ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ড্র করে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠা হলো না


মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ড্র করে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠা হলো না

বাংলাদেশ গোল্ডেন জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ নিতে পারেনি। মালদ্বীপের সঙ্গে একটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে লাল-সবুজের দল। রোববার (৭ জুন) মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বিজয়ী হলে বাংলাদেশ ফাইনালে পৌঁছানোর নিশ্চিত ছিল। কিন্তু ভুল, বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত এবং লাল কার্ডের কারণে মারুফুল হকের দল শেষ পর্যন্ত জয় পাইনি। এই ফলের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরুতেই ১৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল খেয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে। রক্ষণভাগের ভুলের জন্য প্রতিপক্ষকে ফাউল করায় রেফারি স্পট কিক দেন। তবে প্রথমার্ধে বাংলাদেশের একটি নিশ্চিত পেনাল্টি না পাওয়া নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান দলের সদস্যরা। বিরতির পর ৫৩ মিনিটে মিরাজুল ইসলাম পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান। এর পর ম্যাচে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এবং দুই দল একে অপরকে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালাতে থাকে।

শেষ পর্যায়ে রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে আল আমিন লাল কার্ড দেখেন এবং বাংলাদেশকে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয়। ম্যাচের এক পর্যায়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে খেলা ১-১ সমতার মাধ্যমে শেষ হয়। এই ফলের জন্য বাংলাদেশর ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যায়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

ম্যাচের শেষে বাংলাদেশ দলের কোচ মারুফুল হক রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে কয়েকটি সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফল বদলে দিয়েছে।"

এদিকে, পাকিস্তান আফগানিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে গোল্ডেন জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উন্নীত হয়েছে। আগামী ১০ জুন ফাইনালে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৫ এম


বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন আজ

বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ বিষয়ের প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, আজ শুরু হচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন।

আজ সোমবার (৮ জুন) শুরু হওয়া এই সম্মেলন বর্তমান সরকারের সময়ের প্রথম সীমান্ত সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে নারী ও শিশুসহ বহু মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসছে। তবে, বিজিবির কার্যক্রমের মাধ্যমে বেশ কিছু অঘটন প্রতিরোধ করা হয়েছে।

সীমান্তে ঘটে যাওয়া এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, এবারের সম্মেলনে তাদের প্রধান এজেন্ডা হচ্ছে সীমান্ত হত্যা এবং পুশ-ইন বিষয়ক। এসব সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য উপস্থাপন করে তারা শক্ত প্রতিবাদ জানাবে। একই সঙ্গে বিএসএফের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও উপস্থাপন করবে।

বিজিবি সদর দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে ঘটে যাওয়া একাধিক পুশ-ইন ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সম্মেলনে উপস্থাপন করা হবে। ৩ থেকে ৬ জুন পর্যন্ত চার দিনে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দু'শোর বেশি ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে, যা বিজিবি সফলভাবে প্রতিহত করেছে।

২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত অন্তত দুই হাজারের বেশি লোককে সীমান্তের মাধ্যমে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভারতীয় নাগরিক এবং রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব ঘটনায় কোনো ধরনের কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অথবা নাগরিকত্ব যাচাই ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল।

অন্যদিকে, ভারতীয় পক্ষের দাবি, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিরা বাংলাদেশি নাগরিক। তবে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যাচাই ছাড়াই কাউকে গ্রহণ করা হবে না।

বিজিবি মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছে। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তারাও রয়েছেন। অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতের প্রতিনিধি দলও অংশ নিচ্ছে, যেখানে দেশটির স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও আছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাস্তায় থুতু বা ময়লা ফেললেই সাজার মুখোমুখি হতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


রাস্তায় থুতু বা ময়লা ফেললেই সাজার মুখোমুখি হতে হবে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শহরগুলোকে আরও পরিচ্ছন্ন ও আবর্জনামুক্ত রাখতে রাজ্য সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাস্তাঘাটে যত্রতত্র থুতু, পানের পিক, ময়লা বা প্লাস্টিক ফেললে নাগরিকদের জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে।

রোববার (৭ জুন) উত্তরবঙ্গ সফরকালে শিলিগুড়িতে পুর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই তথ্য সাংবাদিকদের জানান রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ও পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

তিনি বলেন, কোথাও ময়লা ফেলা যাবে না, এবং পানের পিক ফেলাও নিষিদ্ধ থাকবে। রাস্তা নোংরা করলে জরিমানা করা হবে এবং রাস্তার ওপর প্লাস্টিক বা বর্জ্য ফেলার বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

মন্ত্রী নাগরিকদের সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শপিংমলে গেলে আমরা ভদ্র আচরণ করি, কিন্তু রাস্তায় নামলে কেন তা করি না? পাশাপাশি তিনি দৃশ্যদূষণ রোধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন নিয়ম কার্যকরের আগে নাগরিকদের সচেতন করতে তিন মাসব্যাপী প্রচারণা চালানো হবে। এই প্রচার চলার পরে, যদি কেউ নিয়ম অমান্য করেন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিশাল অঙ্কের জরিমানা করা হবে।

শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ইতোমধ্যে ‘স্বচ্ছ’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এই অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কোথাও ময়লা-আবর্জনা দেখলে ছবি তুলে অভিযোগ জানানোর সুযোগ পাবেন। সংশ্লিষ্ট পুরসভা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং অভিযোগকারীকে সমাধানের অগ্রগতিও জানাবে।

বর্তমান আইনে পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে থুতু ফেললে সাধারণত ৫০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। তবে অতীতে আইন থাকলেও এর প্রয়োগে খুব বেশি কঠোরতা দেখা যায়নি।

গত শুক্রবার পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ২৪ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। এতে যত্রতত্র থুতু বা আবর্জনা ফেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া খোলা অবস্থায় বর্জ্য পরিবহন, মন্দিরের ফুল-ফল যত্রতত্র ফেলা এবং রাস্তা ও ফুটপাত দখল করাও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

রাজ্যের ১১৯টি পুরসভা, ৭টি পুরনিগম এবং ২টি নোটিফায়েড এরিয়া অথরিটির এলাকায় এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশে প্রবাসীদের মিলনমেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশে প্রবাসীদের মিলনমেলা

কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশের সাস্কাটুন শহর, যেখানে প্রবাসীরা বসবাস করেন, সেখানে ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্য বৃদ্ধি ঘটানোর জন্য বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনটি নবমবারের মতো সম্পন্ন হলো।

সাস্কাটুন শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে মনোরম পাইক লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে উদযাপিত হয়েছিল এই বিশেষ দিনটি। প্রতি বছরের মতো, এবারও চার শতাধিক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে বনভোজনটি আনন্দমুখর ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

দিনব্যাপী এই বনভোজনে প্রবাসীরা আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছিলেন অন্য রকম এক মিলনমেলায়।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে এদিন অনুষ্ঠানে ছোট শিশু কিশোর এবং পরিবার পরিজনের মিলনমেলার দৃশ্য সত্যিই অপূর্ব ছিল। এই আনন্দের সঙ্গে যোগ হয়েছিল শহরের অন্যতম বাংলাদেশি মালিকানাধীন কনফেডারেশন ইন-এর সুস্বাদু খাবার, যা নিশ্চিতভাবেই সকলের মন জয় করে।

বার্ষিক বনভোজনটিতে শিশু-কিশোরদের জন্য নানা ধরনের খেলার প্রতিযোগিতা ছিল, যা বাড়তি আনন্দ যোগ করেছে। বড়রাও এতে অংশগ্রহণ করেছেন।

সারাদিন ব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল ছোটদের ট্রেজার হান্ট, দৌড়, মোরগ লড়াই; মাঝারি বয়সীদের জন্য ভারসাম্য দৌড় এবং গানের সঙ্গে থিম-নৃত্য; পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী বস্তা দৌড় এবং বেলুন দৌড়; নারীদের জন্য ভারসাম্য দৌড় এবং মিউজিক্যাল চেয়ার; আর দম্পতিদের জন্য ছিল নানা মজার প্রতিযোগিতা, যা ছিল সবার জন্য অত্যন্ত উপভোগ্য।

এছাড়া, সাস্কাটুন শহরের পূর্বপাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে দড়ি টানাটানির খেলা ছিল বিশেষ আকর্ষণীয়।

অনুষ্ঠানের শেষে, আয়োজকরা, স্বেচ্ছাসেবী এবং সকল অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে বনভোজনের সমাপ্তি করেন।

আয়োজকরা জানান, তাঁদের এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আবহমান বাংলার ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং কূষ্টি ধরে রাখা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শি চিন পিং উত্তর কোরিয়ায়, কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


শি চিন পিং উত্তর কোরিয়ায়, কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং আজ সোমবার দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং পৌঁছেছেন। এটি গত সাত বছরে তার প্রথম সফর উত্তর কোরিয়ায়।

সফরে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার ওপর চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবকে আরো শক্তিশালী করা।

চীন দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগী। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রাশিয়াকে সমর্থন করেছে।

এই কারণে দুই দেশের সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, শি চিন পিং উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য, সার, পর্যটন এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রকল্পে সহায়তার প্রস্তাব দিতে পারেন। এর মাধ্যমে চীন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তার ঐতিহ্যগত জোটকে আরো শক্তিশালী করতে চায়।

এদিকে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দেশের নেতা কিম জং উন সম্প্রতি পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, শি চিন পিং সফরের সময় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে সরাসরি চাপ না দিয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর শুধুমাত্র চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের জন্য নয়, বরং পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%