফাইনাল (কাতার বিশ্বকাপ)। তাদের প্রথম বিশ্বকাপ ছিল ১৯৩৪ সালে (ইতালি বিশ্বকাপ)। তারা এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেছে ১২ বার (২০২৬ বিশ্বকাপসহ) এবং বর্তমানে ফিফা র্যাংকিংএ তাদের স্থান ৭ম।
আরও পড়ুন: ‘বিরোধীদলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে কী করবেন’
গ্রুপ-এফ-এ নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়া।
খেলার সময়সূচি:
১৫ জুন: নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান, ডালাস স্টেডিয়াম, টেক্সাস, রাত ২টা।
২০ জুন: নেদারল্যান্ডস বনাম সুইডেন, হিউস্টন স্টেডিয়াম, টেক্সাস, রাত ১১টা।
আরও পড়ুন: মরিনিওর লক্ষ্য শিরোপা, এল ক্লাসিকোর জয় নয়
২৬ জুন: তিউনিসিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস, কানসাস সিটি স্টেডিয়াম, মিসৌরি, ভোর ৫টা।
বিশ্বকাপের জন্য নেদারল্যান্ডস ঘোষণা করেছে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল।
গোলরক্ষক: বার্ট ফেরব্রুগেন (ব্রাইটন), মার্ক ফ্লেকেন (বায়ার লেভারকুসেন), রবিন রুফস (সান্ডারল্যান্ড)।
ডিফেন্ডার: ভার্জিল ফন ডাইক (অধিনায়ক-লিভারপুল), নাথান আকে (ম্যানচেস্টার সিটি), ডেনজেল ডামফ্রিস (ইন্টার মিলান), ইউরিয়েন টিম্বার (আর্সেনাল), মিকি ফন ডি ভেন (টটেনহ্যাম), ইয়ান পল ফন হেকে (ব্রাইটন), জোরেল হাটো (চেলসি)।
আরও পড়ুন: জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের প্রধান দায়িত্ব: নাহিদ ইসলাম
মিডফিল্ডার: ফ্রেংকি ডি ইয়ং (বার্সেলোনা), রায়ান গ্রাভেনবার্ক (লিভারপুল), তিউন কুপমেইনার্স (ইউভেক্সটারনাল), তিজানি রেইন্ডার্স (ম্যানচেস্টার সিটি), মার্টেন ডি রুন (আটালান্টা), গুস তিল (পিএসভি আইন্দহোভেন), কুইন্টেন টিম্বার (মার্সেই), ম্যাটস উইফার (ব্রাইটন)।
ফরোয়ার্ড: মেমফিস ডিপাই (করিন্থিয়ান্স), কোডি হাকপো (লিভারপুল), ডনিয়েল মালেন (রোমা), ভাউট ভেগহোর্স্ট (আয়াক্স), ব্রায়ান ব্রবি (সান্ডারল্যান্ড), ক্রিসেনসিও সামারভিল (ওয়েস্ট হ্যাম), জাস্টিন ক্লাইভার্ট (বোর্নমাউথ), নোয়া লাং (গালাতাসারাই)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন