বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ পি.এম
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপসাগরীয় মিত্রদের সাথে আলোচনা করেন এবং বলেন, ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তিতে তাদের স্বার্থ বিবেচনায় রাখা হবে।
আঞ্চলিক অংশীদারদের কাছে এই সফরের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সাথে প্রাথমিক চুক্তিটি গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করে। সফর শেষ করার সময় রুবিও এ কথা বলেন।
মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে বাহরাইনে উপসাগরীয় আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, ওয়াশিংটন তার দীর্ঘদিনের শত্রু ইরানের সাথে একটি স্থায়ী শান্তির চেষ্টা করছে, যা তেলসমৃদ্ধ এই অঞ্চলের মিত্রদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই সংঘাত চলাকালে ইরান বিশ্বের দুইটি সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর কার্যকর নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তেল প্রবাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বৃহত্তর অর্থনীতিকে সংকটাপন্ন করে।
রুবিও বলেন, ‘বাস্তবতা হলো, পৃথিবীর কোনো দেশেরই আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহারের জন্য অর্থ আদায়ের অধিকার নেই। এবং এটি কোনো চুক্তিরই গ্রহণযোগ্য শর্ত হতে পারে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে মৌলিকভাবে স্পষ্ট।’
এদিকে, বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি, যিনি এই সমাবেশের সভাপতিত্ব করছেন, তিনি প্রণালীটির মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার জন্য ওমানের করিডোর ঘোষণার বিষয়টিকে স্বাগত জানান।
গত সপ্তাহে সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরে রুবিওর তিন দিনের উপসাগরীয় সফরটি প্রথম উচ্চ-পর্যায়ের কূটনৈতিক মিশন। এই সংঘাত শুরু হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে।
রুবিও তার মিশনের সংবেদনশীলতার কথা স্বীকার করেছেন এবং উপসাগরীয় আরব নেতাদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন, যারা শঙ্কিত যে অতিরিক্ত ছাড় তেহরানকে শক্তিশালী করতে পারে এবং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ভারসাম্য ও তেল প্রবাহের ধরন পরিবর্তন করতে পারে। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে তার পূর্ববর্তী সফরগুলোতে রুবিও কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন যে, প্রস্তাবিত চুক্তিটি ইরানের প্রতি অতিরিক্ত অনুকূল নয়। ইরান মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের সময় বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় রাষ্ট্রে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল।
রুবিও কুয়েতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এমন কিছুই করব না যা এই অঞ্চলে আমাদের দীর্ঘদিনের মিত্রদের নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে।’
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্পের কারণে ভেনিজুয়েলা সরকার রাজধানী কারাকাসের প্রধান বিমানবন্দর, সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানান, বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ কারণে সব ধরনের বিমান চলাচল ও কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, ভূমিকম্পের সময় বিমানবন্দরে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। অনেক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ বলেছেন, অগ্রাধিকারের বিষয় হলো ‘জীবন রক্ষা করা’।
ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
রদ্রিগেজ বলেছেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ডোমিনিকান রিপাবলিক, মেক্সিকো ও এল সালভাদরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধারকর্মীরা ভেনেজুয়েলায় পৌঁছাতে শুরু করবে।
তিনি আরো জানান, যারা তাদের বাড়িঘর হারিয়েছেন, তাদের জন্য হোটেল ও আশ্রয়স্থল প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং জনসেবার জন্য অপরিহার্য নয়, এমন সব শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম ও অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় ৩ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন- ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত ছহিরুদ্দিনের মেয়ে এবং চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাওকি গ্রামের মুকুল মল্লিকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মিঠু মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও মনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (পলাতক)।
তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, একই মামলার আসামি ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে মুকুল মালিকের বিরোধ হয়। ওই রাতেই মুকুল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ আগস্ট গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠের একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস হরিণাকুন্ডু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত ৩ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দিয়েছে।
রায়ে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পূর্বে ভোগ করা হাজতবাসের সময় দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে উস্কানিমূলক, মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০ জুন, মামলাটি দায়ের করেছিলেন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন), ঘটনার মাত্র ৫ দিনের মধ্যে বাদী নিজে সামাল দিতে নিজেদের মতো করেই মামলাটি প্রত্যাহার করেন। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জালাল আহমেদের পক্ষে মামলার প্রত্যাহারের আবেদন করা আইনজীবী মো. জাফর আলী।
আইনজীবী মো. জাফর আলী জানিয়েছেন, ‘বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে। কাজেই তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করতে চেয়েছেন বলে জানালে আমরা সেটি কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নং আমলী আদালতে দরখাস্ত করি।’
তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জালাল আহমেদের সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এর আগে পুলিশ স্টেশনে দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা হয় যে—মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উস্কানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত সুনামকে ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন মুফতি ফয়জুল করীম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীতে ছিনতাই ও চুরি হওয়া মুঠোফোনের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি) নম্বর পরিবর্তন করে বিক্রির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই এবং চুরি করে আসছিল। পরে চক্রটি চুরি ও ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে দেশের বিভিন্ন জেলাছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্প, মিয়ানমার ও ভারতে পাচার করত। পুলিশের নিয়মিত অভিযানে এ ধরনের অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়ে আইনের আওতায় এলেও অনেকেই জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান জানান, একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্ঘাটন করতে গিয়ে গত ২৪ জুন কোতোয়ালি থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জাভেদুল হোসেন ওরফে মনিকে গ্রেপ্তার করে।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর নন্দনকানন এলাকা থেকে চক্রের মূলহোতা মুহাম্মদ সোহেল উদ্দিন ওরফে পার্টি সোহেল, সিদ্দিক মিয়া সজীব, মো. শামীম এবং ফাইসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মো. হাবিবুর রহমান জানান, এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ২৪টি আইফোন, ১৩৩টি মোবাইল ফোন, পাঁচটি ল্যাপটপ, ২০৩টি মোবাইল সিম, একটি মাইক্রোস্কোপ, নগদ ১ লাখ ৩ হাজার টাকা, ৪৪টি মোবাইল ফোনের কেসিং, মাদারবোর্ড এবং মোবাইল ফোনের আইএমইআই পরিবর্তনে ব্যবহৃত একটি ফাইবার লেজার মার্কিং মেশিন উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি জানান, আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে যে তারা বিভিন্ন চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে কম দামে মোবাইল ফোন কিনে সংগ্রহ করত। পরে তারা বিশেষ সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফোনগুলোর আইএমইআই নম্বর ও কেসিং পরিবর্তন করে বৈধ মোবাইল ফোন হিসেবে বাজারজাত করে।
তিনি আরও জানান, চক্রটি মোবাইলসহ বিভিন্ন ডিভাইসের তথ্য পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম। এছাড়া তারা মোবাইলের মাদারবোর্ড খুলে নতুন সেটিংসে প্রবেশ করিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি ফাইবার লেজার মার্কিং মেশিন দিয়ে আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে। ফলে চুরি যাওয়া মোবাইলটি নতুন একটি মোবাইলে পরিণত হয়। আইএমইআই পরিবর্তন হলে সেটি পুলিশের নজরদারির বাইরে চলে যায় এবং পরে ওই ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয় না।
হাবিবুর রহমান আরও জানান, গ্রেপ্তার সোহেলের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন থানায় আটটি মামলা রয়েছে। এই চক্রের মূলহোতা সোহেল। তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিন্তু জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে চারটি এবং আবু সাঈদের বিরুদ্ধে একটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও সাইবার সুরক্ষা আইনে আজ বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে। সবাই পেশাদার অপরাধী।
চোরাই মোবাইল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের মোবাইল আমদানি বা ক্রয়ের কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। মাঝেমধ্যে আমরা মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরীক্ষা করব এবং ফোনের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইব। ব্যবসায়ীদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, তারা যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ