বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:২৭ পি.এম
চট্টগ্রাম নগরীতে বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) শুরু করেছে মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে নগরীর সেন্ট প্লাসিডস স্কুলের সামনে থেকে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সচিব আশরাফুল আমিন জানিয়েছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে চসিক বিটিআই ব্যবহার করছে। এর ফলস্বরূপ গত বছরের একই সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছর এই সময়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ৮০০-র বেশি ডেঙ্গু রোগী ছিল, কিন্তু চলতি বছরে তা প্রায় ৫৫০-৫৮০ জনে কমে এসেছে। গত বছরের সময়ে ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু ঘটলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলি হলো ২, ৩, ১৭, ১৮, ১৯, ৩২, ৩৪ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশক নিধন কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করতে শতাধিক কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ আট এলাকায় বিশেষ নজরদারির জন্য দায়িত্বে থাকবেন ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট।
চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনের পাশাপাশি নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্ববহ। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
প্রোগ্রাম শেষে পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন বালক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে বেদেপল্লীকে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মান্নান নগর বাজার এলাকার লালঘর সংলগ্ন মুকবুল আহমেদ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এ সময় অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন- এওজবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকব হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, নোয়াখালী সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা মাজহারুল হক চৌধুরী শিবলু, সাবেক ছাত্রনেতা মামুনুর রশীদ বাবর, সামছদ্দিন ড্রাইভার ও সেলিম চৌধুরীসহ স্থানীয়রা।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব এওজবালিয়া এলাকায় ২০১০ সালের দিকে নৌকা ও যাযাবর জীবন ছেড়ে বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলেন। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৬০০ পরিবারের বসবাস রয়েছে।
তাদের অভিযোগ, স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে সামাজিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করলেও বেদেপল্লীর বৃহৎ একটি অংশের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তারের কারণে স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং তরুণদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেন, বেদেপল্লীতে বসতি গড়ে ওঠার আগে এলাকায় মাদকের এমন বিস্তার ছিল না। বেদেরা বসবাস শুরুর পর থেকে এখানে মাদকের ডিলারদের তৎপরতা বেড়েছে। বেদের সঙ্গে সরাসরি মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মাদক প্রচারকারীদের যোগাযোগ রয়েছে। তারা সেখান থেকে মাদক এনে এখানে বিক্রি করছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদক যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ থেকে সমাজকে রক্ষা করতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকেও ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে স্থানীয়দের এমন উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান এবং মাদক নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ এক মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একাধিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নিরস্ত্র) কামরুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬:৪৫ ঘটিকায় ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের করেরহাট বাজারের বনফুল মিষ্টির দোকানের সামনের পাকা রাস্তার ওপর অভিযান চালায়। সেখান থেকে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ মিথুন চাকমা (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মিথুন চাকমা রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক থানার রাতকাটামুখ গ্রামের শোভাপূর্ণ চাকমার ছেলে।
একই দিন দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় মেহেদীনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জোরারগঞ্জ থানার নিয়মিত মামলা নম্বর-১৮(৮)২০২৬-এর এজাহারনামীয় আসামি মোঃ রিয়াদ হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করেন এসআই (নিঃ) মোঃ মাসুদ। রিয়াদ হোসেন দক্ষিণ অলিনগর এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে।
এছাড়া, বারইয়ারহাট বাজার এলাকা থেকে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৫১ ধারায় মোঃ শিহাব (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেন এসআই কামরুল হাসান। শিহাব মধ্যম সোনাপাহাড় (বেদে গ্রাম) এলাকার মৃত লেকু মিয়ার ছেলে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ২:৩০ ঘটিকায় এএসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে জিআর-২৩৭/১৭ পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ মাসুদকে তার নিজ বাড়ি ঘেড়ামারা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। মাসুদ লতিফ মাস্টারের বাড়ীর জসিম উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে পুলিশের এ ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলা বুধবার প্রস্তুতিমূলক মহড়া চালিয়েছে, যা জুনের জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কারাকাসের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত অস্থায়ী টার্মিনালগুলো পরীক্ষা করার জন্য।
সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি লা গুয়াইরা রাজ্যে অবস্থিত। উল্লেখ্য, ২৪ জুন ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের কারণে এই রাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারাকাস থেকে পরিচালিত এএফপি বার্তা সংস্থা এ বিষয়ে খবর নিশ্চিত করেছে।
ভূমিকম্পের ফলে ৬ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং বহু ভবন ধসে পড়েছে। বিমানবন্দরের অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রধান রানওয়েটিও ভেঙে পড়েছে। ফলে, কয়েক সপ্তাহ ধরে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম মানবিক সহায়তার ফ্লাইট পর্যন্ত সীমিত ছিল।
বুধবারের মহড়ায় বিমানবন্দরটির কিছু ক্রিটিক্যাল এলাকা পরীক্ষা করা হয়, যার মাধ্যমে বিমানবন্দরটি আগের সক্ষমতার ৪০ শতাংশে আবার কার্যক্রম চালানোর উপযোগী হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ডেলসি রড্রিগেজ, যত দ্রুত সম্ভব বিমানবন্দরটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন।
ভূমিকম্পের পর যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করে ভেনেজুয়েলার বিমান চলাচল কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর বাইরে বিশাল তাঁবুতে দু’টি অস্থায়ী বহির্গমন টার্মিনাল এবং আরও দুটি আগমন টার্মিনাল স্থাপন করা হয়েছে।
৫ আগস্ট থেকে কার্গো ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। তবে যাত্রীবাহী ফ্লাইট কবে চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিন সপ্তাহব্যাপী ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/২’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার মিরপুরের সেনানিবাসস্থ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারী ফেলোদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন। ২০ আগস্ট শুরু হওয়া এই কোর্সে মোট ৩৯ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিনিধিগণ ছিলেন। প্রধান অতিথি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ক্যাপস্টোন কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করার এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য সকলকে আহ্বান জানান। ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ এর কমান্ড্যান্ট, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অব্যাহত সংলাপ ও ঐকমত্য গঠনে গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কোর্স চলাকালীন ফেলোদের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, কৌশলগত উপলদ্ধি সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের নেতৃত্বের মধ্যে একটি শক্তিশালী জাতীয় মেলবন্ধন গড়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে। ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ হিসেবে ক্যাপস্টোন কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, গঠনমূলক চিন্তাধারার বিকাশ, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ, এনডিসির অনুষদবৃন্দ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ