বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:২৪ পি.এম
গাজার অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী লালজাওমি ‘জোমি’ ফ্র্যাঙ্ককম এবং তার সহকর্মীদের হত্যার ঘটনায় ফৌজদারি তদন্ত না করার ইসরাইলি সিদ্ধান্তে অস্ট্রেলিয়া ‘ক্ষুব্ধ’ হয়ে উঠেছে। দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক বৃহস্পতিবার এ সংবাদ উল্লেখ করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত হিলেল নিউম্যানকে তলব করা হবে। পাশাপাশি ইসরাইলে নিযুক্ত অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূতকে দেশটির সরকারের কাছে ‘সরাসরি আমাদের অবস্থান জানাতে’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেছে।
ওং উল্লেখ করেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সরকার গত রাতে ইসরাইলের এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অবগত হয়েছে। ঘোষণার মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগে আমাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিশ্ব মানবিকতা দিবসে এমন একটি সিদ্ধান্ত জোমির স্বজন, মানবিক সহায়তাকর্মী এবং সকল অস্ট্রেলীয় নাগরিকের জন্য বিশেষভাবে অপমানজনক।’
২০২৪ সালের এপ্রিলে, ইসরাইলি বিমান হামলায় ভুলক্রমে তাদের ত্রাণবহরে আঘাত হানা হলে ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাত কর্মীর মধ্যে ফ্র্যাঙ্ককম নিহত হন।
তাদের মৃত্যু সারা বিশ্বে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি গাজায় ত্রাণকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি পুনরায় জোরালো হয়েছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইতোমধ্যে স্বীকার করেছেন যে, দেশটির সামরিক বাহিনী ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে’ ওই স্বেচ্ছাসেবকদের হত্যা করেছে।
তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বুধবার জানায়, তাদের মৃত্যুর ঘটনায় কোন ফৌজদারি তদন্ত হবে না।
এ ব্যাপারে ওং বলেন, ‘জোমি অস্ট্রেলিয়ার সেরাটার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার সাহসের প্রশংসা করা উচিত। তার পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘এই সিদ্ধান্ত আমাদের প্রত্যাশিত জবাবদিহির ধারেকাছেও আসে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী ও যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সৈয়দ মোনালিসা ইসলামকে ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন ৯ মামলায় জামিন পাওয়ার পর নতুন করে জুলাইয়ে নিউ মার্কেট থানায় আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায়।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ এ আদেশ দেন।
মোনালিসা ইসলামের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
এদিন আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি দেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে এর বিরোধিতা হয়।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে পরবর্তী রিমান্ডের আদেশ দেওয়ার জন্য আদালত তদন্তের বিষয়টি পর্যালোচনা করেন।
অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মেহেরপুরের ৮ মামলায় এবং ঢাকায় করা দুদকের এক মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান মোনালিসা ইসলাম। তিনি যখনই কারামুক্ত হবেন ঠিক তখনই মুক্তি আটকাতে তাকে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আজ তাকে রিমান্ডে নেওয়া হলো।
যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং ন্যায় বিচারের পরিপন্থী। এ নিয়ে তার নামে মোট ১০টি মামলা করা হলো।’
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল ৫টায় নিউ মার্কেটের ১ নম্বর গেটের সামনে হামলাকারীদের গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহতের শ্যালক আব্দুর রহমান। গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ঢাকার ইস্কাটন রোডের একটি বাড়ি থেকে পুলিশ মোনালিসা ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীতে বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) শুরু করেছে মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে নগরীর সেন্ট প্লাসিডস স্কুলের সামনে থেকে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সচিব আশরাফুল আমিন জানিয়েছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে চসিক বিটিআই ব্যবহার করছে। এর ফলস্বরূপ গত বছরের একই সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছর এই সময়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ৮০০-র বেশি ডেঙ্গু রোগী ছিল, কিন্তু চলতি বছরে তা প্রায় ৫৫০-৫৮০ জনে কমে এসেছে। গত বছরের সময়ে ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু ঘটলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলি হলো ২, ৩, ১৭, ১৮, ১৯, ৩২, ৩৪ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশক নিধন কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করতে শতাধিক কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ আট এলাকায় বিশেষ নজরদারির জন্য দায়িত্বে থাকবেন ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট।
চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনের পাশাপাশি নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্ববহ। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
প্রোগ্রাম শেষে পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন বালক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে বেদেপল্লীকে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মান্নান নগর বাজার এলাকার লালঘর সংলগ্ন মুকবুল আহমেদ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এ সময় অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন- এওজবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকব হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, নোয়াখালী সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা মাজহারুল হক চৌধুরী শিবলু, সাবেক ছাত্রনেতা মামুনুর রশীদ বাবর, সামছদ্দিন ড্রাইভার ও সেলিম চৌধুরীসহ স্থানীয়রা।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব এওজবালিয়া এলাকায় ২০১০ সালের দিকে নৌকা ও যাযাবর জীবন ছেড়ে বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলেন। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৬০০ পরিবারের বসবাস রয়েছে।
তাদের অভিযোগ, স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে সামাজিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করলেও বেদেপল্লীর বৃহৎ একটি অংশের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তারের কারণে স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং তরুণদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেন, বেদেপল্লীতে বসতি গড়ে ওঠার আগে এলাকায় মাদকের এমন বিস্তার ছিল না। বেদেরা বসবাস শুরুর পর থেকে এখানে মাদকের ডিলারদের তৎপরতা বেড়েছে। বেদের সঙ্গে সরাসরি মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মাদক প্রচারকারীদের যোগাযোগ রয়েছে। তারা সেখান থেকে মাদক এনে এখানে বিক্রি করছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদক যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ থেকে সমাজকে রক্ষা করতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকেও ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে স্থানীয়দের এমন উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান এবং মাদক নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ এক মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একাধিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নিরস্ত্র) কামরুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬:৪৫ ঘটিকায় ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের করেরহাট বাজারের বনফুল মিষ্টির দোকানের সামনের পাকা রাস্তার ওপর অভিযান চালায়। সেখান থেকে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ মিথুন চাকমা (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মিথুন চাকমা রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক থানার রাতকাটামুখ গ্রামের শোভাপূর্ণ চাকমার ছেলে।
একই দিন দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় মেহেদীনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জোরারগঞ্জ থানার নিয়মিত মামলা নম্বর-১৮(৮)২০২৬-এর এজাহারনামীয় আসামি মোঃ রিয়াদ হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করেন এসআই (নিঃ) মোঃ মাসুদ। রিয়াদ হোসেন দক্ষিণ অলিনগর এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে।
এছাড়া, বারইয়ারহাট বাজার এলাকা থেকে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৫১ ধারায় মোঃ শিহাব (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেন এসআই কামরুল হাসান। শিহাব মধ্যম সোনাপাহাড় (বেদে গ্রাম) এলাকার মৃত লেকু মিয়ার ছেলে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ২:৩০ ঘটিকায় এএসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে জিআর-২৩৭/১৭ পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ মাসুদকে তার নিজ বাড়ি ঘেড়ামারা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। মাসুদ লতিফ মাস্টারের বাড়ীর জসিম উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে পুলিশের এ ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ