০৯:৪৮ এম
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের নতুন হামলার পর বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, জাহাজ ও কার্গোর যে কোনো ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করা হবে উক্ত অর্থ দিয়ে যা যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জব্দ আছে ইরানের।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প মন্তব্য করে বলেন, এখন থেকে জাহাজ, কার্গো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষতিপূরণের সব টাকা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অর্থ থেকে দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে, তবে এটিই হবে ন্যায্য এবং সঠিক পদক্ষেপ। তবে তিনি উল্লেখ করেননি যে, শিপিং কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অর্থ প্রদান করবে কি না।
গত দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একাধিকবার সংঘাত ঘটে। এর পাশাপাশি ইরান-সমর্থিত হুতিরা লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেলের ট্যাংকারে হামলা চালানোর ঘটনা সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এরপর থেকেই ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি আরো বাড়িয়ে চলেছেন।
আরও পড়ুন: জেন জি-র পাশে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র রক্ষায় রাজপথে প্রবীণ নাগরিকরা
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইরানের প্রায় ২০০ কোটি ডলার জব্দ রয়েছে। এছাড়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে অন্যান্য দেশে ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে, যার পরিমাণ ২ হাজার ৪০০ কোটি (২৪ বিলিয়ন) থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের তলানিতে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
গত জুনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। যেখানে জব্দ অর্থ ছাড়, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানে ৩০ হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে এই অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। গত কয়েক দশকে ইরানের সঙ্গে যুক্ত সন্ত্রাসী হামলার শিকার ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে তাদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে আসছেন।
সে চুক্তিতে ইরান কখন এবং কীভাবে অর্থ পাবে তা অস্বচ্ছ ছিলেন। তবে নতুন করে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার কারণে উক্ত স্মারকে উল্লেখিত শান্তি প্রক্রিয়া পুরোপুরি ভেস্তে গেছে।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডের ফুকেটে ভারী বৃষ্টিতে পানিবন্দি শতাধিক পরিবার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন