বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ পি.এম
ভূমিকম্পের কারণে ভেনিজুয়েলা সরকার রাজধানী কারাকাসের প্রধান বিমানবন্দর, সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানান, বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ কারণে সব ধরনের বিমান চলাচল ও কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, ভূমিকম্পের সময় বিমানবন্দরে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। অনেক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ বলেছেন, অগ্রাধিকারের বিষয় হলো ‘জীবন রক্ষা করা’।
ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
রদ্রিগেজ বলেছেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ডোমিনিকান রিপাবলিক, মেক্সিকো ও এল সালভাদরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধারকর্মীরা ভেনেজুয়েলায় পৌঁছাতে শুরু করবে।
তিনি আরো জানান, যারা তাদের বাড়িঘর হারিয়েছেন, তাদের জন্য হোটেল ও আশ্রয়স্থল প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং জনসেবার জন্য অপরিহার্য নয়, এমন সব শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম ও অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় ৩ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন- ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত ছহিরুদ্দিনের মেয়ে এবং চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাওকি গ্রামের মুকুল মল্লিকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মিঠু মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও মনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (পলাতক)।
তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, একই মামলার আসামি ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে মুকুল মালিকের বিরোধ হয়। ওই রাতেই মুকুল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ আগস্ট গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠের একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস হরিণাকুন্ডু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত ৩ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দিয়েছে।
রায়ে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পূর্বে ভোগ করা হাজতবাসের সময় দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে উস্কানিমূলক, মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০ জুন, মামলাটি দায়ের করেছিলেন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন), ঘটনার মাত্র ৫ দিনের মধ্যে বাদী নিজে সামাল দিতে নিজেদের মতো করেই মামলাটি প্রত্যাহার করেন। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জালাল আহমেদের পক্ষে মামলার প্রত্যাহারের আবেদন করা আইনজীবী মো. জাফর আলী।
আইনজীবী মো. জাফর আলী জানিয়েছেন, ‘বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে। কাজেই তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করতে চেয়েছেন বলে জানালে আমরা সেটি কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নং আমলী আদালতে দরখাস্ত করি।’
তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জালাল আহমেদের সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এর আগে পুলিশ স্টেশনে দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা হয় যে—মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উস্কানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত সুনামকে ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন মুফতি ফয়জুল করীম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীতে ছিনতাই ও চুরি হওয়া মুঠোফোনের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি) নম্বর পরিবর্তন করে বিক্রির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই এবং চুরি করে আসছিল। পরে চক্রটি চুরি ও ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে দেশের বিভিন্ন জেলাছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্প, মিয়ানমার ও ভারতে পাচার করত। পুলিশের নিয়মিত অভিযানে এ ধরনের অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়ে আইনের আওতায় এলেও অনেকেই জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান জানান, একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্ঘাটন করতে গিয়ে গত ২৪ জুন কোতোয়ালি থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জাভেদুল হোসেন ওরফে মনিকে গ্রেপ্তার করে।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর নন্দনকানন এলাকা থেকে চক্রের মূলহোতা মুহাম্মদ সোহেল উদ্দিন ওরফে পার্টি সোহেল, সিদ্দিক মিয়া সজীব, মো. শামীম এবং ফাইসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মো. হাবিবুর রহমান জানান, এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ২৪টি আইফোন, ১৩৩টি মোবাইল ফোন, পাঁচটি ল্যাপটপ, ২০৩টি মোবাইল সিম, একটি মাইক্রোস্কোপ, নগদ ১ লাখ ৩ হাজার টাকা, ৪৪টি মোবাইল ফোনের কেসিং, মাদারবোর্ড এবং মোবাইল ফোনের আইএমইআই পরিবর্তনে ব্যবহৃত একটি ফাইবার লেজার মার্কিং মেশিন উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি জানান, আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে যে তারা বিভিন্ন চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে কম দামে মোবাইল ফোন কিনে সংগ্রহ করত। পরে তারা বিশেষ সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফোনগুলোর আইএমইআই নম্বর ও কেসিং পরিবর্তন করে বৈধ মোবাইল ফোন হিসেবে বাজারজাত করে।
তিনি আরও জানান, চক্রটি মোবাইলসহ বিভিন্ন ডিভাইসের তথ্য পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম। এছাড়া তারা মোবাইলের মাদারবোর্ড খুলে নতুন সেটিংসে প্রবেশ করিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি ফাইবার লেজার মার্কিং মেশিন দিয়ে আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে। ফলে চুরি যাওয়া মোবাইলটি নতুন একটি মোবাইলে পরিণত হয়। আইএমইআই পরিবর্তন হলে সেটি পুলিশের নজরদারির বাইরে চলে যায় এবং পরে ওই ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয় না।
হাবিবুর রহমান আরও জানান, গ্রেপ্তার সোহেলের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন থানায় আটটি মামলা রয়েছে। এই চক্রের মূলহোতা সোহেল। তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিন্তু জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে চারটি এবং আবু সাঈদের বিরুদ্ধে একটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও সাইবার সুরক্ষা আইনে আজ বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে। সবাই পেশাদার অপরাধী।
চোরাই মোবাইল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের মোবাইল আমদানি বা ক্রয়ের কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। মাঝেমধ্যে আমরা মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরীক্ষা করব এবং ফোনের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইব। ব্যবসায়ীদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, তারা যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের সময়, স্থানীয় অনেক বাসিন্দা এক অলৌকিক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। যিনি অনুভব করলেন মাটিতে কম্পন শুরু হওয়ার ঠিক কয়েক সেকেন্ড আগে তাদের স্মার্টফোনে গুগলের সতর্কবার্তা ভেসে উঠেছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিভিন্ন ব্যবহারকারী জানান যে, ভূমিকম্পটি তাদের অবস্থান থেকে প্রায় ৩৪১ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানা সত্ত্বেও গুগল আগেভাগেই নোটিফিকেশন পাঠিয়েছিল। ভূমিকম্পের প্রাথমিক সংকেত ঘটে যাওয়ার আগেই গুগল কীভাবে সেগুলি টের পায়, তার উত্তর পাওয়া যায় আমাদের হাতে থাকা স্মার্টফোনে।
বিশ্বব্যাপী থাকা কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করে গুগল গড়ে তুলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প শনাক্তকরণ নেটওয়ার্ক বা সিসমোগ্রাফ। প্রতিটি আধুনিক স্মার্টফোনে রয়েছে ‘অ্যাক্সেলেরোমিটার’ নামের একটি সেন্সর, যা ফোনের স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘোরানোর কাজ করে। তবে এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো, এটি সূক্ষ্ম কম্পনও পরিমাপ করতে পারে। যখন কোনও এলাকার কম্পন শুরু হয়, তখন অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলো গুগলের কেন্দ্রীয় সার্ভারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত ও সম্ভাব্য অবস্থান পাঠায়। এই সার্ভার দ্রুত সময়ে ওই অঞ্চলের অন্যান্য ফোনের ডেটা বিশ্লেষণ করে, যদি একসঙ্গে অনেক ফোন থেকে একই ধরনের কম্পনের সংকেত আসে, তখন গুগল নিশ্চিত হয় যে একটি ভূমিকম্প আসছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০০ কোটিরও বেশি অ্যান্ড্রয়েড ফোন এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
ভূমিকম্পের তরঙ্গের গতি ফোনের নেটওয়ার্ক সিগন্যালের গতি তুলনায় বেশি হওয়াতেই গুগল এই আগাম সতর্কতা দিতে পারে। ভূমিকম্পের সময় মূলত দুই ধরনের তরঙ্গ সৃষ্টি হয়; প্রথমটি ‘পি-ওয়েভ’ বা প্রাইমারি ওয়েভ, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬ কিলোমিটার গতিতে ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু এটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল। এর ঠিক পরে প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার গতিতে চলে আসে অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক ‘এস-ওয়েভ’ বা সেকেন্ডারি ওয়েভ, যা মূলত সব ক্ষয়ক্ষতি করে। স্মার্টফোনের সেন্সর দুর্বল পি-ওয়েভটি শনাক্ত করে হামলে গিয়ে সার্ভারে সংকেত পাঠায়, এবং সেই তথ্য আলোর গতিতে গুগলের কাছে পৌঁছায়। এর ফলে ধ্বংসাত্মক এস-ওয়েভ মানুষের ঘরবাড়িতে পৌঁছানোর আগেই গুগল তথ্য যাচাই করে ব্যবহারকারীদের ফোনে সতর্কবার্তা পাঠাতে সক্ষম হয়।
অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমের মাধ্যমে ভূমিকম্পের তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে দুই ধরনের অ্যালার্ট বা সতর্কবার্তা পাঠানো হয়ে থাকে। মৃদু কম্পনের ক্ষেত্রে ‘বি অ্যাওয়ার অ্যালার্ট’ ব্যবহারকারীদের প্রস্তুত করতে পাঠানো হয়, এবং মাঝারি থেকে তীব্র কম্পনের ক্ষেত্রে ‘টেক অ্যাকশন অ্যালার্ট’ ব্যবহার হয়, যা জীবন ও সম্পদ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রচার করে। এই নোটিফিকেশনে ট্যাপ করলে ব্যবহারকারীরা সতর্কতার পদ্ধতি, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল এবং তীব্রতার বিস্তারিত মানচিত্র দেখতে পারেন। ২০১৩ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে চালু হওয়া গুগলের এই বিশেষ প্রযুক্তিটি অ্যান্ড্রয়েড ৫ বা তার উন্নত সংস্করণের ফোনে কাজ করে এবং ফোনে সার্বক্ষণিক ওয়াই-ফাই বা সেলুলার ডাটা কनेकশন চালু থাকতে হয়। যে কোন ব্যবহারকারী চাইলে ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে এই সুবিধাটি বন্ধ করে রাখতে পারেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ