ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাস্তায় থুতু বা ময়লা ফেললেই সাজার মুখোমুখি হতে হবে


রাস্তায় থুতু বা ময়লা ফেললেই সাজার মুখোমুখি হতে হবে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শহরগুলোকে আরও পরিচ্ছন্ন ও আবর্জনামুক্ত রাখতে রাজ্য সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাস্তাঘাটে যত্রতত্র থুতু, পানের পিক, ময়লা বা প্লাস্টিক ফেললে নাগরিকদের জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে।

রোববার (৭ জুন) উত্তরবঙ্গ সফরকালে শিলিগুড়িতে পুর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই তথ্য সাংবাদিকদের জানান রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ও পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

তিনি বলেন, কোথাও ময়লা ফেলা যাবে না, এবং পানের পিক ফেলাও নিষিদ্ধ থাকবে। রাস্তা নোংরা করলে জরিমানা করা হবে এবং রাস্তার ওপর প্লাস্টিক বা বর্জ্য ফেলার বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মন্ত্রী নাগরিকদের সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শপিংমলে গেলে আমরা ভদ্র আচরণ করি, কিন্তু রাস্তায় নামলে কেন তা করি না? পাশাপাশি তিনি দৃশ্যদূষণ রোধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন নিয়ম কার্যকরের আগে নাগরিকদের সচেতন করতে তিন মাসব্যাপী প্রচারণা চালানো হবে। এই প্রচার চলার পরে, যদি কেউ নিয়ম অমান্য করেন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিশাল অঙ্কের জরিমানা করা হবে।

শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ইতোমধ্যে ‘স্বচ্ছ’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এই অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কোথাও ময়লা-আবর্জনা দেখলে ছবি তুলে অভিযোগ জানানোর সুযোগ পাবেন। সংশ্লিষ্ট পুরসভা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং অভিযোগকারীকে সমাধানের অগ্রগতিও জানাবে।

বর্তমান আইনে পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে থুতু ফেললে সাধারণত ৫০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। তবে অতীতে আইন থাকলেও এর প্রয়োগে খুব বেশি কঠোরতা দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

গত শুক্রবার পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ২৪ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। এতে যত্রতত্র থুতু বা আবর্জনা ফেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া খোলা অবস্থায় বর্জ্য পরিবহন, মন্দিরের ফুল-ফল যত্রতত্র ফেলা এবং রাস্তা ও ফুটপাত দখল করাও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

রাজ্যের ১১৯টি পুরসভা, ৭টি পুরনিগম এবং ২টি নোটিফায়েড এরিয়া অথরিটির এলাকায় এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশে প্রবাসীদের মিলনমেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশে প্রবাসীদের মিলনমেলা

কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশের সাস্কাটুন শহর, যেখানে প্রবাসীরা বসবাস করেন, সেখানে ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্য বৃদ্ধি ঘটানোর জন্য বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনটি নবমবারের মতো সম্পন্ন হলো।

সাস্কাটুন শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে মনোরম পাইক লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে উদযাপিত হয়েছিল এই বিশেষ দিনটি। প্রতি বছরের মতো, এবারও চার শতাধিক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে বনভোজনটি আনন্দমুখর ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

দিনব্যাপী এই বনভোজনে প্রবাসীরা আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছিলেন অন্য রকম এক মিলনমেলায়।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে এদিন অনুষ্ঠানে ছোট শিশু কিশোর এবং পরিবার পরিজনের মিলনমেলার দৃশ্য সত্যিই অপূর্ব ছিল। এই আনন্দের সঙ্গে যোগ হয়েছিল শহরের অন্যতম বাংলাদেশি মালিকানাধীন কনফেডারেশন ইন-এর সুস্বাদু খাবার, যা নিশ্চিতভাবেই সকলের মন জয় করে।

বার্ষিক বনভোজনটিতে শিশু-কিশোরদের জন্য নানা ধরনের খেলার প্রতিযোগিতা ছিল, যা বাড়তি আনন্দ যোগ করেছে। বড়রাও এতে অংশগ্রহণ করেছেন।

সারাদিন ব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল ছোটদের ট্রেজার হান্ট, দৌড়, মোরগ লড়াই; মাঝারি বয়সীদের জন্য ভারসাম্য দৌড় এবং গানের সঙ্গে থিম-নৃত্য; পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী বস্তা দৌড় এবং বেলুন দৌড়; নারীদের জন্য ভারসাম্য দৌড় এবং মিউজিক্যাল চেয়ার; আর দম্পতিদের জন্য ছিল নানা মজার প্রতিযোগিতা, যা ছিল সবার জন্য অত্যন্ত উপভোগ্য।

এছাড়া, সাস্কাটুন শহরের পূর্বপাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে দড়ি টানাটানির খেলা ছিল বিশেষ আকর্ষণীয়।

অনুষ্ঠানের শেষে, আয়োজকরা, স্বেচ্ছাসেবী এবং সকল অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে বনভোজনের সমাপ্তি করেন।

আয়োজকরা জানান, তাঁদের এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আবহমান বাংলার ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং কূষ্টি ধরে রাখা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শি চিন পিং উত্তর কোরিয়ায়, কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


শি চিন পিং উত্তর কোরিয়ায়, কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং আজ সোমবার দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং পৌঁছেছেন। এটি গত সাত বছরে তার প্রথম সফর উত্তর কোরিয়ায়।

সফরে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার ওপর চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবকে আরো শক্তিশালী করা।

চীন দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগী। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রাশিয়াকে সমর্থন করেছে।

এই কারণে দুই দেশের সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, শি চিন পিং উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য, সার, পর্যটন এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রকল্পে সহায়তার প্রস্তাব দিতে পারেন। এর মাধ্যমে চীন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তার ঐতিহ্যগত জোটকে আরো শক্তিশালী করতে চায়।

এদিকে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দেশের নেতা কিম জং উন সম্প্রতি পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, শি চিন পিং সফরের সময় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে সরাসরি চাপ না দিয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর শুধুমাত্র চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের জন্য নয়, বরং পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩১ এম


রাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাতের অন্ধকারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং করা হয়েছে। রবিবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এ পোস্টারিংয়ের দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব এ বৈধ কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়ে এক পোস্টে লেখেন, ধন্যবাদ জিয়া হল ছাত্রলীগ! জিয়া হলের মাধ্যমেই শেষ হলো আবার জিয়া হল দিয়েই শুরু হলো। মতিহার সবুজ চত্বরে একবার আবারো ছাত্রলীগ স্বমহিমায় ফিরে আসবে।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট স্থানে পরবর্তীতে এ পোস্টার পাওয়া যায়নি, যা প্রশ্ন সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এক পোস্টে জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নামে ক্যাম্পাসে পোস্টার লাগানো শুধু আইন ও প্রশাসনের প্রতি চ্যালেঞ্জ নয়, বরং শিক্ষাঙ্গনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের রক্ত এবং আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনের পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই। এই কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাবো এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

ছাত্রলীগের পেজে পোস্ট দেওয়ার পর রাতেই শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান শাকিল নেতাকর্মীদের নিয়ে ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের ষড়যন্ত্রের জন্য এ ক্যাম্পাসে কোনো জায়গা থাকবে না। ক্যাম্পাসের পবিত্রতা রক্ষায় ছাত্রদল আপসহীন থাকবে। নিষিদ্ধ হওয়ার পর রাতের আঁধারে পোস্টার টানানোর মাধ্যমে অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা ফেলনা। দ্বিতীয়বার এমন কার্যক্রমের দুঃসাহস না দেখাতে সতর্ক করে দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বাড়ছে, করের বোঝা বাড়ার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বাড়ছে, করের বোঝা বাড়ার শঙ্কা

আসন্ন বাজেটেও সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ চলতি অর্থবছরের তুলনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে, আয়কর এবং আমদানি-রফতানি শুল্ক থেকেও বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেট বাস্তবায়নের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন হয়, তার সবচেয়ে বড় অংশ বা প্রায় ৩৮ শতাংশ আসে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) থেকে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এনবিআরকে ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্য দেয়া হচ্ছে। এটি চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৩৮ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা বেশি।

আয়কর ও ভ্রমণ খাত থেকেও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হচ্ছে। নতুন অর্থবছরে এই খাত থেকে মোট রাজস্বের ৩৭ শতাংশ আদায় করতে চায় এনবিআর। এ খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।

এদিকে, আমদানি ও রফতানি খাত থেকে শুল্ক বাবদ এনবিআরকে ১ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি আদায় করতে হবে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এই খাতে লক্ষ্যমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে ২৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ছাড়া শুধু রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। অর্থনীতি বিশ্লেষক মো. মাজেদুল হক বলেন, সরকার রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর জন্য বড় ধরনের উদ্যোগ বা পরিকল্পনা নিচ্ছে। কিন্তু শুধুমাত্র ‘বিগ পুশ’ দিয়ে রাতারাতি রাজস্ব আদায় বাড়ানো সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, এজন্য ধীরে ধীরে কাজ করতে হবে এবং করের আওতা বাড়াতে হবে। কিন্তু করের পরিমাণ বাড়ানো হলে নিয়মিত করদাতারা নিরুৎসাহিত হতে পারেন। বাংলাদেশে যারা কর দেন তারা প্রতি বছরই কর দিচ্ছেন, আর যারা কর দেন না তারা এখনও করের বাইরে রয়েছেন। সুতরাং, রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য ভ্যাট ফাঁকিদাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে মোট ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%