মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৫:৫৩ পি.এম
২২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সোমবার, শিল্প কলা একাডেমী নারায়ণগঞ্জে অনুষ্ঠিত ডিজাইন তন্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক বৃক্ষ ম্যাজিস্ট্রেট, জনাব মোঃ রায়হান কবির।
'নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিতর্ক উৎসব ২০২৬' এর বিজয়ী ও বিজিত উভয়দলকে অভিনন্দন জানানো হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- মাননীয় সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৫; পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ; প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন; অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ; এডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সদস্য সচিব, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, বিতর্ক অনুরাগী শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দসহ অনুষ্ঠানস্থলে আগত দর্শনার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের খানসামায় আত্রাই নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া মাজেদুল ইসলাম নামে যুবকের সন্ধান মেলেনি পাঁচ দিনেও।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর পর্যন্ত আত্রাই নদীতে অভিযান চালিয়েও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
এর আগে গত ১৮ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভাবকি ইউনিয়নের আগ্রা গ্রামের মাধবের ঘাট এলাকার আত্রাই নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে সে নিখোঁজ হন।
নিখোঁজ যুবক মাজেদুল ইসলাম উপজেলার আগ্রা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।
নিখোঁজের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৮ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আত্রাই নদীর মাধবের ঘাট এলাকায় মাছ ধরার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে মাজেদুল নদীর পানিতে তলিয়ে যান। ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে রংপুর থেকে ডুবুরি দল এনে নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হলেও সোমবার সকাল পর্যন্ত তার মরদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ যুবকের বাবা আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমাদের একটাই আকুতি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আমার ছেলেকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হোক। মৃত্যু হলেও আমরা যেন তাকে শেষ বারের মতো বিদায় জানাতে পারি।’
খানসামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার আবু সায়েম বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নদীতে পানির গভীরতা ও তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। রংপুর থেকে আসা অভিজ্ঞ ডুবুরি দলও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকার বলেন, নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার না হওয়ায় শোকাহত পরিবারটির কষ্ট আরও বেড়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমের গতি বাড়াতে নিখোঁজের দ্বিতীয় দিনেই ডুবুরি দল আনা হয়েছে। নদীতে বর্তমানে প্রচুর স্রোত থাকায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পরে সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে অপহরণের পর তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) সকালে সাড়ে ৮টায় সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। তিনি সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজির চেষ্টা করলেও শিশুর কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন।
পরিবারের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, রবিবার রাতে তাদের কাছে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোনকল আসে।
ফোনে সেঁজুতিকে জীবিত ফেরত দেওয়া হবে বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মৃত সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র বলেন, ‘আমার অনেক শত্রু আছে। মুক্তিপণের টাকা না পাওয়ায় আমার ছোট মেয়েটিকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, খবর Pপেয়ে সোমবার সকালে পুলিশ উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিসহ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশ একটি অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে ১৩ জনকে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার করা হয়। যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ গতকাল এই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ সোমবার এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মো. ফয়সাল, রনি, রিদয়, মো. স্বপন, মো. হাসান, মো. মহিন, মো. রাব্বি, মো. মনির হোসেন, মো. আল আমিন, মো. রাকিব হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম এবং আব্দুল মালেক। উল্লেখযোগ্য যে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানা মামলা থাকার তথ্য রয়েছে এবং অনেকেই বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন যে, তথ্য অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে একটি বিশেষায়িত ‘গুজব প্রতিরোধ ও ফ্যাক্ট-চেকিং কমিটি’ ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।
সোমবার সংসদ অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। সে দিন সংসদে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এটি উত্থাপিত হয়।
সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নান জানতে চেয়েছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় কোনো সচেতনামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে কি না।
জবাবে তথ্যমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ সারাদেশে অনলাইন সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।
গুজব প্রতিরোধ ও ফ্যাক্ট-চেকিং কমিটির বিষয়ে সংসদে তথ্যমন্ত্রী জানালেন, তথ্য অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের এই বিশেষায়িত কমিটি ২৪ ঘণ্টা কর্মরত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে এই কমিটির মাধ্যমে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সত্যতা নিশ্চিত করে ‘তথ্যবিবরণী’ এবং ‘প্রতিবাদলিপি’ সরকারি ও বেসরকারি সব গণমাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে পাঠানো হচ্ছে।
আঞ্চলিক তথ্য অফিসের মাধ্যমে মনিটরিংয়ের উদ্যোগও পরিচালিত হচ্ছে। সদর দপ্তরের পাশাপাশি তথ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পর্যায়ের আঞ্চলিক তথ্য অফিসসমূহ নিজেদের অঞ্চলের অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের ওপর নিবিড় নজরদারি করছে।
গণমাধ্যমে ইতিবাচক প্রচার বাড়ানোর জন্য অপপ্রচার ও সাইবার হয়রানির বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে অধিদপ্তরের ফিচার শাখা থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক বিশেষ নিবন্ধ এবং ফিচার তৈরি করে জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালসমূহে প্রকাশের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ