ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্ববাজারে ফের ১০০ ডলার ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম


বিশ্ববাজারে ফের ১০০ ডলার ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম

 

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নতুনভাবে তীব্র হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উদ্বেগের প্রভাবে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত মে মাসের পর প্রথমবারের মতো ঘটলো।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর চলতি ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একদিনে ৬ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায়

বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর পর পরিস্থিতিটি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর ফলে সৌদি আরবের জন্য হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পথও ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে।

একইসঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে গ্যাসের বেঞ্চমার্ক মূল্য প্রতি থার্মে প্রায় ১৫০ পেন্স, যা জুনের শেষে প্রায় ৯৮ পেন্স ছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কিছুটা কমে গিয়েছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পূর্ববর্তী পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আবারও পরিবর্তিত হয়। এ সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের নেতৃত্ব এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রস্তুত নয়।

অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা রয়েছে, চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ আবারও বাড়তে পারে। তেলের মূল্য বেড়ে গেলে সাধারণত পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বৃদ্ধি পায়। এর ফলে পরিবহণ ব্যয় বেড়ে খাদ্য ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়তে দেখা যেতে পারে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনের আগে ইসরায়েলে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু ও সেনাপ্রধানের মধ্যে বিরোধ

যুক্তরাজ্যে গত আড়াই সপ্তাহে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম প্রায় ৫ পেন্স বেড়ে গড়ে ১ দশমিক ৫৬ পাউন্ডে পৌঁছেছে। একই সময়ে ডিজেলের গড় মূল্য বেড়ে হয়েছে ১ দশমিক ৭২ পাউন্ড প্রতি লিটার।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম আবার ৪ ডলার ছাড়িয়েছে, যা এক মাস আগে ছিল ৩ দশমিক ৯২ ডলার।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ কংগ্রেসে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ মেয়াদে উচ্চ পর্যায়ে থাকার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়লেও মূল্যস্থিতি ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ফেড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঋণের সুদহার কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তথাপি গত মাসে কেভিন ওয়ার্শের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ফেডের প্রথম বৈঠকে সুদের হার ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখা হয়।

আরও পড়ুন: সার্বিয়ার নির্বাচনে ভুচিচের পরাজয়, বিরোধী জোট ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির ১ যুগের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণ বিস্ফোরণ-ই কি তার পতনের ঘন্টা ধ্বনি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ এম


মোদির ১ যুগের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণ বিস্ফোরণ-ই কি তার পতনের ঘন্টা ধ্বনি?

ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে বর্তমান রাজনীতিকে ব্যঙ্গ করে তৈরি হওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) মোদি সরকারের বিরুদ্ধে পুরো ভারত জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে গত কয়েক দিন থেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সহ নির্দিষ্ট কিছু দাবিতে তৈরি হওয়া তাদের এই ছাত্র গণ আন্দোলন দিল্লির যন্তর মন্তরেই চলছিল। কিন্তু তাদের শান্তিপূর্ণ দাবি আদায়ের আন্দোলনের এই সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর দিল্লী পুলিশের অমাণবিক ও বর্বরোচিত হামলা ও নির্যাতন কি শেয পর্যন্ত এই আন্দোলনকে শ্রীলংকা, নেপাল ও বাংলাদেশের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব কিংবা গণ-বিষ্ফোরণের মতো মোদি হটাও আন্দোলন কিংবা মোদি সরকার পতনের আন্দোলনে রুপ দেয় কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়? 
কারণ আন্দোলনে গোটা ভারতবর্ষের জনগণের ছাত্রদের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনের সম্পৃক্ততা ও তীব্রতা দেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার গদি বাঁচাতেই কি গভীর রাতে নমনীয় মনোভাব নিয়ে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে নিজের ভেরিফিক আইডি থেকে লাইভে এসে ভিডিও বার্তা প্রদান করেছেন?
 
যিনি ছাত্রদের এ আন্দোলনকে পাত্তাই দিচ্ছিলেন না, তাদের আন্দোলনের পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে গেছে বলে অনুভব করলে বা তিনি ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজেকে বিশ্বগুরু দাবি করা ব্যক্তি আন্দোলনের তীব্রতা কতটা অনুভব করলে ব্যক্তিগতভাবে লাইভে এসে একপ্রকার আকুতি জানাতে পারেন তা থেকে অনুমান করা যায়, এই আন্দোলন কি শেষ পর্যন্ত সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ও নেপালের মত ছাত্রদের সাথে জনতা মিলে ছাত্র জনতার আন্দোলনে রূপ নিয়ে গণবিস্ফোরণে  পরিণত হবে না তো?
 

ভারতের সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনকে কেবল একটি পেপার লিক কেলেঙ্কারির প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখলে মোদি সরকারের অপ-শাসনের দীর্ঘ এক যুগের প্রকৃত বাস্তবতার বড় একটি অংশ আড়াল হয়ে যাবে। মূলত এটি বহু বছর ধরে জমে থাকা রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। প্রশ্নফাঁস ছিল কেবল সেই স্ফুলিঙ্গ, যা দীর্ঘদিনের ১৪০ কোটি নাগরিকের ভেতর জমে থাকা  বারুদ ভর্তি মনে জ্বলে ওঠা অসন্তোষের আগুন।

নরেন্দ্র মোদী টানা প্রায় ১২ বছর ধরে ভারতের ক্ষমতায়। এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, তদন্ত সংস্থা ও বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধী মহল থেকে ধারাবাহিক প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

একই সঙ্গে বিরোধী মত দমন , সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া, বিরোধী দলের ও কণ্ঠের ওপর ক্রমাগত চাপ বৃদ্ধি, সারাদিন গণমাধ্যমকে নিজের করতল গত পরে একপ্রকার গলা চেপে ধরা এবং ভিন্নমত প্রকাশের পরিসর সীমিত হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে বৃহৎ এই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের হবে তীব্র ক্ষোভের প্রতিফলন আজকের ছাত্র আন্দোলন।

এটি শুধু একটি পেপার লিংক ঘটনার বিষয়ে আন্দোলন বললে ভুল হবে। কারণ কাশ্মীর থেকে তামিলনাডু, গুজরাট থেকে অরুণাচল সর্বভারতে জনতার ক্ষোভের যে বিস্ফোরণ দেখা গেছে তা মোদির দীর্ঘ ১২ বছরের অপশাসনের বিরুদ্ধে জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

ক্ষমতা ধরে রাখতে, নাগরিকদের নাগরিকত্ব অধিকার কেড়ে নিতে , বিরোধীপক্ষের মতাদর্শ বা জনতার শক্তিকে খর্ব করতে এনআরসি, সিএএসহ নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত নীতিগুলোও ভারতীয় রাজনীতিতে গভীর বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা ভারতীয় নাগরিকদের জন্মের অধিকার তথা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে মোদি সরকার চরম ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

সমালোচকদের মতে, এসব উদ্যোগ বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের বিপুলসংখ্যক মুসলিম , দলিত হিন্দু ও মোদি বিরোধী বিভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রায় ৯০ লক্ষাধিক ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে। সরকারের অবস্থান অবশ্য ভিন্ন; তারা দাবি করে, এসব পদক্ষেপ জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে সুসংহত করার জন্য -যা  মূলত মোদী সরকারের নিরঙ্কুশ, একনায়ক ও স্বৈরাশশাসন টিকিয়ে রাখার জন্য একটি কৌশল বা হাতিয়ার ছিল মাত্র।

কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি পুরোনো সত্য হলো—যখন একটি সমাজে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের ক্ষোভ জমতে থাকে, তখন একটি মাত্র ঘটনাই বিস্ফোরণের কারণ হয়ে উঠতে পারে। ভারতের সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন কি সেই বিস্ফোরণের সূচনা? প্রশ্নটি এখন আর অমূলক নয়।

আজ যে তরুণেরা প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছে, তাদের অনেকের ক্ষোভ কেবল একটি পরীক্ষাকে ঘিরে নয়; বরং কর্মসংস্থান, বৈষম্য, দুর্নীতি, মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, নিজেদের মত জনগণের উপর বাধ্যতামূলকভাবে চাপিয়ে দেয়া, সকল সাধারণ হিন্দুদের উপর উগ্র হিন্দুত্ববাদী চেতনা চাপিয়ে দেয়া, মুসলিমদের মসজিদ ভেঙে মন্দির নির্মাণ করার মত উগ্র জাতীয়তাবাদীর নামে সাম্প্রদায়িক চেতনা চাপিয়ে দেয়া,  প্রশাসন, বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি রাষ্ট্র কাঠামোকে দলীয়করণ করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টি করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া এবং জনগণের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও গোটা ভারতেই এই ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। সেই কারণেই ছাত্রদের এই আন্দোলন ১৪০ কোটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে যাদের হয়ে কথা বলার প্রতিনিধি এতদিন ছিল না।

এটি শুধু পেপার প্রশ্ন ফাঁস বা লিক বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নয়; এটি মোদি সরকারের দীর্ঘ অপশাসন ও গণতন্ত্রের লেবাসে কৌশলে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার বিষয় নিয়ে মানুষের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের ও অসন্তোষের চুড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

ক্ষমতার দীর্ঘস্থায়িত্ব অনেক সময় শাসকদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, ক্ষমতায় থাকায় দম্ভ ও অহংকার সৃষ্টি হয়, কিন্তু একই সঙ্গে জনগণের ক্ষোভও নীরবে জমতে থাকে যা যুগে যুগে স্বৈরশাসকেরা কখনো অনুধাবন করতে পারেনি। ইতিহাস বহুবার দেখিয়েছে—সেই ক্ষোভ যখন বিস্ফোরিত হয়, তখন সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষমতার মসনদও কেঁপে ওঠে।
আর তার সর্বশেষ উদাহরণ এশিয়ায় মালদ্বীপ থেকে শুরু করে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপাল সরকারের যারা এককভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার সর্বশেষ চেষ্টা যা প্রশাসন দ্বারা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া চেষ্টা করেছিল কিন্তু পারেনি। সাম্প্রতিক সিজেপির (ককরোজ জনতা পার্টির) ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের পক্ষ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর যে হিংস্র আচরণ মোদি সরকার পেটোয়া বাহিনী দ্বারা করা হয়েছে কিংবা নিরাপত্তা বাহিনীর কথায় পুলিশকে ছাত্রদের উপর লেলিয়ে দেওয়া এবং এসব ব্যবহার করেও ক্ষমতায় থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করাও শেষ পর্যন্ত সফল নাও হতে পারে।

ভারতের রাজপথে আজ যে উত্তাল তরঙ্গ দেখা যাচ্ছে, সেটি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে, তা সময়ই বলবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—যে আগুন একবার মানুষের মনে জ্বলে ওঠে, তাকে শুধু প্রশাসনিক শক্তি দিয়ে চিরদিন দমিয়ে রাখা যায় না। যদি এই ক্ষোভ আরও বিস্তৃত সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেয়, তবে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

কাজেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের আন্দোলন থামাতে কিংবা ক্ষমতা ধরে রাখতে কিংবা ক্ষমতায় টিকে থাকতে সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবানলের মত উত্তাল আন্দোলন দেখে গদি সামলাতে রাতে তার স্যেসাল মিডিয়ায় লাইভে ভাল মানুষ হয়ে সেজে এসে ভাল কথা বলে কি বারুদসম ১৪০ কোটি নাগরিকের ভেতর দাবানলের মতো জ্বলে ওঠা অগ্নি স্ফুলিঙ্গে জল ঢালতে পারবে?-আমার মনে হয় সেটি সম্ভব নয়, বাকিটা হয়তো সময়েই বলবে - এমন কথা বলা মনে হয় আজকের দিনে বলা  অমূলক নয়।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভ্যানচালকের গড়া বিদ্যালয়ে আলো ছড়াচ্ছে ২০০ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ এম


ভ্যানচালকের গড়া বিদ্যালয়ে আলো ছড়াচ্ছে ২০০ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী

জন্ম থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী একটি মেয়ে। তার ভ্যানচালক বাবা মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য শহর থেকে গ্রামে ঘুরেছেন। কিন্তু কোনো স্কুলই মেয়েটিকে ভর্তি নিতে রাজি হয়নি। উপায় না পেয়ে, বাবার মনে মেয়ের করুণ অবস্থা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা উঠে আসে এবং তিনি তার নিজ গ্রামে একটি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে সেখানে দুই শর বেশি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী শিক্ষার আলো পাচ্ছে। বিদ্যালয়ে স্বেচ্ছায় শ্রম দিচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। ভ্যানচালক সেলিম মিয়ার এমন উদ্যোগটি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।

সরেজমিনে মাদারীপুরের রাজৈরের প্রত্যন্ত এলাকা শাখারপাড়ে দেখা যায়, গ্রামটির মেঠোপথ ধরে দলবদ্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা। তাদের মধ্যে কেউ ১২ বছর বয়সী, আবার কেউ ১৫ বছর। তারা বিদ্যালয়ে এসে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে যোগ দিচ্ছে। প্রতিদিন এই ধরনের দৃশ্য বিদ্যালয়ে ফুটে ওঠে।

২০১৮ সালে ভ্যানচালক সেলিম মিয়া এই প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। দুই বছর পর, তিনি নিজ অর্থায়নে ২০ শতাংশ জমি কিনে একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করেন। প্রথম দিকে শিক্ষার্থী সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে বিদ্যালয়ে দুই শতাধিক প্রতিবন্ধী শিশু লেখাপড়া করছে। এখানে ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী স্বেচ্ছায় শ্রম দিচ্ছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি নকশিকাঁথা, মোমবাতি ও এলইডি বাল্ব তৈরি এবং সেলাই শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

জানা যায়, শাখারপাড় গ্রামের মোশারফ শরীফের ছেলে সেলিম মিয়া। তার বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তারকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর জন্য শহর থেকে গ্রামের বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছেন। তবে কোথাও ভর্তি করার সুযোগ পাননি। মানসিক কষ্ট সত্ত্বেও, তিনি অন্যান্য প্রতিবন্ধীদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াতে নিজেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন।

বিদ্যালয়ে ভর্তির পর সন্তানদের ইতিবাচক পরিবর্তন দেখে অভিভাবকরা আনন্দিত। বেশ কয়েকজন অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ে আসার পর তাদের সন্তানদের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগে তারা কারো সঙ্গে মেশে না, কিন্তু এখন খেলাধুলা করে এবং কথা বলে। বাসায় একা থাকতে ভয় পেত, সেই ভয়টিও এখন দূর হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সেলিম মিয়া জানান, ‘ইচ্ছেশক্তি আর মনোবল থাকার কারণেই এই বিদ্যালয়টি স্থাপন করতে পেরেছি। প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে এখন সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। এখানে দায়িত্ব পালন করা কোনো শিক্ষক-কর্মচারী বেতন পান না। তারা পরিবার নিয়ে আছেন। সরকার যদি আমাদের দিকে নজর দেয়, তাহলে বিদ্যালয়টি আরও সাফল্য অর্জন করতে পারবে।’

সহকারী শিক্ষক তাপসী আক্তার বলেন, ‘আমি ৬ বছর ধরে বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে কাজ করছি। সরকার যদি আমাদের দিকে একটু নজর দিত, তাহলে আমাদের কষ্ট কিছুটা হতো।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাদিজা আক্তার জানান, ‘বাচ্চাদের বিনা বেতনে এখানে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের খরচও বিদ্যালয় থেকে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এখন প্রতিষ্ঠান আর এটি চালাতে পারছে না। সরকারিভাবে কোনো বরাদ্দ ও জাতীয়করণ না হলে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

জানা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অনলাইনে আবেদন করা হলেও, তা আজও আলোর মুখ দেখেনি।

এ বিষয়ে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, ‘প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে বেশ কিছু শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিদ্যালয়ের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি জানতে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট আসার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিদ্যালয়টির কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করবে। পাশাপাশি এটি এমপিওভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবারের মতো সাউদাম্পটনে অ্যাশেজ টেস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


প্রথমবারের মতো সাউদাম্পটনে অ্যাশেজ টেস্ট

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজ সিরিজের সূচি চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী বছরের ১৮ জুন ট্রেন্ট ব্রিজে লড়াই দিয়ে শুরু হবে ছেলেদের পাঁচ ম্যাচের সিরিজ। এবার সাউদাম্পটনে প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ টেস্ট মাঠে গড়াবে। ২০২৩ সালের মতো ২০২৭ সালেও ছেলেদের ও মেয়েদের অ্যাশেজ সিরিজ একযোগে আয়োজন করতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। এতে ছেলেদের পর ২৪ জুন হেডিংলিতে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে মেয়েদের অ্যাশেজ। এর আগে ২০২৩ সালের হোম অ্যাশেজেও যৌথভাবে ছেলেদের ও মেয়েদের সিরিজ আয়োজন করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল ইসিবি। সেবার ছেলেদের পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-২ সমতায় শেষ হয়েছিল। মেয়েদের পয়েন্টভিত্তিক সিরিজটি ৮-৮ সমতায় শেষ হয়। দুইটি সিরিজ ড্র হলেও আগের বিজয়ী হিসেবে ট্রফি দুটি অস্ট্রেলিয়াই নিজেদের দখলে রেখেছিল। ট্রেন্ট ব্রিজ স্টেডিয়ামে দীর্ঘ ১২ বছর পর ফিরছে অ্যাশেজ টেস্ট। পুরুষদের পাঁচ টেস্টের সিরিজের প্রথম ম্যাচটি এখানে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাকি চার টেস্ট যথাক্রমে লর্ডস, এজবাস্টন, ইউটিলিটা বোল এবং শেষ টেস্টটি হবে কিয়া ওভালে। এছাড়া প্রথমবারের মতো ছেলেদের অ্যাশেজ টেস্ট হতে যাচ্ছে সাউদাম্পটনের রোজ বোলে। অ্যাশেজ মহারণের ঠিক আগে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি প্রস্তুতি ম্যাচের আয়োজন করেছে ইসিবি। আগামী ৭ থেকে ১০ জুন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ইংল্যান্ড লায়ন্সের মুখোমুখি হবে অজিরা। অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাটিতে সবশেষ অ্যাশেজ সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল ইংল্যান্ড। নিজেদের ডেরায় এবার অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য ইংলিশদের। অ্যাশেজের আগেই আগামী ১৫ থেকে ২৬ মে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে শুরু হবে ইংল্যান্ডের আগামী আন্তর্জাতিক মৌসুম। তবে আইপিএলের সাথে সময় মিলে যাওয়ার কারণে এই সিরিজে সেরা অনেক তারকাকে ছাড়াই খেলতে হতে পারে ইংল্যান্ডকে।

পুরুষদের অ্যাশেজ সূচি:

প্রথম টেস্ট: ১৮ - ২২ জুন (ট্রেন্ট ব্রিজ)

দ্বিতীয় টেস্ট: ৩০ জুন - ৪ জুলাই (লর্ডস)

তৃতীয় টেস্ট: ৮ - ১২ জুলাই (এজবাস্টন)

চতুর্থ টেস্ট: ২১ - ২৫ জুলাই (রোজ বোল, সাউদাম্পটন)

পঞ্চম টেস্ট: ২৯ জুলাই - ২ আগস্ট (কিয়া ওভাল)

নারীদের অ্যাশেজ সূচি:

একমাত্র টেস্ট: ২৪ জুন - ২৭ জুন (হেডিংলি, লিডস)

প্রথম টি-টোয়েন্টি: ৩ জুলাই (ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহ্যাম)

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি: ৬ জুলাই (দ্য কিয়া ওভাল, লন্ডন)

তৃতীয় টি-টোয়েন্টি: ৯ জুলাই (এমিরেটস ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, ম্যানচেস্টার)

ওয়ানডে সিরিজ:

প্রথম ওয়ানডে: ১৩ জুলাই (ইউটিলিটা বোল, সাউদাম্পটন)

দ্বিতীয় ওয়ানডে: ১৬ জুলাই (লর্ডস, লন্ডন)

তৃতীয় ওয়ানডে: ২০ জুলাই (এজবাস্টন, বার্মিংহ্যাম)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জাহাজের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে ইরানের জব্দ করা অর্থ দিয়ে’, জানালেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ এম


‘জাহাজের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে ইরানের জব্দ করা অর্থ দিয়ে’, জানালেন ট্রাম্প

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের নতুন হামলার পর বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, জাহাজ ও কার্গোর যে কোনো ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করা হবে উক্ত অর্থ দিয়ে যা যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জব্দ আছে ইরানের।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প মন্তব্য করে বলেন, এখন থেকে জাহাজ, কার্গো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষতিপূরণের সব টাকা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অর্থ থেকে দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে, তবে এটিই হবে ন্যায্য এবং সঠিক পদক্ষেপ। তবে তিনি উল্লেখ করেননি যে, শিপিং কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অর্থ প্রদান করবে কি না।

গত দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একাধিকবার সংঘাত ঘটে। এর পাশাপাশি ইরান-সমর্থিত হুতিরা লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেলের ট্যাংকারে হামলা চালানোর ঘটনা সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এরপর থেকেই ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি আরো বাড়িয়ে চলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইরানের প্রায় ২০০ কোটি ডলার জব্দ রয়েছে। এছাড়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে অন্যান্য দেশে ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে, যার পরিমাণ ২ হাজার ৪০০ কোটি (২৪ বিলিয়ন) থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের তলানিতে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।

গত জুনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। যেখানে জব্দ অর্থ ছাড়, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানে ৩০ হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে এই অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। গত কয়েক দশকে ইরানের সঙ্গে যুক্ত সন্ত্রাসী হামলার শিকার ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে তাদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সে চুক্তিতে ইরান কখন এবং কীভাবে অর্থ পাবে তা অস্বচ্ছ ছিলেন। তবে নতুন করে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার কারণে উক্ত স্মারকে উল্লেখিত শান্তি প্রক্রিয়া পুরোপুরি ভেস্তে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%