ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ধাওয়া করে অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি


সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ধাওয়া করে অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি

কক্সবাজারের উখিয়ার মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে একটি বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ফলে হতাহত হয়নি, তবে বিজিবি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে একটি ভারী জি-থ্রি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং ইয়াবা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরের সময়, বিজিবির ৬৪ ব্যাটালিয়নের (উখিয়া ব্যাটালিয়ন) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগের দিন, বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২টায় উখিয়ার পালংখালী সীমান্তের নাফ নদীর শূন্য রেখায় এই গোলাগুলির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বুধবারের দুপুরে পালংখালী এলাকার বাহারপাড়া নামক স্থানের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর শূন্য লাইনের কাছাকাছি মিয়ানমার থেকে একটি নৌকায় জেলের বেশে কয়েকজন অস্ত্রধারী উপস্থিত হন। পরিস্থিতি বাড়তে থাকায়, বিজিবির টহলরত ৬৪ বিজিবির বিশেষ দলের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ শুরু করে। এ গুলির জবাবে, এই সশস্ত্র গোষ্ঠীও বিজিবিকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এক পর্যায়ে, অস্ত্রধারী গোষ্ঠী নৌকাটি ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: কাউনিয়া থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, টার্গেটে মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং

পরবর্তী সময়ে, বিজিবি টহল দলটি পরিত্যক্ত নৌকাটি তল্লাশি করে ১টি জি-থ্রি রাইফেল, ৩টি জি-থ্রি খালি ম্যাগাজিন, ৩টি খালি ফাইবার ম্যাগাজিন, ৫১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, ৪ হাজার পিস ইয়াবা এবং ১টি জি-থ্রি পোচ, লুঙ্গি, গেঞ্জি ও সিগারেট উদ্ধার করে।

বিজিবি আরো জানায়, এর আগে গত ৩০ মে বিকালের দিকে হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাব্যিক চর নামক স্থানে জেলের বেশধারী দুই রোহিঙ্গার কাছ থেকে গুলি ছুড়ে ইয়াবা ছিনতাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছিল। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ওই সশস্ত্র দলের সদস্যরাই বুধবারের পালংখালী বিওপির ঘটনায় জড়িত ছিলেন।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, এই গোলাগুলি এবং মাদক চোরাচালানের সঙ্গে মিয়ানমারের উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আরসার (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) সদস্যরা জড়িত। তবে, বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো বিশেষ সংগঠন কিংবা নাম উল্লেখ না করে কেবল ‘অস্ত্রধারী সশস্ত্র গ্রুপ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উৎকণ্ঠার অবসান, কক্সবাজারে ধ্বংস করা হয়েছে কামানের ৩টি গোলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


উৎকণ্ঠার অবসান, কক্সবাজারে ধ্বংস করা হয়েছে কামানের ৩টি গোলা

কক্সবাজারের ঈদগাঁও থেকে উদ্ধার হওয়া কামানের ৩টি গোলা অবশেষে ১৭ দিনের পর নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এতে আতঙ্কের অবসান ঘটিয়ে এলাকাবাসির মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরের সময় ঈদগাঁও উপজেলার ভোমরিয়াগোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে এসব গোলা নিষ্ক্রিয় করার কথা জানিয়েছেন ঈদগাঁও থানার পরিদর্শক এটিএম সিফাতুল মাজদার।

তিনি বলেছেন, গত ১৮ মে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নতুন অফিস এলাকায় কামানের গোলার সদৃশ তিনটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছিল। বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানার পরপরই তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করে।

সিফাতুল মাজদার উল্লেখ করেন, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণে বস্তুগুলো কামানের গোলার সদৃশ বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। তদুপরি এগুলো নিরাপদে ধ্বংস করার দায়িত্ব দেয়া হয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট একটি নিরাপদ বিস্ফোরণ এলাকা প্রস্তুত করে ঈদগাঁও উপজেলার ভোমরিয়াগোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে। সেখানে তারা মাটি খনন করেন এবং চারপাশে বালুর বস্তা দিয়ে সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এরপর তারা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে কামানের গোলার সদৃশ বস্তুগুলো ধ্বংস করেন।

সিফাতুল মাজদার আরও জানান, কামানের গোলাগুলো নিষ্ক্রিয় করায় এলাকায় আতঙ্ক কেটে গেছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে কামানের গোলাগুলো নিষ্ক্রিয় করার সময় দূর থেকে দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করে। কামানের গোলাগুলো বিস্ফোরিত হওয়ার পর অনেকেই ভয় পান। আবার অনেকেই স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন।

ভাঙারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিম জানান, ভারুয়াখালী এলাকা থেকে তিনি লোহা-লক্কড়ের সঙ্গে গোলাকৃতির কিছু ধাতব বস্তু সংগ্রহ করেছিলেন। প্রথমে তিনি ধারণা করেছিলেন, এগুলো কোনো বড় গাড়ির পুরোনো যন্ত্রাংশ বা ধাতব অংশ। সেই ধারণা থেকেই তিনি বস্তুগুলো কিনে নিজের কাছে নিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, পরে সেগুলো বিক্রির জন্য নিয়ে গেলে ক্রেতারা বস্তুগুলো দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং জানান, এগুলো বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু হতে পারে। বিষয়টি শুনে তিনি বস্তুগুলো একটি ছালার বস্তায় ভরে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজনকে দেখান। তাদেরও এগুলোকে বোমাসদৃশ বলে ধারণা হয়।

নুরুল আজিম আরও বলেন, বস্তুগুলো বাড়িতে রাখা নিরাপদ মনে হয়নি। তাই তিনি দ্রুত প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি ঘিরে রাখে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও এসে বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং এগুলো বিপজ্জনক বলে নিশ্চিত হন।

তিনি জানান, কামানের গোলাগুলো দীর্ঘ সময় তার বাড়ির আঙিনায় থাকায় তিনি ও এলাকার মানুষ অনেক আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। পরে পুলিশ সেগুলো নিরাপদ স্থানে নিয়ে গিয়ে নিষ্ক্রিয় করায় এখন তিনি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি অনুভব করছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ মে ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার ভাঙারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিমের বাড়ি থেকে কামানের ৩টি গোলা উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের ৩ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ৪৮৩ মিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


জুনের ৩ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ৪৮৩ মিলিয়ন ডলার

চলতি জুন মাসের প্রথম তিন দিনে দেশে ৪৮৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন (৪৮ কোটি ৩০ লাখ) মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রেমিট্যান্স ও ডলার ক্রয়ের বিষয়ক এই হালনাগাদ তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, জুনের প্রথম তিন দিনে মোট ৪৮৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের মধ্যে ৩ জুন এক দিনের জন্য এসেছে ১১৬ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে (১-৩ জুন ২০২৫) রেমিট্যান্স এসেছিল ৬০৩ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলার। যেহেতু চলতি বছরের জুনের শুরুতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ কমেছে।

এতদ পর্যন্ত জুনের শুরুতে কিছু ধীরগতি দেখা দিলেও সামগ্রিকভাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। আগামী অর্থবছরের ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৩ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দেশে মোট ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন (৩,৩২৪ কোটি) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার। ফলে বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় এবারের রেমিট্যান্সে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজি-টেকের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেকের একীভূতকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


ডিজি-টেকের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেকের একীভূতকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সঙ্গে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন দিয়েছেন। যথা কারণে, প্রযুক্তিপণ্য খাতের শীর্ষ এই দুই প্রতিষ্ঠানের একীকরণের প্রক্রিয়া কার্যকর করার উদ্দেশ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের লক্ষ্যে গত বুধবার (৩ জুন) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একটি বিশেষ সাধারণ সভা বা ইজিএম আয়োজন করে।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইজিএমে ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডাররা।

ইজিএমে অন্যদের মধ্যে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগদান করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম, পিএইচডি, এফসিএমএ ও জোহরা বিবি।

এছাড়া, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ), কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ইজিএমে অংশগ্রহণ করেন। ইজিএম সঞ্চালনা করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলাম।

সভায় অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনার প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং সুবিধাসমূহ তুলে ধরে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, 'বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক পুঁজিবাজারের একটি কমপ্লায়েন্সনির্ভর, মৌলভিত্তিসম্পন্ন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি), ইলেকট্রিক বাইকসহ অসংখ্য আইসিটি পণ্য, এক্সেসরিজ এবং প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।'

তিনি আরও উল্লেখ করলেন, 'ডিজি-টেক একীভূতকরণের ফলে ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী হবে এবং কোম্পানির বাজার সম্প্রসারণ, কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যার সুফল পাবেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডাররা।'

ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, 'ওয়ালটন ডিজি-টেককে ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে একীভূত করার এই প্রস্তাবটি মূলত একটি সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এই সিদ্ধান্ত ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। এই একীভূতকরণ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়; এটি আমাদের প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা-উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একটি অভিন্ন শক্তিতে রূপান্তর ঘটাবে। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে দ্রুততর, সম্পদের ব্যবহার হবে আরও দক্ষ এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া নয় বরং বিশ্ববাজারে 'মেইড ইন বাংলাদেশ' ট্যাগযুক্ত প্রযুক্তিপণ্যের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। আমরা বিশ্বাস করি, এই একীভূতকরণ সেই অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।'

ইজিএমে জানানো হয়েছে, ওয়ালটন ডিজি-টেকের একীভূতকরণের ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ৩৮.৪৫ শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের একটি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সেই হিসাবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি শেয়ার ইস্যু করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে পানিসম্পদমন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞ কমিটি, দেড় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞ কমিটি, দেড় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি এ বিষয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে তিস্তা অববাহিকায় সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার ওপর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকার চেষ্টা করছে, খুব দ্রুত এই ব্যবস্থাপনাটিকে কীভাবে সম্পন্ন করা যায়। বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি ৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে একটি রিপোর্ট দেবে আমাদের।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করার সময় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে রিপোর্টের ভিত্তিতে আবার বসা হবে। প্রকৃতপক্ষে বলা যায় যে কাজটি অল্প কয়েক দিনের নয়, এজন্য কিছু সময় প্রয়োজন। এই সময়ই আমরা খুব দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করতে চাই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীও তাগিদ দিয়েছেন এবং ইতোমধ্যে জানিয়েছেন যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। এখন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য আজকের মিটিংটি করা হয়েছে।

এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আমি তিস্তাপাড়ের সন্তান। তিস্তা নিয়ে অনেক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীও এসব বিষয় নিয়ে নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। আজকের আলোচনায় আমি ওই আন্তরিকতাটিকে লক্ষ্য করলাম। তিনি বলেছেন কাজ দ্রুত শুরু করতে। এটি ১০ বছরের পরিকল্পনা, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে ১২ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। আমি এটাকে কোনও সমস্যা মনে করি না, তবে টেকনিক্যাল সাপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে আনার দরকার হতে পারে।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে অঙ্গীকার করেছেন, সেটির বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে তিস্তারপাড়ের মানুষ ও দেশের মানুষ দেখতে পাবে যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় আমরা কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছি। যেমন- আমাদের ব্যারেজ এবং নদীর পানি সংরক্ষণ করাকে ফার্স্ট প্রায়োরিটি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, আমাদের কিছু টেকনিক্যাল বিষয় রয়েছে, সেগুলোর জন্য টিমগুলো গঠন করা হয়েছে এবং সেগুলো কাজ শুরু করছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্র থেকেও মন্ত্রীসহ আমরা একটি টিম সেখানে ভিজিট করতে যাব। এর মধ্য দিয়ে আমরা দ্রুততার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়ন দেখতে পাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%