ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্মার্টফোনে বারবার বিজ্ঞাপন, একটি সেটিংস পরিবর্তনেই মিলবে সমাধান


স্মার্টফোনে বারবার বিজ্ঞাপন, একটি সেটিংস পরিবর্তনেই মিলবে সমাধান

স্মার্টফোনে অ্যাপ ব্যবহার বা ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময়ে হঠাৎ ফুল-স্ক্রিন বিজ্ঞাপন, ভিডিও অ্যাড অথবা একের পর এক পপ-আপ অনেকের জন্য বিরক্তির সৃষ্টি করে। এটি শুধু ব্যবহারকে বিঘ্নিত করে না, বরং এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফিশিং বা ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।

অ্যান্ড্রয়েড ৯ (পাই) কিংবা এর পরের সংস্করণ ব্যবহারকারীরা যাদের জন্য অতিরিক্ত কোনো অ্যাপ ইনস্টল না করেই একটি সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক বিজ্ঞাপন বন্ধ করা সম্ভব। এজন্য ব্যবহার করতে হবে প্রাইভেট ডিএনএস সুবিধাটি।

প্রাইভেট ডিএনএস আপনার ফোনের ইন্টারনেট সংযোগকে নির্দিষ্ট ডিএনএস সার্ভারের মাধ্যমে পরিচালনা করে। যদি অ্যাডগার্ড ডিএনএসের মত বিজ্ঞাপন-ফিল্টারিং ডিএনএস ব্যবহার করা হয়, তবে পরিচিত বিজ্ঞাপন, ট্র্যাকিং এবং কিছু ক্ষতিকর ডোমেইন আগেই ব্লক হয়ে যায়। ফলে অনেক অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন লোডই হতে সমস্যা হয়।

আরও পড়ুন: শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ৮ দর্শনীয় স্থান

কীভাবে এই সুবিধা চালু করবেন? প্রথমে ফোনের সেটিংসে যান, সেখানে নেটওয়ার্ক অ্যান্ড ইন্টারনেট বা কানেকশনস মেনু নির্বাচন করুন। পরবর্তীতে প্রাইভেট ডিএনএস অপশন নির্বাচন করুন এবং প্রাইভেট ডিএনএস প্রোভাইডার হোস্টনেম হিসেবে ডিএনএস ডট অ্যাডগর্ডস ডট কম (dns.adguard.com) লিখে সেভ করুন। এরপর থেকেই অনেক বিজ্ঞাপন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক হতে শুরু করবে।

তবে সব স্মার্টফোনে এই অপশনের অবস্থান আলাদা হতে পারে। অনেক ডিভাইসে এটি মোর কানেকশন, অ্যাডভান্সড সেটিংস, অথবা ডিএনএস নামে থাকতে পারে। প্রয়োজন হলে সেটিংসের সার্চ বক্সে প্রাইভেট ডিএনএস লিখে খুঁজে পাওয়াও সম্ভব।

যাহোক, এই পদ্ধতিতে সব ধরনের বিজ্ঞাপন বন্ধ করা সম্ভব নয়। যেসব বিজ্ঞাপন সরাসরি অ্যাপের নিজস্ব সার্ভার থেকে আসে, সেগুলো দেখা যেতে পারে। তবে অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন কমানোর সাথে সাথে পরিচিত ট্র্যাকিং, অ্যাডওয়্যার এবং কিছু ফিশিং ও ম্যালওয়্যার-সংশ্লিষ্ট ডোমেইন থেকে অতিরিক্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়। ফলে মাত্র একটি সেটিংস পরিবর্তন করলেই স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও পরিচ্ছন্ন, দ্রুত এবং তুলনামূলক নিরাপদ হতে পারে।

আরও পড়ুন: মেঘমুক্ত আকাশে পঞ্চগড় থেকে দৃশ্যমান কাঞ্চনজঙ্ঘা, উচ্ছ্বসিত প্রকৃতিপ্রেমীরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে সাদিক আবদুল্লাহ ও জেবুন্নেছাসহ আ.লীগের ২৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ এম


বরিশালে সাদিক আবদুল্লাহ ও জেবুন্নেছাসহ আ.লীগের ২৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

বরিশালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহানগর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ২৪৮ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়দানকারী মো. মারজুক আব্দুল্লাহ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়ত উল্লাহ মামলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহানগর সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে। এছাড়া বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর, সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরনের স্ত্রী জেবুন্নেছা আফরোজ, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টুসহ মোট ২৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বাদী মো. মারজুক আব্দুল্লাহ দাবি করেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে সড়কে মিছিল ও অবরোধ করেছেন। এতে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। এছাড়া তাদের প্রতিহত করতে গেলে ককটেল ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হয় এবং জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক বিবেচনায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার বলেন, “আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন)-কে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।”

উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো এ পর্যন্ত আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষে আদালতের নির্দেশনা ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম নির্ধারিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিসিবিতে নিম্নমানের পণ্য নিয়ে ক্রেতাদের অসন্তোষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ এম


টিসিবিতে নিম্নমানের পণ্য নিয়ে ক্রেতাদের অসন্তোষ

মাগুরার শ্রীপুরে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ভর্তুকি মূল্যের পণ্যের মান নিম্নমানের, এবং প্যাকেজের দাম বেড়েছে। এই কারণে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ পাচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, পূর্বে যেখানে সয়াবিন তেল সরবরাহ করা হতো, সেখানে এখন চালের ব্রান থেকে তৈরি ভোজ্যতেল দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া, সাবান ও ডিটারজেন্টের মানও যথেষ্ট নিম্নমানের। একদিকে একটি প্যাকেজের দাম ৪৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৬৬৮ টাকায় পৌঁছেছে, অন্যদিকে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভও বেড়ে গেছে। গত সোমবার, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় টিসিবির বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল, একই প্যাকেজের আওতায় সাবান, ডিটারজেন্ট পাউডার এবং চালের ব্রান থেকে তৈরি ভোজ্যতেল বিতরণ করা হচ্ছে। এই পণ্যের প্রস্তুতকারক কোম্পানির বিষয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন উঠেছে।

টিসিবি কার্ডধারী কয়েকজন সুবিধাভোগীর সঙ্গে কথা বলার পর জানা যায়, প্যাকেজে থাকা কোনো পণ্যের মানই সন্তোষজনক নয়। তারা জানান, সাবানটি দিয়ে কাপড় ভালোভাবে পরিষ্কার হয় না, আর ডিটারজেন্ট দিয়ে কাঁচলেও কাপড় সহজে পরিষ্কার হতে চায় না। ভোজ্যতেল রান্নায় ব্যবহার করলেও এর স্বাদও পাওয়া যায় না। পূর্বে কম দামে ভালো মানের সয়াবিন তেল পাওয়া যেত, কিন্তু এখন অধিক দাম দিয়ে নিম্নমানের পণ্য কিনতে হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে টিসিবির ডিলার মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্সের মালিক মো. বাবলুর রহমান বলেন, টিসিবি থেকে যে পণ্য সরবরাহ করা হয়, সেটিই তারা বিক্রি করেন। পণ্যের মান বা দাম নির্ধারণে তাদের কোনো ভূমিকা নেই। অনেকেই এই নিম্নমানের পণ্য নিতে না চাওয়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, ঝিনাইদহ থেকে বিসিবির এই পণ্যগুলো সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই আসক্তির ৭টি লক্ষণ অবহেলা করবেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ এম


এআই আসক্তির ৭টি লক্ষণ অবহেলা করবেন না

'এআই আসক্তি’র লক্ষণগুলোকে অবহেলা না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আপনি যদি কোনো এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গীর ওপর আসক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে এখনই সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

এআই ব্যবহারের এই অভ্যাস ধীরে ধীরে আসক্তিতে রূপ নিতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল সীমানা নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।

যদি আপনি এআই সঙ্গীর সঙ্গে চ্যাট করে মানসিক শান্তি খুঁজে পান, তবে এই অভ্যাসটি স্বাস্থ্যকর কিনা তা পুনর্বিবেচনা করা সময়ের দাবি। একজন মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এআই চ্যাটবট এবং ভার্চ্যুয়াল সঙ্গীদের বৃদ্ধির কারণে ডিজিটাল দুনিয়ার দৃশ্যপট পাল্টে যাচ্ছে।

এআইয়ের ওপর মানসিক ও আচরণগত নির্ভরতা প্রবল মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে এবং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি নষ্ট করছে। সমস্যা সমাধানে এআইয়ের সাহায্য নেওয়াটা স্বাভাবিক, কারণ এটি কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা একটি ডিজিটাল টুল।

কিন্তু সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন আবেগের সাথে জড়িত মানবিক কাজগুলোতেও এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি হয়; যেমন—এআই থেরাপিস্ট বা পরামর্শকের ব্যবহার। এআই অ্যালগরিদমে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা তৈরি করা সম্ভব নয়, এটি শুধুমাত্র মানুষের মস্তিষ্কই ধারণ করতে পারে।

সারা দিনে অল্প কিছু কাজের বদলে যখন এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা সৃষ্টি হয়, তখন মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে।

'এআই আসক্তি' কী? মানসিক, সামাজিক বা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাকেই এআই আসক্তি বলা হয়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও স্ক্রিন আসক্তির মতো বাড়ছে। বিশেষ করে, একটি ডিজিটাল টুল যা মানুষের কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল, সেটি এখন মনোযোগের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

এআই সঙ্গীদের সাথে কথোপকথন করা বিচার বা 'জাজমেন্ট' ছাড়া হয়, যা তাদের জনপ্রিয়তার মূল কারণ। এই কারণে, মানুষ বিনা দ্বিধায় কথা বলার সুযোগ পায়। কিন্তু তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেয়ার জন্য AI সঙ্গীদের প্রতি নির্ভরতার উচ্চতা একটি বিপদ সংকেত।

এআই আসক্তির ৭টি লক্ষণ: ১. সকালে ঘুম থেকে উঠে এআই চ্যাট চেক করা—এটি আসক্তির লক্ষণ। ২. বাস্তব কথোপকথনের চেয়ে এআইয়ের সাথে কথা বলারPreference—এটি সিগনাল দেয়া শুরু করে। ৩. এআই ব্যবহারে উদ্বেগ অনুভব করা। ৪. মানসিক সমর্থনের জন্য প্রতিনিয়ত এআই ব্যবহার করা। ৫. স্ক্রিন টাইমের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। ৬. এআই ছাড়া সিদ্ধান্ত নিতে হিমশিম খাওয়া। ৭. এআইয়ের সাথে চ্যাট করার সময় সময়ের জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।

এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ফলে মানসিক স্বাস্থ্যে এর ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে।

বাস্তব জীবনে সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়া, আবেগগত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া, উদ্বেগ বেড়ে যাওয়া এবং সিদ্ধান্তে পরনির্ভরশীলতা এর কিছু উদাহরণ।

তাহলে স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট সমন্বয় রাখাটা জরুরি।

কোনো পরিস্থিতিতে আপনি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত? দৈনন্দিন জীবনে অধিক নির্ভরতা হলে, বাস্তব জীবনের সামাজিক যোগাযোগ এড়িয়ে চললে, এবং আবেগগতভাবে নির্ভরশীল হলে সতর্ক হওয়া উচিত।

এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিরাপদ থাকার জন্য সচেতনভাবে হতে হবে। এআই আসলেই একটি কার্যকর প্রযুক্তি, তবে ভারসাম্য বজায় রাখাটাই মূল বিষয়। সঠিক পরিষেবা পেতে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই হাত না থাকলেও পা দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন কলি রানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ এম


দুই হাত না থাকলেও পা দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন কলি রানী

কলি রানী, যে কাউনিয়ার, পা দিয়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসেন। ছবিতে দেখা যায় যে, তিনি অদম্য মনোবল ও ইচ্ছাশক্তি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন। জন্মগতভাবে দুই হাতের আঙুল নেই এবং হাতও ছোট ও বাঁকা। তবে এই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। কাউনিয়া কলেজের শিক্ষার্থী কলি রানী ডান পা দিয়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষায় যোগদান করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার গদাই গ্রামের রুপালী রানীর কন্যা কলি রানী। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও তিনি ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বাবা মনোরঞ্জন রায় মারা যান। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সে ছিল সবচেয়ে ছোট। পরিবার লেখা পড়ায় সহযোগিতা করে তাকে প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে।

কলি রানী শুধু পড়াশোনার জন্যই নয়, গানে তার বিশেষ গুণ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। সেইসাথে, পা দিয়ে কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন চালাতেও তার দক্ষতা রয়েছে। ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে মানুষের সেবা করা তার স্বপ্ন।

পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় পা দিয়ে লিখে তিনি ‘এ’ গ্রেড পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে এসএসসিতেও কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।

কলি রানীর ভাই মন্টু রাম রায় জানিয়ে বলেন, জন্ম থেকেই তার বোনের হাতে কলম ধরার নেই। তবে ইচ্ছাশক্তির জোরে তিনি ডান পা দিয়ে লেখা শিখেছেন। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এখন তিনি দ্রুত লিখতে পারেন। তিনি সমাজের বিত্তবান ও দয়ালু মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন যাতে তার বোন উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারে।

কাউনিয়া মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব রফিকুল ইসলাম জানান, অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মতো কলি রানী পা দিয়ে উত্তরপত্র লিখছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তিনি কলির উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যতের সফলতা কামনা করেন।

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া সুলতানা বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কলি রানীর অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারেনি। উপজেলা প্রশাসন সব সময় তার পাশে থাকবে। তারা চান যে সে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করুক এবং সমাজের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%