ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাননীয় মন্ত্রী, ভালো উত্তর দিতে পারলে আপনিও জান্নাতে যেতে পারবেন: স্পিকার


মাননীয় মন্ত্রী, ভালো উত্তর দিতে পারলে আপনিও জান্নাতে যেতে পারবেন: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, ভালো উত্তর দিতে পারলে আপনিও জান্নাতে যেতে পারবেন।’

বুধবার সংসদে গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন বলেন, চারটি জেলার ১৯টি আসনের মধ্যে ধানের শীষ সংখ্যালঘু। মাননীয় স্পিকার, আমাদের এখানে অনেক মাননীয় সদস্য আছেন, যারা গারো পাহাড়ের পাদদেশে। আমাদের এলাকায় একটা কথা আছে, আমাদের আসনটা নাকি জান্নাতের পাদদেশে। কেন বলে জানি না।

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ওখানে কাছাকাছি মহাস্থানগড়ে বিপিজিসি (বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি) সাবস্টেশন আছে, এদিকে পলাশবাড়িতে আছে। কিন্তু আমাদের এই গোবিন্দগঞ্জের অবহেলিত ৪ লাখ ৭০ হাজার ভোটার এবং প্রায় ৬ লাখ অধিবাসীর জন্য বিপিজিসি-র কোনো সাবস্টেশন নাই। এর ফলে আমাদের এখানকার কোচাশহর হোসিয়ারি শিল্পের প্রায় ২ হাজার ক্ষুদ্র শিল্প ব্যাহত হচ্ছে এবং গতকালও ঝড়-বৃষ্টির কারণে প্রায় ৮ ঘণ্টার বেশি ইলেকট্রিসিটি ছিল না।’

আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

‘তাই আমি আমার মাননীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী মহোদয়কে বলতে চাই, আমাদের এই কথিত জান্নাতের পাদদেশে, সংখ্যালঘু ধানের শীষের অবহেলিত গোবিন্দগঞ্জে একটি বিপিজিসি সাবস্টেশন করা হবে কিনা?’

সংসদ সদস্যের এ প্রশ্নের প্রেক্ষিতে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী, ভালো উত্তর দিতে পারলে আপনিও জান্নাতে যেতে পারবেন।’

প্রশ্নের উত্তর দিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, গোবিন্দগঞ্জ তো জান্নাতই হবে। সেখানে আমার নানাশ্বশুর বাড়ি।’

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিম মেয়ে মরেছে বলেই এত আন্দোলন, মন্তব্য মন্ত্রী দিলীপের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


মুসলিম মেয়ে মরেছে বলেই এত আন্দোলন, মন্তব্য মন্ত্রী দিলীপের

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি বরাবরই উত্তেজনাপূর্ণ। বারুইপুরে মুসলিম কন্যাশিশুকে গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় এই উত্তেজনা অনেক বেড়েছে। তবে সেই উত্তেজনার মাঝে এবার বিপরীতদিক থেকে আগুনে ঘি ঢাললেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি তাঁর মন্তব্যের প্রতিটি অংশে মুসলিমদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই সুরে এই স্পর্শকাতর বিষয়গুলি নিয়ে বাংলাদেশের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও সরব হয়েছেন।

দিলীপর অভিযোগ, মুসলিম বলেই নাকি এমন আন্দোলন হচ্ছে। বিরোধী দলের নীতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দিলীপ বলেন, এই রাজ্যে আন্দোলন অথবা প্রতিবাদের ভাষা নির্ভর করে আক্রান্তের পরিচয়ের ওপর। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতারা কেবল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত এলেই তখনই পথে নামেন।

তিনি নির্দেশ দেন যে, মুসলিম বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনো বিষয় হলেই যে রকম রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা হয়, হিন্দু নারী বা বিজেপি কর্মীদের হত্যা ও বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সেই একই প্রতিবাদীরা আশ্চর্যজনকভাবে নীরব থাকেন। তিনি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে এই আন্দোলনগুলো পরিচালিত হয়।

সম্প্রতি সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, দিলীপ ঘোষের কণ্ঠে শোনা গেছে বিরোধীদলের বিরুদ্ধে দম্ভোক্তিমূলক সতর্কবার্তা। তিনি বলেন, বেশি বাড়াবাড়ি না করে এই সব ‘ড্রামা’ বন্ধ করতে হবে। তার দাবি, রাজ্যের পুলিশের রূপ এখন পাল্টে গেছে। কাকে কীভাবে ‘সোজা’ করতে হবে তা তাদের খুব ভালো করেই জানা আছে বলেও আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান তিনি।

রাজ্যের স্তব্ধ হয়ে থাকা পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আক্রমণ করেছেন এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেছেন, বহু তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানরা অফিসে যাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তার কড়া আল্টিমেটাম হলো— বা কাজ করতে হবে মানুষের সেবা করতে, না হয় ইস্তফা দিতে হবে। অন্যথায় তিনি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ার পাশাপাশি, কোমরে দড়ি পরিয়ে বাড়ি থেকে টেনে আনার মতো কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন দিলীপ। বিশেষত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক নির্যাতিতার মায়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার ঘটনাকে তিনি সুপ্রিম কোর্ট ও জাতীয় মহিলা কমিশনের নিয়মের সরাসরি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন এবং কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

এদিকে আন্দোলনকারীদেরকে তাণ্ডবকারী বলেন তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু। দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন শুভেন্দু। সম্প্রতি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং রেললাইন উপড়ে ফেলার যে অভিযোগ এসেছে, সেই প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিছেন তিনি। শুভেন্দু জানিয়েছেন, ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে ইতোমধ্যেই ২০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, এর নেপথ্যে থাকা উস্কানিদাতাদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই অশান্তির নেপথ্যে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে দাবি করে, নাম উল্লেখ না করে তৃণমূল ও সিপিএম-কে নিশানা করেছেন তিনি। তার কথায়, যারা তাণ্ডব চালিয়েছে তাদের কাউকে রেয়াত না করার জন্য তিনি পুলিশকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। এই অশান্তিতে তিনজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন, যাদের দেখতে তিনি বারুইপুর থেকে সরাসরি হাসপাতালে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করার সুযোগ দেব না: বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করার সুযোগ দেব না: বিরোধীদলীয় নেতা

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রত্যাশা প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "আমরা গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করতে দেব না। জনগণের এই রায় বৃথা যাবে না ইনশাআল্লাহ। সংসদে সবাই মিলে চিৎকার দেব, রাজপথের আন্দোলনও আরও বেগবান হবে।"

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, "এ দেশকে আমরা ভালোবাসি, কোনো অশুভ শক্তিকে মাঝখান থেকে খেলতে দেব না। নাক-কান সজাগ রেখেই আমাদের সব কাজ চলবে এবং সময়মতো জনগণের আকাঙ্ক্ষাও পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা নতুন বা পুরানো কোনো ফ্যাসিবাদ মেনে নেব না।"

বুধবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মাল্টিপারপাস হলে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে এসব কথাগুলি বলেন তিনি। "অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং সব গণহত্যার বিচারের দাবিতে" এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল।

এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। প্রবন্ধ পাঠ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

এ সময় জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে বাড়াবাড়ি করার অভিযোগ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আপনারা সংযত হোন, নইলে জনগণের উত্তাল ঢেউ আর জোয়ারে সব খড়কুটা ভেসে যাবে।" তিনি উল্লেখ করেন, "আইন আমরা হাতে তুলে নেয়ার পক্ষে নই, তবে কেউ শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে জুলাইকে অপমান করার দু:সাহস আর দেখাবেন না।"

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "দু:সাহস দেখালে এই যুব সমাজ ও জনতা এখনো ঘুমিয়ে যায়নি। যারা সশস্ত্র বাহিনীর সামনে খোলা হাতে দেশপ্রেম নিয়ে দাঁড়াতে পারে, আজও তারা দাঁড়িয়ে আছে। আমরা ঘুমাইনি, আমরা ঘুমাবো না।"

গণভোট নিয়ে প্রতারণার বিষয়ে জাতীয় সংসদে আত্মস্বীকৃত সাক্ষী পাওয়া গেছে জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "হায়া শরম থাকলে এটা হওয়ার কথা ছিল না। তবে, ভালো হয়েছে, জাতি চিনে ফেলছে, এখন আর অন্য কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ নেই।" কারণ, "সংসদে যা বলা হয় কার্যপ্রণালিতে তা লেখা হয়ে যায়, ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়।" যেহেতু এই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ হয় নাই, কাজেই এই আত্মস্বীকৃতিও রেকর্ড হয়ে থাকল।

তিনি জানান, "তারা (সরকারি দল) এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- জুলাই সনদ একটা অন্তহীন প্রতারণার দলিল, আর এই সংসদেই দাঁড়িয়ে তারা আবার প্রমাণ করলেন তারাই জাতির সঙ্গে অন্তহীন প্রতারণা করেছে।" তাদের কাছে তাদের আপন সঙ্গীদেরও রক্তের কোন মূল্য নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

"যদি সে মূল্য থাকতো তাহলে আগে দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতো। নির্বাচন কার জন্যে, সরকার কার জন্যে? জনগণের জন্যে। সেই জনগণ প্রমাটাইজ, আহত, দারুণ কষ্টে আছে। তাদের কষ্টে পাশে না দাঁড়িয়ে আমাদেরকে অপবাদ দেওয়া হয়েছে যে, আমরা নির্বাচন চাই না। নির্বাচন না চাইলে পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলাম কিভাবে?" জানিয়ে তিনি বলেন, "জামায়াত আমির বলেন, আমরা নির্বাচন চেয়েছি, তবে আমরা নির্বাচনের নামে ষড়যন্ত্র চাই নাই। ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, আমরা নিন্দা জানাই।"

তিনি আরও বলেন, "দল-নিরপেক্ষ পরিচয়ের অন্তর্বর্তী সরকারও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। নিজেরা তারা স্বীকার করেছে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।"

তারপরও এই রায় মেনে নেয়ার জন্য যে কারণ উল্লেখ করেন, তা ছিল, "সাড়ে ১৭ বছর পরে এই নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের ফসল হিসেবে যদি আমরা সেদিন রিভোর্ট করতাম, এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করতাম, তাহলে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে এর শেষ কোথায় গিয়ে দাঁড়াতো কেউ জানে না। ১১ দল দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। তবে একইসঙ্গে ১১ দল এটাও বলেছে, নির্বাচনের এই ষড়যন্ত্রের ফল মেনে নিলেও আমরা গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করতে দেব না।"

সংসদে সংবিধান সংশোধন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে ১০-১১ বার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এসেছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "সংশোধনের জন্য কমিটি লাগে না। আর সংশোধনী কমিশনের জন্য গণভোট হয়নি। গণভোট হয়েছে দেশের পচা রাজনীতির আমূল পরিবর্তন সাধনের জন্য। ফ্যাসিবাদের মূল কেটে দেওয়ার জন্য। আমরা সেই সংস্কার চাই।"

তিনি বলেন, "বিএনপি ওয়াদা থেকে সরে গিয়েছে। আমরা বেঈমানি করতে পারব না। আমরা জাতিকে কথা দিয়েছিলাম, সেই জায়গায় আমরা আছি এবং আমরা আত্মবিশ্বাসী। আমরা গভীর আস্থাশীল। জনগণের এই রায় বৃথা যাবে না ইনশাআল্লাহ। সংসদে সকলে মিলে চিৎকার দেব। রাজপথের আন্দোলন চলছে, এটা আরো বেগবান হবে।"

তিনি বলেন, "লোহা গরম হয়ে লাল হতে সময় লাগে। কিন্তু লাল যখন হবে, তখন জনগণ মুগুর নিয়ে ঠিকমতোই পিটাবে ইনশাআল্লাহ।"

জামায়াত আমির বলেন, "আমরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে মজলুম ছিলাম, একসঙ্গে জেল খেটেছি, একসঙ্গে রাজনীতি করেছি, জেল-জুলুম সহ্য করেছি। সরকার গঠনও করেছি। কিন্তু এখন কোন কোন বন্ধুর বক্তব্য ভাষায় মনে হয়, তারা জীবনেও আমাদেরকে দেখেননি। ভুলে গেছেন এততাড়াতাড়ি? স্মরণ হতে সময় লাগবে না। একটা ঝাঁকুনিই যথেষ্ট।"

মান-অভিমান ভুলে গিয়ে জনগণের এই রায়কে সম্মান করার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, "তাহলে জনগণের কাছে সম্মানিত হবেন। সম্মান না করলে যেখানে স্পিকারের অনুমতি লাগে না, সেখানে বক্তব্য হবে।"

জেল-জুলুমের ভয় না দেখানোর আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "সংসদে একজন পরিণতির কথা বলেছেন, আমরা বলেছি, ৫৫ বছর পরিণতি দেখে দেখেই বাংলাদেশ এই জায়গায় এসেছে। সর্বোচ্চ পরিণতি ফাঁসির তক্তা অথবা একটা গুলি। আমরা দেশ-জাতির ও আল্লাহর জন্য প্রস্তুত আছি। আমাদের লড়াই চলবে, ইনশাআল্লাহ জনগণের বিজয় হবে।"

তিনি বলেন, "আমাদের আলোচনা চলবে, সরকারের ন্যায্য কাজে সহযোগিতা করবো। কিন্তু জনগণের অধিকারের বিষয়ে একচুলও ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের রায়ের অপমান আমরা সহ্য করবো না। জনগণকে নিয়ে বাংলাদেশ নিয়েই বিজয় হবো ইনশাআল্লাহ। আমাদের কোনো মামু বাড়ি নেই, এই বাংলাদেশ নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই।"

সেমিনারে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি নিজেদের সংশোধন না করলে চূড়ান্ত লড়াই হবে: মামুনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


বিএনপি নিজেদের সংশোধন না করলে চূড়ান্ত লড়াই হবে: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ছোট বাচ্চাদের শান্ত করার জন্য ‘দুধভাত’ হিসেবে খেলায় রাখা হয়। বিএনপিও তেমনই জুলাই বিপ্লব বা জুলাইয়ের চেতনাকে বাংলাদেশের মূল রাজনীতি থেকে সরিয়ে ‘দুধভাত’ বানিয়ে রাখার একজন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে এই চেতনাকে হত্যার চেষ্টা করছে।

বুধবার দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ১১ দলের এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, ‘ছোটবেলায় যখন সাত-আট বছরের বাচ্চারা ফুটবল বা অন্য কোনো খেলা খেলত, তখন তিন-চার বছরের ছোট বাচ্চারাও সেই খেলায় অংশ নেওয়ার জন্য বায়না ধরত। কিন্তু ফুটবল খেলার জন্য যে বয়স বা সামর্থ্য প্রয়োজন, তা ওই ছোট বাচ্চাদের থাকে না। তখন বড় বাচ্চারা একটি কৌশল অবলম্বন করত। তারা ওই ছোট বাচ্চাটিকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বলত, হ্যাঁ, তুমিও খেলায় আছো, তবে তুমি ‘দুধভাত’। বিএনপি জুলাই বিপ্লবীদের জন্য কান্নাকাটি বা আবেগ দেখালেও জুলাই চেতনা বাস্তবায়নের পক্ষে তাদের কোনো পদক্ষেপ নেই। বরং তারা সুপরিকল্পিতভাবে এই চেতনাকে হত্যার চেষ্টা করছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বিএনপি যদি নিজেদের সংশোধন না করে, তবে তাদের সাথে চূড়ান্ত লড়াই হবে।

তিনি আরো বলেন, অতীতে বিএনপির ওপর নির্ভর করে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এবার তারা বিকল্প পথ বেছে নিচ্ছেন। বিএনপি ব্যর্থ হলে এই ঐক্য গণবিস্ফোরণে পরিণত হবে। এছাড়া তিনি অতিদ্রুত ‘জুলাই জাদুঘর’ উন্মুক্ত করার দাবি জানান। অন্যথায় বড় ধরনের সমস্যার হুঁশিয়ারি দেন।

বর্তমান সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যেমন ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র’ (পদ্মা সেতু বা মেট্রোরেল) দিয়ে মানুষের অধিকার খর্ব করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যদি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বা ‘কৃষি কার্ডের’ গণতন্ত্র দিয়ে মানুষকে বুঝ দিতে চান, তবে তাদের আচরণও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা আচরণের মতোই কঠোর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথম গানেই আলোচনায় ‘টক্সিক’, ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


প্রথম গানেই আলোচনায় ‘টক্সিক’, ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক

কন্নড় সুপারস্টার যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক’ মুক্তির পূর্বেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। প্রথম ঝলক প্রকাশ হওয়ার পর ‘নারীবিদ্বেষী’ তকমা নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়া ছবিটি এবার নতুন একটি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে প্রথম গানটির প্রকাশের পর।

সম্প্রতি প্রকাশিত গানটিতে যশ এবং কিয়ারা আদভানির রোমান্টিক রসায়ন, আবেগঘন মুহূর্ত এবং একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। গানটির ভিজ্যুয়াল, সুর এবং দুই তারকার অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি প্রশংসিত হলেও সাহসী দৃশ্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

গানটিতে প্রেমকে গভীর, আবেগপূর্ণ ও সর্বগ্রাসী অনুভূতি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যশ এবং কিয়ারার অভিনয় এবং তাদের পর্দার রসায়নকে ছবির অন্যতম বড় আকর্ষণ হিসেবে মনে করছেন অনেক দর্শক।

তবে সমালোচকদের আওয়াজও কম শোনা যায়নি। অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন যে, একটি অ্যাকশনধর্মী সিনেমার প্রচারণায় এত বেশি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের প্রয়োজন ছিল না।

কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, এটি অ্যাকশন চলচ্চিত্রের পরিবর্তে ‘ইরোটিকা’ধর্মী মেজাজ তৈরি করে ফেলেছে। আবার কেউ জানিয়েছেন, ‘টক্সিক’ নামের আড়ালে নির্মাতারা বিতর্কিত বিষয়কে স্বাভাবিকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

একজন দর্শক গানটির ভিডিওকে গর্ভনিরোধক পণ্যের বিজ্ঞাপনও হিসেবে তুলনা করেছেন।

কিন্তু সমালোচনার মাঝেও কিয়ারা আদভানির লুক, উপস্থিতি এবং যশের সঙ্গে তার রসায়নের জন্য অসংখ্য দর্শক প্রশংসা করেছেন।

গানটির সুর, কণ্ঠ এবং সংগীতায়োজন করেছেন বিশাল মিশ্র। হিন্দি সংস্করণের গীতিকার রাজ শেখর। এ ছাড়াও গানটি কন্নড়, তেলুগু, তামিল এবং মালয়ালম ভাষাতে একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে সিনেমাটি সম্পর্কে যশ বলেছিলেন, ‘সাধারণত অ্যাকশন ছবি বললেই পুরুষ পরিচালকদের কথা মাথায় আসে। ভারতে দীর্ঘদিন ধরে এমনটাই হয়ে আসছে। বড় মাপের অ্যাকশন ও গ্যাংস্টারদের নিয়ে নির্মিত ছবিটির পরিচালনা পুরুষদের করে আসতে দেখা যায়। এবার যদি লড়াইয়ের ছবি নারীর দৃষ্টিভঙ্গিতে হয়, তবে তা নতুন অভিজ্ঞতা হবে।’

সবকিছু সঠিক থাকলে আগামী ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘টক্সিক’। মুক্তির আগেই ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ যেমন ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে, তেমনি প্রতিটি নতুন প্রচারণামূলক কনটেন্ট ঘিরে বিতর্ক এবং আলোচনা তৈরি হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%