বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৩ এম
গ্যাস্টিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ গ্রহণ শুরু করেন। যদিও সাময়িকভাবে অস্বস্তি কমে যায়, কিন্তু নিয়মিত বা দীর্ঘকাল ধরে এসব ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে ওষুধ গ্রহণের ফলে বিভিন্ন ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ লে. কর্নেল নাসির উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, গ্যাসের ওষুধ দীর্ঘকাল ধরে খেলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই ধরনের সমস্যাগুলো নিম্নরূপ—
হাড় দুর্বল হতে পারে
দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস্টিকের ওষুধ খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ কমে যেতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ গ্যাস্টিকের ওষুধ গ্রহণের ফলে অন্ত্রে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত ক্যালসিয়াম শোষণ করা সম্ভব। এর ফলে হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। যদি এই অবস্থা দীর্ঘকাল ধরে চলতে থাকে, তবে হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকতে পারে।
কিডনি রোগের ঝুঁকি
গ্যাস্টিকের ওষুধ দীর্ঘকাল ধরে গ্রহণের ফলে অ্যাকুইট ইন্টারেস্টেসিয়াল নেফ্রাইটিস নামক কিডনির সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই সমস্যা ওষুধ গ্রহণের ১৮ মাসের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে ক্ষুধামন্দা, জ্বর এবং বমির সঙ্গে রক্তক্ষরণের ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য
গ্যাস্টিকের ওষুধ গ্রহণের ফলে শরীরের গ্যাস্টিন নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলস্বরূপ কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। যদি এই সমস্যা দীর্ঘকাল ধরে থাকে, তবে পরবর্তীতে ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
নিউমোনিয়ার ঝুঁকি
দীর্ঘকাল ধরে গ্যাস্টিকের ওষুধ খেলে পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে জীবাণুর বংশ বিস্তার সহজ হয়ে যায়। হেলিকোব্রাক্টর পাইলোরি নামক একটি ব্যাকটেরিয়া এই পরিবেশে বংশ বিস্তার করে, যা পরবর্তীতে ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
যা করবেন
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্যাস্টিকের ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়। চিকিৎসক যে ওষুধ prescriibe করেন, তা কতদিন এবং কীভাবে খেতে হবে, তা মেনে চলা জরুরি। গ্যাস বা অ্যাসিডিটি কমানোর জন্য জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল ও মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, ধূমপান থেকে দূরে থাকা, খাবার খাওয়ার পরপরই না শোয়া এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে, মালয়েশিয়ার কুচিং ২৭৩ একিউআই স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে। এই স্কোর মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ১০৫ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার ১১তম স্থানে অবস্থান করছে। এই স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ু মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুসারে, মালয়েশিয়ার কুচিং শহরের পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, যার বায়ুমান স্কোর ১৬০। বাতাসের এই অবস্থান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। একই স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। এরপর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভিয়েতনামের হ্যানয় এবং চীনের চিংডুর মতো শহরগুলো দূষণের দিক থেকে উপরের দিকে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়।
এছাড়া, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ষা আসার সাথে সাথে ঘরের বিভিন্ন শুকনো খাদ্যপণ্যে আর্দ্রতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে চাল, ডাল এবং অন্যান্য দানাশস্যে ছোট ছোট পোকা দেখা দিতে পারে। দোকান থেকে পরিষ্কার চাল কিনে এনে যত্ন সহকারে ড্রামে সংরক্ষণ করার পরও যদি কিছু দিনের মধ্যে চালের মধ্যে পোকা দেখা দেয়, তাহলে এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। পোকাগুলো এক এক করে বেছে ফেলা যেমন কঠিন, তেমনি এত চাল ফেলে দেওয়াও সম্ভব নয়। তাহলে এই পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?
বর্ষায় চালে কেন পোকা বেশি হয়?
চালের মধ্যে যদি অল্প সংখ্যক পোকা ঢুকে পড়ে, তবে তারা সেখানে বংশবিস্তার করতে পারে। এর প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত আর্দ্রতা। বর্ষাকালে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে চাল, ডাল এবং অন্যান্য শুকনো খাবারে পোকার উপদ্রব বৃদ্ধি পায়।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড টেকনোলজি ও বায়ো-কেমিক্যাল-ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, “শুকনো খাবার থেকে পোকা তাড়ানোর জন্য ক্লোরিন ফাঙ্গিসাইড ব্যবহার করা হয় কিন্তু ধোয়ার পরেও যৌগটি সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার হয় না। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই মা-খালাদের টোটকাই কাজ লাগতে পারে।”
যে ঘরোয়া টোটকায় চাল থেকে পোকা সরবে
শুকনো মরিচ: চাল বা ডালের পাত্রে কয়েকটি শুকানো মরিচ রেখে দিতে পারেন। লঙ্কার ঝাঝালো গন্ধ পোকার উপদ্রব কমাতে সাহায্য করে। এই পদ্ধতি শুধু বর্ষাকালে নয়, সারা বছর ব্যবহার করা যেতে পারে।
নিমপাতা: চালের পাত্রে শুকানো নিমপাতা বা নিমের শুকনো ডাল রাখলে পোকার সমস্যা কমে যেতে পারে। নিমপাতার গন্ধ পোকা সহ্য করতে পারে না।
সিলিকা জেল: জুতার বাক্সে বা ব্যাগের সঙ্গে যে ছোট সিলিকা জেলের প্যাকেট পাওয়া যায়, সেটিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
অধ্যাপক প্রশান্ত বিশ্বাসের মতে, শুকনো খাবারের পাত্রে সিলিকা জেল রাখা যেতে পারে। অন্যান্য খাবার যেমন চাল, ডাল ছাড়াও বিস্কুটসহ বিভিন্ন শুকনো খাবারের পাত্রে সিলিকা জেল রাখা উচিত। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যদি সিলিকা জেলের প্যাকেট কোনো কারণে ভিজে যায়, তা দ্রুত বদলে ফেলতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালিতে সৌদি আরবের মালিকানাধীন একটি তেলবাহী সুপারট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ফিলিপিন্সের দুই নাবিক নিহত হয়েছেন। রিয়াদ এই হামলার জন্য তেহরানকে দায়ী করেছে। তবে ইরান এখনো সৌদি আরবের এই অভিযোগের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
সৌদি জাতীয় জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠান বাহরি বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জানায়, তাদের ‘সিদর’ নামের জাহাজটি হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়। স্থানীয় সময় সোমবার রাতের প্রায় ১১টা ৪০ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জানায়, ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের উত্তরে ‘সিদর’ জাহাজে কয়েকটি অজ্ঞাত বস্তু বা প্রজেক্টাইল আঘাত করে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার মালিকানাধীন আরেকটি সুপারট্যাংকার ‘সেনেগাল প্রসপারিটি’-তেও হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
বাহরি এক বিবৃতিতে জানায়, এই হামলায় তাদের দুই ফিলিপিনো নাবিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি প্রতিষ্ঠানটি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
পরে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় সৌদি তেলবাহী জাহাজ ‘সিদর’কে লক্ষ্য করে হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতেও সাম্প্রতিক ইরানি হামলার নিন্দা জানিয়ে উত্তেজনা কমানোর এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় সৌদি সরকার।
সৌদি আরব আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করা জরুরি।
এর আগে সামুদ্রিক ঝুঁকি ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান মারিস্কস ও কেপলার জানিয়েছিল, সোমবার রাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার সময় সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেলবোঝাই দুটি ট্যাংকার কয়েক মিনিটের ব্যবধানে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিটি জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল করে সৌদি অপরিশোধিত তেল ছিল।
ইরান হামলার দায় স্বীকার করেনি। এর আগে দেশটি দাবি করেছিল, অনুমোদনহীন পথে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় দুটি তেলবাহী জাহাজ মাইন আঘাত পেয়ে আগুন ধরে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪০ বছর বয়সের পর নারীদের শরীরে নানা স্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে, যার মধ্যে হরমোনের তারতম্যও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই বয়সে শরীরকে সক্রিয় রাখতে, পেশির ক্ষয়রোধ করতে এবং মানসিক চাপ সামলাতে সকালের রুটিনে কিছু বিশেষ অভ্যাস যোগ করা প্রয়োজন। প্রথমত, সকালের নাশতায় পর্যাপ্ত প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে পেশির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে। তাই সকালের নাশতায় ডিম, ডাল, ছোলা, পনির, টোফু কিংবা দইয়ের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা অত্যন্ত জরুরি। প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের জন্য সকালের খাবারে প্রায় ২০-৩০ গ্রাম প্রোটিন থাকা পেশি ও হাড়ের সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকরী।
বয়স ৪০ পেরোলে পেশির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমতে থাকে, যার ফলে হরমোনের ক্ষরণ বদলে যেতে পারে। তাই সকালের রুটিনে এমন কিছু অভ্যাস রাখা প্রয়োজন, যা শরীরকে সক্রিয় রাখবে, পর্যাপ্ত পুষ্টি দেবে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। মুম্বাইয়ের পুষ্টিবিদ শ্বেতা শাহ কয়েকটি অভ্যাসের কথা উল্লেখ করেছেন, যা ৪০ পেরোলে প্রতিটি নারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪০ পেরোলে যে কয়েকটি অভ্যাস পালন করা উচিত—
১. সকালে উঠে প্রথমে ভেজানো কিশমিশ ও মৌরি খাওয়া
সকালে উঠে ভিজিয়ে রাখা কালো কিশমিশের সঙ্গে মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে ৪০ পেরোলেই এই বিশেষ সংমিশ্রণ শরীরের জন্য আলাদা কোনও উপকার করবে— এমন নয়। কিশমিশ খেতে ভাল লাগলে সকালে খাওয়া যেতে পারে। এতে হজমের সমস্যা কমতে পারে। কিন্তু পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টি, নিয়মিত শারীরচর্চা এবং ভাল ঘুমের গুরুত্ব অনেক বেশি।
২. সকালে প্রাতরাশে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত
৪০-এর পর সকালের খাবারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে প্রোটিনকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে পেশির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবে কমতে শুরু করে। পর্যাপ্ত প্রোটিন এই পেশি ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে সকালের খাবারে প্রায় ২০-৩০ গ্রাম প্রোটিন রাখা দরকার। তবে শরীরের গঠন, শারীরিক সক্রিয়তা এবং সারাদিনের মোট খাবারের উপর প্রয়োজনের পরিমাণ বদলে যায়। ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, ছোলা, পনির, টোফু, দই বা অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিয়ে সকালের খাবার তৈরি করা যায়।
৩. নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করা ও ১৫-২০ মিনিট হাঁটা
ঘুম থেকে উঠে সরাসরি কাজে বসে যাওয়া কিংবা অফিসে বেরোনোর তাড়া থাকে? তার বদলে প্রতিদিন সকালে উঠে আগে ১৫-২০ মিনিট হাঁটা উচিত। অল্প সময়ের হাঁটাও শরীরকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। খাওয়ার পর অল্প হাঁটার অভ্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা কমিয়ে দেয়। সকালের রুটিনে শরীরের পাশাপাশি মনকেও সময় দেওয়া দরকার। ধীরে ও নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ