০৫:৫৫ পি.এম
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পরে সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে অপহরণের পর তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) সকালে সাড়ে ৮টায় সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। তিনি সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
আরও পড়ুন: বিদ্যালয়ের পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ জরাজীর্ণ সেতু, শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে পারাপার
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজির চেষ্টা করলেও শিশুর কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন।
পরিবারের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, রবিবার রাতে তাদের কাছে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোনকল আসে।
ফোনে সেঁজুতিকে জীবিত ফেরত দেওয়া হবে বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মৃত সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র বলেন, ‘আমার অনেক শত্রু আছে। মুক্তিপণের টাকা না পাওয়ায় আমার ছোট মেয়েটিকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
আরও পড়ুন: ১ম আন্তঃসার্ভিসেস সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপ প্রথম দিনেই সেনাদলের জয়জয়কার, ব্রোঞ্জ জিতলেন আনসারের আবদুল্লাহ
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, খবর Pপেয়ে সোমবার সকালে পুলিশ উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিসহ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আরও পড়ুন: ২৩ মামলার আসামি বগা আদালতে আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন