ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করবে বিএনপি : মন্টু


যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করবে বিএনপি : মন্টু

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, শান্তি ও স্থায়িত্বই উন্নয়নের প্রথম শর্ত। আজ যখন দেশ তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কিছু কুচক্রি মহল এবং সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে।

আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই- জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা রাজপথে থেকে কঠোর হস্তে দমন করবে বিএনপি। বাংলাদেশকে আর কোনোদিন গণহত্যাকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে না।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা সদরে সারাদেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সন্ত্রাস বিরোধী মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপি’র সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, কেএম আশরাফুল আলম নান্নু, মল্লিক আব্দুস সালাম, হাফিজুর রহমান, সরোয়ার হোসেন, মোল্যা কবির হোসেন, ঈসমাইল হোসেন, আব্দুল হালিম এবং মশিউর রহমান লিটন প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে বিশাল মিছিল সহকারে ডুমুরিয়া সদরের কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।

এদিকে, সকাল থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খুলনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও নাশকতার অপচেষ্টার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।

‘সন্ত্রাসীদের আস্তানা, এই বাংলায় হবে না’ স্লোগানে তারা অবস্থান নেন। খুলনার জিরোপয়েটে অবস্থান নিয়ে জেলা বিএনপি ও যুবদল সমাবেশ করে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ প্রকল্প রুখে দেয়ার আহ্বান হামাসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ প্রকল্প রুখে দেয়ার আহ্বান হামাসের

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ও ভূমি দখল প্রকল্পের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। খবর আল জাজিরার।

গোষ্ঠীটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মাহমুদ মারদাভি বলেছেন, পশ্চিম তীরের বাসিন্দাদের, বিশেষ করে জেনিন গভর্নরেটের মানুষকে এমন সব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে, যেগুলো বড় পরিসরে ভূমি দখল এবং কৌশলগত এলাকা নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি তৈরি করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিম তীরের জেনিনের দক্ষিণে অবস্থিত সিলাত আদ-ধাহর এলাকায় ঘরবাড়ি, কৃষিজমি এবং অর্থনৈতিকস্থাপনার ওপর দমনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে জমি বাজেয়াপ্তকরণ, ভবন ধ্বংসের নির্দেশ এবং বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) হামাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত বক্তব্যে মারদাভি বলেন, এসব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর প্রতিরোধ’ গড়ে তোলা জরুরি, যাতে ফিলিস্তিনি উপস্থিতির ওপর চলমান চাপকে প্রতিহত করা যায়। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই প্রকল্প ও পরিকল্পনার বিরুদ্ধে নীরব থাকা ভবিষ্যতে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

একই সঙ্গে তিনি পশ্চিম তীরের জনগণের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন, উল্লেখ করে বলেন তারা দীর্ঘদিন ধরে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে আসছে এবং নিজেদের ভূমি ও ঘরবাড়ি রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছে।

এদিকে ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করতে গেলে অধিকৃত পশ্চিম তীরের পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করা যাবে না। তার ভাষায়, সেখানে এমন কোনো প্রচেষ্টাই বাদ রাখা হচ্ছে না যাতে ভবিষ্যতে কোনো স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে।

ল্যাভরভ আরও বলেন, ‘আমাদের পশ্চিম তীরের ঘটনাগুলো ভুলে গেলে চলবে না, যেখানে নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে যেন সেখানে কখনো কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হয়।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্নের ন্যায্য সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী和平 ও স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। সম্প্রতি তিনি সতর্ক করে বলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পথ রুদ্ধ থাকলে অঞ্চলটি বহু বছর ধরে অস্থিতিশীলতা ও চরমপন্থার ঝুঁকিতে থাকবে।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত প্রায় তিন বছর ধরে সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরাইল। এতে ভূমধ্যসাগরের তীরের এক চিলতে ভূখণ্ড কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এদিকে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চলতি মাসে ইসরাইল হেবরনের কেন্দ্রে একটি ইহুদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে।

ইসরাইলের কট্টর ইহুদি ধর্মীয় নেতা ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এটাকে ‘মাঠের বাস্তবতা সৃষ্টি’ এবং ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ জোরদারের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সমালোচকদের মতে, এসব পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সম্ভাবনাকে আরও দুর্বল করছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, আরব দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে যে পশ্চিম তীরে প্রশাসনিক ও ভূমি-সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা কার্যত সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, এসব পদক্ষেপ দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজা যুদ্ধের পাশাপাশি পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ, ভূমি নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক পরিবর্তন এখন মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক চাপ ও বিতর্ক তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকি হ্রাসে কাজ করছে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


সরকার ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকি হ্রাসে কাজ করছে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুকিপূর্ণ অঞ্চলের নিকটবর্তী হওয়ায়, এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক ও ঝুঁকি হ্রাসমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

আজ জাতীয় সংসদে, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যার টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে, তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও জরুরি সাড়া প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২, দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি), ২০১৯, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এবং জাতীয় ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও মোকাবিলা পরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি জানান, জাতীয়, জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করে নিয়মিত সভা, প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটি পর্যায়ে নিয়মিত ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া পরিচালনার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে ভূমিকম্প ও সুনামি সংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষণ এবং দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচারের ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি এবং সিপিপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলকে, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম প্রদান করা হয়েছে, যাতে দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যায়।

মন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প-সহনশিকার অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুসরণে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকার ভূমিকম্প ও সুনামিজনিত ঝুঁকি হ্রাস এবং জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, নগর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২৫৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৮৯টিসহ মোট ৪৪৫টি ভূমিকম্পের নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব আশ্রয়স্থল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, ঢাকা মহানগর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদানের লক্ষ্যে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখতে, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি সমন্বিত স্বেচ্ছাসেবক ডাটাবেজ প্রস্তুতের কাজ চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয় নিয়োগে মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব: অ্যাটর্নি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


রাষ্ট্রীয় নিয়োগে মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব: অ্যাটর্নি জেনারেল

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে পরে শুধু দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নকে দুঃখজনক বলে গণ্য করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন দুঃখজনক। পদত্যাগের কারণ হিসেবে ১৮ আইন কর্মকর্তার উল্লেখ করা বক্তব্য তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রকাশ। তাদের পদত্যাগপত্রের বক্তব্য প্রমাণ করে যে তারা তাদের পেশাদারিত্বে অবিচল ছিলেন না।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, আমি মনে করি রাষ্ট্রের এরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠাকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

এর আগে, ৭ জন ডিএজি এবং ১১ জন এএজি আজ তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরা সবাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।

পদত্যাগ করা ৭ ডিএজি হলেন: অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল করিম, অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট গোলাম রহমান ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন এবং অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।

পদত্যাগ করা ১১ জন এএজি হলেন: অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েছ রানা, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির তানিম, অ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, অ্যাডভোকেট জোয়াদুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামসিল আরেফিন, অ্যাডভোকেট মাহাবুবা আক্তার রলি, অ্যাডভোকেট নূর নবী উজ্জ্বল, অ্যাডভোকেট আল রেজা আমির, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম এবং অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যেই বর্তমান বাজেট : চিফ হুইপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যেই বর্তমান বাজেট : চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের বিদ্যমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার একটি মানবিক, জনকল্যাণমুখী ও সাশ্রয়ী বাজেট প্রণয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

আজ রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমএবি) আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটবিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা তুলে ধরেন।

চিফ হুইপ বলেন, বিগত সরকারের সময় এমন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল, যার ফলস্বরূপ কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলে আমানতকারী তার জমার পরিমাণ যাই হোক না কেন, সর্বোচ্চ এক লাখ টাকাই ফেরত পেতেন। তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, কেন এ ধরনের আইন করা হয়েছিল এবং কেন জনগণকে তা মেনে নিতে বাধ্য করা হয়েছিল? তার মতামত হলো, তৎকালীন সরকার ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতকে কার্যত ধ্বংস করে দেওয়ার পর পরিস্থিতির দ্রুত সংস্কারের জন্য গভীর আলোচনা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। পাচার হওয়া অর্থের চাপ সামাল দিতে ডলারের মূল্য ৮২ টাকা থেকে বেড়ে ১৩০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, একদিনেই ডলারের দাম ৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে উচ্চ মূল্যস্ফীতির বোঝা বহন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।

চিফ হুইপ বলেন, বাকশালের মাধ্যমে দেশের মৌলিক অধিকার ও বিচারব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একই সাথে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি, বলেন জিয়াউর রহমান অল্প সময়ে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন এবং কৃষি উৎপাদনে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিলেন।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতিও সম্মান জানান।

বাজেটকে কেবল সংখ্যার হিসাব হিসেবে বিবেচনা না করে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাজেট নিয়ে আমরা অনেক তাত্ত্বিক আলোচনা করি, কিন্তু সাধারণ মানুষের কান্না থামানো এবং তাদের জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণের বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়ন করেছে। এ সময় তিনি সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাঘব এবং লুণ্ঠিত সম্পদ পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান।

এমএবি’র সভাপতি সৈয়দ আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং ড. মো. শামসুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. এ. কে. এম. ওয়ারেছুল করিম। অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, জুবায়ের আহমেদ বাবুসহ বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%