জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১০:৩৪ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের মৃধাপাড়া গ্রামের কৃতি ফুটবলার সিফাত সম্প্রতি জাতীয় দলের ক্যাম্পের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে গর্বের অনুভূতি তৈরি করেছেন। একজন গোলরক্ষক হিসেবে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে তিনি দেশের ফুটবল অঙ্গনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
জানা যায়, সিফাত প্রায় এক বছর আগে রাজবাড়ী জেলা দলের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। সে সময় তিনি নোয়াখালীতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় জেলার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন এবং নিজের দক্ষতা প্রদর্শন করেন।
এরপর প্রায় ৪৫ দিন আগে দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আরামবাগ ওয়ারী ক্লাবের হয়ে দ্বিতীয় বিভাগ লিগ খেলার সুযোগ পান, যা তার ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এদিকে, চার মাস আগে রাজবাড়ী জেলা অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে খেলতে নেমে দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে সিফাত ভূঁমিকায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সম্প্রতি তিনি একই দল নিয়ে ঢাকার কমলাপুর ও মুগদা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ওই প্রতিযোগিতায় দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে রাজবাড়ী জেলা দল ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে।
প্রতিযোগিতায় তার অসাধারণ গোলরক্ষক নৈপুণ্যে মুগ্ধ হয়ে নির্বাচকরা তাকে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাম্পে অংশগ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে বাছাই করেন। তার এই অর্জনে পরিবার, স্বজন এবং এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের দোলনা বইছে।
সিফাতের পারিবারিক পরিচয় অনুযায়ী, তিনি বহরপুর ইউনিয়নের মৃধাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা খায়রুজ্জামান হিরু এবং মাতা মোছা. ছালেহা বেগম।
এলাকাবাসী মনে করছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার কারণে সিফাত আজ এই পর্যায়ে পৌঁছেছেন। তারা আশাশক্তিতে আছেন, ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে রাজবাড়ী ও বালিয়াকান্দির মুখ আরও উজ্জ্বল করবেন তিনি।
বালিয়াকান্দি উপজেলার গর্ব সিফাতের এই সাফল্য স্থানীয় তরুণ ফুটবলারদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে পুলিশ প্রিন্স রায় দীপ্ত (২৫) নামে এক যুবককে হেফাজতে নিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে বাদাঘাট বাজারের মুক্তার মিয়ার তেলের দোকান থেকে পুলিশ কৌশলে তাকে হেফাজতে নেয়। এ সময় বাজার এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়ে অভিযুক্তের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত প্রিন্স রায় দীপ্ত বাদাঘাট ইউনিয়নের গড়কাটি গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া যায়, মঙ্গলবার সকালে তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য সংবলিত একটি পোস্ট করেছিল। এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে তার গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাদাঘাট বাজারে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সন্ধ্যার দিকে একদল উত্তেজিত ব্যক্তি গড়কাটি গ্রামে প্রিন্স রায় দীপ্তের বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় একটি মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে এমন অভিযোগও উঠে এসেছে।
বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম সিকদার জানান, পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে ওঠায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, একটি চক্র এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গতরাতে গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে হাঁটুর ইনজুরিতে পড়েন সেন্টারব্যাক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো।
আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি জানিয়েছেন যে, চিকিৎসকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া রোমেরোর ইনজুরির বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।
ম্যাচের ৫৭ মিনিটে হাঁটুতে ব্যথা অনুভব করায় রোমেরো মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তার জায়গায় মাঠে নামেন নিকোলাস ওটামেন্ডি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রোমেরোর ইনজুরির বিষয়ে স্কালোনি বলেন, ‘ইনজুরির মাত্রা সর্ম্পকে আমরা এখনও পুরোপুরি জানি না। এমন সমস্যা তার আগের থেকেই ছিল। আশা করি বড় কিছু হবে না। আগামীকাল বা পরশু তার হাঁটুর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।’
তিনি এই ঘটনাটি নিয়ে আরও বলেন, ‘শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় বলে নয়, সে না থাকলেও তার পরিবর্তে যে খেলবে সে ভালো করবে। কিন্তু সবাইকে পাওয়া গেলে সবসময়ই ভালো হয়।’
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে লিওনেল মেসির জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এর আগে, গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারায় তারা। ২ ম্যাচ থেকে তারা পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে।
আগামী ২৮ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মেসির দল জর্ডানের মুখোমুখি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, শান্তি ও স্থায়িত্বই উন্নয়নের প্রথম শর্ত। আজ যখন দেশ তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কিছু কুচক্রি মহল এবং সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে।
আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই- জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা রাজপথে থেকে কঠোর হস্তে দমন করবে বিএনপি। বাংলাদেশকে আর কোনোদিন গণহত্যাকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে না।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা সদরে সারাদেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সন্ত্রাস বিরোধী মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপি’র সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, কেএম আশরাফুল আলম নান্নু, মল্লিক আব্দুস সালাম, হাফিজুর রহমান, সরোয়ার হোসেন, মোল্যা কবির হোসেন, ঈসমাইল হোসেন, আব্দুল হালিম এবং মশিউর রহমান লিটন প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে বিশাল মিছিল সহকারে ডুমুরিয়া সদরের কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
এদিকে, সকাল থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খুলনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও নাশকতার অপচেষ্টার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
‘সন্ত্রাসীদের আস্তানা, এই বাংলায় হবে না’ স্লোগানে তারা অবস্থান নেন। খুলনার জিরোপয়েটে অবস্থান নিয়ে জেলা বিএনপি ও যুবদল সমাবেশ করে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ও ভূমি দখল প্রকল্পের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। খবর আল জাজিরার।
গোষ্ঠীটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মাহমুদ মারদাভি বলেছেন, পশ্চিম তীরের বাসিন্দাদের, বিশেষ করে জেনিন গভর্নরেটের মানুষকে এমন সব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে, যেগুলো বড় পরিসরে ভূমি দখল এবং কৌশলগত এলাকা নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি তৈরি করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিম তীরের জেনিনের দক্ষিণে অবস্থিত সিলাত আদ-ধাহর এলাকায় ঘরবাড়ি, কৃষিজমি এবং অর্থনৈতিকস্থাপনার ওপর দমনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে জমি বাজেয়াপ্তকরণ, ভবন ধ্বংসের নির্দেশ এবং বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া।
আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) হামাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত বক্তব্যে মারদাভি বলেন, এসব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর প্রতিরোধ’ গড়ে তোলা জরুরি, যাতে ফিলিস্তিনি উপস্থিতির ওপর চলমান চাপকে প্রতিহত করা যায়। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই প্রকল্প ও পরিকল্পনার বিরুদ্ধে নীরব থাকা ভবিষ্যতে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
একই সঙ্গে তিনি পশ্চিম তীরের জনগণের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন, উল্লেখ করে বলেন তারা দীর্ঘদিন ধরে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে আসছে এবং নিজেদের ভূমি ও ঘরবাড়ি রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছে।
এদিকে ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করতে গেলে অধিকৃত পশ্চিম তীরের পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করা যাবে না। তার ভাষায়, সেখানে এমন কোনো প্রচেষ্টাই বাদ রাখা হচ্ছে না যাতে ভবিষ্যতে কোনো স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে।
ল্যাভরভ আরও বলেন, ‘আমাদের পশ্চিম তীরের ঘটনাগুলো ভুলে গেলে চলবে না, যেখানে নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে যেন সেখানে কখনো কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হয়।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্নের ন্যায্য সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী和平 ও স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। সম্প্রতি তিনি সতর্ক করে বলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পথ রুদ্ধ থাকলে অঞ্চলটি বহু বছর ধরে অস্থিতিশীলতা ও চরমপন্থার ঝুঁকিতে থাকবে।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত প্রায় তিন বছর ধরে সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরাইল। এতে ভূমধ্যসাগরের তীরের এক চিলতে ভূখণ্ড কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এদিকে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চলতি মাসে ইসরাইল হেবরনের কেন্দ্রে একটি ইহুদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে।
ইসরাইলের কট্টর ইহুদি ধর্মীয় নেতা ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এটাকে ‘মাঠের বাস্তবতা সৃষ্টি’ এবং ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ জোরদারের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সমালোচকদের মতে, এসব পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সম্ভাবনাকে আরও দুর্বল করছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, আরব দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে যে পশ্চিম তীরে প্রশাসনিক ও ভূমি-সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা কার্যত সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, এসব পদক্ষেপ দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজা যুদ্ধের পাশাপাশি পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ, ভূমি নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক পরিবর্তন এখন মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক চাপ ও বিতর্ক তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ