ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের অগ্রগতি নির্ভর করে শিক্ষিত মানবসম্পদের উপর: প্রিন্স


দেশের অগ্রগতি নির্ভর করে শিক্ষিত মানবসম্পদের উপর: প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এরমান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, জাতির অগ্রগতি সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে তার শিক্ষিত, নৈতিক ও দক্ষ মানবসম্পদের ওপর। তাই এক্ষেত্রে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়নতে ইসলাহুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুধু কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাফল্য উদযাপনের জন্য নয়; এটি আসলে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার কারিগরদের সম্মান জানানোর একটি উদ্যোগ। এই কৃতিত্ব অর্জনকারীরাই ভবিষ্যতে শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক, আলেম, প্রশাসক, উদ্যোক্তা ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের নেতৃত্বে অবতীর্ণ হবে।

আরও পড়ুন: রংপুরে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ জন

তিনি আরো বলেন, বর্তমান যুগে জ্ঞানই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। পৃথিবী দ্রুত পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে চলেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের যুগে আমাদের সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে কেবল আধুনিক জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না; এর সঙ্গে নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটাতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধুমাত্র ভালো ফলাফল অর্জনের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখা চলবে না। সততা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতায় পরিপূর্ণ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। ইসলাম জ্ঞান অর্জনকে ফরজ করেছে। তাই ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আধুনিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জন করা উচিত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান শুধু তাদের অর্জনের স্বীকৃতি নয়; বরং এটি অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নৈতিক চরিত্র গঠনের বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত চেষ্টা মাধ্যমে একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: জকিগঞ্জে পালিত হলো বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী মহানগরীতে মাদক, ছিনতাই ও সড়ক নিরাপত্তায় জোরদার অভিযান চালানোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


রাজশাহী মহানগরীতে মাদক, ছিনতাই ও সড়ক নিরাপত্তায় জোরদার অভিযান চালানোর নির্দেশ

রাজশাহী মহানগরীর সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, ছিনতাইপ্রবণ এলাকায় টহল বৃদ্ধি এবং সড়ক নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।
এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আরএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সমন্বয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
সভায় মহানগরীকে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আরএমপি কমিশনার মাদক উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বিশেষ অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।
ছিনতাই প্রতিরোধে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার নির্দেশও দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফিটনেসবিহীন যানবাহন, লুকিং গ্লাস ও হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্রবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালনা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি টহল জোরদারের তাগিদ দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং তথ্য আদান-প্রদান জোরদারের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি র‌্যাব-৫, সিআইডি, নৌ-পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীতে নৃশংস ঘটনা: মাকে হত্যা করে ঘরের ভেতর পুঁতে রাখল ছেলে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​নীলফামারী স্টাফ রিপোর্টার রায়হান আলী

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


নীলফামারীতে নৃশংস ঘটনা: মাকে হত্যা করে ঘরের ভেতর পুঁতে রাখল ছেলে!

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ময়দানের পাশের একটি বাড়িতে ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক ও লোমহর্ষক ঘটনা। নিজের গর্ভধারিণী মাকে নির্মমভাবে হত্যার পর ঘরের মেঝে খুঁড়ে মরদেহ পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে খোদ ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে ওই বৃদ্ধা মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ প্রশাসনের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের অবস্থা দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বেশ কয়েকদিন আগেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও বিচার দাবি
ঘটনার খবর জানাজানি হওয়ার পর থেকে উৎসুক ও শোকার্ত মানুষের ভিড় জমছে ওই বাড়ির চারপাশে। ছেলের হাতে এমন নৃশংসভাবে মায়ের মৃত্যুর খবর মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "যে মা সন্তানকে গর্ভে ধারণ করে বড় করেছেন, সেই সন্তানের হাতেই মায়ের এমন পরিণতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।" তারা অবিলম্বে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
প্রশাসনের ভূমিকা
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিশোরগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করা হয়েছে কি না বা ঘটনার নেপথ্যের কারণ কী, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুতই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশ আশ্বস্ত করেছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য:
"আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা সম্ভব হবে। দোষী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।"
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুরো ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের কঠোর বিচারের প্রতীক্ষায় রয়েছে কিশোরগঞ্জবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ধাওয়া করে অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ধাওয়া করে অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি

কক্সবাজারের উখিয়ার মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে একটি বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ফলে হতাহত হয়নি, তবে বিজিবি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে একটি ভারী জি-থ্রি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং ইয়াবা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরের সময়, বিজিবির ৬৪ ব্যাটালিয়নের (উখিয়া ব্যাটালিয়ন) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগের দিন, বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২টায় উখিয়ার পালংখালী সীমান্তের নাফ নদীর শূন্য রেখায় এই গোলাগুলির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বুধবারের দুপুরে পালংখালী এলাকার বাহারপাড়া নামক স্থানের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর শূন্য লাইনের কাছাকাছি মিয়ানমার থেকে একটি নৌকায় জেলের বেশে কয়েকজন অস্ত্রধারী উপস্থিত হন। পরিস্থিতি বাড়তে থাকায়, বিজিবির টহলরত ৬৪ বিজিবির বিশেষ দলের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ শুরু করে। এ গুলির জবাবে, এই সশস্ত্র গোষ্ঠীও বিজিবিকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এক পর্যায়ে, অস্ত্রধারী গোষ্ঠী নৌকাটি ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।

পরবর্তী সময়ে, বিজিবি টহল দলটি পরিত্যক্ত নৌকাটি তল্লাশি করে ১টি জি-থ্রি রাইফেল, ৩টি জি-থ্রি খালি ম্যাগাজিন, ৩টি খালি ফাইবার ম্যাগাজিন, ৫১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, ৪ হাজার পিস ইয়াবা এবং ১টি জি-থ্রি পোচ, লুঙ্গি, গেঞ্জি ও সিগারেট উদ্ধার করে।

বিজিবি আরো জানায়, এর আগে গত ৩০ মে বিকালের দিকে হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাব্যিক চর নামক স্থানে জেলের বেশধারী দুই রোহিঙ্গার কাছ থেকে গুলি ছুড়ে ইয়াবা ছিনতাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছিল। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ওই সশস্ত্র দলের সদস্যরাই বুধবারের পালংখালী বিওপির ঘটনায় জড়িত ছিলেন।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, এই গোলাগুলি এবং মাদক চোরাচালানের সঙ্গে মিয়ানমারের উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আরসার (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) সদস্যরা জড়িত। তবে, বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো বিশেষ সংগঠন কিংবা নাম উল্লেখ না করে কেবল ‘অস্ত্রধারী সশস্ত্র গ্রুপ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উৎকণ্ঠার অবসান, কক্সবাজারে ধ্বংস করা হয়েছে কামানের ৩টি গোলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


উৎকণ্ঠার অবসান, কক্সবাজারে ধ্বংস করা হয়েছে কামানের ৩টি গোলা

কক্সবাজারের ঈদগাঁও থেকে উদ্ধার হওয়া কামানের ৩টি গোলা অবশেষে ১৭ দিনের পর নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এতে আতঙ্কের অবসান ঘটিয়ে এলাকাবাসির মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরের সময় ঈদগাঁও উপজেলার ভোমরিয়াগোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে এসব গোলা নিষ্ক্রিয় করার কথা জানিয়েছেন ঈদগাঁও থানার পরিদর্শক এটিএম সিফাতুল মাজদার।

তিনি বলেছেন, গত ১৮ মে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নতুন অফিস এলাকায় কামানের গোলার সদৃশ তিনটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছিল। বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানার পরপরই তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করে।

সিফাতুল মাজদার উল্লেখ করেন, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণে বস্তুগুলো কামানের গোলার সদৃশ বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। তদুপরি এগুলো নিরাপদে ধ্বংস করার দায়িত্ব দেয়া হয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট একটি নিরাপদ বিস্ফোরণ এলাকা প্রস্তুত করে ঈদগাঁও উপজেলার ভোমরিয়াগোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে। সেখানে তারা মাটি খনন করেন এবং চারপাশে বালুর বস্তা দিয়ে সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এরপর তারা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে কামানের গোলার সদৃশ বস্তুগুলো ধ্বংস করেন।

সিফাতুল মাজদার আরও জানান, কামানের গোলাগুলো নিষ্ক্রিয় করায় এলাকায় আতঙ্ক কেটে গেছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে কামানের গোলাগুলো নিষ্ক্রিয় করার সময় দূর থেকে দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করে। কামানের গোলাগুলো বিস্ফোরিত হওয়ার পর অনেকেই ভয় পান। আবার অনেকেই স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন।

ভাঙারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিম জানান, ভারুয়াখালী এলাকা থেকে তিনি লোহা-লক্কড়ের সঙ্গে গোলাকৃতির কিছু ধাতব বস্তু সংগ্রহ করেছিলেন। প্রথমে তিনি ধারণা করেছিলেন, এগুলো কোনো বড় গাড়ির পুরোনো যন্ত্রাংশ বা ধাতব অংশ। সেই ধারণা থেকেই তিনি বস্তুগুলো কিনে নিজের কাছে নিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, পরে সেগুলো বিক্রির জন্য নিয়ে গেলে ক্রেতারা বস্তুগুলো দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং জানান, এগুলো বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু হতে পারে। বিষয়টি শুনে তিনি বস্তুগুলো একটি ছালার বস্তায় ভরে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজনকে দেখান। তাদেরও এগুলোকে বোমাসদৃশ বলে ধারণা হয়।

নুরুল আজিম আরও বলেন, বস্তুগুলো বাড়িতে রাখা নিরাপদ মনে হয়নি। তাই তিনি দ্রুত প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি ঘিরে রাখে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও এসে বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং এগুলো বিপজ্জনক বলে নিশ্চিত হন।

তিনি জানান, কামানের গোলাগুলো দীর্ঘ সময় তার বাড়ির আঙিনায় থাকায় তিনি ও এলাকার মানুষ অনেক আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। পরে পুলিশ সেগুলো নিরাপদ স্থানে নিয়ে গিয়ে নিষ্ক্রিয় করায় এখন তিনি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি অনুভব করছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ মে ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার ভাঙারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিমের বাড়ি থেকে কামানের ৩টি গোলা উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%