ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিউইয়র্কের স্কুলে নিষিদ্ধ হলো এআই


নিউইয়র্কের স্কুলে নিষিদ্ধ হলো এআই

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এক বছরের জন্য। শহর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত শ্রেণিকক্ষে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য নীতিমালা তৈরির অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তটি দেশের সবচেয়ে বড় স্কুলে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কঠোর এআই নীতিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। লস অ্যাঞ্জেলেসসহ অন্যান্য কিছু স্কুল জেলা এআই ব্যবহারের নীতিমালা পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছে এর আগে।

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের জানান, শহরের স্কুলগুলোতে বর্তমানে ব্যবহৃত প্রায় ৪০টি শিক্ষামূলক এআই টুলের ব্যবহার বন্ধ রাখা হবে।

আরও পড়ুন: পুরুষদের চেয়ে নারীরা কেন বেশি দিন বাঁচেন?

মামদানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “শিশুদের শেখা ও বেড়ে ওঠার জন্য শিক্ষক এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ প্রয়োজন। সহপাঠীদের সঙ্গে কাজ করা, শিক্ষকদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং কঠিন সমস্যার সমাধান নিজেরা করার মতো দক্ষতা তাদের গড়ে তুলতে হবে।”

গুগল, অ্যানথ্রপিক ও মাইক্রোসফটের মতো বড় এআই প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

নতুন এই নীতির আওতায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ সরকারি স্কুল শিক্ষার্থী থাকবে। তবে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিছু ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

শিক্ষকদের অবশ্য এআই ব্যবহারে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়নি। পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, সময়সূচি নির্ধারণসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে তারা এআই ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ৮ দর্শনীয় স্থান

এর আগে ২০২২ সালে চ্যটজিপিটি চালুর পর নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলগুলোতে সাময়িকভাবে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং শিক্ষকদের সহায়তার জন্য নিজস্ব এআইভিত্তিক টুল চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওজন কমাতে যেভাবে এলাচ খাবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ এম


ওজন কমাতে যেভাবে এলাচ খাবেন

নিয়মিত এবং সঠিকভাবে এলাচ খেলে শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায় এবং এটি দ্রুত ওজন কমাতে সহায়তা করে। এলাচের মধ্যে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ডিটক্সাইফাইং উপাদান রয়েছে, যা শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করে চর্বি গলানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

তবে মনে রাখতে হবে, শুধুমাত্র এলাচ খেলে রাতারাতি ওজন কমবে না। এটি মূলত সুষম খাদ্যতালিকা এবং ব্যায়ামের পরিপূরক বা অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। ওজন কমাতে এলাচ খাওয়ার জন্য মূলত চারটি উপায় রয়েছে। প্রথমত, এলাচ ভেজানো পানি।

প্রতিদিন অতিরিক্ত এলাচ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। দিনে ১-২টি এলাচ বা খুব সামান্য পরিমাণ গুঁড়ো খাওয়াই যথেষ্ট, অন্যথায় হজমে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এলাচ খাওয়ার পাশাপাশি মিষ্টি এবং চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করা উচিত। সেই সঙ্গে দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক কসরত বা হাঁটার অভ্যাস রাখা প্রয়োজন।

প্রণালি

এক গ্লাস পানিতে ৩-৪টি এলাচ সামান্য থেঁতো করে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে সেই পানিটি হালকা গরম করে বা সরাসরি পান করা উচিত।

১. এলাচ ফোটানো চা প্রণালি

দুই গ্লাস পানিতে ৭-৮টি এলাচ দানা দিয়ে ৫ মিনিটের মতো ফুটিয়ে নিতে হবে। যতক্ষণ না পানি অর্ধেক হয়ে আসে। এরপর মেদ ঝরানোর জন্য এই মিশ্রণটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কুসুম কুসুম গরম অবস্থায় পান করতে হবে।

২. এলাচ গুঁড়ো ও কুসুম গরম পানি প্রণালি

এলাচ হালকা ভেজে গুঁড়ো করে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিদিন এক চিমটি এলাচ গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে এটি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে এবং পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে, যা পরোক্ষভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৩. মসলার মিশ্রণ ও খাবারে ব্যবহার প্রণালি

ওজন কমানোর জন্য স্যুপ, ওটস বা কম ক্যালোরির খাবারের স্বাদ বাড়াতে এলাচ গুঁড়ো ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও, দারুচিনি, হলুদ বা আদার সঙ্গে এলাচ মিশিয়ে ভেষজ মসলা তৈরি করে তরকারিতে যোগ করলে তা শরীরের শক্তি ব্যয় বা ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদেও নোয়াখালীর লোক আছে, সংসদে ডেপুটি স্পিকারের রসিকতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


চাঁদেও নোয়াখালীর লোক আছে, সংসদে ডেপুটি স্পিকারের রসিকতা

জাতীয় সংসদে নোয়াখালীকে বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি উত্থাপন করেছেন নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এম এ মাহবুব উদ্দিন খোকন। তার বক্তব্যের সমাপ্তির দিকে সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালনকারী ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রসিকতা করে মন্তব্য করেন, ‘নোয়াখালীর লোকজন তো চাঁদেও আছেন।’

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণা করার প্রস্তাব করেন ব্যারিস্টার এম এ মাহবুব উদ্দিন খোকন।

বক্তব্যে তিনি নোয়াখালীকে একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জেলা হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, নোয়াখালীর মানুষ পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল এবং যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নোয়াখালীর মানুষের উপস্থিতি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নোয়াখালীর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি হচ্ছে নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণা করা। নোয়াখালীর আয়তন বড় হওয়ায় এখানে প্রয়োজন হলে আরও দুই-তিনটি জেলা গঠন করা সম্ভব। পাশাপাশি নোয়াখালীতে সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর এবং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তিনি।

ব্যারিস্টার খোকন আরও উল্লেখ করেন, নোয়াখালীতে সমুদ্রবন্দর প্রতিষ্ঠা করা হলে দেশের সমুদ্রবন্দরনির্ভরতা ও ঝুঁকি কমে যাবে। তিনি বলেন, নোয়াখালীর মানুষ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং দেশের ব্যাংকিং ও ব্যবসা-বাণিজ্যে তাদের বড় উপস্থিতি রয়েছে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলায় নোয়াখালীর লোকজন রয়েছে, বিদেশেও প্রায় ৭০-৮০ লাখ নোয়াখালীর মানুষ আছেন।

তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আপনি বলেছেন বাংলাদেশের সব জায়গায় আছে। তাহলে নোয়াখালী কোথায় নেই? কথায় কথায় বলা হয় যে চাঁদে গেলেও নোয়াখালী পাওয়া যায়। অতএব, সব জায়গায় নোয়াখালী আছে।

এরপর তিনি ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে পরবর্তী প্রশ্নে চলে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাস্টিকের ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন? জেনে নিন কী ক্ষতি হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ এম


গ্যাস্টিকের ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন? জেনে নিন কী ক্ষতি হতে পারে

গ্যাস্টিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ গ্রহণ শুরু করেন। যদিও সাময়িকভাবে অস্বস্তি কমে যায়, কিন্তু নিয়মিত বা দীর্ঘকাল ধরে এসব ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে ওষুধ গ্রহণের ফলে বিভিন্ন ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ লে. কর্নেল নাসির উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, গ্যাসের ওষুধ দীর্ঘকাল ধরে খেলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই ধরনের সমস্যাগুলো নিম্নরূপ—

হাড় দুর্বল হতে পারে

দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস্টিকের ওষুধ খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ কমে যেতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ গ্যাস্টিকের ওষুধ গ্রহণের ফলে অন্ত্রে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত ক্যালসিয়াম শোষণ করা সম্ভব। এর ফলে হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। যদি এই অবস্থা দীর্ঘকাল ধরে চলতে থাকে, তবে হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকতে পারে।

কিডনি রোগের ঝুঁকি

গ্যাস্টিকের ওষুধ দীর্ঘকাল ধরে গ্রহণের ফলে অ্যাকুইট ইন্টারেস্টেসিয়াল নেফ্রাইটিস নামক কিডনির সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই সমস্যা ওষুধ গ্রহণের ১৮ মাসের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে ক্ষুধামন্দা, জ্বর এবং বমির সঙ্গে রক্তক্ষরণের ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য

গ্যাস্টিকের ওষুধ গ্রহণের ফলে শরীরের গ্যাস্টিন নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলস্বরূপ কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। যদি এই সমস্যা দীর্ঘকাল ধরে থাকে, তবে পরবর্তীতে ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

নিউমোনিয়ার ঝুঁকি

দীর্ঘকাল ধরে গ্যাস্টিকের ওষুধ খেলে পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে জীবাণুর বংশ বিস্তার সহজ হয়ে যায়। হেলিকোব্রাক্টর পাইলোরি নামক একটি ব্যাকটেরিয়া এই পরিবেশে বংশ বিস্তার করে, যা পরবর্তীতে ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যা করবেন

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্যাস্টিকের ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়। চিকিৎসক যে ওষুধ prescriibe করেন, তা কতদিন এবং কীভাবে খেতে হবে, তা মেনে চলা জরুরি। গ্যাস বা অ্যাসিডিটি কমানোর জন্য জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল ও মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, ধূমপান থেকে দূরে থাকা, খাবার খাওয়ার পরপরই না শোয়া এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত?

জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে, মালয়েশিয়ার কুচিং ২৭৩ একিউআই স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে। এই স্কোর মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ১০৫ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার ১১তম স্থানে অবস্থান করছে। এই স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ু মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুসারে, মালয়েশিয়ার কুচিং শহরের পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, যার বায়ুমান স্কোর ১৬০। বাতাসের এই অবস্থান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। একই স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। এরপর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভিয়েতনামের হ্যানয় এবং চীনের চিংডুর মতো শহরগুলো দূষণের দিক থেকে উপরের দিকে রয়েছে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়।

এছাড়া, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%