প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজার অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী লালজাওমি ‘জোমি’ ফ্র্যাঙ্ককম এবং তার সহকর্মীদের হত্যার ঘটনায় ফৌজদারি তদন্ত না করার ইসরাইলি সিদ্ধান্তে অস্ট্রেলিয়া ‘ক্ষুব্ধ’ হয়ে উঠেছে। দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক বৃহস্পতিবার এ সংবাদ উল্লেখ করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত হিলেল নিউম্যানকে তলব করা হবে। পাশাপাশি ইসরাইলে নিযুক্ত অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূতকে দেশটির সরকারের কাছে ‘সরাসরি আমাদের অবস্থান জানাতে’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেছে।
ওং উল্লেখ করেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সরকার গত রাতে ইসরাইলের এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অবগত হয়েছে। ঘোষণার মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগে আমাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিশ্ব মানবিকতা দিবসে এমন একটি সিদ্ধান্ত জোমির স্বজন, মানবিক সহায়তাকর্মী এবং সকল অস্ট্রেলীয় নাগরিকের জন্য বিশেষভাবে অপমানজনক।’
২০২৪ সালের এপ্রিলে, ইসরাইলি বিমান হামলায় ভুলক্রমে তাদের ত্রাণবহরে আঘাত হানা হলে ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাত কর্মীর মধ্যে ফ্র্যাঙ্ককম নিহত হন।
তাদের মৃত্যু সারা বিশ্বে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি গাজায় ত্রাণকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি পুনরায় জোরালো হয়েছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইতোমধ্যে স্বীকার করেছেন যে, দেশটির সামরিক বাহিনী ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে’ ওই স্বেচ্ছাসেবকদের হত্যা করেছে।
তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বুধবার জানায়, তাদের মৃত্যুর ঘটনায় কোন ফৌজদারি তদন্ত হবে না।
এ ব্যাপারে ওং বলেন, ‘জোমি অস্ট্রেলিয়ার সেরাটার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার সাহসের প্রশংসা করা উচিত। তার পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘এই সিদ্ধান্ত আমাদের প্রত্যাশিত জবাবদিহির ধারেকাছেও আসে না।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন