প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম নগরীতে বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) শুরু করেছে মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে নগরীর সেন্ট প্লাসিডস স্কুলের সামনে থেকে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সচিব আশরাফুল আমিন জানিয়েছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে চসিক বিটিআই ব্যবহার করছে। এর ফলস্বরূপ গত বছরের একই সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছর এই সময়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ৮০০-র বেশি ডেঙ্গু রোগী ছিল, কিন্তু চলতি বছরে তা প্রায় ৫৫০-৫৮০ জনে কমে এসেছে। গত বছরের সময়ে ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু ঘটলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলি হলো ২, ৩, ১৭, ১৮, ১৯, ৩২, ৩৪ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশক নিধন কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করতে শতাধিক কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ আট এলাকায় বিশেষ নজরদারির জন্য দায়িত্বে থাকবেন ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট।
চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনের পাশাপাশি নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্ববহ। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
প্রোগ্রাম শেষে পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন বালক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন