ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যামিলি এবং কৃষক কার্ডধারীদের জন্য সরকারের পরিকল্পনা


ফ্যামিলি এবং কৃষক কার্ডধারীদের জন্য সরকারের পরিকল্পনা

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ডধারী এবং ৪৩ লাখ কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে একটি শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনেতিক কাঠামো তৈরি করা হবে। সরকারের এই পরিকল্পনার আওতায় কৃষককার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং তৃণমূল পর্যায়ে খাল খনন, শিক্ষা বিস্তারে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে 'জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬' উপলক্ষে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড দ্বারা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন। সভায় মূল অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এবারের দিবসের ‘প্রতিপাদ্য’ ছিল উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, ‘পল্লী উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সেক্টরকে তৃণমূল পর্যায়ে আমরা কাজে লাগাব, যাতে গ্রামীণ অর্থনীতি এক নতুন পর্যায়ে চলে আসে। আমরা গ্রামীণ উন্নয়নকে উচ্চ শিখরে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

পল্লী উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'আপনাদের কাজ সরকারের মাধ্যমে সহজতর করা হয়েছে। এই অর্থবছরে টার্গেটেড গ্রুপ হিসেবে ৪১ লাখ পরিবারের প্রধান নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই কার্ডধারী নারীদের সমিতির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া, এই অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে 'কৃষক কার্ড' প্রদান করা হবে এবং অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। ঐ কার্ডধারীদের ঐক্যবদ্ধ করে তুলতে হবে।'

বক্তব্যের শুরুতে তিনি আরও বলেন, ‘শিশুকাল থেকে যে গ্রাম আমি দেখেছি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যে উন্নয়ন হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতা বেগম খালেদা জিয়া চালিয়ে গিয়েছিলেন। আমরা আবার সেখানে ফিরে যেতে চাই। আমি এমন গ্রাম চাই যেখানে সঠিক সমিতি এবং সঠিক পল্লী ব্যবস্থাপনা থাকবে এবং গ্রামবাসীর মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা থাকবে।'

তিনি বলেন, 'আমরা গ্রামীণ উন্নয়নে সবুজ বিপ্লব চাই, সেই সমিতি চাই, সেই উন্নয়ন এবং ঐক্যবদ্ধতা ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের সৌভাগ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমরা পেয়েছি। পল্লী উন্নয়ন সকল সেক্টরকে তৃণমূল পর্যায়ে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে উন্নতির স্বর্ণ শিখরে নিয়ে যাওয়া হবে।'

সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব শওকত রশীদ চৌধুরী।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোবিন্দগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


গোবিন্দগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

 

সোমবারের দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা বিআরডিবি কার্যালয়ের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলা চত্বর প্রদক্ষিণের পর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হক।

বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন যে, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, সঞ্চয় এবং সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে টেকসই পল্লী উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের জন্য সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে।

পরে একটি তথ্যবহুল ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওটিতে বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়নের অগ্রগতি এবং সাফল্যকে তুলে ধরা হয়।

এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফারুক আহম্মেদ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মিজানুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম মন্ডল জুয়েল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ, উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুবুল হক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রওশানুল কাওছার, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনুসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুফলভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে বিআরডিবির অধীনে সুফলভোগীদের মাঝে ঋণ ও পরিবেশ বান্ধব গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের রান্নায় ব্যস্ত থাকা অবস্থায় গর্তে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


মায়ের রান্নায় ব্যস্ত থাকা অবস্থায় গর্তে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের সর্দারকান্দি গ্রামে সোমবার (৬ জুলাই) সকালে একটি দুর্ঘটনায় জুনায়েদ রাড়ী (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটে।

এ দুর্ঘটনাটি বাড়ির পাশের একটি গর্তে জমে থাকা পানিতে ঘটে। নিহত জুনায়েদ রাড়ী ওই গ্রামের রানা রাড়ীর পুত্র ছিলেন।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওইদিন সকালে জুনায়েদের মা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তার মা রান্নার কাজের মধ্যে থাকার কারণে জুনায়েদ বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করছিল। খেলাধুলার সময়, জুনায়েদ একপর্যায়ে বাড়ির পাশের খোঁড়া গর্তে পড়ে যায়, যেখানে পানির জমা ছিল। বহুক্ষণ ধরে জুনায়েদকে দেখতে না পেয়ে তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

অবশেষে, যখন তিনি গর্তের পানিতে জুনায়েদকে ভাসতে দেখেন, তখন তিনি চিৎকার করেন। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এসে জুনায়েদকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জুনায়েদের চাচা শাহ আলম রাড়ী এ ঘটনার বিষয়ে জানান, জুনায়েদ ছিল খুবই চঞ্চল। সকালে খেলতে খেলতে, কখন সে গর্তের পানিতে পড়েছে, কেউ বুঝতে পারেনি। খোঁজাখুঁজির পর তাকে পানিতে ভাসতে দেখা যায়। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, শিশুটি আর বেঁচে নেই। আমরা এই মৃত্যুকে কোনোভাবেই গ্রহণ করতে পারছি না।

এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. ওমর ফারুক বলেন, শিশুটিকে আমাদের কাছে যখন আনা হয়, তখন আমরা পর্যবেক্ষণ করে বাচ্চাটির কোনো হার্টবিট পাইনি। হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটি মারা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়া মঞ্চের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনে গাইবান্ধায় আনন্দ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


জিয়া মঞ্চের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনে গাইবান্ধায় আনন্দ মিছিল

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সহযোগী সংগঠন জিয়া মঞ্চের গাইবান্ধা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন উপলক্ষে এক আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (৬ জুলাই) দুপুরের সময়ে জেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে শহরের পুরাতন ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু করে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করা হয়।

এই শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়ে যায়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জিয়া মঞ্চের সভাপতি মাহামুদুল হাসান সিদ্দিক মুসা, সাধারণ সম্পাদক মুকুল আলম সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন খান, রিয়ন ইসলাম রকি, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মিয়া, এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদত হোসেন মিশুক।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার সাত উপজেলার জিয়া মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলো, গত ১ জুলাই কেন্দ্রীয় জিয়া মঞ্চ ৯১ সদস্যবিশিষ্ট গাইবান্ধা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেজালবিরোধী অভিযান গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


ভেজালবিরোধী অভিযান গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান ও সেসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে দ্রুত সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদী সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে রিপোর্ট দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। তিনি জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে সদস্য করে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই, ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩ টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।

এই সময় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি কর্পোরেশনসহ মাঠ পর্যায়ে ভেজাল বিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন: ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা সঙ্কট এবং প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে তারা জেলাপর্যায়ে জনবল বাড়ানো, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা, মাঠ পর্যায়ের কাজ করার জন্য আধুনিক ইকুইপমেন্ট এবং বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্কটের কথাগুলো গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “সমস্যা থাকবেই। তারপরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বসে থাকলে চলবে না। পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।”

সভায় প্রধানমন্ত্রী জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, “আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%