আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৫:৫০ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী মৌনতা ইসলামকে পড়ালেখার সহায়তায় শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডন লাইট ফাউন্ডেশন।
সোমবার (২২ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চেক হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা অর্জনে সমাজের বিত্তবান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোস্তফা হোসাইন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল মুন্সী, ডন লাইট ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাসুমা খাতুন ও উপদেষ্টা কাউছার আহমেদসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএও জানান মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের দায়িত্ব। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শাহরুয়ার আহমেদ ইমনের (২২) মরদেহ ৯ দিন নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ২২ বছর বয়সী এক বিদেশি যুবককে সাইপ্রাস পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশের ধারণা অনুযায়ী, ইমনকে ১২ জুন রাতে নিখোঁজ হওয়ার সময়েই হত্যা করা হয়েছিল।
নিহত শাহরুয়ার আহমেদ ইমন নরসিংদীর রায়পুরা থানার বাখর নগর এলাকার নাসির মিয়ার ছেলে। তিনি সাইপ্রাসের লারনাকা জেলার ওরোক্লিনি এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন গ্রেফতারকৃত যুবক জিজ্ঞাসাবাদের সময় একটি স্থানীয় কসাইখানার কাছে ইমনের মরদেহের অবস্থান জানান। এরপর তদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধারের অভিযানে পুলিশ নেমেছে।
তদন্ত সূত্রে এমনটিও জানা গেছে যে, ১২ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ইমন তার বাসা থেকে বের হন। তিনি তার বন্ধুদের জানান, কোফিনোর একটি কারখানায় কর্মদিবসে যোগ দিতে যাচ্ছেন।
ওই রাতে, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তিনি এক বন্ধুকে নিজের অবস্থান পাঠান এবং গ্রিসে তার বাবার কাছ থেকে সাহায্য চেয়ে একটি বার্তা প্রেরণ করেন। এরপর থেকেই ইমনের ফোন বন্ধ হয়ে যায় এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
গ্রেফতারের দুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুক্তিপণের একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ১০ হাজার ইউরো এবং পরে আরও ২৫ হাজার ইউরো দাবি করা হয়। একই সাথে হুমকি ছিল যে, পুলিশকে জানালে পরিবারের সদস্যরা আর কখনও ইমনের মুখ দেখতে পাবেন না।
ইমন নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা সাইপ্রাস ও গ্রিস কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চান। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন থেকেই অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ইমানের ফোন ব্যবহার করে তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করে।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, হত্যাকারী আসলে অপহরণের নাটক সাজিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। ইমনের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ সিগন্যাল কোফিনু এলাকায় শনাক্ত করার পরে স্থানীয় পুলিশ, সিআইডি ও গোয়েন্দা দল সিসিটিভি ফুটেজ এবং বাস রুট অনুসারে তদন্ত শুরু করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত ২২ বছর বয়সী যুবক হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার দেয়া তথ্যানুসারে, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র এবং ইমনের ব্যক্তিগত সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, কিছুদিন আগে একটি বাসের যাত্রার সময় ইমনের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের পরিচয় হয়। অভিযুক্তের দাবি, “ওই সময়ে ইমন তাকে অপমান করেছিলেন এবং সে প্রতিশোধ নিতেই এই হত্যাকাণ্ড।”
তবে পুলিশ ধারণা করছে, হত্যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পূর্বপরিকল্পিতভাবে অর্থ আদায় করা। ঘটনার দিন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ইমনকে কোফিনু এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয় এবং একটি অগভীর গর্ত খুঁড়ে মরদেহ মাটি চাপা দেওয়া হয়।
বর্তমানে মরদেহ উদ্ধারের স্থানটি ঘিরে রেখেছে সাইপ্রাস পুলিশের ফরেনসিক বিভাগ, এবং তদন্তের জন্য আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো চক্র বা উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা উদঘাটনে স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত চলছিল।
তথ্যসূত্র: ফিলি নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সোমবার, শিল্প কলা একাডেমী নারায়ণগঞ্জে অনুষ্ঠিত ডিজাইন তন্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক বৃক্ষ ম্যাজিস্ট্রেট, জনাব মোঃ রায়হান কবির।
'নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিতর্ক উৎসব ২০২৬' এর বিজয়ী ও বিজিত উভয়দলকে অভিনন্দন জানানো হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- মাননীয় সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৫; পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ; প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন; অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ; এডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সদস্য সচিব, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, বিতর্ক অনুরাগী শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দসহ অনুষ্ঠানস্থলে আগত দর্শনার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের খানসামায় আত্রাই নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া মাজেদুল ইসলাম নামে যুবকের সন্ধান মেলেনি পাঁচ দিনেও।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর পর্যন্ত আত্রাই নদীতে অভিযান চালিয়েও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
এর আগে গত ১৮ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভাবকি ইউনিয়নের আগ্রা গ্রামের মাধবের ঘাট এলাকার আত্রাই নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে সে নিখোঁজ হন।
নিখোঁজ যুবক মাজেদুল ইসলাম উপজেলার আগ্রা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।
নিখোঁজের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৮ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আত্রাই নদীর মাধবের ঘাট এলাকায় মাছ ধরার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে মাজেদুল নদীর পানিতে তলিয়ে যান। ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে রংপুর থেকে ডুবুরি দল এনে নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হলেও সোমবার সকাল পর্যন্ত তার মরদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ যুবকের বাবা আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমাদের একটাই আকুতি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আমার ছেলেকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হোক। মৃত্যু হলেও আমরা যেন তাকে শেষ বারের মতো বিদায় জানাতে পারি।’
খানসামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার আবু সায়েম বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নদীতে পানির গভীরতা ও তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। রংপুর থেকে আসা অভিজ্ঞ ডুবুরি দলও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকার বলেন, নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার না হওয়ায় শোকাহত পরিবারটির কষ্ট আরও বেড়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমের গতি বাড়াতে নিখোঁজের দ্বিতীয় দিনেই ডুবুরি দল আনা হয়েছে। নদীতে বর্তমানে প্রচুর স্রোত থাকায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পরে সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে অপহরণের পর তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) সকালে সাড়ে ৮টায় সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। তিনি সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজির চেষ্টা করলেও শিশুর কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন।
পরিবারের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, রবিবার রাতে তাদের কাছে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোনকল আসে।
ফোনে সেঁজুতিকে জীবিত ফেরত দেওয়া হবে বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মৃত সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র বলেন, ‘আমার অনেক শত্রু আছে। মুক্তিপণের টাকা না পাওয়ায় আমার ছোট মেয়েটিকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, খবর Pপেয়ে সোমবার সকালে পুলিশ উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিসহ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ